১০:৪৮ এম
ডালিম কেবল সুস্বাদু ফল নয়, এটি পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় বিশেষভাবে উল্লেখিত হয়েছে। আরবি ভাষায় ডালিমকে ‘রুম্মান’ বলা হয়। কোরআনের একাধিক আয়াতে আল্লাহর নেয়ামতের মধ্যে ডালিমের নাম উল্লেখিত হয়েছে।
যখন মহান আল্লাহ জান্নাতের নেয়ামতের বর্ণনা করছেন, তখন তিনি ইরশাদ করেন—
—﴿فِيهِمَا فَاكِهَةٌ وَنَخْلٌ وَرُمَّانٌ﴾
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
অর্থাৎ ‘সেখানে রয়েছে নানা ধরনের ফল, খেজুর এবং ডালিম।’ (সুরা আর-রহমান, আয়াত: ৬৮)
এছাড়া, মহান আল্লাহ পৃথিবীতে মানুষের জন্য যে ফলমূল সৃষ্টি করেছেন, তার উল্লেখ করে তিনি বলেন—
—﴿وَهُوَ الَّذِي أَنشَأَ جَنَّاتٍ... وَالزَّيْتُونَ وَالرُّمَّانَ... كُلُوا مِن ثَمَرِهِ إِذَا أَثْمَرَ وَآتُوا حَقَّهُ يَوْمَ حَصَادِهِ وَلَا تُسْرِفُوا﴾
অর্থ: ‘তিনিই বিভিন্ন ধরনের বাগান, খেজুরগাছ, নানা স্বাদের শস্য, জলপাই এবং ডালিম সৃষ্টি করেছেন। তোমরা এগুলোর ফল খাও, যখন তা ফল দেয়। আর ফসল কাটার দিন তার হক আদায় করো এবং অপচয় করো না। নিশ্চয় আল্লাহ অপচয়কারীদের ভালোবাসেন না।’ (সুরা আনআম, আয়াত: ১৪১)
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
তাফসিরবিদদের মতে, ফলের তালিকায় আলাদাভাবে ডালিমের নাম উল্লেখ করা বিশেষ গুরুত্ব নির্দেশ করে। তারা বলেন, ডালিম সাধারণ একটি ফল নয়, এটি একটি উপকারী খাদ্য। এ বিষয়ে তাফসির কুরতুবিতে আলোচনা করা হয়েছে।
হাদিসেও জান্নাতের নেয়ামতের বর্ণনা করতে গিয়ে মহানুভব হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, আল্লাহ তাঁর নেক বান্দাদের জন্য এমন নেয়ামত প্রস্তুত করেছেন, যেগুলি কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো মানুষের কল্পনায়ও আসেনি। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৬৮৭২)
একটি অন্য বর্ণনায় হযরত আলী (রা.) বলেন, ‘তোমরা খোসাসহ ডালিম খাও। কারণ এটি পরিপাকতন্ত্র পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।’ (মাজমাউজ জাওয়ায়েদ, ৫/৯৯)
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডালিমে থাকা আঁশ হজমে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে থাকা উপাদান ত্বকের যত্নে সহায়তা করতে পারে। তবে, কোনো রোগের চিকিৎসা বা বিশেষ উপকারের উদ্দেশ্যে নিয়মিত ডালিম খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন