ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাড়ছে


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাড়ছে

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান দেশের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলমান হওয়ায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই তথ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতির শান্ত হওয়ার কারণে জাহাজ মালিকদের মধ্যে আগের চেয়ে বেশি ভরসা ফিরেছে এবং তাদের ওপর হামলার ঝুঁকি কমেছে।

সামুদ্রিক তথ্য পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘সিগনাল’-এর হিসাব অনুযায়ী, ১ জুলাই উপসাগরীয় এলাকায় দৈনিক যাতায়াত করা জাহাজের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮টিতে। অথচ যুদ্ধের চরম অবস্থার সময় এই সংখ্যা মাত্র ১ বা ২টিতে নেমে এসেছিল।

যদিও জাহাজ চলাচল বাড়ছে, তাও যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় এখনও অনেক কম। লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স জানায়, শেষ সপ্তাহে মোট ২৫৮টি জাহাজ এই জলপথ দিয়ে যাতায়াত করেছে। কিন্তু মার্চ মাসের যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে এই সংখ্যা মাত্র ৪১টিতে নেমে গিয়েছিল। আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হতো। তখন প্রতিদিন প্রায় ১৩৫টি জাহাজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করত।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়, খাবার, জ্বালানি এবং সার শিল্পের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল। তবে এই সংকটের সময়ে কিছু জাহাজ বিকল্প পথে চলাচল করেছে। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলের কিছু বন্দর বেশ লাভবান হয়েছে। কাতারের দোহায় অবস্থিত হামাদ বন্দরে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ছিল। এছাড়া জেবেল আলী, খোর ফাক্কান ও সোহার বন্দরগুলো বিকল্প রুটের বাড়তি চাপ সামলে সচল ছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আনন্দ উৎসবে মুখর কানাডা, পালিত হলো ১৫৯তম ‘কানাডা ডে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


আনন্দ উৎসবে মুখর কানাডা, পালিত হলো ১৫৯তম ‘কানাডা ডে’

কানাডায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে পালন করা হয়েছে দেশটির ১৫৯তম ‘কানাডা ডে’। জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা আয়োজনের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিরাও অংশ নেন বিভিন্ন কর্মসূচিতে।

দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় কানাডার জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজন করা হয় জন্মদিনের কেক কাটা, শিশু-কিশোরদের ফেস পেইন্টিং, জাম্পিং গেমস, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী শারীরিক কসরত এবং আলোচনা সভার। বিভিন্ন প্রদেশ ও শহরে মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ পৃথক শুভেচ্ছাবার্তায় দেশবাসীকে ‘কানাডা ডে’র শুভেচ্ছা জানান।

কানাডার অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় সাড়ে চার লাখ থেকে পাঁচ লাখ মানুষ দেশটিতে অভিবাসন নেন। কানাডা বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী প্রক্রিয়া, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা, জননিরাপত্তা, শক্তিশালী ব্যাংকিং এবং স্থিতিশীল অর্থনীতির জন্য বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় দেশ হিসেবে পরিচিত।

এবারের ‘কানাডা ডে’ পরিপ্রেক্ষিতে আলবার্টা প্রদেশে কিছুটা ভিন্ন আবহ লক্ষ্য করা গেছে। দেশপ্রেমের পাশাপাশি অনেক বাসিন্দার মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার অনুভূতি ছিল। কারণ, প্রদেশটির সম্বন্ধে বিচ্ছিন্নতা নিয়ে গণভোটের রাজনৈতিক আলোচনা তীব্র হয়েছে। আসন্ন ১৯ অক্টোবর আলবার্টার ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন, প্রদেশটি কানাডার অংশ হিসেবেই থাকবে নাকি কনফেডারেশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দ্বিতীয় ও বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এই গণভোটকে ঘিরে মে মাস থেকেই বিভিন্ন সংগঠন পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এবারের ‘কানাডা ডে’তে বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং কানাডাপন্থী উভয় পক্ষই আলবার্টাবাসীকে দেশের অতীত, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, আসন্ন গণভোটের ফল শুধুমাত্র আলবার্টার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নয়, কানাডার জাতীয় ঐক্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাণবন্ত আয়োজনে রাজশাহীতে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


প্রাণবন্ত আয়োজনে রাজশাহীতে মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে মিনি ম্যারাথন যা নদীর পানির ন্যায্য বন্টন, বর্জ্য ও প্লাস্টিকদূষণ রোধ, দখলদার উচ্ছেদ, জীববৈচিত্র রক্ষা এবং নদী রক্ষায় কমিশন গঠনের দাবিদাওয়া নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার ‘রান ফর পদ্মা’ ব্যানারে সাড়ে সাত কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই দৌড়ে অংশগ্রহণ করে তিন শতাধিক দৌড়প্রেমী।

শুক্রবার সকালে ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই রাজশাহীর লালনশাহ মুক্তমঞ্চে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষেরা জড়ো হন। এদের লক্ষ্য ছিল নদীর প্রাণ ফিরিয়ে আনা। জনমত তৈরির উদ্দেশ্যে তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে দৌড়ান হাফ ম্যারাথনে।

দৌড়টি মুক্তমঞ্চ থেকে শুরু হয়ে ফুড অফিস মোড় ঘুরে পুনরায় একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। এর পূর্বে, সাড়ে ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই মিনি ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন।

জানানো হয়েছে, ভারত ফারাক্কার উজানে একতরফা পানি প্রত্যাহার করছে। সেই সাথে নদীতে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে ও প্লাস্টিকের দূষণ ঘটছে। নদীর পাড়ে দখল সৃষ্টি হচ্ছে। এসবের ফলে নাব্যতা হারাচ্ছে প্রমত্তা পদ্মা। নদীতে পানির প্রবাহ দীর্ঘদিন ধরে কম থাকায় মারাত্মক ক্ষতির স্বীকার হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। বরেন্দ্রের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে, ফলে এ অঞ্চলে মরুকরণের ঝুঁকি বাড়ছে। নদী বাঁচাতে দখলদার উচ্ছেদ, জীববৈচিত্র রক্ষা এবং নদী রক্ষায় কমিশন গঠনের দাবিতে এই দৌড় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘রান ফর পদ্মা’র আহ্বায়ক জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, নদী রক্ষায় এবং আন্তর্জাতিক নদীগুলোর ওপর আমাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। সেই দাবির পক্ষে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তুলতেই এই ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে।

এ আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ, ট্রাফিক বিভাগ, সিভিল সার্জন কার্যালয় এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। তারা দৌড়ের অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা, চিকিৎসা সহায়তা, রুট ব্যবস্থাপনা ও পানি সরবরাহ নিশ্চিত করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাব্যতা হারিয়ে দখলের শিকার প্রাচীন নদীবন্দর মিরকাদিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০২ পি.এম


নাব্যতা হারিয়ে দখলের শিকার প্রাচীন নদীবন্দর মিরকাদিম

একসময় ধান-চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন পণ্যের পাইকারি বেচাকেনায় দিন-রাত সরগরম থাকত ঐতিহ্যবাহী মিরকাদিম বন্দর। দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই নৌ-বাণিজ্য কেন্দ্রটি বর্তমানে নাব্য সংকট, অভ্যন্তরীণ খাল দখল-দূষণ এবং দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় নিজের জৌলুশ হারিয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে।

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম এলাকার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নাব্য সংকটের কারণে ভরা বর্ষা মৌসুমেও মিরকাদিম লঞ্চঘাটে লঞ্চ ভিড়ছে না। নিয়মিত নৌযান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত অভ্যন্তরীণ খালগুলো দখল ও দূষণের কারণে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। জলপথে পণ্য পরিবহন কমে যাওয়ার পাশাপাশি স্থলপথে সরু ও ভাঙাচোরা সড়কের কারণে ভারী যানবাহন চলাচলে নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে।

এসব সমস্যার কারণে মিরকাদিমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। একসময়ের তিন শতাধিক ধানের চাতাল ও চালের আড়তের অধিকাংশই বন্ধ হয়ে গেছে। একইভাবে ডাল, তেল, আটা-ময়দাসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও পাইকারি ব্যবসাও সংকুচিত হয়েছে। মাছের আড়তেও আগের তুলনায় সরবরাহ অনেক কমে গেছে। একসময় ২৪ ঘণ্টা কর্মচাঞ্চল্যে মুখর থাকা ঘাট এখন অনেকটা নির্জীব হয়ে পড়েছে।

ব্যবসায়িক কার্যক্রম কমে যাওয়ায় এলাকায় থাকা চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শাখাও কমলাঘাট এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষায়, একসময় ‘দ্বিতীয় কলকাতা’ নামে পরিচিত মিরকাদিম এখন তার ঐতিহ্য ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।

এদিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জানিয়েছে, ২০০৫ সালের রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) রিকাবীবাজার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে মিরকাদিমের কাঠপট্টি এলাকায় লঞ্চঘাট স্থানান্তরের পর থেকেই নাব্য সংকট প্রকট হয়ে ওঠে। বর্তমানে ঘাটটি ধলেশ্বরী নদীর মূল চ্যানেল থেকে দূরে থাকায় বারবার ড্রেজিং করেও পর্যাপ্ত নাব্য ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে নিয়মিত লঞ্চ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, দ্রুত নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনা, খালগুলো উদ্ধার করে নৌচলাচল চালু এবং সড়ক যোগাযোগের উন্নয়নের দাবি জানাচ্ছেন। তাদের মতে, এসব সমস্যার সমাধান না হলে প্রাচীন এই নদীবন্দরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব আরও কমে যাবে।

এ বিষয়ে মিরকাদিম পৌরসভার প্রশাসক ও মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘মিরকাদিম বন্দরের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া হবে। এরই মধ্যে নয়নের খাল উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সমস্যার সমাধানেও সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।’

মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন বলেন, ‘মিরকাদিমের ঐতিহাসিক গুরুত্ব পুনরুদ্ধারে সরকার আন্তরিক। নৌপথ, খাল ও সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে বন্দরের ব্যবসায়িক কার্যক্রম আবারও সচল করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে।’

স্থানীয়দের আশা, দীর্ঘদিনের নাব্য সংকট দূর, খাল পুনরুদ্ধার এবং আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে প্রাচীন নদীবন্দর মিরকাদিম আবারও দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমান আলীর সোলার প্যানেলে পুরো এলাকা, মির্জা ফখরুল প্রশংসায় ভাসালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


সালমান আলীর সোলার প্যানেলে পুরো এলাকা, মির্জা ফখরুল প্রশংসায় ভাসালেন

বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রকৃতপক্ষে সালমান আলী একজন সাইকেল মেকানিক ছিলেন। কাজ চলমান থাকাকালীন সময়ে তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা সদরের রায়পুর ইউনিয়নের মোলানী বাজার চুনিহাড়ী পশ্চিম পাড়ায় সোলায়মান আলীর উদ্ভাবিত সোলার প্যানেল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বলেন, সালমান আলী চিন্তা করেছিলেন সোলার উদ্ভাবন করে অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করবেন। আজ এখানকার পূর্ণ চাহিদা সোলার প্যানেল দিয়ে মিটিয়ে আসছেন। তিনি সম্পূর্ণভাবে নিজের চেষ্টায় নীরবে কাজ করে গেছেন। কী করে নিজের উন্নতি করা যায় এবং দেশের উন্নতি করা যায় সেই চেষ্টা করেছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, এজন্য আমি শিক্ষিত যুবকদের বারবার বলি, নিজেদের কিছু করার চেষ্টা করুন। সোলেমান আলী একজন সাধারণ সাইকেল মেকানিক হয়েও এই এলাকার মানুষকে তার প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করছেন। সরকারের পক্ষ থেকে তাকে আরও বেশি সহযোগিতা করা হবে, এই কাজকে এগিয়ে নিতে।

এসময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%