ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ছয় টয়লেট অচল, মাঝ আকাশে জরুরি অবতরণ করল ডালাসগামী বিমান


ছয় টয়লেট অচল, মাঝ আকাশে জরুরি অবতরণ করল ডালাসগামী বিমান

মাদ্রিদ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসগামী একটি বিমান জরুরি অবতরণের জন্য নিউইয়র্কে ঘুরিয়ে নেওয়া হয়েছে, কারণ বিমানের আটটি টয়লেটের মধ্যে ছয়টি অচল হয়ে পড়েছিল। বোয়িং ৭৭৭ বিমানটিতে তখন ২৮৭ জন যাত্রী ও ক্রু উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে স্পেনের মাদ্রিদ থেকে ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করা আমেরিকান এয়ারলাইনসের বিমানটি নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সাধারণত, মাদ্রিদ থেকে ডালাসের এই যাত্রা ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় নেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উড়োজাহাজটির কর্মীরা জানালে যে পর্যাপ্ত সংখ্যক সচল টয়লেট নেই, তখন বিমানটিকে নিউইয়র্কে অবতরণ করানো হয়।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজটিতে সাধারণত আটটি টয়লেট থাকে, কিন্তু ওই বিমানে মাত্র দুটি টয়লেট সচল ছিল। নিউইয়র্কের বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার সময় পাইলট বিমান নিয়ন্ত্রণকক্ষে জানান, বিমানে মাত্র দুটি টয়লেট কাজ করছে। বিমান নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বিমানটিতে চার ঘণ্টারও বেশি সময়ের জ্বালানি ছিল, ফলে উড়োজাহাজটির স্বাভাবিক অবতরণ ওজনের চেয়ে বেশি ছিল। অতিরিক্ত ওজনে অবতরণ করলে ব্রেক অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার মতো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এ অবস্থায় পাইলট ‘প্যান-প্যান’ সংকেত দেন, যা একটি আন্তর্জাতিক জরুরি সংকেত, যা তাৎক্ষণিক মনোযোগ প্রয়োজন এমন পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি জীবনহানির আশঙ্কাজনক জরুরি অবস্থা বোঝায় না।

বিমানটি নিরাপদে নিউইয়র্কে অবতরণ করে। তিন ঘণ্টারও বেশি সময় সেখানে থাকার পর পরে আবার ডালাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। বিমানটির গতিপথ পর্যবেক্ষণকারী একটি ওয়েবসাইটের তথ্য থেকে এ বিষয়টি জানা গেছে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

ঘটনা সম্পর্কে মন্তব্য জানতে আমেরিকান এয়ারলাইনসের কাছে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উড়োজাহাজের টয়লেট ব্যবস্থা বেশ জটিল। বায়ুচাপের সাহায্যে এগুলো কাজ করে এবং পাইপে কোনো কিছু আটকে গেলে বা অন্য কোনো ত্রুটি হলে টয়লেট অচল হয়ে যেতে পারে।

ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের সাবেক এক প্রকৌশলী জানিয়েছেন, উড়োজাহাজের টয়লেটের পাইপ খুব সরু হওয়ায় সেখানে বিভিন্ন জিনিস আটকে যেতে পারে। যাত্রীদের ফেলে দেওয়া বিভিন্ন বস্তু, এমনকি চামচ বা কোমল পানীয়ের ক্যানও পাইপে আটকে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসব সমস্যা সমাধান করতে কখনো কখনো কয়েক দিন সময় লেগে যেতে পারে, কারণ কোথায় আটকে আছে তা খুঁজে বের করতে অনেক পাইপ খুলতে হয়।

সূত্র: সিএনএন

আরও পড়ুন: বিলবোর্ডের ছবিকে রাস্তা ভেবে সজোরে ট্রাক চালালেন চালক, অতঃপর প্রাণ হারালেন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু, স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু, স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত

দেশের মানুষের উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। এই প্রেক্ষাপটে, স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য ও কার্যকর করার জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ এবং থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের আদলে ওয়ান-স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস মডেল চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বিএমইউ’র এই সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হবে। তবে এটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হবে। হাসপাতালের জন্য একটি আলাদা পরিচালনা পর্ষদ দ্রুত গঠন করা হবে। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীরা প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগ পাবেন না।

হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী জানিয়েছেন, ‘আশা করছি আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করতে পারব। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হবে এ হাসপাতালটি।’ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, বিএমইউর উপাচার্য প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে একজন উপ-উপাচার্যকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া, হাসপাতালের নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য সহায়ক সেবা প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে দক্ষ প্রতিষ্ঠানের কাছে আউটসোর্স করা হবে। বিএমইউ’র বর্তমান চিকিৎসক ও নার্সরা এখানে কাজ করবেন না। চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য জনবল বাইরে থেকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সরকারি চাকরি ছেড়ে এখানে যোগ দিতে আগ্রহী হলে তারা পারবেন। সব জনবলই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাবেন।

নতুন কাঠামোয় চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এর বিনিময়ে হাসপাতাল থেকেই তাদের ভালো বেতন ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিএমইউর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, ‘আগামী ৮ অক্টোবর সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হবে। এর পরই যতদ্রুত সম্ভব প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যত দ্রত সম্ভব সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি চালু করব। তবে এটি ধাপে ধাপে চালু করতে হবে, কারণ হাসপাতালের অনেক কিছুই সংস্কার করতে হবে। আমরা সব কিছু নিয়ম মেনে করতে চাই।’

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালনা সহজ করার জন্য এবং চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গত ১৩ জুলাই বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল, ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯৮ অনুযায়ী বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিএমইউর কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে জানা গেছে, বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি পরিচালিত হবে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০ শতাংশ এবং সরকারের ১০ শতাংশ শেয়ার থাকবে। হাসপাতালের প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতেই এই করপোরেট মডেল প্রয়োজন। এতে ভালো বেতন দিয়ে যোগ্য ও দক্ষ চিকিৎসকদের আনা সহজ হবে। হাসপাতালটি চালু হলে দেশের মানুষের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের জন্য বিদেশ গমনের প্রবণতা কমবে।

এর আগে, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি পুরোদমে চালু করার জন্য এবং সব ধরনের জটিলতা নিরসন করতে গত ১১ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় বিএমইউ উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদকে আহ্বায়ক এবং হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সীকে সদস্যসচিব করে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হাসপাতালে কার্ডিও অ্যান্ড সেরিব্রোভাসকুলার সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি অ্যান্ড লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা সেন্টার, কিডনি রোগ ও ইউরোলজি সেন্টার এবং জরুরি ও ট্রমা সেন্টারের মতো পাঁচটি বিশেষায়িত কেন্দ্র থাকবে। এছাড়া, হাসপাতালটিতে ১৪টি অপারেশন থিয়েটার, ১০০ শয্যার আইসিইউ, ১০০ শয্যার জরুরি ইউনিট, ছয়টি ভিভিআইপি কেবিন, ২২টি ভিআইপি কেবিন এবং ২৫টি ডিলাক্স কেবিন থাকবে।

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি দক্ষ জনবল নিয়োগের জন্য হাসপাতালটিতে স্থায়ী নিয়োগের পরিবর্তে সব নিয়োগই হবে চুক্তিভিত্তিক। ১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৭৫০ শয্যার এই হাসপাতাল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে উদ্বোধন হয়। তবে এখন পর্যন্ত এর জন্য নির্দিষ্ট জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বিএমইউর বর্তমান কর্মী ও বাজেট দিয়েই এখানে সীমিত পরিসরে সেবা দেওয়া হচ্ছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল

ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর শহরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হলসহ অন্তত ২০টি দোকান পুড়ে গেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত সোয়া ২টার দিকে সিনেমা হলটিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট সেখানে গিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে রাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ফলে সিনেমা হলসংলগ্ন এলপিজি সিলিন্ডারের গুদাম, ডেকোরেশন সামগ্রীর দোকান, পুরোনো কাপড়ের দোকানসহ একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, সিনেমা হলের পাশে অবস্থিত এলপিজি সিলিন্ডারের গুদাম থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

স্থানীয়দের মতে, রাতের বেলায় হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত হলে তা মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় ব্যবসায়ীরা অনেক মালামাল বের করে আনতে পারেননি।

জানা গেছে, পুরোনো একটি জমিদার বাড়িতে পরিচালিত ঝলমল সিনেমা হলটি দীর্ঘদিন ধরে গৌরীপুরের মানুষের বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। অগ্নিকাণ্ডের ফলে ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে মোট কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তদন্ত শেষে জানা যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুটো টাকার জন্য কত কিছু করতে হয়: কৌশানী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


দুটো টাকার জন্য কত কিছু করতে হয়: কৌশানী

ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় ও আবেদনময়ী অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি ‘বহুরূপী’ সিনেমার সাফল্যের পর দুই বছরের আড়ালের পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন ঝিমলি চরিত্রে।

নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখার্জির পরিচালনায় ‘বহুরূপী’র সিক্যুয়েল ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ দিয়ে তিনি আবারও পর্দা মাতাতে আসছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভারতের সংবাদমাধ্যম আজকালের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আগামী ১৫ অক্টোবর মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে এই বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমার। তবে তার আগেই সিনেমাটির প্রচারের একটি মজার ভিডিও প্রকাশ্যে এসে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে।

প্রচারে একদম ভিন্ন এবং অচেনা অবতারে ধরা দিয়েছেন কৌশানী। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘ছ্যাঁচড়াপুর ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ঝিমলি যখন মাছওয়ালি।’ মাথায় শক্ত করে বাঁধা খোঁপা, গায়ে সাধারণ শাড়ি, মুখে শ্যামলা মেকআপ এবং ডি-গ্ল্যাম লুকে একেবারে চেনা মেছুনির রূপ ধারণ করেছেন তিনি। হাতে বড় বড় মাছ নিয়ে ক্রেতাদের ডাকতে দেখা গেছে তাকে।

মাছ বিক্রি ও কাটতে গিয়ে বেশ নাজেহাল হতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। বঁটির কাছে মাছ নিয়ে ঘষতে ঘষতে মজার ছলে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘ম্যায় লুট গয়ি, ম্যায় বরবাদ হো গয়ি। দুটো টাকার জন্য কত কী করতে হয়! জীবনে ভাবিনি মাছওয়ালি হতে হবে।’ মাছ কাটার সেই খুনসুটি ভরা দৃশ্য বুঝিয়ে দেয় চরিত্রটি দারুণ উপভোগ করছেন তিনি।

শুধু মাছ কাটা নয়, বাজারের হকারদের মতো গলা ফাটিয়ে গলা ছেড়ে ডাকতেও দেখা গেছে তাকে। হাতে বড় মাছ তুলে তার হাঁকডাক, ‘দুইশ দুইশ, সিলভার দুইশ, বড় মাছ, টাটকা মাছ!’ শুটিংয়ের ফাঁকেও কৌশানীর হাসিখুশি ও রসিক মেজাজ সবার নজর কেড়েছে। শুটিংয়ের ফাঁকে কলাকুশলীদের সঙ্গেও মাছের গন্ধ নিয়ে মজা করতে দেখা যায় তাকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে সরকারের নতুন উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে সরকারের নতুন উদ্যোগ

সরকার দেশের সব নাগরিককে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে চায়। প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ই-মেইল এবং হোয়াটসঅ্যাপ থাকবে। ডিজিটাল পরিচয় যাচাইয়ের পর প্রত্যেকে একটি নম্বর (ডিজিটাল পরিচিতি) পাবেন। ডাক অধিদপ্তরের ‘নাগরিক প্রান্তে বিদ্যমান ডাকসেবার সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

চলতি বছরের মার্চ মাসে শুরু হওয়া প্রকল্পটির মোট ব্যয় প্রায় ৪০ কোটি টাকা, যা ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ডিজিটাল ঠিকানা ব্যবস্থাপনার জন্য দুই কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রথমে দেশের পোস্টম্যানদের বিট এলাকা চিহ্নিত করে ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করা হবে। এরপর, প্রতিটি বিটের আওতায় থাকা পরিবার বা ডাক পৌঁছানোর স্থানগুলো শনাক্ত করে তথ্যভান্ডারে যুক্ত করা হবে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের ঠিকানা এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও যুক্ত করা হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, দেশের কোনো নাগরিক যেন ঠিকানার বাইরে না থাকেন। কোনো ব্যক্তির কাছে বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করা সম্ভব হবে, সেটিও এই প্রকল্পের লক্ষ্য।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পোস্টম্যানদের নির্দিষ্ট বিট রয়েছে। একজন পোস্টম্যানের আওতায় কয়েকশ পরিবার থাকতে পারে। অনেক এলাকায় বাড়ি বা ভবনের নির্দিষ্ট নম্বর থাকলেও, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যক্তির নাম, বাড়ির নাম বা স্থানীয় পরিচিতির মাধ্যমে ঠিকানা শনাক্ত করা হয়।

এই কারণে, একই ধরনের বা অসম্পূর্ণ ঠিকানার জন্য অনেক সময় ডাক ও অন্যান্য সেবা পৌঁছাতে জটিলতা সৃষ্টি হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রথমে এসব বিটকে ডিজিটালভাবে চিহ্নিত করা হবে। এরপর, প্রতিটি বিটের আওতায় থাকা পরিবার ও ডেলিভারি পয়েন্টের তথ্য যুক্ত করা হবে। এভাবে ধাপে ধাপে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ঠিকানা কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%