ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শহীদ জিয়া হত্যা মামলায় নতুন তদন্তের দাবি, সামনে আসতে পারে অজানা তথ্য


শহীদ জিয়া হত্যা মামলায় নতুন তদন্তের দাবি, সামনে আসতে পারে অজানা তথ্য

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর মেজর মোজাফফর হোসেন ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি ছদ্মনামে পাসপোর্ট তৈরি করে বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন। পরে যখন ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসেন, তখন তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তবে তখনও তিনি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করতেন। এদিকে, ১৯৮১ সালে সেনা বিদ্রোহের বিচার কিছুটা হলেও হয়েছিল, কিন্তু জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পৃথক বিচার এখনো হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, যদি নতুন করে হত্যা মামলা হয়, তবে অজানা অনেক তথ্য সামনে আসা সম্ভব।

১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে হত্যার শিকার হন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ৪৫ বছর পেরিয়ে গেছে। সেনা আইনে অভিযুক্তদের কয়েকজনের বিচার হলেও দীর্ঘদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন মেজর মোজাফফর হোসেন। চার দশক পর তিনি ঢাকায় গ্রেফতার হন।

গ্রেফতারের পর আবারও উঠেছে নানা প্রশ্ন। এতদিন তিনি কোথায় ছিলেন, হত্যাকাণ্ডে তার ভূমিকা কী ছিল এবং এর পেছনে আরও কারা ছিলেন; এসব নিয়ে উঠছে কৌতূহল। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ডিফেন্স জার্নালের সম্পাদক আবু রূশদ বলেন, জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর মেজর মোজাফফর ভারতে পালিয়ে যান এবং সেখানে তিনি ‘বিপ্লব সরকার’ ও ‘জয় ব্যানার্জী’ নামে পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন কাগজপত্র ও পাসপোর্ট তৈরি করেন। এই পাসপোর্ট ব্যবহার করে তিনি কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সফর করেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

আবু রূশদ আরও বলেন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও বীর বিক্রম জেনারেল মইনুল হোসেন চৌধুরী তার বইয়ে উল্লেখ করেছেন, থাইল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত থাকার সময় মেজর মোজাফফর ও মেজর খালেদ তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন।

তার দাবি, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে মেজর মোজাফফর বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং এরপরেও তিনি বিভিন্ন নামে পরিচয় ব্যবহার করতেন। পরে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার আগে তিনি আবার দেশ ছেড়ে চলে যান। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসলে তিনি পুনরায় দেশে ফিরে বসবাস শুরু করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৮১ সালে বিচার হওয়া বিষয়টি মূলত ছিল সেনা বিদ্রোহের বিচার। সামরিক আদালতে হওয়ার কারণে সেই বিচারপ্রক্রিয়া থেকে অনেক তথ্য জনসম্মুখে আসেনি। তাই জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড নিয়ে বেসামরিক আদালতে নতুন করে হত্যা মামলা করার সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ ডিফেন্স জার্নালের সম্পাদক আবু রূশদ বলেন, জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের জন্য কোনো পৃথক বিচার হয়নি। বিচার হয়েছে কেবল সেনা বিদ্রোহের, ফলে বিষয়টি সামরিক আইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু যদি হত্যা মামলা হয়, তবে ঘটনাটি আরও বিস্তৃতভাবে তদন্তের সুযোগ তৈরি হবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা ব্যারিস্টার এম. সারোয়ার হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড ও সেনা বিদ্রোহ দুটি ভিন্ন বিষয়। হত্যাকাণ্ডের বিচার বেসামরিক আদালত কিংবা সামরিক আদালত; উভয় ক্ষেত্রেই হতে পারে। কিভাবে বিচার হবে, সেটির সিদ্ধান্ত সরকারের।

বিশ্লেষকদের মতে, মেজর মোজাফফর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এসব তথ্য ইতিহাসের অংশ হিসেবে গ্রহণের আগে অন্যান্য দলিল-প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তবের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজের বিকল্প পথে তুরস্ক-সিরিয়ায় পাইপলাইনে তেল রফতানির পরিকল্পনা ইরাকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১১ পি.এম


হরমুজের বিকল্প পথে তুরস্ক-সিরিয়ায় পাইপলাইনে তেল রফতানির পরিকল্পনা ইরাকের

হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা কমাতে নতুন তেল রফতানি করিডোর তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ইরাক।

দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা থেকে উত্তরাঞ্চলের কিরকুক হয়ে তুরস্কের সিহান (জেইহান) বন্দর এবং সেখান থেকে সিরিয়ার বানিয়াস পর্যন্ত একটি কৌশলগত তেল পাইপলাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে বাগদাদ।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন থেকে ইরাকি সংবাদ সংস্থা (আইএনএ)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানিয়েছেন দেশটির তেলমন্ত্রী বাসিম মোহাম্মদ খুদাইর।

তিনি বলেন, ইরাকের তেল মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট লক্ষ্য হলো তেল রফতানির পথ বৈচিত্র্যময় করা এবং কেবল হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল না থাকা।

খুদাইরের ভাষ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান শেভরন ও টিই ক্যাপিটাল এবং কাতারের ইউসিসি-কে নিয়ে গঠিত একটি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে ইতোমধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে ইরাক।

তেলমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বসরা থেকে কিরকুক পর্যন্ত একটি কৌশলগত পাইপলাইন নির্মাণের উপায় ও সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা চলছে। পরিকল্পনার অনুযায়ী, কিরকুক থেকে পাইপলাইনটি তুরস্কের ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর সিহান পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি সিরিয়ার উপকূলীয় শহর বানিয়াস পর্যন্ত একটি শাখা পাইপলাইন নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বানিয়াস কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার ভূমধ্যসাগর উপকূলে অবস্থিত বানিয়াস দেশটির অন্যতম প্রধান তেল শোধনাগার এবং তেল রফতানি টার্মিনালের কেন্দ্রস্থল। অতীতে কিরকুক থেকে স্থলপথে ইরাকি অপরিশোধিত তেল এই শহরে পৌঁছানোর জন্য একটি পাইপলাইন ব্যবহার করা হতো।

তবে কয়েক দশকের যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির কারণে সেই পাইপলাইন বর্তমানে প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

হরমুজের বিকল্প খুঁজছে বাগদাদ

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশ এবং ওপেকের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদক ইরাক দীর্ঘকাল ধরে অপরিশোধিত তেল রফতানির জন্য হরমুজ প্রণালীর ওপর বৃহৎভাবে নির্ভরশীল।

কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা ইরাককে বিকল্প রফতানি পথ খুঁজতে উৎসাহিত করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বসরা-কিরকুক-সিহান-বানিয়াস পাইপলাইন বাস্তবায়িত হলে ইরাক শুধু হরমুজের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে না, একই সঙ্গে ভূমধ্যসাগরের মাধ্যমে ইউরোপসহ আন্তর্জাতিক বাজারে আরও নিরাপদ ও স্থিতিশীলভাবে তেল রফতানির সুযোগ উন্মোচিত হবে। এছাড়া এ প্রকল্প আঞ্চলিক জ্বালানি সহযোগিতা জোরদার এবং মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন কৌশলগত ভারসাম্য তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: শেখ হাসিনা সহ আসামি ৪১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৩ পি.এম


শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: শেখ হাসিনা সহ আসামি ৪১

শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ঘটনায় হত্যাযজ্ঞ নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ সহ ৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এই প্রতিবেদনটি প্রসিকিউশনের কাছে জমা করে।

এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, নথিপত্রগুলো বর্তমানে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তদন্তে এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র ঢাকাতেই ৩২ জন নিহত হওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

কিন্তু তদন্তের কাজ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, তাই প্রকৃত নিহতের সংখ্যা বর্তমানে নিশ্চিত করতে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ছাড়াও তৎকালীন পুলিশ প্রধান, র‍্যাব মহাপরিচালক এবং ডিএমপি কমিশনারকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া আসামির তালিকায় আরও রয়েছেন একাত্তর টিভির সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু, সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রূপা এবং সাংবাদিক শাহরিয়ার কবিরসহ বেশ কয়েকজন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিজীবী।

আগামী ২১ জুলাই নির্ধারিত সময়েই এই তদন্ত প্রতিবেদনটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমবাপ্পে যে ভবিষ্যদ্বাণী মেসিকে নিয়ে করলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


এমবাপ্পে যে ভবিষ্যদ্বাণী মেসিকে নিয়ে করলেন

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার নতুন রেকর্ড গড়ার পরেও বিনয়ী রইলেন ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। রেকর্ডটি নিজের নামে লিখিয়ে নেওয়ার পরেও এমবাপ্পের বিশ্বাস, ফাইনালে গোল করে আবারও তাকে ছুঁয়ে ফেলবেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

মায়ামিতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে তিনি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ২২-এ নিয়ে যান। এর মাধ্যমে এমবাপ্পে মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। বর্তমানে মেসির গোলসংখ্যা ২১। ফলে আজকের ফাইনালে যদি এমবাপ্পে জোড়া গোল করতে পারেন তবে আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই তারকা তার রেকর্ডে ভাগ বসাতে পারবেন।

ইংল্যান্ডকে ৬-৪ গোলে পরাজিত করে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করার পর ফক্স স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমবাপ্পে বলেন, রোববারও গোল করবেন মেসি। এটা তিনি নিশ্চিত।

এবারের বিশ্বকাপে এমবাপ্পে এখন পর্যন্ত ১০ গোল করেছেন। তাই টানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে তিনি সবচেয়ে এগিয়ে আছেন। তবে এমবাপ্পে ব্যক্তিগত অর্জনের বদলে দলের সাফল্যকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, আমি শুধু চেষ্টা করেছি দলকে সহায়তা করতে। তবে যখন আপনি বিশ্বকাপে অনেক গোল করবেন, তখন সেটি আপনাকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

যদিও ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়ার আনন্দের মাঝে রয়েছে আক্ষেপ। ফাইনালে ফ্রান্স প্রশিক্ষণ উঠতে না পারায় হতাশ এমবাপ্পে জানিয়েছেন, রেকর্ডের চেয়ে বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে থাকতে পারলেই তিনি বেশি খুশি হতেন।

তার ভাষায়, সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার চেয়ে ফাইনাল খেলতেই আমি বেশি পছন্দ করতাম। লিগ্যাসির জন্য হয়তো এটা ভালো, তবে এই মুহূর্তে আমার মাথায় এসবের কিছু নেই।

এদিকে বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আজ আর্জেন্টিনা ও স্পেন মুখোমুখি হবে। ম্যাচটিতে শিরোপার লড়াইয়ের পাশাপাশি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এমবাপ্পেকে স্পর্শ করার সুযোগ থাকবে লিওনেল মেসির সামনে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাস্তায় যৌন হয়রানির শিকার হলে নারীরা যে ৭টি পদক্ষেপ নেবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২১ পি.এম


রাস্তায় যৌন হয়রানির শিকার হলে নারীরা যে ৭টি পদক্ষেপ নেবেন

রাস্তাঘাট, গণপরিবহন কিংবা জনসমাগমস্থলে যৌন হয়রানি আজকাল অনেকের জন্য প্রতিদিনের বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে অনেকেই দ্রুত হেঁটে চলে যান, চোখের যোগাযোগ এড়িয়ে চলেন অথবা কোনো প্রতিক্রিয়া দেখান না। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী কিছু পদক্ষেপ নিলে শুধু নিজেকে নয়, অন্যান্যদেরকেও নিরাপদ রাখতে ভূমিকা রাখা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনসমক্ষে যৌন হয়রানির ঘটনা সমাজে একটি স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মেনে নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। তবে সচেতনতা, প্রতিবাদ এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব।

যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে নেয়া যেতে পারে যেসব পদক্ষেপ:

প্রয়োজনে প্রতিবাদ করুন।

যদি পরিস্থিতিটি নিরাপদ মনে হয়, তাহলে শান্ত ও দৃঢ়কণ্ঠে হয়রানিকারীকে তার আচরণ বন্ধ করতে বলুন। অশালীন ভাষা ব্যবহার না করে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিন যে, এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।

দর্শক হয়ে থাকবেন না।

কাউকে যদি হয়রানির শিকার হতে দেখেন, তাহলে নিরাপদ উপায়ে পাশে দাঁড়ান। সরাসরি বাধা দিতে না পারলে অন্যভাবে পরিস্থিতি পাল্টানোর চেষ্টা করুন অথবা ভুক্তভোগীকে সহায়তা করুন।

নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন।

বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তি, পরিবার অথবা পরিচিতদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিন। এতে মানসিক চাপের পাশাপাশি অন্যরাও সচেতন হতে পারেন।

অভিযোগ করুন।

যদি ঘটনাটি আইনগত অপরাধের আওতাভুক্ত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ জানান। এতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।

সচেতনতা তৈরি করুন।

নিজের এলাকায় অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানিবিরোধী সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। এতে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটবে।

নিরাপদ পরিবেশের দাবি তুলুন।

যেসব স্থানে নিয়মিত হয়রানির ঘটনা ঘটে, সেখানে পর্যাপ্ত আলো, নজরদারি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর দাবি জানাতে হবে।

সহায়তার নেটওয়ার্ক গড়ে তুলুন।

স্থানীয় সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী দল অথবা কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিরাপদ জনপরিসর গড়ে তুলতে কাজ করা যেতে পারে। সম্মিলিত উদ্যোগগুলো হয়রানি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য হলো, যৌন হয়রানির শিকার হলে নীরব থাকা বাধ্যতামূলক নয়, আবার প্রতিবাদ করাও সবসময় সম্ভব নাও হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, যৌন হয়রানির দায় কখনোই ভুক্তভোগীর নয়; দায় সম্পূর্ণরূপে হয়রানিকারীর।

সূত্র: এভরি ডে ফেমিনিজম

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%