০৬:৫৫ পি.এম
শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করা হচ্ছে যেন তারা তাদের পড়ার টেবিলে ফিরে যান। তিনি উল্লেখ করেন, “সঠিকভাবে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন।” শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে, যেসব কেন্দ্রে ভুল-ত্রুটি হয়েছে, সেসব কেন্দ্রে পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তিনি জাতীয় সংসদে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন।
এ দিন শফিকুল ইসলাম মাসুদ শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, গতকাল যেসব এইচএসসি পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ মূল্যায়ন সহায়তা ব্যবস্থা এবং যেসব কেন্দ্রে এখনো পানি আছে, সে বিষয়ে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি না? এছাড়া, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে?
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জবাবে বলেন, “বর্ষা মৌসুমে পরীক্ষা নিয়ে আমরা সবাই উদ্বিগ্ন।” তিনি জানান, “আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে ছিলাম এবং এখনও আছি।” পানির সমস্যা যে কেন্দ্রে সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো আমাদের তাৎক্ষণিক ভাবে কেন্দ্র সরানোর কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, “এ যাবৎ কুমিল্লা সরকারি কলেজের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে।” তিনি জানান যে, অন্যান্য যেসব কেন্দ্রে সমস্যা হয়েছে, সেসময় কেন্দ্র পাল্টানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা মনে করি, যেসব শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের শুধরে দেয়া বিরাট কোনো কাজ নয়।” কারণ, “আমরা অনেক জায়গায় পরীক্ষা বন্ধ করেছি, আবার তাদের পরীক্ষা নেবো।” তিনি বলেন, “আমরা পর্যলোচনা করছি, যদি কোথাও প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ওঠার পর শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পারে। তাহলে এই জরিপটা পেলে আমরা পুনরায় পরীক্ষাও নিয়ে যেতে পারি।”
এসময় শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্ষা মৌসুম এড়াতে পরীক্ষা কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, “২০২৭ সালে এসএসসি থেকে বেজ ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।” তিনি জানান, এ বছরও পরীক্ষার সময় এক মাস এগোনো হয়েছে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে শিক্ষাবর্ষ আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। সিলেবাস কীভাবে শেষ করবে, সে বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন