প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বিয়ের পর কনে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে একটি মাইক্রোবাস খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে, ইতিমধ্যে তাদের মধ্যে একজন শিশু। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১২ জন বর-কনেসহ গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ-টেংগনামারী সড়কের শাল্টিবাড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়।
নিহতদের মধ্যে সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকার জিকরুল ইসলামের ৭ মাস বয়সী ছেলে জীবন ইসলাম এবং মোজা মিয়ার ছেলে রিয়াদ ইসলাম (২০) নামে পরিচিত এইচএসসি পরীক্ষার্থী রয়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে তথ্য পাওয়া যায় যে, শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার কচুকাটা বন্দরপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোরছালিনের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামের শরিফ মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বিয়েতে বরযাত্রী হিসেবে প্রায় ১৫ জন অংশগ্রহণ করেছিলেন।
বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর বরযাত্রীরা কনেকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে বাড়ি ফেরার পথে রাত ৩টার সময় শাল্টিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং মাইক্রোবাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এই দুর্ঘটনার ফলে বর-কনেসহ অন্তত ১৪ জন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি ১২ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীল রতন দেব জানিয়েছেন, রাত ১৪ জনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে আসার পর দুইজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর গণমাধ্যমকে জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন