শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৪১ এম
চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৩২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। ভূমিকম্পের কারণে তিন শতাধিক বাড়ি ধসে পড়েছে। উদ্ধার অভিযান চলছে ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের জন্য। দুর্গত এলাকায় ট্রেন চলাচল বন্ধ করা হয়েছে এবং চীনা কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তরের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে উত্তরাঞ্চলীয় নাগচু শহরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানায়, ভূমিকম্পের ফলে শত শত বাড়ি ধসে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে এবং ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীনা প্রশাসন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তরের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল নাগচু শহরের পূর্ব-উত্তর-পূর্বে ১৯১ কিলোমিটার দূরে ছিল। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৮ কিলোমিটার গভীরে।
অন্যদিকে, চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (সিইএনসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। উৎপত্তিস্থলের পাঁচ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ভূমির গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার।
এর আগে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াংয়ে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে তিনজন নিহত হন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দেশটির গানসু প্রদেশের জিশিশান কাউন্টিতে ভূমিকম্পের ফলে শতাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে ১৬ মাস ধরে চরম খাদ্য সংকটে রয়েছে প্রায় এক হাজার বানর। খাবারের অভাবে গেছো প্রাণীগুলো লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। তারা প্রতিদিন বাসাবাড়িতে হানা দিচ্ছে খাবারের সন্ধানে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। খাদ্য সংকট ও ঘনবসতির কারণে বানরের সংখ্যা দিন দিন কমছে। স্থানীয়রা প্রাণীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়।
একসময় অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত এলাকায় থাকার কথা থাকলেও মাদারীপুরের বানরগুলো এখন লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। খাবারের সন্ধানে তারা কখনো ফলের গাছে, আবার কখনো ঘরের চালে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দল বেঁধে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ঘুরছে বানরগুলো। খাবারের অভাবে বাসাবাড়িতে হানা দিচ্ছে তারা। এর ফলে স্থানীয়দের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি হচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, মাদারীপুরের নয়াচর ও চরমুগরিয়া একসময় বানরের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু খাদ্য সংকট ও ঘনবসতির কারণে বানরের সংখ্যা কমে গেছে। সরকারিভাবে বানরের জন্য খাবার বরাদ্দ থাকলেও ২০২৫ সালের জুন থেকে তা বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় কিছু প্রাণীপ্রেমী ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাবার দিচ্ছেন।
তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় বানরের উৎপাত বাড়ছে মানুষের ওপর। টানা ১৬ মাস ধরে ক্ষুধার তাড়নায় খাবারের সন্ধানে ঘুরে বেড়ানো বানরের দল স্থানীয়দের জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বানর খাবার না পাওয়ায় আমাদের ওপর আক্রমণ করছে। দিন দিন এই উৎপাত বেড়েই চলছে। আমরা এর প্রতিকার চাই।’
নতুন শহরের ছাপাখানার ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বানর এখন বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে। বানরের যন্ত্রণায় আমরা অতিষ্ঠ। ঘরে ও বাইরে খাবার দেখলেই হানা দেয়। খাবার ছিনিয়ে নেয় বানরের দল।’
সামাজিক বন বিভাগ জানায়, মাদারীপুর পৌরসভার চরমুগরিয়ার কালিবাড়ি, স্বর্ণকারপট্টি, জেটিসি, আদমজী, চৌরাস্তা, নদীর পাড় ও কুলপদ্বীসহ বিভিন্ন এলাকায় একসময় প্রায় আট হাজার বানর ছিল। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় এক হাজারে।
এদিকে, বানরের জন্য পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশভিত্তিক সংগঠনের নেতারা। তাদের মতে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই প্রাণীকে টিকিয়ে রাখা জরুরি।
মাদারীপুরের পরিবেশভিত্তিক সংগঠন ফ্রেন্ডস অব নেচারের নির্বাহী পরিচালক রাজন মাহমুদ বলেন, ‘দিনে দিনে বানরের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই প্রাণী খুবই প্রয়োজন। কিন্তু এটি বোঝার কোনো মানুষ সমাজে নেই। সরকারিভাবেও দেখভাল করছে না কেউ। সরকারের কাছে দাবি, বিলুপ্ত হতে যাওয়া গেছো প্রাণীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হোক।’
সামাজিক বন বিভাগ জানায়, বানরের খাবারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে বারবার আবেদন করা হলেও এখনো তা পাওয়া যায়নি। সামাজিক বন বিভাগ মাদারীপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, ‘মাদারীপুর অফিস থেকে বারবার চিঠি দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কোনো বরাদ্দই আসছে না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনার জন্য আবারও লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হবে। বানরের খাবারের বরাদ্দ এলে দ্রুত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করে যথাযথভাবে খাবার সরবরাহ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের মাটিতে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা একাধিক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। রাওয়ালপিন্ডিতে দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মোট ৮৫৯ রান হয়েছে। হ্যারি ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরি, জো রুটের মাইলফলক এবং স্যাম কারানের হতাশাজনক বোলিং—এসবের মধ্যে দিয়ে শ্রীলঙ্কা শেষ পর্যন্ত ২ উইকেটের জয় অর্জন করেছে। ম্যাচটিতে একাধিক ব্যক্তিগত ও দলীয় রেকর্ড গড়া হয়েছে।
ডাবল সেঞ্চুরির দ্রুততম রেকর্ড ব্রুকের
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে ৫০ ওভারে ৪২৯ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ১১৬ বলে ২০২ রানের ইনিংস খেলে। ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ওয়ানডেতে দ্রুততম দ্বিশতকের রেকর্ড গড়েন তিনি। এর আগে ১১৭ বলে এই কীর্তি ছিল শুভমান গিলের। ব্রুক ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন।
রুটের ৮ হাজার রান
জো রুট ওয়ানডেতে ৮ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে। ১৯৭তম ম্যাচে এসে তিনি এই কীর্তি অর্জন করেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৬ বলে ৬৯ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
পাকিস্তানের মাটিতে প্রথম ৪০০
পাকিস্তানের মাটিতে ইংল্যান্ডের ৪২৯ রান ওয়ানডেতে প্রথম ৪০০ ছাড়ানো দলীয় সংগ্রহ। এর আগে দেশের কোনো ভেন্যুতে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ছিল ৩৭৫ রান, যা ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অর্জিত হয়েছিল।
রান তাড়ায় শ্রীলঙ্কার নতুন ইতিহাস
শ্রীলঙ্কা ৪৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড গড়েছে। ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের তালিকায় তারা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৩৫ রান তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
এক ম্যাচে ৮৫৯ রান
ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার দুই ইনিংসে মিলিয়ে ৮৫৯ রান হয়েছে। এটি ওয়ানডে ইতিহাসে এক ম্যাচে দুই দলের সর্বোচ্চ সম্মিলিত রানের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে ৮৭৩ রান হয়েছিল।
কারানের বোলিংয়ে লজ্জার রেকর্ড
ইংল্যান্ডের হারের পেছনে বোলারদের ব্যর্থতা একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে। বিশেষ করে স্যাম কারান ৯ ওভারে ১০৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন। এটি ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের কোনো বোলারের এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি রান দেয়ার রেকর্ড। এর আগে ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৯.৫ ওভারে ৯৮ রান দিয়েছিলেন কারান। এবার তিনি নিজের সেই রেকর্ড ভেঙেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই বন্ধের কারণ হচ্ছে বৈদ্যুতিক লাইনের পাশের গাছের ডালপালা কর্তন এবং লাইনের ব্যাকবোন অংশে কাজ করা।
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ ব্রাহ্মণপাড়া জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাইকিং করে এ তথ্য জানায়।
জোনাল অফিসের ঘোষণায় বলা হয়েছে, বারেশ্বর উপকেন্দ্রের বিপি১-৮ এইচ ফিডারের ব্যাকবোন লাইনে কাজ করা হবে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক লাইনের পাশের গাছের ডালপালা কর্তন করা হবে যেন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।
এই কারণে ব্রাহ্মণপাড়া বাজার এবং আশপাশের এলাকা, সাহেবাবাদ, দীর্ঘভূমি, উপজেলা সদর, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কাজ শেষ হতে কিছুটা কম বেশি সময় লাগতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে ব্রাহ্মণপাড়া জোনাল অফিস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের অনেক শহরের মতো, ঢাকাও দীর্ঘকাল ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। এই পরিস্থিতি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। নগরায়নের বৃদ্ধি এবং যানবাহনের সংখ্যা বাড়ার ফলে বাতাসের মানের বিষয়টি নিয়মিত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
চলতি মাসের অধিকাংশ সময় ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় ছিল। তবে আজ দূষণের মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সূচকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থান বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার ১২তম স্থানে রয়েছে। এ সময় শহরের বায়ুমানের স্কোর ছিল ১৪৪, যা শুধুমাত্র সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত। গত বৃহস্পতিবার ঢাকার বায়ুমান ছিল ১৭৩। এই হিসাব অনুযায়ী, গতকালের তুলনায় আজ বাতাসে দূষণের মাত্রা অনেকটাই কম বলা যায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমান ওঠানামা করতে পারে।
তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, যেখানে বায়ুমানের স্কোর ছিল ২৮৮, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত। ভারতের দিল্লিতেও বায়ুদূষণের পরিস্থিতি ভয়াবহ, শহরটির বায়ুমানের স্কোর ছিল ২৪৩, ফলে সেখানে বাতাসও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
এদিকে, বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর এমন আটটি শহরের মধ্যে রয়েছে ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি, মিশরের কায়রো, ইন্দোনেশিয়ার মেদান, কাতারের দোহার, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ভারতের মুম্বাই ও কলকাতা এবং সেনেগালের ডাকার।
ঢাকার মতো বায়ুমান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এমন আরও ১২টি শহর রয়েছে। এগুলোর মধ্যে কঙ্গোর কিনশাসা, ভিয়েতনামের হেনোয়, বাহারাইনের মানামা, আরব আমিরাতের দুবাই, উজবেকিস্তানের তাশকেন্ত, চীনের বেইজিং, সৌদি আরবের রিয়াদ, সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর, কুয়েতের কুয়েত সিটি, পাকিস্তানের করাচি, যুক্তরাষ্ট্রের হিউসটন এবং নেপালের কাঠমান্ডু অন্তর্ভুক্ত।
একটি শহরের বাতাসের মান কতটা নির্মল বা দূষিত, তা জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার।
প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়। ৩০১-এর বেশি স্কোর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর হলে শিশু, বৃদ্ধ এবং শ্বাসকষ্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘক্ষণ বাইরে অবস্থান থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ