০৫:২৪ পি.এম
সরকার দেশের সব নাগরিককে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে চায়। প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ই-মেইল এবং হোয়াটসঅ্যাপ থাকবে। ডিজিটাল পরিচয় যাচাইয়ের পর প্রত্যেকে একটি নম্বর (ডিজিটাল পরিচিতি) পাবেন। ডাক অধিদপ্তরের ‘নাগরিক প্রান্তে বিদ্যমান ডাকসেবার সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
চলতি বছরের মার্চ মাসে শুরু হওয়া প্রকল্পটির মোট ব্যয় প্রায় ৪০ কোটি টাকা, যা ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ডিজিটাল ঠিকানা ব্যবস্থাপনার জন্য দুই কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রথমে দেশের পোস্টম্যানদের বিট এলাকা চিহ্নিত করে ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করা হবে। এরপর, প্রতিটি বিটের আওতায় থাকা পরিবার বা ডাক পৌঁছানোর স্থানগুলো শনাক্ত করে তথ্যভান্ডারে যুক্ত করা হবে।
আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের ঠিকানা এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও যুক্ত করা হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, দেশের কোনো নাগরিক যেন ঠিকানার বাইরে না থাকেন। কোনো ব্যক্তির কাছে বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করা সম্ভব হবে, সেটিও এই প্রকল্পের লক্ষ্য।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পোস্টম্যানদের নির্দিষ্ট বিট রয়েছে। একজন পোস্টম্যানের আওতায় কয়েকশ পরিবার থাকতে পারে। অনেক এলাকায় বাড়ি বা ভবনের নির্দিষ্ট নম্বর থাকলেও, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যক্তির নাম, বাড়ির নাম বা স্থানীয় পরিচিতির মাধ্যমে ঠিকানা শনাক্ত করা হয়।
এই কারণে, একই ধরনের বা অসম্পূর্ণ ঠিকানার জন্য অনেক সময় ডাক ও অন্যান্য সেবা পৌঁছাতে জটিলতা সৃষ্টি হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রথমে এসব বিটকে ডিজিটালভাবে চিহ্নিত করা হবে। এরপর, প্রতিটি বিটের আওতায় থাকা পরিবার ও ডেলিভারি পয়েন্টের তথ্য যুক্ত করা হবে। এভাবে ধাপে ধাপে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ঠিকানা কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন