প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চীনের তিব্বত অঞ্চলে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৩২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। ভূমিকম্পের কারণে তিন শতাধিক বাড়ি ধসে পড়েছে। উদ্ধার অভিযান চলছে ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের জন্য। দুর্গত এলাকায় ট্রেন চলাচল বন্ধ করা হয়েছে এবং চীনা কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তরের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে উত্তরাঞ্চলীয় নাগচু শহরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানায়, ভূমিকম্পের ফলে শত শত বাড়ি ধসে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে এবং ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীনা প্রশাসন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তরের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল নাগচু শহরের পূর্ব-উত্তর-পূর্বে ১৯১ কিলোমিটার দূরে ছিল। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৮ কিলোমিটার গভীরে।
অন্যদিকে, চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার (সিইএনসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। উৎপত্তিস্থলের পাঁচ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ভূমির গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার।
এর আগে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াংয়ে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে তিনজন নিহত হন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দেশটির গানসু প্রদেশের জিশিশান কাউন্টিতে ভূমিকম্পের ফলে শতাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন