সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৯ পি.এম
চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট-বাদুরতলা এলাকায় অবস্থিত ওমরগণি এমইএস কলেজে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মিছিলের একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. মিজানুর রহমানসহ কয়েকজনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়।
১ মিনিট ৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, আরকান সড়কের বাদুরতলা এলাকায় ২০ থেকে ৩০ জন কিশোর ও যুবকের একটি দল ব্যানার নিয়ে মূল সড়কে প্রবেশ করে। তাদের হাতে একটি ব্যানার ছিল এবং সামনে চারজন মিছিলটির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। প্রায় এক মিনিট ধরে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে মিছিল করার পর দলটি দ্রুত সেখান থেকে সরে যায়। পরে তাদের গন্তব্য সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভিডিওতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের স্লোগান দিতে শোনা যায়, ‘অবৈধ ট্রাইব্যুনাল মানি না, মানব না’, ‘জয় বাংলা’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’, ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ এবং ‘জয় বঙ্গবন্ধু’ ইত্যাদি।
খোঁজ নিয়ে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম প্রমি ও ওমরগণি এমইএস কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ওয়াসিমের নির্দেশনায় মিজানুল ইসলাম আসপিন নামের এক ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেওয়া কিশোর-যুবকদের আশেপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে আনা হয়েছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক মন্তব্য করেন, ‘ভিডিওটি খুব সম্ভবত সকালের। বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ভিডিওটি ছড়ানোর পর আমরা আশেপাশের ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নড়াইলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অনলাইন জুয়া ও প্রতারণা চক্রের মূল হোতা সহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানের সময় বেশ কয়েকটি মোবাইল ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে, যা অনলাইন জুয়া ও প্রতারণায় ব্যবহৃত হচ্ছিল।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম লোহাগড়া উপজেলার ঝামারঘোপ বাজারের ‘মা ফার্মেসি’তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে ফার্মেসির মালিক ফরহাদ হোসেন এবং তার সহযোগী সজীব হোসেনসহ মোট ৯ জনকে আটক করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। পাশাপাশি, তারা বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইন জুয়া ও বেটিং কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। জব্দকৃত মোবাইল ডিভাইসগুলো পরীক্ষা করে 1xBet, Melbet, CK44.Com ও F11-সহ একাধিক অনলাইন জুয়া এবং বেটিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া, এসব অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের তথ্যও পুলিশ পায়।
নড়াইলের পুলিশ সুপার আল মামুন সিকদার এ বিষয়ে জানান, অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল প্রতারণার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি সাধারণ মানুষকে লোভনীয় অনলাইন বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ না হওয়ার এবং যেকোনো আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এশিয়ান গেমসে নিজেদের শেষ ম্যাচে মিয়ানমারের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে। জাপানের ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে গোলের একাধিক সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে না পারায়, শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে ঋতুপর্ণা চাকমাদের। এই ড্রয়ের ফলে বাংলাদেশের এশিয়ান গেমস অভিযান গ্রুপ পর্বেই শেষ হলো।
ম্যাচের শুরুতেই মিয়ানমার গোলের সুযোগ পেয়েছিল। ১০ মিনিটের মাথায় বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপ্না চাকমাকে একা পেয়েও তারা গোল করতে ব্যর্থ হয়।
৩৮ মিনিটে বাংলাদেশের সামনে গোলের সুযোগ আসে। মিয়ানমারের ডিফেন্ডারের ভুলের কারণে বক্সের সামনে বল পেয়ে যান ঋতুপর্ণা চাকমা। কিন্তু তাঁর দ্রুতগতির শট মিয়ানমারের পোস্টের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়।
মিয়ানমারের বিপক্ষে বাংলাদেশের আগের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন ঋতুপর্ণা। গত বছর মিয়ানমারের মাটিতে তাঁর জোড়া গোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ জয় লাভ করেছিল। মিয়ানমার লিগে খেলার সুবাদে দেশটির অনেক ফুটবলারের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আজও মাঠে সক্রিয় ছিলেন এই ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধের শেষ দিকে বাজে ট্যাকলের শিকার হলেও পুরো ম্যাচ খেলেছেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আক্রমণে তেমন ধার দেখাতে পারেনি। বরং ৭৭ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করে মিয়ানমার। রুপ্না চাকমাকে একা পেয়েও তারা বল জালে পাঠাতে পারেনি।
শেষ দিকে মিয়ানমার ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি। ফলে ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ের মাধ্যমে শেষ হয়।
গত আসর থেকেই বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এশিয়ান গেমসে অংশ নিচ্ছে। হাংজু এশিয়ান গেমসে জাপান ও ভিয়েতনামের কাছে হারলেও নেপালের সঙ্গে ড্র করেছিল বাংলাদেশ। এবারও একটি ড্র নিয়েই গ্রুপ পর্ব শেষ করতে হলো দলটিকে।
মিয়ানমারেরও সংগ্রহ এক পয়েন্ট। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় বাংলাদেশ গ্রুপের চতুর্থ দল হিসেবে এশিয়ান গেমস থেকে বিদায় নিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ইন্টার মায়ামির অবস্থান এখন ভালো নয়। ফ্লোরিডার এই দলটি টানা চতুর্থ ম্যাচে ড্র করেছে। তবে দলের হতাশার মধ্যেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে উজ্জ্বলতা ছড়াচ্ছেন লিওনেল মেসি। সান ডিয়েগোর বিরুদ্ধে গোল করে আর্জেন্টাইন তারকা এমএলএসের একটি বিশেষ অভিজাত ক্লাবে নিজের স্থান নিশ্চিত করেছেন।
নু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ১২তম মিনিটে সান ডিয়েগোকে এগিয়ে দেন ড্রেয়ার। পিছিয়ে পড়ার পর বল দখল ও আক্রমণের ধার বাড়াতে শুরু করে মায়ামি। ২৪তম মিনিটে ফ্রি কিক থেকে দলকে সমতায় ফেরান মেসি। বক্সের ডানপ্রান্ত থেকে বাঁ পায়ের অসাধারণ শটে বল কোনো খেলোয়াড়ের গায়ে না লেগে গোললাইন বরাবর গিয়ে দূরের পোস্টে লেগে জালে প্রবেশ করে।
এটি চলতি এমএলএস মৌসুমে মেসির ২০তম গোল। এর মাধ্যমে লিগের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে টানা তিন মৌসুমে ২০ বা তার বেশি গোল করার কীর্তি গড়লেন ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। এর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির ডেনিস বোয়াঙ্গা, ২০২৩ থেকে ২০২৫ মৌসুমে।
মেসির ২০ গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্টের সংখ্যা ১৩টি। ফলে চলতি মৌসুমে সরাসরি ৩৩ গোলে অবদান রেখেছেন তিনি। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে নিজের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছেন আর্জেন্টাইন তারকা। মৌসুমের এখনও আট ম্যাচ বাকি রয়েছে।
সান ডিয়েগোর বিপক্ষে গোলটি ছিল মায়ামির জার্সিতে মেসির ১০১তম গোল এবং পেশাদার ক্যারিয়ারে ৯৩০তম। ফ্রি কিক থেকে এটি তার ৭৫তম গোল।
দ্বিতীয়ার্ধে লুইস সুয়ারেজের গোলে আবারও এগিয়ে যায় মায়ামি। কিন্তু ম্যাচের শেষ দিকে গোল হজম করে জয় হাতছাড়া করে তারা। ফলে শেষ নয় ম্যাচে মাত্র এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে মেসিদের।
এই ড্রয়ের ফলে এমএলএসের পয়েন্ট টেবিলেও পিছিয়েছে মায়ামি। ২৬ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে তারা তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে। সমান ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশন। আর ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ন্যাশভিল।
দলীয় ফলাফল হতাশাজনক হলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মেসির ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। এমএলএসে টানা তিন মৌসুমে ২০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করে এবার রেকর্ডের পাতায় আরও একটি জায়গা করে নিলেন ফুটবলের এই আইকনিক নাম্বার টেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা ত্যাগ করে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন। তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তার নিউইয়র্ক সফর উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি সাংগঠনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
দলটির নেতারা জানিয়েছেন, ২১ সেপ্টেম্বর রবিবার জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হবে। বিমানবন্দরে তার সফরসঙ্গীদের সম্মানিত রাখার জন্য ‘ভ্যানগার্ড’ হিসেবে প্রস্তুত থাকার কথাও তারা উল্লেখ করেছেন।
শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নিউইয়র্কের কুইন্সের জ্যাকসন হাইটসে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা দফায় দফায় মিছিল করেন। এ সময় ৭৩ স্ট্রিট এলাকায় দলটির নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। এর নিকটবর্তী ডাইভারসিটি প্লাজায় শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ ও মামলা বাতিলের দাবিতে সমাবেশ করেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তবে দুই পক্ষের কর্মসূচির মধ্যে কোনো অঘটন ঘটেনি।
গত শনিবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা এসব তথ্য তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট, জিল্লূর রহমান জিল্লূ, গিয়াস আহমেদ, মিল্টন ভূঁইয়া এবং সোহায়েল হোসেন সোহেল। স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ছিলেন জসিম ভূঁইয়া, আব্দুস সবুর, আহবাব চৌধুরী, সেলিম রেজা, সোলায়মান ভূঁইয়া, আখতার হোসেন বাদল, তোফায়েল চৌধুরী, আবু সাইয়িদ আহমেদ, মোশাররফ হোসেন সবুজ, কামাল পাশা বাবুল, গোলাম ফারুক শাহিন, মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলী, আবু সাইয়িদ, জাকির হোসেন এবং গিয়াস উদ্দীন।
এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার হোসেন খোকন জানান, প্রধানমন্ত্রীর দেশে ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ কাজ’ থাকায় জাতিসংঘ সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন তিনি। এজন্য গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হচ্ছে না। দূতাবাস নাগরিক সংবর্ধনা নিয়ে ‘অযাচিত তথ্য’ দেওয়ার কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী দেশের লাখ লাখ ডলার খরচ করে সংবর্ধনা নিতে চান না। কৃচ্ছ্রসাধনের উদ্দেশ্যে তিনি ছোট একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে জাতিসংঘে আসছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটির পক্ষ থেকে তারেক রহমানের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা আছে কি না, জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস আহমেদ বলেন, এ ধরনের কিছু তার ওপর নেই। তিনি উল্লেখ করেন, "এমন কিছু থাকলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে চিঠি লিখতেন না।" তিনি একজন বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে আসছেন। তার বিরুদ্ধে কিছু গুজব ও অসত্য তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
এদিকে, ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ