প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
কানাডায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে পালন করা হয়েছে দেশটির ১৫৯তম ‘কানাডা ডে’। জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে নানা আয়োজনের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিরাও অংশ নেন বিভিন্ন কর্মসূচিতে।
দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় কানাডার জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজন করা হয় জন্মদিনের কেক কাটা, শিশু-কিশোরদের ফেস পেইন্টিং, জাম্পিং গেমস, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী শারীরিক কসরত এবং আলোচনা সভার। বিভিন্ন প্রদেশ ও শহরে মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ পৃথক শুভেচ্ছাবার্তায় দেশবাসীকে ‘কানাডা ডে’র শুভেচ্ছা জানান।
কানাডার অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় সাড়ে চার লাখ থেকে পাঁচ লাখ মানুষ দেশটিতে অভিবাসন নেন। কানাডা বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী প্রক্রিয়া, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা, জননিরাপত্তা, শক্তিশালী ব্যাংকিং এবং স্থিতিশীল অর্থনীতির জন্য বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় দেশ হিসেবে পরিচিত।
এবারের ‘কানাডা ডে’ পরিপ্রেক্ষিতে আলবার্টা প্রদেশে কিছুটা ভিন্ন আবহ লক্ষ্য করা গেছে। দেশপ্রেমের পাশাপাশি অনেক বাসিন্দার মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার অনুভূতি ছিল। কারণ, প্রদেশটির সম্বন্ধে বিচ্ছিন্নতা নিয়ে গণভোটের রাজনৈতিক আলোচনা তীব্র হয়েছে। আসন্ন ১৯ অক্টোবর আলবার্টার ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন, প্রদেশটি কানাডার অংশ হিসেবেই থাকবে নাকি কনফেডারেশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দ্বিতীয় ও বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এই গণভোটকে ঘিরে মে মাস থেকেই বিভিন্ন সংগঠন পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এবারের ‘কানাডা ডে’তে বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং কানাডাপন্থী উভয় পক্ষই আলবার্টাবাসীকে দেশের অতীত, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, আসন্ন গণভোটের ফল শুধুমাত্র আলবার্টার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নয়, কানাডার জাতীয় ঐক্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন