ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেট্রো স্টেশনে তরুণীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত, ভিডিও ভাইরাল


মেট্রো স্টেশনে তরুণীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত, ভিডিও ভাইরাল

ভারতের বেঙ্গালুরুর মাদাভারা মেট্রো স্টেশনে এক যুগলের আপত্তিকর আচরণের ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ফলে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জনাকীর্ণ প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ্যে ঘনিষ্ঠ আচরণের অভিযোগে নেটিজেনদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।

ভাইরাল হওয়া প্রায় দেড় মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণী প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তার ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবক তাকে স্পর্শ করছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, তরুণী ওই আচরণের বিষয়ে সচেতন ছিলেন। তবে ভিডিওটি ঠিক কখন ধারণ করা হয়েছে বা এরপর মেট্রোর ভেতরেও এমন আচরণ চলছিল কি না, তা নিশ্চিত করে জানা যায়নি।

ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বহু মানুষ জনসমক্ষে এ ধরনের আচরণকে অনভিপ্রেত এবং শালীনতাবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ বেঙ্গালুরু মেট্রো কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আবার কিছু ব্যবহারকারী ঘটনাটি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যও করেছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এদিকে, ভিডিওটির সত্যতা এবং ঘটনার পূর্ণ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে গ্যাস সংকট, সিএনজিচালকরা বিপাকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


দেশে গ্যাস সংকট, সিএনজিচালকরা বিপাকে

সপ্তাহখানেক ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহরে গ্যাস সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। বাসা-বাড়িতে রান্নায় ভোগান্তির পাশাপাশি সিএনজিচালকরা বিপাকে পড়েছেন। গ্যাসের চাপ কম থাকার কারণে সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।

চালকরা জানান, ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষার পরেও গ্যাস নিতে পারছেন না। তারা বলছেন, যদি এই অবস্থা চলতে থাকে, তাহলে সংসার চালানো তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে যাবে।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি পাম্প ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে লক্ষ্য করা যায়, রাজধানীর মগবাজারের সিএনজি পাম্পে দীর্ঘ সারি রয়েছে। পাম্প থেকে দূরে ইস্কাটন রোডের হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের সামনে সিএনজির দীর্ঘ সারি দেখা যায়। এছাড়া, মগবাজার রেলগেট এলাকায় সিএনজি পাম্পে গাড়ির সারি মগবাজার মোড় পর্যন্ত চলে এসেছে।

চালকরা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর গ্যাস পাচ্ছেন না তারা। দিনে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় গ্যাস নিতে চলে যাচ্ছে, ফলে তাদের দৈনিক আয় কমে যাচ্ছে। দ্রুত গ্যাস সংকটের সমাধান না হলে সংসার চালিয়ে টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে যাবে বলে তারা মন্তব্য করেছেন।

সিএনজিচালক মনিরুল বলেন, "আজকে ৩ ঘণ্টা হলো দাঁড়িয়ে আছি। এখনও গ্যাস নিতে পারলাম না। গতকাল প্রায় ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করে গ্যাস নিতে হয়েছে।" তিনি জানান, দিনের অধিকাংশ সময় গ্যাস নিতেই চলে যাচ্ছে।

আরেক সিএনজিচালক রুবেল বলেন, "সপ্তাহখানেক ধরে গ্যাসের এই সমস্যা চলছে। আমরাও ভোগান্তিতে আছি। আয় কমে যাচ্ছে আমাদের। জমার টাকা দিয়ে বর্তমানে আর কিছু থাকে না।"

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে, জাতীয় গ্রিডে প্রতি দিন প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাসের সরবরাহ কমে গেছে। এর ফলে, বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশনসহ বিভিন্ন শ্রেণীর গ্রাহক গ্যাস সংকটে পড়েছেন।

এদিকে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের এলএনজি ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌ. মো. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, "এফএসআরইউ কবে নাগাদ ঠিক হচ্ছে সেটি এখনও বলতে পারছি না। বিদেশি প্রকৌশলীরা এসেছেন, তারা কাজ করছেন। আগামীকাল নাগাদ প্রেস ব্রিফিং করে বিস্তারিত জানানো হতে পারে।" তিনি জানান, এই মুহূর্তে ঠিকঠাক করে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিব্বতে গোপন ল্যাবে তৈরি হচ্ছে ‘সুপার ইয়াক’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২১ পি.এম


তিব্বতে গোপন ল্যাবে তৈরি হচ্ছে ‘সুপার ইয়াক’

চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের একটি গবেষণাগারে ক্লোনিং প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত বৈশিষ্ট্যের ‘সুপার ইয়াক’ তৈরির কাজ চলছে। গবেষকদের লক্ষ্য হল দ্রুত বর্ধনশীল, রোগ প্রতিরোধক্ষম, অধিক প্রজননক্ষম এবং আকারে বড় ‘অভিজাত’ ইয়াকের পাল গড়ে তোলা। একই সঙ্গে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা বিরল বন্য ইয়াক সংরক্ষণেও এ প্রযুক্তির ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সহায়তায় পরিচালিত এই প্রকল্পের আওতায় ২০২৮ সালের মধ্যেই শতাধিক উন্নত বৈশিষ্ট্যের ক্লোন ইয়াক উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গবেষকদের দাবি, এ উদ্যোগ তিব্বতের ইয়াক শিল্পকে আরও লাভজনক ও টেকসই করবে এবং বিরল ‘গোল্ডেন ওয়াইল্ড ইয়াক’ সংরক্ষণেও সহায়ক হবে।

২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রথম সফল ক্লোন ইয়াকের জন্ম হয়েছে। এরপর চলতি বছরের বসন্তে আরও ১০টি ক্লোন বাছুরের জন্ম হয়েছে। প্রকল্পপ্রধান ফাং শেংগুও বলেন, ইয়াক ক্লোনিং এখন আর পরীক্ষামূলক পর্যায়ে নেই; এটি বৃহৎ পরিসরে প্রয়োগের সক্ষমতা অর্জন করেছে।

তবে প্রকল্পটি নিয়ে নানা প্রশ্নও উঠেছে। গবেষণা পদ্ধতি, ব্যর্থ ভ্রূণ প্রতিস্থাপন, গর্ভপাত, মৃত বা বিকলাঙ্গ বাছুরের সংখ্যা এবং সারোগেট মা ইয়াকের মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে প্রাণীর কল্যাণ ও গবেষণার স্বচ্ছতা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত উন্নত বৈশিষ্ট্যের ইয়াক উৎপাদন সম্ভব হলেও একই জিনের বিপুলসংখ্যক প্রাণী তৈরি হলে জিনগত বৈচিত্র্য কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। চলমান ক্লোনিং প্রক্রিয়ায় প্রাণীদের অপ্রয়োজনীয় দুর্ভোগের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তিব্বতের অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে ইয়াকের গুরুত্ব অপরিসীম। জলবায়ু পরিবর্তন, আবাসস্থল ধ্বংস, অন্তঃপ্রজনন এবং সংকরায়ণের কারণে বন্য ও গৃহপালিত উভয় ধরনের ইয়াকই বিভিন্ন সংকটে রয়েছে। এ কারণে চীনা কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইয়াকের সংখ্যা ও গুণগত মান উন্নয়নে বিপুল বিনিয়োগ করেছে।

এদিকে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের জীব-নৈতিকতাবিদ লিসা মোজেস বলেন, প্রকল্পটির প্রকৃত সাফল্য মূল্যায়নের জন্য প্রাণীদের ওপর এর প্রভাব, নৈতিক তদারকি এবং গবেষণার স্বচ্ছতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের জুলিয়ান সাভুলেস্কুর মতে, ক্লোনিং প্রযুক্তি যদি অধিক সুস্থ ও উৎপাদনশীল প্রাণী তৈরি করতে পারে, তবে তা সংরক্ষণ ও কৃষি খাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রযুক্তিটি এখনও পুরোপুরি নির্ভুল নয় এবং এতে জিনগত ত্রুটি বা স্বাস্থ্যগত জটিলতার ঝুঁকি রয়ে গেছে।

সব মিলিয়ে তিব্বতের ‘সুপার ইয়াক’ প্রকল্পকে একদিকে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হলেও, অন্যদিকে প্রাণিকল্যাণ, জিনগত বৈচিত্র্য এবং গবেষণার স্বচ্ছতার বিষয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত পরিবেশ ও অর্থনীতির জন্য কতটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে, তা সময়ই বলে দেবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষমতায় এলেই আওয়ামী লীগ সবকিছু নিজেদের নামে করে নিয়ে যায়: জ্বালানি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


ক্ষমতায় এলেই আওয়ামী লীগ সবকিছু নিজেদের নামে করে নিয়ে যায়: জ্বালানি মন্ত্রী

ক্ষমতায় এলেই আওয়ামী লীগ দেশের সবকিছু নিজেদের নামে করে নেয়, এমন মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি এসময় দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ইতিহাসকে সবচেয়ে বেশি বিকৃত করেছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে বগুড়া শহরে উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার উন্নয়ন প্রেক্ষিত, সমস্যা, সম্ভাবনা ও করণীয় শীর্ষক সেমিনারে শহরের হোটেল মমো-ইনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ইতিহাসকে কখনো রাজনৈতিক দিক দিয়ে বিবেচনা করা যাবে না। যেখানে, যে সময়ে যা ঘটেছে, ইতিহাসকে সেভাবেই মূল্যায়ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ইতিহাসকে সবচেয়ে বেশি বিকৃত করেছে এবং ক্ষমতায় এলেই সবকিছু নিজেদের নামে করে ফেলে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ইতিহাস কখনও ক্লোজ বা শেষ হয়ে যায় না। নতুন নতুন তথ্য সামনে আসবে এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে ইতিহাসের মূল্যায়ন হবে। ইতিহাসকে রাজনীতি দিয়ে পরিচালিত করলে তা সঠিক থাকে না। ইতিহাস চর্চা ও সঠিক মূল্যায়নের দায়িত্ব ঐতিহাসিকদের।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিএনপি কখনও ভোট ছাড়া ক্ষমতায় আসেনি। বাংলাদেশের যখনই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে, তখনই বিএনপি নির্বাচন জিতে সরকার গঠন করেছে। মানুষের বিএনপির ওপর আস্থা রয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে অনেক ধরনের কথা হয়েছে এবং বিভিন্ন দল নানা কৌশল নিয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মানুষ বিএনপিকেই ভোট দিয়েছে। মানুষ বিশ্বাস করে, বিএনপি দেশ পরিচালনা করতে পারে।

মন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে জানান, গত ছয় মাসে তারেক রহমান নেতৃত্বের মাধ্যমে শৃঙ্খলার নজির স্থাপন করেছেন। সরকারি কর্মকর্তা ও মন্ত্রীদের সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে উপস্থিত থাকার বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। জনগণের রাজস্বের টাকায় যাদের বেতন হয়, তাদের নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান মন্ত্রণালয়ের কাজকর্ম মাইক্রো লেভেল পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রকৌশলীর কাছ থেকে থাকা তথ্যও তিনি মন্ত্রীর কাছে জানতে চান। এর ফলে মন্ত্রীরাও নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের সর্বস্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রস্তুত থাকছেন।

মন্ত্রী এসময় জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মতোই তারেক রহমান দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, এমন আশাবাদ রয়েছে।

বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। যারা নিজেদের ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করবেন, তারা সিটি করপোরেশনের করেও ছাড় পাবেন।

মন্ত্রী জানান, উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য বড়পুকুরিয়ায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এমপি ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম। এছাড়াও সেমিনারে ১০ জন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়, যাতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা, রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তার পানি নামার সঙ্গে বাড়ছে ভাঙন, আতঙ্কে দুই পাড়ের মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


তিস্তার পানি নামার সঙ্গে বাড়ছে ভাঙন, আতঙ্কে দুই পাড়ের মানুষ

তিস্তা নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা এখন ভাঙনের মুখে পড়ছে। একের পর এক চাষের জমি ও বসতভিটা বিলীন হচ্ছে। ভাঙনের কবল থেকে বাঁচতে গত তিন দিনে শতাধিক পরিবারকে তাদের বসতভিটা সরিয়ে নিতে হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িকভাবে ভাঙন নির্মূল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তবে তারা মনে করছেন, এতে স্থায়ী সমাধান মিলবে না। তারা বলছেন, তিস্তা নদী খনন ছাড়া এই সংকটের কোনো বিকল্প নেই।Web-Image

শনিবার (২৫ জুলাই) সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, উপজেলার ঝুনাগাছ চাঁপানী ও খালিশাচাঁপানী ইউনিয়নের বাইশপুকুর, ডালিয়া, ছাতুনামা, কেল্লাপাড়া এবং ভেন্ডাবাড়ির নদীতীরবর্তী এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষদের আহাজারি শোনা যায়।

কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদের পাশে ভাঙনকবলিত এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পক্ষ থেকে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। নদীর কিনারায় দাঁড়িয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন দৃষ্টিতে সেই কাজ দেখছিলেন। তাদের অনেকের মন্তব্য ছিল, এটি একটি সাময়িক ব্যবস্থা হলেও এটি স্থায়ী সমাধান হিসেবে কাজ করবে না।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এবার নদীর ডান ও বাম—দুই তীরে ভাঙন শুরু হয়েছে। কারণ, নদীর তলদেশ পলিতে ভরে গেছে এবং নদী আর পানি ধারণ করতে পারছে না। ফলে জল প্রবাহের চাপ দুই তীরে গিয়ে পড়েছে। এজন্য দুই পাশে ভাঙন শুরু হয়েছে। তারা বলছেন, ভাঙন বন্ধ করতে হলে নদী খনন করা একান্ত প্রয়োজন। জিও ব্যাগ ফেলে কতদিন রক্ষা করা যাবে? সম্ভবত এ বছর নিরাপদ থাকবে, কিন্তু আগামী বছর আবার ভাঙনের সম্মুখীন হতে হবে। এতে কেবল সরকারি টাকার অপচয় হবে। স্থায়ী সমাধানের জন্য নদী খননের কোনো বিকল্প নেই। একবার নদী খনন হলে ডান-বাম কোন তীরেই আর ভাঙন হবে না।

এ বিষয়ে নোহালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী বলেন, আমার ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাচারিপাড়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাগডহড়া গ্রামে ২২টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এখনো শতাধিক পরিবার ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

কোলকোন্দ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম মন্তব্য করেন, যে এলাকায় কোনোদিন ভাঙনের কথা ছিল না, সেখানেই এবার ভাঙন সৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে। নদীর মাঝখানে চর জেগে ওঠার কারণে পানির স্রোত দুই তীরে প্রবাহিত হচ্ছে এবং এতে ভাঙন বৃদ্ধি পাচ্ছে। নদীর মাঝের বালু অপসারণ ও নদী খনন করা হলে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হত না।

রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রায়হান সিরাজী বলেন, আমি সব সময় সংসদে তিস্তার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছি। আমরা চাই সরকার দ্রুত এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করুক। একই সঙ্গে তিস্তার ডান ও বাম তীরে যে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে, তা রোধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%