শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:২২ এম
গাজীপুর সাফারি পার্ক জৌলুস হারাচ্ছে নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, একের পর এক প্রাণীর মৃত্যু ও চুরির কারণে। এক সময় দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর থাকা পার্কটি বর্তমানে অবহেলায় ধুঁকছে। কোটি কোটি টাকা ব্যয় সত্ত্বেও প্রাণীর সংখ্যা কমছে। বাঘ-সিংহের প্রজনন বন্ধ হয়ে গেছে এবং বড় ধরনের রাজস্ব ঘাটতির মুখোমুখি হচ্ছে পার্কটি।
২০২৩ সালে পাচারকারীদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিরল প্রজাতির তিনটি আফ্রিকান লেমুর গাজীপুর সাফারি পার্কে আনা হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই রহস্যজনকভাবে প্রাণীগুলো চুরি হয়ে যায়। একটি লেমুর উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, বাকি দুটির খোঁজ মেলে ভারতের ধনকুবের আম্বানি পরিবারের ব্যক্তিগত প্রাণিশালায়।
এর আগে পার্ক থেকে চুরি হয়েছে দুটি ম্যাকাও পাখি, একটি নীলগাইসহ বেশ কয়েকটি বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রাণী। বিশেষ করে ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর পার্কটি যেন চোরাকারবারিদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে।
শুধু প্রাণী চুরিই নয়, গত কয়েক বছরে একের পর এক প্রাণীর রহস্যজনক মৃত্যুও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ২০২২ সালে মারা যায় ১১টি জেব্রা, একটি বাঘ ও একটি সিংহী। পার্ক প্রতিষ্ঠার সময় আনা ১২টি জিরাফ ও তিনটি ক্যাঙ্গারুর বংশধরসহ সব প্রাণীই এখন মৃত। ২০২৫ সাল থেকে পার্কটি জিরাফ ও ক্যাঙ্গারুশূন্য হয়ে যাবে।
অন্যদিকে, তিন সপ্তাহের কোয়ারেন্টিনে রাখার কথা থাকলেও গত নয় বছর ধরে বন্দী রয়েছে একটি লেপার্ড। পুষ্টিহীনতা ও নিম্নমানের খাবার সরবরাহের কারণে বছরের পর বছর ধরে বাঘ-সিংহের প্রজননও বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পার্কে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা হতাশা প্রকাশ করছেন। তাদের একজন বলেন, ‘প্রাণী ধরতে গেলে একদম নাই বললেই চলে। ভেতরে প্রাণীর সংখ্যাও কম, পরিবেশটাও সেরকম ভালো লাগেনি। আগে যা দেখে গেছি, এখন এসে তার কিছুই পেলাম না। এখানে আরও অনেক বেশি পশুপাখি থাকা উচিত। এত প্রাণী থাকার পরও সেগুলো চুরি হবে কেন?’
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিভাগের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম কে এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী জানান, প্রাণীদের খাবারের জন্য একটি রেশনিং কমিটি রয়েছে। প্রাণীদের প্রয়োজনীয় খাবার সরবরাহের জন্য কমিটি কাজ করে।
সম্প্রতি বন ও পরিবেশ মন্ত্রী অনিয়মের খবর পেয়ে পার্কটি পরিদর্শনে আসেন। অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কথা শুনে তিনি জানান, সরকার তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু বলেন, ‘এখান থেকে দুটি লেমুর চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে। যারা দায়ী থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
পার্কটি রক্ষণাবেক্ষণে প্রতিবছর প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়। বিপরীতে আয় হয় প্রায় তিন কোটি টাকা। সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও প্রাণী চুরি, লুটপাট ও ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ এখনো চোখে পড়েনি।
পার্কের এমন পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ দর্শনার্থীরা। তাদের মতে, বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় এই বন্যপ্রাণী পর্যটনকেন্দ্রের সৌন্দর্য ও আকর্ষণ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত সংস্কার, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং প্রাণীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আজ সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হবে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল, যেখানে আফগানিস্তান এবং জিম্বাবুয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা করবে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে রাতের দিকে ইপসউইচ ও নটিংহ্যাম মুখোমুখি হবে।
ক্রিকেট
ত্রিদেশীয় সিরিজ: ফাইনাল
আফগানিস্তান–জিম্বাবুয়ে
বিকেল ৫–৩০ মি., টি স্পোর্টস
ফুটবল
বাংলাদেশ ফুটবল লিগ
ব্রাদার্স–আবাহনী
বেলা ২–৪৫ মি., টি স্পোর্টস
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
ইপসউইচ–নটিংহাম
রাত ১টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১
লা লিগা
আলাভেস–মালাগা
রাত ১টা, টি স্পোর্টস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ওয়ানডে ক্রিকেটে ৪৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয় অর্জন সম্ভব, তা প্রমাণ করলো শ্রীলঙ্কা। ত্রিদেশীয় সিরিজের অংশ হিসেবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮৫৯ রানের একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচে ২ উইকেটে জয়লাভ করেছে লঙ্কানরা। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের নতুন রেকর্ড গড়েছে তারা। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, যারা ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৩৫ রান তাড়া করে জয়লাভ করেছিল।
শ্রীলঙ্কা যখন ব্যাট করতে নামে, তখন তারা ২৪ রানে দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে। এরপর আভিস্কা ফার্নান্দো ও পবন রত্নায়েকের ১৬৬ রানের জুটি দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। আভিস্কা ৯৭ রান করেন এবং রত্নায়েকের ব্যাট থেকে আসে ১৩০ রান।
এরপর দাসুন শানাকার ঝড়ো ব্যাটিং ম্যাচের পরিস্থিতি পাল্টে দেয়। মাত্র ৫০ বলে ৯৭ রান করে তিনি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রত্নায়েকের সঙ্গে তার জুটি ছিল ১৩৩ রানের।
শেষদিকে জানিথ লিয়াঙ্গের ব্যাটিংয়ে জয় নিশ্চিত হয় শ্রীলঙ্কার। শেষ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে চাপের মধ্যে পড়লেও, পঞ্চম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জয় এনে দেন তিনি। ২৭ বলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন লিয়াঙ্গে।
এর আগে, ইংল্যান্ড ৪২৯ রান তোলে হ্যারি ব্রুকের ২০২ এবং উইল জ্যাকসের ৬৬ রানের সাহায্যে। ব্রুক মাত্র ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৩২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। ভূমিকম্পের কারণে তিন শতাধিক বাড়ি ধসে পড়েছে। উদ্ধার অভিযান চলছে ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের জন্য। দুর্গত এলাকায় ট্রেন চলাচল বন্ধ করা হয়েছে এবং চীনা কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তরের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে উত্তরাঞ্চলীয় নাগচু শহরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানায়, ভূমিকম্পের ফলে শত শত বাড়ি ধসে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে এবং ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীনা প্রশাসন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তরের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল নাগচু শহরের পূর্ব-উত্তর-পূর্বে ১৯১ কিলোমিটার দূরে ছিল। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৮ কিলোমিটার গভীরে।
অন্যদিকে, চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (সিইএনসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। উৎপত্তিস্থলের পাঁচ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ভূমির গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার।
এর আগে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াংয়ে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে তিনজন নিহত হন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দেশটির গানসু প্রদেশের জিশিশান কাউন্টিতে ভূমিকম্পের ফলে শতাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে ১৬ মাস ধরে চরম খাদ্য সংকটে রয়েছে প্রায় এক হাজার বানর। খাবারের অভাবে গেছো প্রাণীগুলো লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। তারা প্রতিদিন বাসাবাড়িতে হানা দিচ্ছে খাবারের সন্ধানে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। খাদ্য সংকট ও ঘনবসতির কারণে বানরের সংখ্যা দিন দিন কমছে। স্থানীয়রা প্রাণীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়।
একসময় অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত এলাকায় থাকার কথা থাকলেও মাদারীপুরের বানরগুলো এখন লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। খাবারের সন্ধানে তারা কখনো ফলের গাছে, আবার কখনো ঘরের চালে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দল বেঁধে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ঘুরছে বানরগুলো। খাবারের অভাবে বাসাবাড়িতে হানা দিচ্ছে তারা। এর ফলে স্থানীয়দের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি হচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, মাদারীপুরের নয়াচর ও চরমুগরিয়া একসময় বানরের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু খাদ্য সংকট ও ঘনবসতির কারণে বানরের সংখ্যা কমে গেছে। সরকারিভাবে বানরের জন্য খাবার বরাদ্দ থাকলেও ২০২৫ সালের জুন থেকে তা বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় কিছু প্রাণীপ্রেমী ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাবার দিচ্ছেন।
তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় বানরের উৎপাত বাড়ছে মানুষের ওপর। টানা ১৬ মাস ধরে ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের সন্ধানে ঘুরে বেড়ানো বানরের দল স্থানীয়দের জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বানর খাবার না পাওয়ায় আমাদের ওপর আক্রমণ করছে। দিন দিন এই উৎপাত বেড়েই চলছে। আমরা এর প্রতিকার চাই।’
নতুন শহরের ছাপাখানার ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বানর এখন বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে। বানরের যন্ত্রণায় আমরা অতিষ্ঠ। ঘরে ও বাইরে খাবার দেখলেই হানা দেয়। খাবার ছিনিয়ে নেয় বানরের দল।’
সামাজিক বন বিভাগ জানায়, মাদারীপুর পৌরসভার চরমুগরিয়ার কালিবাড়ি, স্বর্ণকারপট্টি, জেটিসি, আদমজী, চৌরাস্তা, নদীর পাড় ও কুলপদ্বীসহ বিভিন্ন এলাকায় একসময় প্রায় আট হাজার বানর ছিল। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় এক হাজারে।
এদিকে, বানরের জন্য পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশভিত্তিক সংগঠনের নেতারা। তাদের মতে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই প্রাণীকে টিকিয়ে রাখা জরুরি।
মাদারীপুরের পরিবেশভিত্তিক সংগঠন ফ্রেন্ডস অব নেচারের নির্বাহী পরিচালক রাজন মাহমুদ বলেন, ‘দিনে দিনে বানরের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই প্রাণী খুবই প্রয়োজন। কিন্তু এটি বোঝার কোনো মানুষ সমাজে নেই। সরকারিভাবেও দেখভাল করছে না কেউ। সরকারের কাছে দাবি, বিলুপ্ত হতে যাওয়া গেছো প্রাণীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হোক।’
সামাজিক বন বিভাগ জানায়, বানরের খাবারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে বারবার আবেদন করা হলেও এখনো তা পাওয়া যায়নি। সামাজিক বন বিভাগ মাদারীপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, ‘মাদারীপুর অফিস থেকে বারবার চিঠি দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কোনো বরাদ্দই আসছে না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনার জন্য আবারও লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হবে। বানরের খাবারের বরাদ্দ এলে দ্রুত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করে যথাযথভাবে খাবার সরবরাহ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ