বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৪ পি.এম
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ক্লাবের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতলের বিনিময়ে গাছের চারা বিতরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচিতে ঔষধি, ফুল ও ফলের বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করা হচ্ছে। আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে এই দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে ‘গিভ অ্যান্ড টেক সেশন-৪’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য উল্লেখ করেন, "পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। আমি এই অনুষ্ঠানের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে আনার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমও চলমান রাখতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে অনেক গাছ লাগানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।"
এক শিক্ষার্থী গাছ নেওয়ার সময় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল জমা দিয়ে গাছের চারা নেওয়ার উদ্যোগটি খুবই ভালো লেগেছে। এতে একদিকে প্লাস্টিকের সঠিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন হওয়া যাচ্ছে, অন্যদিকে নিজের হাতে একটি গাছ লাগানোর সুযোগও তৈরি হচ্ছে।"
ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ক্লাবের সভাপতি আসিফ মাহমুদ জানান, "আমাদের উদ্দেশ্য হলো মানুষকে প্লাস্টিক ব্যবহারের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করা। একই সঙ্গে গাছের চারা বিতরণের মাধ্যমে পরিবেশের জন্য বৃক্ষের গুরুত্ব তুলে ধরা। বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবিলায় কার্বন সিকোয়েস্ট্রেশনের জন্য বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতেই আমাদের এ উদ্যোগ। গত বছরের আয়োজনে আমরা ১৫ শতাধিক গাছের চারা বিতরণ করেছিলাম। এবার দুই হাজারের অধিক চারা বিতরণের আশা করছি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ফিজিতে এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) সংক্রমণের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে, যার ফলে দেশটিতে জাতীয় স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে, ফিজিতে প্রতি ৬০ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে রয়েছেন। সরকার এই পরিস্থিতিকে ‘মহামারি’ হিসেবে চিহ্নিত করে দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ফিজির স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা মন্ত্রী ড. রাতু আন্তোনিও লালাবালাভু এই জরুরি অবস্থা ঘোষণার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, সাধারণ প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। মহামারির প্রকৃতি বিবেচনা করে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফিজিতে প্রতি ৬০ জন প্রাপ্তবয়স্কের একজন এবং প্রতি ৫০ জন গর্ভবতী নারীর একজন এইচআইভিতে আক্রান্ত রয়েছেন। অথচ পাঁচ বছর আগে এই হার ছিল প্রতি ১৬৭ জনে একজন। ২০২৫ সালের মধ্যে ফিজিতে নতুন করে অন্তত ২ হাজার ৬০ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে।
জাতিসংঘের এইডসবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইডসের তথ্য অনুযায়ী, ১০ লাখেরও কম জনসংখ্যার দেশ ফিজিতে ২০১০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে নতুন এইচআইভি সংক্রমণের হার প্রায় ১২ গুণ বেড়েছে। সংস্থাটি জানায়, বর্তমানে নতুন সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে ফিজি শীর্ষে রয়েছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মাদক পাচারের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া এবং অনিরাপদ ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের প্রবণতা ফিজিতে এইডস ছড়ানোর অন্যতম প্রধান কারণ। স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব, সামাজিক কলঙ্কের ভয় এবং যথাযথ পরীক্ষা ও চিকিৎসার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইউএনএইডসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফিজিতে আক্রান্তদের ৫০ শতাংশের বেশি যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে এবং ৪২ শতাংশের বেশি ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের ফলে সংক্রমিত হয়েছেন। ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটিতে আনুমানিক ৯ হাজার ১০০ জন এইচআইভি আক্রান্ত রোগী থাকলেও, তাদের মাত্র ৩৯ শতাংশ নিজেদের সংক্রমণের বিষয়ে অবহিত ছিলেন এবং মাত্র ২২ শতাংশ নিয়মিত অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসা পাচ্ছিলেন।
ফিজির এই পদক্ষেপের বিষয়ে ইউএনএইডসের নির্বাহী পরিচালক উইনি বিয়ানইমা মন্তব্য করেন, ফিজির বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্বের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা যে এইডস মহামারি এখনও শেষ হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উদ্দেশ্যে চিকিৎসার জন্য যাত্রা করার সময় দর্শনা ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক। পরে তাকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় মেহেরপুর ডিবি পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল বেলায় তাকে গ্রেপ্তার করে মেহেরপুর আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
এমএ খালেক গাংনী শহরের থানা সড়কের মোজাহার আলীর পুত্র। তিনি গাংনী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। এর আগে ৩টি মামলায় কিছুদিন হাজতবাস শেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন।
মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি সূত্রে জানা যায়, মেহেরপুর সদর থানায় দায়েরকৃত একটি নাশকতার মামলার আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই মামলার আসামি হিসেবে এ দিন বিকেলে তাকে মেহেরপুর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতের নির্দেশে তাকে মেহেরপুর জেলা কারাগারে হাজতবাসে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা ইমিগ্রেশন দিয়ে চিকিৎসা ভিসায় ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন এমএ খালেক। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশের সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে তারা নিশ্চিত হন যে, খালেকের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে মেহেরপুর ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে মেহেরপুর নিয়ে আসে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৫ম সমাবর্তন আয়োজনের জন্য একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান এবং সদস্যসচিব হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের সূত্রে গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, সমাবর্তনটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত স্টিয়ারিং কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ডিন, সব বিভাগের সভাপতি, আবাসিক হলগুলোর প্রভোস্ট, বিভিন্ন অফিসের প্রধান এবং সিনিয়র শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কমিটির সদস্যরা সমাবর্তন আয়োজনের সার্বিক পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, সমন্বয় ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সমাবর্তন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের ১, ২ অথবা ৩ তারিখের মধ্যে যেকোনো একটি দিন চূড়ান্ত করে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তবে নির্ধারিত তারিখ প্রস্তুতি ও অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।
জনসংযোগ দপ্তর জানাচ্ছে, সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি প্রদান এবং একাডেমিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের মাধ্যমে সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে একটি সফল ও স্মরণীয় সমাবর্তন আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করবে কমিটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের দাবি জানিয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করিমের কাছে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাছিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাতের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি জমা দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন ব্যয় হ্রাস করা সম্ভব। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল, প্রশাসনিক ভবন ও অন্যান্য উপযুক্ত স্থাপনার ছাদে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে স্মারকলিপিতে উপস্থাপিত প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে—একটি সমন্বিত ‘সোলার পাওয়ার মাস্টার প্ল্যান’ তৈরি, আধুনিক ও জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সম্ভাবনা যাচাই এবং সরকারি বরাদ্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব অর্থায়ন ও করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের মাধ্যমে অর্থায়নের সুযোগ অনুসন্ধান।
এছাড়া, প্রত্নতত্ত্ব, বিজ্ঞান, প্রকৌশল, পরিবেশ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে গবেষণা ও ব্যবহারিক শিক্ষার ক্ষেত্র হিসেবে কাজে লাগানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কারিগরি কমিটি গঠনের প্রস্তাবও রয়েছে।
শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাছিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত মন্তব্য করেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবন ও স্থাপনার ছাদে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছি। এর মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ ব্যয় কমানো এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে একটি সমন্বিত সৌরবিদ্যুৎ পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ