ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাম বাড়াচ্ছে উদ্বেগ: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত ৬৯৬ জন


হাম বাড়াচ্ছে উদ্বেগ: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত ৬৯৬ জন

দেশে কয়েক মাস ধরে হাম রোগ মরণব্যাধি হিসেবে ব্যাপকভাবে উৎপাত করছে। প্রতিদিন শিশুদের তাজা প্রাণ ঝরে পড়ছে। পাশাপাশি হাজার হাজার শিশু হাম নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে আরও ৬৯৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।

আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৭৫৮ জনের মৃত্যু হলো।

দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে এই সময়ে আরও ৮৭৯ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এর ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৪৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১৩ হাজার ৫০০ জনের হাম শনাক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৪ হাজার ৩৪০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতালে থেকে ৯০ হাজার ৬০৫ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে নিহত বেড়ে ২৮, বন্যা ও পাহাড়ধসে আক্রান্ত পরিস্থিতি সংকটজনক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ পি.এম


কক্সবাজারে নিহত বেড়ে ২৮, বন্যা ও পাহাড়ধসে আক্রান্ত পরিস্থিতি সংকটজনক

টানা বৃষ্টির ফলে কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতি বর্তমানে ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছে। বৃষ্টির অব্যাহত থাকার কারণে বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষজনের ভোগান্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে বন্যা এবং পাহাড়ধসের পৃথক ঘটনায় কক্সবাজারে মৃত্যুর সংখ্যা মোট ২৮ জনে পৌঁছেছে, যা প্রশাসন কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান এই মৃত্যু সংখ্যার তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় জনগণের মধ্যে জানা যায়, শনিবার (১১ জুলাই) দিনে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমছিল। বৃষ্টি কমে যাওয়ায় বন্যার পানিও কিছুটা নেমে গিয়েছিল। কিন্তু রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত আবারও মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। এই কারণে বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে আবারও পানি বাড়তে শুরু করেছে। দুর্গত মানুষগুলো খাবার এবং পানীয় জলের সংকটে ভুগছেন। একই সঙ্গে পাহাড়ধসে ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে। ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিংসহ বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন এবং উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সাথে সাথে রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোও দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণে এগিয়ে এসেছে। তবে চাহিদার তুলনায় এসব ত্রাণ অপ্রতুল বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান।

রোববার (১২ জুলাই) চকরিয়া, রামু, কক্সবাজার সদর এবং উখিয়ার দুর্গতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণের সময় তিনি বলেন, বন্যার্তদের ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় মানবিক সহায়তার পরিমাণ অপর্যাপ্ত, সরকারি সহযোগিতা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।

কক্সবাজার সদর আসনের এমপি লুৎফুর রহমান কাজল রামু, ঈদগাঁও ও কক্সবাজার সদর এলাকায় বন্যা দুর্গতদের জন্য ত্রাণ বিতরণ করেছেন এবং পাহাড় ধসে নিহতদের পরিবারের জন্য অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। এই ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে জেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ দুর্গতদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সাহায্য প্রদান করছেন। পেকুয়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে ছফুয়ানুল করিমের নেতৃত্বে দিনে এবং রাতে শুকনো খাবার, পানিসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, ভারি বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে জেলায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কক্সবাজার শহরে পাহাড়ধসে এক নারী এবং পেকুয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে ১৯ মাস বয়সী এক শিশু রয়েছে। এই ঘটনায় কক্সবাজারে চলমান দুর্যোগে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ জনে।

পেকুয়ার ইউএনও রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, শনিবার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বলিরপাড়া এলাকায় বন্যার পানিতে ডুবে ১৯ মাস বয়সী মুশফিকুর রহিম নামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটে। ওই শিশুর পরিবার জানায়, ওই সময় শিশুটিকে ঘরে রেখে বাইরে কাজ করছিলেন তার মা। পরে শিশুটি পানিতে পড়ে যায় এবং স্রোতে ভেসে যায়। তার খোঁজার পর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে প্রায় দেড়শ ফুট দূরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রশ্ন করলে ইউএনও রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার সার্বিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটলেও অনেক এলাকায় এখনো পানি রয়েছে। তাই সকলের অপেক্ষা করা উচিত সতর্ক হওয়ার পাশাপাশি শিশুদের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে।

অন্যদিকে, শনিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউপির পূর্ব কলাতলীর ঝরঝরিপাড়ায় পাহাড়ধসে রোজিনা বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূ নিহত হন। তিনি ওই এলাকার আব্দুল মজিদের স্ত্রী।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসাইন জানান, রাতের খাবারের প্রস্তুতির সময় পাহাড়ঘেঁষা রান্নাঘরে অবস্থান করছিলেন রোজিনা বেগম। এসময় হঠাৎ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে এবং ঘরসহ তিনি মাটিচাপা পড়েন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার অভিযান চালিয়ে প্রায় দু’ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এসময় তার স্বামী আব্দুল মজিদ সন্তানসহ দোকানে উপস্থিত ছিলেন।

আব্দুল মজিদ বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের আশঙ্কার কথা জানিয়ে তিনি স্ত্রীকে বারবার রান্নাঘরে যেতে নিষেধ করেছিলেন, কিন্তু রাতের খাবার প্রস্তুত করার দুর্ভাগ্যের কারণে এই মারাত্মক ঘটনায় আক্রান্ত হন।

কক্সবাজার সদরের ইউএনও তাহমিনা আক্তার বলেন, টানা বর্ষণে জেলার ক্ষতবিক্ষত পাহাড়গুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হলেও অনেকেই পাহাড়ঘেঁষা বসতিতে ফিরে আসছেন। টানা বর্ষণের সময় পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। ঝুঁকি দেখলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়াই শ্রেষ্ঠ উপায়। মাইকিংসহ ফোর্সের প্রয়োগ করা হলেও বাড়ি ছাড়তে না চাওয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার ঘটনার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পাহাড়ের ঢাল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান করা উচিত নয়।

ইউএনও আরও জানান, গত ৭ জুলাই বিকেলে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের ১ নম্বরওয়ার্ডের দরিয়ানগর বড়ছড়া হাজীঘোনা এলাকায় পাহাড় ধসে লিমা আক্তার (২৫) মারা যান। এসময় তার স্বামী জসিম উদ্দিনও আহত হন। বৃষ্টির মাঝেও মেরিন ড্রাইভের হিমছড়ি এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কিছুক্ষণ যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হয়। বৃষ্টি দুর্যোগকালীন সময়ে সবাইকে নিরাপদে থাকার আবেদন করেছেন ইউএনও।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কক্সবাজারসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আগামী কয়েকদিন মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। অতিভারি বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধস, আকস্মিক বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার লোকজনকে সতর্কতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান বলেন, জেলার দুর্গত উপজেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ কর্মসূচি চলছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করে চলেছেন। আশ্রয়কেন্দ্রগুলো সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। সকলকে প্রশাসনের নির্দেশনা পালন করতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান না করার জন্য অনুরোধ জানান ডিসি। কক্সবাজার জেলায় সপ্তাহজুড়ে পাহাড়ধস ও পানিতে ডুবে মোট ২৮ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে ১৭ জন ছিলেন রোহিঙ্গা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বৃষ্টিতে কৃষকরা আমনের বীজতলা নিয়ে বিপাকে, ৭০০ হেক্টর বীজতলা পানির নিচে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


টানা বৃষ্টিতে কৃষকরা আমনের বীজতলা নিয়ে বিপাকে, ৭০০ হেক্টর বীজতলা পানির নিচে

সপ্তাহব্যাপী টানা বৃষ্টির ফলে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার কৃষকরা আমনের বীজতলাকে নিয়ে একধরনের শঙ্কায় পড়েছেন। এভাবে তৈরি করা বীজতলা অতিবর্ষণের ফলে পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে, যার ফলে বীজগুলি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আবার ক্ষেত পানির নিচে চলে যাওয়ার কারণে কৃষকরা নতুন করে বীজতলা তৈরি করতেও সক্ষম হচ্ছেন না। ফলস্বরূপ, কৃষকরা আমন আবাদে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

উপজেলার কৃষি দপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আমনের জন্য এই মুহূর্তে তৈরি করা ৭০০ হেক্টর বীজতলার আংশিক ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি, পানির নিচে তলিয়ে থাকার কারণে প্রায় ১ হাজার ৯০০ হেক্টর আউশ ফসলও ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো হলো মিরুখালী, দাউদখালী, টিকিকাটা ও সাপলেজা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম। এর পাশাপাশি সবজি, কলা ও পেঁপে ক্ষেতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নাগ্রাভাঙ্গা গ্রামের কৃষক মো. সোলায়মান ফরাজী জানান, তাঁর ৫০ শতক বীজতলা বর্তমানে পানির নিচে তলিয়ে আছে। তিনি বলেছেন, পানি যদি দ্রুত না কমে, তবে বীজতলার ক্ষতি হবে।

পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের কৃষক মো. হুমায়ুন কবির জানান, তিনি বীজতলা তৈরির জন্য ১০ কেজি ধান ভিজিয়ে রেখেছেন, কিন্তু ক্ষেত পানির নিচে রয়েছে, তাই বীজতলা তৈরি করতে পারছেন না। এর ফলে তাঁর বীজধান পচে যাচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা চিন্তা প্রকাশ করেছেন যে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অপরিকল্পিত বেড়িবাঁধ এবং স্লুইসগেটের অভাবে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সমস্যা হচ্ছে, যার কারণে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুন নেছা সুমি জানিয়েছেন, টানা বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে এবং বীজতলা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এটি এখন পর্যন্ত সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, যদি পানি জমে থাকার অবস্থা আরও ২-৩ দিন স্থায়ী হয়, তবে ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে। তিনি কৃষকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং তাদের করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দিচ্ছেন বলেও জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রথযাত্রা উপলক্ষে ডিএমপিতে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


রথযাত্রা উপলক্ষে ডিএমপিতে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আসন্ন রথযাত্রা উপলক্ষে নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে একটি সমন্বয় সভা ডিএমপিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) সকাল ১১:০০ ঘটিকায় ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি ডিএমপির কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বিপিএম-সেবা এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এই সভায় ১৬ জুলাই রথযাত্রা ও ২৪ জুলাই উল্টো রথযাত্রা উদ্‌যাপন উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গৃহীত পদক্ষেপ ও নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। রথযাত্রায় পিকেট পার্টি, টহল পার্টি, সিসিটিভি ক্যামেরা, ফুট পেট্রোল, রুফটপ পার্টি, হোন্ডা মোবাইল, ডিবি টিম, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা টিম, সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল টিম ও ট্রাফিক পুলিশসহ পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে, এ বিষয়ে সভায় অবহিত করা হয়।

সভায় রথযাত্রা নির্ধারিত রুটে ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এছাড়া নামাজ ও আজানের সময় লাউড স্পিকার/মাইক বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে, নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে হবে, ব্যাগ-পোটলাসহ রথযাত্রায় অংশগ্রহণ না করা এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু দেখলে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, মহানগরীর এই রথযাত্রা একটি বড় শোভাযাত্রা। জনসমাগম বেশি হচ্ছে, তাই সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। রথযাত্রা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরাপদে উদ্‌যাপনের লক্ষে ডিএমপির পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। প্রতিটি বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) সংশ্লিষ্ট রথযাত্রা উদ্‌যাপন কমিটির সঙ্গে পৃথক সমন্বয় সভা করবেন এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখবেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানান।

তিনি আরও যোগ করেন, রথযাত্রার সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী স্বেচ্ছাসেবকদের নির্ধারিত ভেস্ট পরিধান করতে হবে। সাদা পোশাকে নিরাপত্তা সদস্য ও লাইনিং ফোর্স মোতায়েন রাখা হবে। বৈদ্যুতিক লাইনের বিষয়ে সতর্ক থেকে দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকারও আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, রথযাত্রার প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সব রথযাত্রার জন্যই সমান গুরুত্ব দিয়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। সবার সহযোগিতায় উৎসবটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে, এ আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সমন্বয় সভায় যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, পিপিএম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এছাড়া, ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও রথযাত্রা উদ্‌যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ মতামত প্রদান করেন।

এছাড়া, সমন্বয় সভায়ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মোঃ মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোঃ শফিকুল ইসলাম বিপিএম, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মোঃ আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্) মোহাম্মদ ওসমান গণি, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোহাম্মদ শামসুল হক, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণ এবং ডিজিএফআই, এনএসআই, এসবি, সিআইডি, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি ও রথযাত্রা উদ্‌যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বিষয়ে নতুন নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ পি.এম


জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বিষয়ে নতুন নির্দেশনা

জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তির সময়সীমা সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছে। চলমান দক্ষিণাঞ্চলের অতিবর্ষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত ভর্তির সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গুচ্ছভুক্ত ভর্তি কমিটি।

রোববার (১২ জুলাই) গুচ্ছভুক্ত ভর্তি কমিটির সদস্যসচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত জরুরি নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এই নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক অতিবর্ষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলস্বরূপ দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, যার জন্য ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক শ্রেণির GST গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের কোর কমিটির সভার (১২ জুলাই) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, GST গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের প্রথম বর্ষের উদ্বোধনী ক্লাস ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হওয়ার বিষয়ে নিজ নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য, এর আগে ভর্তি পরীক্ষা কমিটি চূড়ান্ত ভর্তির সময়সীমা ৮ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত নির্ধারণ করেছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%