ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে সরকারের নতুন উদ্যোগ


দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে সরকারের নতুন উদ্যোগ

সরকার দেশের সব নাগরিককে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে চায়। প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ই-মেইল এবং হোয়াটসঅ্যাপ থাকবে। ডিজিটাল পরিচয় যাচাইয়ের পর প্রত্যেকে একটি নম্বর (ডিজিটাল পরিচিতি) পাবেন। ডাক অধিদপ্তরের ‘নাগরিক প্রান্তে বিদ্যমান ডাকসেবার সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

চলতি বছরের মার্চ মাসে শুরু হওয়া প্রকল্পটির মোট ব্যয় প্রায় ৪০ কোটি টাকা, যা ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ডিজিটাল ঠিকানা ব্যবস্থাপনার জন্য দুই কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রথমে দেশের পোস্টম্যানদের বিট এলাকা চিহ্নিত করে ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করা হবে। এরপর, প্রতিটি বিটের আওতায় থাকা পরিবার বা ডাক পৌঁছানোর স্থানগুলো শনাক্ত করে তথ্যভান্ডারে যুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের ঠিকানা এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও যুক্ত করা হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, দেশের কোনো নাগরিক যেন ঠিকানার বাইরে না থাকেন। কোনো ব্যক্তির কাছে বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করা সম্ভব হবে, সেটিও এই প্রকল্পের লক্ষ্য।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পোস্টম্যানদের নির্দিষ্ট বিট রয়েছে। একজন পোস্টম্যানের আওতায় কয়েকশ পরিবার থাকতে পারে। অনেক এলাকায় বাড়ি বা ভবনের নির্দিষ্ট নম্বর থাকলেও, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যক্তির নাম, বাড়ির নাম বা স্থানীয় পরিচিতির মাধ্যমে ঠিকানা শনাক্ত করা হয়।

এই কারণে, একই ধরনের বা অসম্পূর্ণ ঠিকানার জন্য অনেক সময় ডাক ও অন্যান্য সেবা পৌঁছাতে জটিলতা সৃষ্টি হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রথমে এসব বিটকে ডিজিটালভাবে চিহ্নিত করা হবে। এরপর, প্রতিটি বিটের আওতায় থাকা পরিবার ও ডেলিভারি পয়েন্টের তথ্য যুক্ত করা হবে। এভাবে ধাপে ধাপে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ঠিকানা কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক বাড়িকে সুবিধা দিতে নির্মিত সেতুর ব্যয় ৪১ লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


এক বাড়িকে সুবিধা দিতে নির্মিত সেতুর ব্যয় ৪১ লাখ টাকা

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নে একটি বাড়ির সামনে ১১ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণে ৪১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৯ টাকা ব্যয় হয়েছে। সেতুর নির্মাণের পর স্থানীয়রা প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সেতুটি ধুলিয়া ইউনিয়নের মন্নান গাজী বাড়ির সামনে জামালকাঠি খালের ওপর নির্মিত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি একটি বাড়ির বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। তাদের দাবি, ওই স্থানে তুলনামূলক কম ব্যয়ে আয়রন ব্রিজ নির্মাণ করেও যাতায়াতের ব্যবস্থা করা সম্ভব ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা আলিফ হোসেন বলেন, "মন্নান গাজী বাড়িতে একজন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আছেন। তার তদবিরে বাড়ির সামনে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। একটি বাড়ির লোকজনের সুবিধার জন্য এত বিপুল অর্থ ব্যয় করে সেতু নির্মাণ করা ঠিক হয়নি। ওখানে কম খরচে একটি আয়রন ব্রিজ নির্মাণ করা যেত। এখানে সরকারি টাকার অপচয় করা হয়েছে।"

তবে মন্নান গাজী বাড়ির বাসিন্দা আবুল গাজী জানান, "তাদের বাড়িতে সাতটি ঘরে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন মানুষ বসবাস করেন। তাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেতু নির্মাণ হওয়ায় তারা উপকৃত হয়েছেন।"

সেতুটির নির্মাণকাজ করা ঠিকাদার মো. আমির হোসেন বলেন, "এ বিষয়ে আমার জানার কথা না। আমি টেন্ডারে কাজ পেয়েছি এবং কাজ শেষ করেছি। এটা সংশ্লিষ্টরা ভালো বলতে পারবেন।"

এ বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রফিকুল ইসলাম জানান, "প্রকল্পগুলো তার দায়িত্ব নেওয়ার আগে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ কারণে প্রকল্প নির্বাচন কীভাবে করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত বলতে পারবেন না।"

স্থানীয়দের অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সেতুটি নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা, প্রকল্প নির্বাচনের প্রক্রিয়া এবং ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুগলের জেমিনি ব্যবহারে নতুন সিদ্ধান্ত, ৯ অক্টোবর থেকে বন্ধ হবে ফ্ল্যাশ ও প্রো মডেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


গুগলের জেমিনি ব্যবহারে নতুন সিদ্ধান্ত, ৯ অক্টোবর থেকে বন্ধ হবে ফ্ল্যাশ ও প্রো মডেল

গুগল বিনামূল্যে ব্যবহারকারীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেবায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। আগামী ৯ অক্টোবর থেকে বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টধারীরা জেমিনি ফ্ল্যাশ ও জেমিনি প্রো মডেল ব্যবহার করতে পারবেন না। এই পরিবর্তনের ফলে বিনামূল্যের ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র জেমিনি ফ্ল্যাশ-লাইট মডেল ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন।

গুগলের সাপোর্ট পেজে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জেমিনি অ্যাপ বা ডেস্কটপ সংস্করণে একাধিক মডেল বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে ৯ অক্টোবরের পর বিনামূল্যের অ্যাকাউন্টে করা সব প্রশ্নের উত্তর দেবে শুধুমাত্র জেমিনি ফ্ল্যাশ-লাইট।

জেমিনি ফ্ল্যাশ-লাইটকে গুগল তুলনামূলকভাবে কম খরচের মডেল হিসেবে বিবেচনা করছে। এর চেয়ে বেশি সক্ষম ফ্ল্যাশ মডেল। জটিল কাজ ও উন্নত যুক্তি বিশ্লেষণের জন্য প্রো মডেল তৈরি করা হয়েছে।

এছাড়া, পরিবর্তনের প্রভাব শুধু বিনামূল্যের ব্যবহারকারীদের ওপরই নয়, গুগলের এআই প্লাস গ্রাহকদের ওপরও পড়বে। যুক্তরাষ্ট্রে মাসে ৫ ডলারের সাবস্ক্রিপশন ব্যবহারকারীরা জেমিনি ৩.১ প্রো মডেলের সুবিধা হারাবেন।

গুগলের দাবি, জেমিনি ৩.১ প্রো জটিল গণিত ও কোডিংয়ের কাজে অধিক সক্ষম। পাশাপাশি, টেক্সট, ফাইল, ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণে এর বোঝার ক্ষমতাও অন্য মডেলের তুলনায় বেশি। এর ফলে, কোডিং, পড়াশোনা কিংবা বিপুল পরিমাণ নথি বিশ্লেষণের কাজে জেমিনি ব্যবহারকারীদের আরও ব্যয়বহুল সাবস্ক্রিপশন নিতে হতে পারে।

গুগল এআই প্রোর মাসিক খরচ ২০ ডলার। আর আরও বেশি ব্যবহারের সীমা থাকা এআই আল্ট্রা প্ল্যানের জন্য মাসে অন্তত ১০০ ডলার খরচ করতে হবে।

এদিকে, মডেল ব্যবহারে নতুন ‘এফোর্ট লেভেল’ সুবিধাও যুক্ত করছে গুগল। ব্যবহারকারীরা লো, মিডিয়াম ও হাই-এই তিনটি স্তর থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারবেন। স্তর যত বাড়বে, মডেল তত বেশি বিশদ ও গভীরভাবে কাজ করবে। তবে বেশি এফোর্ট লেভেল ব্যবহারে নির্ধারিত ব্যবহারের সীমাও দ্রুত শেষ হবে।

এআই আল্ট্রা গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত সুবিধা থাকবে। তারা জেমিনির সর্বোচ্চ সক্ষমতা ব্যবহারের জন্য ‘ডিপ থিংক’ অপশন পাবেন। এছাড়া, সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য জেমিনি ৪ আর্গন উন্মুক্ত হলে এআই আল্ট্রা গ্রাহকরাও সেটি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। বর্তমানে মডেলটি শুধুমাত্র গুগলের ‘ফেয়ারউইন্ড প্রোগ্রাম’-এর সরকার ও বিশ্বস্ত অংশীদারদের জন্য সীমিতভাবে উন্মুক্ত রয়েছে।

জেমিনি ফ্ল্যাশ সাধারণত দ্রুত ও দৈনন্দিন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পাওয়া, লেখা তৈরি ও সম্পাদনা, অনুবাদ, ছবি বিশ্লেষণ, তথ্য সংক্ষেপ করা এবং সাধারণ কোড লেখা বা বিশ্লেষণের মতো কাজ করা যায়।

অন্যদিকে, জেমিনি প্রো তুলনামূলক জটিল ও বিশ্লেষণধর্মী কাজের জন্য তৈরি। জটিল গণিত ও যুক্তিভিত্তিক সমস্যা সমাধান, কোডিং, বড় নথি বিশ্লেষণ এবং টেক্সট, ছবি, ফাইল ও ভিডিও থেকে তথ্য বিশ্লেষণে এটি বেশি সক্ষম।

শিক্ষার্থী ও গবেষকেরা বড় নথি বিশ্লেষণ, বিভিন্ন বিষয়ের ব্যাখ্যা এবং পড়াশোনার সহায়তায় জেমিনি প্রো ব্যবহার করতে পারেন। একইভাবে, সফটওয়্যার নির্মাতারা কোড তৈরি, ভুল শনাক্ত ও কোড বিশ্লেষণের কাজেও এটি ব্যবহার করতে পারেন। অন্যদিকে, দ্রুত উত্তর, সাধারণ লেখালেখি, অনুবাদ কিংবা দৈনন্দিন তথ্যভিত্তিক কাজের জন্য জেমিনি ফ্ল্যাশ বেশি উপযোগী।

সূত্র: এনগ্যাজেট

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষেধাজ্ঞার আগে জালে ইলিশ, জেলেদের চোখে অশ্রু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


নিষেধাজ্ঞার আগে জালে ইলিশ, জেলেদের চোখে অশ্রু

গত কয়েক দিন ধরে বলেশ্বর নদীতে তুলনামূলকভাবে ভালো ইলিশ ধরা পড়ছে। একের পর এক ট্রলার ঘাটে ফিরছে, যা জেলে, পাইকার ও আড়তদারদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য বৃদ্ধি করেছে। তবে, মা ইলিশ রক্ষার জন্য বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বলেশ্বর নদীসহ উপকূলীয় এলাকায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। এই পরিস্থিতিতে, জেলেরা একদিকে শেষ সময়ে ইলিশ পেয়ে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছেন, অন্যদিকে অনেক ঋণগ্রস্ত জেলে দীর্ঘ সময় কর্মহীন থাকার চিন্তায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

ঘাট ও বাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে, এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি প্রায় ৩ হাজার টাকা এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতাদের মতে, নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই তারা শেষ মুহূর্তে পছন্দের ইলিশ কিনে রাখার চেষ্টা করছেন।

জেলেরা জানিয়েছেন, শেষ সময়ে ভালো মাছ পাওয়ায় কিছুটা আয় হয়েছে। তবে, আগামী ২২ দিন নদীতে যেতে না পারায় সংসার চালানো নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে। সরকারি বরাদ্দের চাল ও সহায়তা দ্রুত ও সঠিকভাবে না পেলে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, মা ইলিশকে নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ সময়ে ইলিশ অবাধে ডিম ছাড়তে পারলে ভবিষ্যতে উৎপাদন বাড়বে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে নদী ও বাজারে নজরদারি রাখা হবে। নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করলো সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


সৌদি প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করলো সরকার

সৌদি আরবে অবস্থানরত অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ করেছে দেশটির সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, স্বামী বা স্ত্রী, ২৫ বছরের কম বয়সী ছেলেসন্তান এবং অবিবাহিত মেয়েসন্তানকে সঙ্গে নেয়ার সুযোগ থাকবে।

সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন এই সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করেছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য পরিবার নিয়ে সৌদি আরবে যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজতর হয়েছে।

নতুন নিয়মের আওতায়, অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের কাজের ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই তাদের পরিবারের যোগ্য সদস্যদের সৌদি আরবে আনার সুযোগ প্রদান করেছে সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

এটির মূল উদ্দেশ্য হলো সৌদি আরবে বসবাসরত মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা এবং অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সহজ করা। নতুন ব্যবস্থায় যোগ্য বিদেশি কর্মীরা তাদের স্ত্রী বা স্বামী, ২৫ বছরের কম বয়সী ছেলেসন্তান এবং অবিবাহিত মেয়েসন্তানকে সৌদি আরবে নিয়ে যেতে পারবেন।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের যোগ্য সদস্যদের প্রবেশ ভিসা বিদেশি কর্মীর ওয়ার্ক ভিসার প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়েই প্রদান করা হবে। তবে, এর জন্য আবেদনের সকল শর্ত পূরণ করতে হবে। অর্থাৎ, পরিবারকে সৌদি আরবে আনার প্রক্রিয়া শুরু করার আগে নিজের ওয়ার্ক ভিসা সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রবাসী কর্মীদের পরিবারের সদস্যরা সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর দেশটির প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী তাদের বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%