০৩:৫৫ পি.এম
রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে মিনি ম্যারাথন যা নদীর পানির ন্যায্য বন্টন, বর্জ্য ও প্লাস্টিকদূষণ রোধ, দখলদার উচ্ছেদ, জীববৈচিত্র রক্ষা এবং নদী রক্ষায় কমিশন গঠনের দাবিদাওয়া নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার ‘রান ফর পদ্মা’ ব্যানারে সাড়ে সাত কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই দৌড়ে অংশগ্রহণ করে তিন শতাধিক দৌড়প্রেমী।
শুক্রবার সকালে ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই রাজশাহীর লালনশাহ মুক্তমঞ্চে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষেরা জড়ো হন। এদের লক্ষ্য ছিল নদীর প্রাণ ফিরিয়ে আনা। জনমত তৈরির উদ্দেশ্যে তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে দৌড়ান হাফ ম্যারাথনে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
দৌড়টি মুক্তমঞ্চ থেকে শুরু হয়ে ফুড অফিস মোড় ঘুরে পুনরায় একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। এর পূর্বে, সাড়ে ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই মিনি ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন।
জানানো হয়েছে, ভারত ফারাক্কার উজানে একতরফা পানি প্রত্যাহার করছে। সেই সাথে নদীতে বর্জ্য ফেলা হচ্ছে ও প্লাস্টিকের দূষণ ঘটছে। নদীর পাড়ে দখল সৃষ্টি হচ্ছে। এসবের ফলে নাব্যতা হারাচ্ছে প্রমত্তা পদ্মা। নদীতে পানির প্রবাহ দীর্ঘদিন ধরে কম থাকায় মারাত্মক ক্ষতির স্বীকার হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। বরেন্দ্রের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে, ফলে এ অঞ্চলে মরুকরণের ঝুঁকি বাড়ছে। নদী বাঁচাতে দখলদার উচ্ছেদ, জীববৈচিত্র রক্ষা এবং নদী রক্ষায় কমিশন গঠনের দাবিতে এই দৌড় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘রান ফর পদ্মা’র আহ্বায়ক জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, নদী রক্ষায় এবং আন্তর্জাতিক নদীগুলোর ওপর আমাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। সেই দাবির পক্ষে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তুলতেই এই ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে।
এ আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ, ট্রাফিক বিভাগ, সিভিল সার্জন কার্যালয় এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। তারা দৌড়ের অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা, চিকিৎসা সহায়তা, রুট ব্যবস্থাপনা ও পানি সরবরাহ নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন