ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী


আন্দোলনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করা হচ্ছে যেন তারা তাদের পড়ার টেবিলে ফিরে যান। তিনি উল্লেখ করেন, “সঠিকভাবে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন।” শিক্ষামন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে, যেসব কেন্দ্রে ভুল-ত্রুটি হয়েছে, সেসব কেন্দ্রে পুনরায় পরীক্ষা নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তিনি জাতীয় সংসদে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন।

এ দিন শফিকুল ইসলাম মাসুদ শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, গতকাল যেসব এইচএসসি পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ মূল্যায়ন সহায়তা ব্যবস্থা এবং যেসব কেন্দ্রে এখনো পানি আছে, সে বিষয়ে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি না? এছাড়া, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে?

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জবাবে বলেন, “বর্ষা মৌসুমে পরীক্ষা নিয়ে আমরা সবাই উদ্বিগ্ন।” তিনি জানান, “আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে ছিলাম এবং এখনও আছি।” পানির সমস্যা যে কেন্দ্রে সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো আমাদের তাৎক্ষণিক ভাবে কেন্দ্র সরানোর কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, “এ যাবৎ কুমিল্লা সরকারি কলেজের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে।” তিনি জানান যে, অন্যান্য যেসব কেন্দ্রে সমস্যা হয়েছে, সেসময় কেন্দ্র পাল্টানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা মনে করি, যেসব শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের শুধরে দেয়া বিরাট কোনো কাজ নয়।” কারণ, “আমরা অনেক জায়গায় পরীক্ষা বন্ধ করেছি, আবার তাদের পরীক্ষা নেবো।” তিনি বলেন, “আমরা পর্যলোচনা করছি, যদি কোথাও প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ওঠার পর শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে না পারে। তাহলে এই জরিপটা পেলে আমরা পুনরায় পরীক্ষাও নিয়ে যেতে পারি।”

এসময় শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্ষা মৌসুম এড়াতে পরীক্ষা কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, “২০২৭ সালে এসএসসি থেকে বেজ ধরে ধীরে ধীরে এগিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।” তিনি জানান, এ বছরও পরীক্ষার সময় এক মাস এগোনো হয়েছে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে শিক্ষাবর্ষ আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। সিলেবাস কীভাবে শেষ করবে, সে বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ভয়ঙ্কর সত্য সবাইকে জানিয়েছেন, ‘স্বামী ছেড়ে চলে গেছেন’,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ভয়ঙ্কর সত্য সবাইকে জানিয়েছেন, ‘স্বামী ছেড়ে চলে গেছেন’,

নিকটজন ও প্রতিবেশীদের কাছে সুনীতা কুশওয়াহা বলেছিলেন, তার স্বামী কাউকে কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। তবে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ১১ মাস পর পুলিশ যখন ঘটনাটির আসল রহস্য সামনে আনল, তখন দেখা গেল, কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে আসছে এক সাপের ঝুড়ি। জানা গেল, স্বামী আসলে স্বেচ্ছায় চলে যাননি; বরং সুনীতা ও তার প্রেমিক মিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছিলেন এবং পরে মরদেহ তিন টুকরো করে গভীর বনে ফেলে দিয়েছিলেন। প্রায় এক বছর ধরে এই ভয়ংকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য রহস্যজনকভাবে ধামাচাপা ছিল, যা অবশেষে উদঘাটন করেছে ভারতের নভি মুম্বাইয়ের পুলিশ।

পুলিশের দেয়া তথ্যে জানা যায়, নিহত ব্যক্তির নাম বলীরাম সূর্যনাথ কুশওয়াহা (৫০)। তিনি তার স্ত্রী সুনীতা কুশওয়াহার (৪০) সঙ্গে রাহুল দশরথ প্রজাপতি (৩০) নামের এক যুবকের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন। মূলত এই সমস্যার সমাধানের জন্য বলীরামকে চিরতরে বিদায় করার নিষ্ঠুর পরিকল্পনা তৈরী করেন ওই যুগল।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, গত বছরের ৯ আগস্ট রাতে প্রথমে বলীরামের দুই সন্তানকে কৌশলে তাদের খালার বাড়িতে পাঠানো হয়। এরপর যখন বলীরাম ঘুমিয়ে পড়েন, তখন সুনীতা ও রাহুল মিলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। তাদের প্রমাণ লোপাটের জন্য একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে বলীরামের মাথা কেটে পুরো দেহ তিন টুকরো করে ফেলা হয়। পরে এই মরদেহের টুকরোগুলো আলাদা বস্তা ও বিছানার চাদরে মুড়িয়ে রাহুলের অটোরিকশায় করে নভি মুম্বাইয়ের উপকণ্ঠে গাভলি দেব পাহাড়ের বনের তিনটি ভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

হত্যাকাণ্ডের পর সুনীতা সন্তানদের নিয়ে ঘানসোলি এলাকায় চলে যান এবং সেখানে রাহুলের সঙ্গে নতুন সংসার শুরু করেন। তিনি সবার কাছে দাবি করেন, তার স্বামী তাদের ফেলে চলে গেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকায় বলীরামের ভাইয়ের মনে সন্দেহ দানা বাঁধলে চলতি বছরের এপ্রিলে তিনি থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপরই এমআইডিসি পুলিশ তদন্তে নামে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কল রেকর্ড বিশ্লেষণ ও ঘটনার পর মোবাইল নম্বর পরিবর্তনের সূত্র ধরে পুলিশ সুনীতা ও রাহুলকে গ্রেপ্তার করে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর অভিযুক্ত এই যুগল তাদের লোমহর্ষক অপরাধের কথা স্বীকার করে।

স্থানীয় আদালত তাদের সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছে। বর্তমানে পুলিশ গাভলি দেব বনের দুর্গম এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বলীরামের কঙ্কাল ও অন্যান্য আলামত উদ্ধারের জন্য তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ষণের শিকার শিশুর পাশে রয়েছে জেলা প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


ধর্ষণের শিকার শিশুর পাশে রয়েছে জেলা প্রশাসন

ধর্ষণের শিকার হয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে এক স্কুলছাত্রী (৮) যা দ্বিতীয় শ্রেণীর। গুরুতর জখম ওই শিশুটির সার্বিক চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন।

সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে জেলা প্রশাসনের একটি প্রতিনিধিদল হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির সার্বিক চিকিৎসার ব্যয় বহনের প্রতিশ্রুতি দেন।

সোমবার রাতে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে দেখতে যান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার সাইফুল ইসলাম, ইসতিয়াক আহমেদ অপু ও মো. শাহেদ হোসেনসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস বলেন, সাত বছর বয়সী একটি শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুটির সার্বিক খোঁজখবর নিতে এসেছি এবং চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করেছি। শিশুটিকে কেবিন থেকে বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। সে শারীরিকভাবে এখন আশঙ্কামুক্ত; তবে কিছুটা মানসিক ট্রমার মধ্যে রয়েছে। আমরা ভুক্তভোগী পরিবারকে সমর্থন জানাচ্ছি এবং তার চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয় বহনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।

এর আগে রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের একটি গ্রামে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায়, সোমবার রাতে শিশুর মা বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় কুলতিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের আহসান উল্লাহ (১৬) নামের এক কিশোরকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। রোববার বিকেলে, বাড়ির পাশে খেলার সময় প্রতিবেশী আহসান উল্লাহ তাকে প্রলোভন দেখিয়ে হাত ধরে পাশের একটি একতলা ভবনের ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটি জোরপূর্বক ধর্ষণের শিকার হয়।

একপর্যায়ে, শিশুটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে সে কান্নাকাটি করতে থাকে। এ সময় শিশুটির এক আত্মীয় ঘটনাটি দেখে ফেললে অভিযুক্ত কিশোর পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হলে রাতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শিশুটির শরীরে ৪টি সেলাই দিতে হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, এ ঘটনার জন্য থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীরা কেন ‘ফার্মের মুরগি’ স্লোগান দিচ্ছে,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


শিক্ষার্থীরা কেন ‘ফার্মের মুরগি’ স্লোগান দিচ্ছে,

টানা বৃষ্টি এবং জলাবদ্ধতার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও সমাবেশে তাদের মুখে সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে—‘তুমি কে, আমি কে? ফার্মের মুরগি’ স্লোগান। এছাড়াও তারা শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগও দাবি করছেন।

শিক্ষার্থীদের এই স্লোগানের সূত্র একটি অডিও-ভিডিও, যা সোমবার রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে একটি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতে শোনা যায় শিক্ষামন্ত্রীকে। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘ওরা তো ফার্মের মুরগি, একটু বৃষ্টিতে ভিজলেই জ্বর চলে আসবে।’ এই মন্তব্যকে শিক্ষার্থীরা অবমাননাকর দাবি করেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপর থেকেই আন্দোলনে ‘ফার্মের মুরগি’ স্লোগানটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে।

জানা গেছে, রোববার রাতে রাজধানীর একটি কলেজের এক পরীক্ষার্থীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। পরীক্ষার্থীর অভিভাবক মন্ত্রীকে হোয়াটসঅ্যাপে কল দিয়ে সন্তানের সঙ্গে কথা বলিয়ে দেন। ওই কথোপকথনের সময় অন্য একটি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভিডিওতে শিক্ষামন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, একটি বৈঠকে কেউ একজন বলেছিলেন, ‘একটু ভিজলেই আমার মেয়ের জ্বর চলে আসে।’ সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘ওরা তো ফার্মের মুরগি, একটু ভিজলেই জ্বর চলে আসে। একদিন বৃষ্টিতে ভিজে জ্বর এলে তো পরের তিন দিনও পরীক্ষা দিতে পারবে না।’

একই কথোপকথনে শিক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, তিনি নিজে পরীক্ষা স্থগিতের বিপক্ষে ছিলেন। তবে জেলা প্রশাসক ও আবহাওয়াবিদদের মতামতের ভিত্তিতে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, পরীক্ষার রুটিনও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করেই করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, টানা ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে অনেক পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি। কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পাশাপাশি পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রের প্রশ্ন নিয়েও তারা আপত্তি তুলেছেন। তাদের দাবি, প্রশ্নে ভুল ছিল এবং সেটি অতীতের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কঠিন হয়েছে।

এসব অভিযোগকে সামনে রেখে মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়, বকশীবাজারে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সামনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে উত্তরার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, বরিশালের ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এবং ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কেও অবরোধের ঘটনা হয়েছে। কুমিল্লা, বগুড়া এবং ময়মনসিংহেও শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘দফা এক, দাবি এক—শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ’, ‘তুমি কে, আমি কে? ফার্মের মুরগি’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে অন্যতম হল—দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাখা, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রের প্রশ্ন নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।

এদিকে, ভাইরাল হওয়া ওই কথোপকথনের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পক্ষ থেকেও এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে ৭ কেজি কষ্টিপাথরসহ আটক দুইজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


পঞ্চগড়ে ৭ কেজি কষ্টিপাথরসহ আটক দুইজন

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সাত কেজি ওজনের একটি কষ্টি পাথর উদ্ধার করেছে। এ অভিযান চলাকালে দুজনকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে, এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সময় সংবাদকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঠাকুরগাঁও বিজিবি-৫০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল খ. আখলাকুর রহমান।

এর আগে সোমবার (১৩ জুলাই) রাত ২টার দিকে, উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের বর্ষালুপাড়া এলাকায় বিজিবির বর্ষালুপাড়া বিওপির একটি বিশেষ অভিযানে কষ্টি পাথরের অংশসহ তাদের আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুটি মোটরসাইকেল, দুটি বাটন মোবাইল ফোন ও দুটি সিম কার্ডও জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত এসব মালামাল আটোয়ারী থানায় হস্তান্তর করে বিজিবি। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরসহ আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন: পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার রাধানগড় ইউনিয়নের ছবিরুল ইসলামের ছেলে দুলাল হোসেন (৩৬) এবং ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উপজেলার চাপাতি এলাকার সুরল ইসলামের ছেলে কলিম উদ্দিন (৪০)।

বিজিবি জানায়, ঠাকুরগাঁও-৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাত ২টায় বর্ষালুপাড়া বিওপির টহলরত সদস্যরা সীমান্তের মেইন পিলার ৩৯৬ এর ৫ নম্বর রেফারেন্স পিলার থেকে ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রাধাকৃষ্ণ বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় দুলাল হোসেন (৩৬) এবং কলিম উদ্দিন (৪০) নামে দুজনকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে ৭ কেজি ওজনের একটি কষ্টি পাথর উদ্ধার হয়।

জানা যায়, উদ্ধার কষ্টি পাথরের অংশসহ জব্দকৃত মালামালের অনুমানিক মূল্য প্রায় ৮ লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টাকা।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে কর্নেল খ. আখলাকুর রহমান সময় সংবাদকে জানিয়েছেন, আটক দুই ব্যক্তিকে আটোয়ারী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%