শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৫২ এম
বর্তমান সময়ের একটি সাধারণ সমস্যা হলো অতিরিক্ত কাজের চাপ, দুশ্চিন্তা এবং ব্যস্ত রুটিনের কারণে সঠিকভাবে ঘুমাতে না পারা। ঘুমের এই সমস্যার সমাধানে ক্যাফেইন কমানো কিংবা ঘুমানোর আগে স্ক্রিন টাইম সীমিত করার মতো বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে অনেকেই অবগত। তবে, এর পাশাপাশি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিছু খাবার অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে, যা আপনার ঘুমের মান উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে।
সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে, নিয়মিত বাদাম খাওয়া দ্রুত ঘুম আনতে এবং ঘুমের গুণগত মান বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকরী।
ভারতীয় উপমহাদেশের মায়েরা শৈশবে স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য তাদের সন্তানদের দুধের সঙ্গে বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। কিন্তু বাদাম কিভাবে আমাদের ঘুমের উন্নতিতে সহায়তা করে? চলুন, বিষয়টি জানার চেষ্টা করি।
‘ফ্রন্টিয়ার্স ইন নিউট্রিশন’ জার্নালে প্রকাশিত জুলাই ২০২৬ সালের একটি গবেষণায় ২১ থেকে ৫৫ বছর বয়সি ১৭৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর বাদামের প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়। এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা ঘুমের সমস্যায় ভুগছিলেন, তাদের প্রতিদিন ৬০ গ্রাম বাদাম দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, তুলনা করার জন্য আরেকটি দলের সদস্যদের ক্যালোরি ঠিক রেখে চিড়া, খাকরা বা ক্র্যাকারের মতো সাধারণ নাস্তা প্রদান করা হয়।
গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, যে দলটি নিয়মিত বাদাম খেয়েছিল, তারা অন্যদের তুলনায় দ্রুত ঘুমাতে সক্ষম হয়েছিল এবং তাদের ঘুমের স্থায়িত্বও বেশি ছিল। এর ফলে রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা কমে যায় এবং নিরবচ্ছিন্ন গভীর ঘুম নিশ্চিত হয়।
বাদাম কিভাবে ঘুমের উন্নতিতে সাহায্য করে?
পুষ্টি ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ শীলা কৃষ্ণস্বামীর মতে, বাদামে এমন কিছু পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান, যা স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং ভালো ঘুমে সহায়তা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে রয়েছে-
ম্যাগনেসিয়াম: এটি স্নায়ু ও পেশির স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
ট্রিপটোফ্যান: এই উপাদানটি শরীরকে সেরোটোনিন ও মেলাটোনিন হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে।
প্রাকৃতিক মেলাটোনিন: বাদামে প্রাকৃতিকভাবে সামান্য পরিমাণে মেলাটোনিন হরমোন থাকে, যা শরীরের ঘুম ও জাগার চক্র বা সার্কাডিয়ান রিদম নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
এছাড়া, বাদামে থাকা স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সামগ্রিক শারীরিক সুস্থতায় অবদান রাখে।
ভালো ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়
শুধু নিয়মিত বাদাম খেলে যে রাতে চমৎকার ঘুম হবে, বিষয়টি তেমন নয়। এটি একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার রুটিনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। ভালো ঘুমের জন্য বিশেষজ্ঞরা নিচের বিষয়গুলো মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন:
সন্ধ্যার পর চা, কফি বা যেকোনো ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পরিহার করুন।
শোবার ঘরটি আরামদায়ক, শান্ত ও ঘুমের উপযোগী রাখুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার এবং সকালে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন যে, সৌদি আরবে অনৈতিক কাজের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সৌদি আরবে হুতি হামলায় নিহত বাংলাদেশি শাহেদ আহম্মদের মরদেহ হস্তান্তরের সময় তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সৌদি সরকার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি। তবে তিনি বলেন, বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য সৌদি সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এ ঘটনায় রায়ের কপি চাওয়া হয়েছে, যা পেলে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।
এর আগে, ১৫ অক্টোবর, মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে জানতে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি পাঠায় জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট। চিঠিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ, মামলা ও আদালতের রায়ের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়।
পরে ১৮ অক্টোবর ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতকে ডেকে মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে জানতে চায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এদিকে, শাহেদ আহম্মদের মরদেহ হস্তান্তরের সময় শামা ওবায়েদ জানান, নিহতের পরিবারকে অনুদান দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। তিনি আরও বলেন, "আরও যা যা প্রয়োজন তা সরকার করবে।"
শাহেদের মরদেহসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারানো ১১ জনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের কার্যক্রমের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে অনেকে আটকা পড়েছেন। অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আমরা কাজ করছি। এছাড়া যারা আর সেসব দেশে যেতে পারছেন না, তাদেরকে দেশে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংগঠনটি ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করেছে, যা ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দামের আওতায়, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। অলঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ ও পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
এর আগে, গত ২২ অক্টোবর সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ১২৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৬০ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৬৩ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শক্তিশালী টাইফুন চাম্পির প্রভাবে তাইওয়ান ও প্রতিবেশী জাপানে শত শত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর ফলে হাজার হাজার যাত্রীর ভ্রমণ বিঘ্নিত হয়েছে। ঝড়ের সম্ভাবনার কারণে তাইওয়ানের কর্তৃপক্ষ উপকূলীয় ও পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে।
টাইফুন চাম্পির প্রভাবে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তাইওয়ানে ঝোড়ো বাতাস ও ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হয়েছে। ঝড়টির বাতাসের সর্বোচ্চ দমকা গতি ঘণ্টায় ১৭৩ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এর বিস্তৃত প্রভাববলয় পুরো দ্বীপজুড়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তাইওয়ানের কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের উপকূল ও পাহাড়ি এলাকা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে। উত্তর-পূর্ব উপকূলে ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকা একটি প্রাকৃতিক বাঁধের কাছাকাছি বসবাসকারী লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে বাঁধটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ঝড়ের কারণে তাইওয়ানে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। প্রতিবেশী জাপানেও বেশ কিছু ফ্লাইটের চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে হাজারো যাত্রীকে তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হচ্ছে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক শক্তিশালী টাইফুন তৈরি হচ্ছে। সুপার এল নিনোর প্রভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রা বাড়লে এ ধরনের ঝড়ের শক্তি ও তীব্রতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: বিবিসি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিস এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর জেবিনিয়ানায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের হেফাজতে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ধাওয়ার সময় কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটার পর এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। দেশের বিভিন্ন শহরে এই অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যখন তিউনিসিয়া গভীর অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর উপশহর ইততাধামেনে মাদক ব্যবসার সন্দেহে আটক হওয়া এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। ওই ব্যক্তির পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের নির্যাতনের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারটি মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
তবে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তির মৃত্যু মাদক গিলে ফেলার কারণে হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করে, টায়ারে আগুন দেয় এবং পুলিশের দিকে পাথর ছোড়ে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই এলাকায় ন্যাশনাল গার্ডের একটি স্টেশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সময় নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে।
দক্ষিণাঞ্চলীয় স্ফ্যাক্স গভর্নরেটের জেবিনিয়ানা শহরেও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ ঘটে। নিরাপত্তা বাহিনীর ধাওয়ার সময় এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগের পর সেখানে বিক্ষোভ শুরু হয়। তিউনিসিয়ার গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা একটি গাড়িতে আগুন দেন এবং টায়ার পোড়ান। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে।
স্ফ্যাক্স শহরে আরেক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। হৃদ্যন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত এক ছাত্রীর মৃত্যুর জন্য তাঁরা অ্যাম্বুলেন্স সেবাকে দায়ী করেছেন। ওই ছাত্রীর সহপাঠীদের অভিযোগ, অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়েছিল। তাঁরা চিকিৎসাসুবিধার ঘাটতিকে এর জন্য দায়ী করেছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার স্ফ্যাক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদে ধর্মঘটের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
বৃহস্পতিবারের এই বিক্ষোভগুলো এমন সময়ে হয়েছে, যখন তিউনিসিয়ায় অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে। জীবনযাত্রার অবনতি এবং জনসেবার নিম্নমান নিয়ে মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। এতে দেশজুড়ে আরও বড় আকারে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এর আগে শনিবার রাজধানীতে কয়েক হাজার মানুষ প্রেসিডেন্ট কাইস সাঈদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁদের অভিযোগ, সাঈদ গণতন্ত্রকে দুর্বল করছেন এবং অর্থনীতি পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছেন।
এদিকে বুধবার তিউনিসিয়ার একটি সামরিক আদালত বিরোধী রাজনীতিক ওলফা হামদিকে চার বছরের কারাদণ্ড দেন। রাষ্ট্রের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং সামরিক বাহিনীকে আদেশ অমান্য করতে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে এ সাজা দেওয়া হয়। প্রেসিডেন্ট সাঈদের বিরোধীদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর মধ্যে এটি সর্বশেষ ঘটনা। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ