প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান দেশের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলমান হওয়ায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই তথ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতির শান্ত হওয়ার কারণে জাহাজ মালিকদের মধ্যে আগের চেয়ে বেশি ভরসা ফিরেছে এবং তাদের ওপর হামলার ঝুঁকি কমেছে।
সামুদ্রিক তথ্য পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘সিগনাল’-এর হিসাব অনুযায়ী, ১ জুলাই উপসাগরীয় এলাকায় দৈনিক যাতায়াত করা জাহাজের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮টিতে। অথচ যুদ্ধের চরম অবস্থার সময় এই সংখ্যা মাত্র ১ বা ২টিতে নেমে এসেছিল।
যদিও জাহাজ চলাচল বাড়ছে, তাও যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় এখনও অনেক কম। লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স জানায়, শেষ সপ্তাহে মোট ২৫৮টি জাহাজ এই জলপথ দিয়ে যাতায়াত করেছে। কিন্তু মার্চ মাসের যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে এই সংখ্যা মাত্র ৪১টিতে নেমে গিয়েছিল। আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হতো। তখন প্রতিদিন প্রায় ১৩৫টি জাহাজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করত।
হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়, খাবার, জ্বালানি এবং সার শিল্পের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল। তবে এই সংকটের সময়ে কিছু জাহাজ বিকল্প পথে চলাচল করেছে। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলের কিছু বন্দর বেশ লাভবান হয়েছে। কাতারের দোহায় অবস্থিত হামাদ বন্দরে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ছিল। এছাড়া জেবেল আলী, খোর ফাক্কান ও সোহার বন্দরগুলো বিকল্প রুটের বাড়তি চাপ সামলে সচল ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন