প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা ত্যাগ করে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন। তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তার নিউইয়র্ক সফর উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি সাংগঠনিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
দলটির নেতারা জানিয়েছেন, ২১ সেপ্টেম্বর রবিবার জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হবে। বিমানবন্দরে তার সফরসঙ্গীদের সম্মানিত রাখার জন্য ‘ভ্যানগার্ড’ হিসেবে প্রস্তুত থাকার কথাও তারা উল্লেখ করেছেন।
শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নিউইয়র্কের কুইন্সের জ্যাকসন হাইটসে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বিএনপির নেতাকর্মীরা দফায় দফায় মিছিল করেন। এ সময় ৭৩ স্ট্রিট এলাকায় দলটির নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। এর নিকটবর্তী ডাইভারসিটি প্লাজায় শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ ও মামলা বাতিলের দাবিতে সমাবেশ করেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তবে দুই পক্ষের কর্মসূচির মধ্যে কোনো অঘটন ঘটেনি।
গত শনিবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতারা এসব তথ্য তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট, জিল্লূর রহমান জিল্লূ, গিয়াস আহমেদ, মিল্টন ভূঁইয়া এবং সোহায়েল হোসেন সোহেল। স্থানীয় নেতাদের মধ্যে ছিলেন জসিম ভূঁইয়া, আব্দুস সবুর, আহবাব চৌধুরী, সেলিম রেজা, সোলায়মান ভূঁইয়া, আখতার হোসেন বাদল, তোফায়েল চৌধুরী, আবু সাইয়িদ আহমেদ, মোশাররফ হোসেন সবুজ, কামাল পাশা বাবুল, গোলাম ফারুক শাহিন, মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলী, আবু সাইয়িদ, জাকির হোসেন এবং গিয়াস উদ্দীন।
এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার হোসেন খোকন জানান, প্রধানমন্ত্রীর দেশে ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ কাজ’ থাকায় জাতিসংঘ সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন তিনি। এজন্য গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হচ্ছে না। দূতাবাস নাগরিক সংবর্ধনা নিয়ে ‘অযাচিত তথ্য’ দেওয়ার কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী দেশের লাখ লাখ ডলার খরচ করে সংবর্ধনা নিতে চান না। কৃচ্ছ্রসাধনের উদ্দেশ্যে তিনি ছোট একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে জাতিসংঘে আসছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটির পক্ষ থেকে তারেক রহমানের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা আছে কি না, জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াস আহমেদ বলেন, এ ধরনের কিছু তার ওপর নেই। তিনি উল্লেখ করেন, "এমন কিছু থাকলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে চিঠি লিখতেন না।" তিনি একজন বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে আসছেন। তার বিরুদ্ধে কিছু গুজব ও অসত্য তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
এদিকে, ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন