ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্যানসার চিকিৎসায় ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিন যুক্ত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


ক্যানসার চিকিৎসায় ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিন যুক্ত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সরকার ক্যানসার রোগীদের চিকিৎসা সহজ ও সহজলভ্য করতে ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে যুক্ত করতে যাচ্ছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা শহরের বিভিন্ন বিশেষায়িত হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে ছয়টি এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ১১টি মেশিন স্থাপন করা হবে, এই ১৭টি নতুন রেডিওথেরাপি মেশিনের মধ্যে। প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান ও ম্যানপাওয়ার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

দেশের ক্যানসার চিকিৎসাব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ক্যানসার রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। দরিদ্র মানুষের জন্য ক্যানসারের চিকিৎসা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির যন্ত্র নষ্ট থাকায় অনেক রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই কারণে ১৭টি রেডিওথেরাপি মেশিন কেনা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ক্যানসারের মতো জটিল রোগে সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা গেলে অনেক রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব। কিন্তু অর্থের অভাব এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকটের কারণে দরিদ্র মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

তিনি জানান, এসব সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে এবং আগামী দিনে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ১ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৭ এই ক্যাম্পেইন চলবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এ কর্মসূচির আওতায় মাঠ পর্যায়ে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি ঘরে ঘরে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও পরামর্শ পৌঁছে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, পরিবার পরিকল্পনা খাতকে শক্তিশালী করতে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী এক বছরব্যাপী ব্যাপক জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী নিয়ে প্রচারাভিযান শুরু করা হবে। কর্মসূচিতে র‌্যালি, মেলা ও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিবার পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, দু’টির বেশি সন্তান নয়, একটি হলে ভালো স্লোগানকে সামনে রেখে বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানো হবে। প্রচার-প্রচারণায় সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবার পরিকল্পনার প্রয়োজনীয় সামগ্রীও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি জানান, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গত কয়েক দিন ধরে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা পর্যায়ে নানা ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হবে, যাতে মানুষ পরিবার পরিকল্পনায় উদ্বুদ্ধ হন।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণ করেই দেশে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ও স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। ডেঙ্গুর ধরন পরিবর্তন এবং ডেঙ্গু পরবর্তী কার্ডিয়াক জটিলতা বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিৎসকদের সজাগ থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মশা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৪ হাজার ৩৫৬ জন। এর মধ্যে ৮৮ হাজার ২৯৯ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে সুস্থ হওয়ার হার প্রায় ৯০ শতাংশ।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়মিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও শুরু হচ্ছে মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


আবারও শুরু হচ্ছে মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা

দেশের নদীগুলোতে আবারও ২২ দিনের জন্য মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে যাচ্ছে। মা ইলিশের বাঁধাহীন প্রজনন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাত থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

সরকারের আরোপিত আইন অনুযায়ী গভীর সমুদ্র থেকে জেলে ট্রলারগুলো তীরে ফিরে আসছে। ইতোমধ্যে পটুয়াখালীর মহিপুর-আলিপুর, কুয়াকাটা, রাঙ্গাবালীসহ উপকূলের হাজারো জেলে বিভিন্ন নদনদীতে আশ্রয় নিয়েছে। তবে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটানোর পর আবারও ২২ দিনের অবরোধ নিয়ে জেলেদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

জেলেদের অভিযোগ, এখনও ইলিশের পেটে ডিম আসেনি। মৎস্য অধিদপ্তরের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা নিয়ে তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন। তবুও তারা সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে বঙ্গোপসাগরে নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে পার্শ্ববর্তী দেশের জেলেদের আগ্রাসন রোধে দেশের জলসীমানায় নৌবাহিনীসহ প্রশাসনের কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন জেলেরা। তারা প্রণোদনার পরিমাণ বৃদ্ধির পাশাপাশি তা প্রকৃত জেলেদের মাঝে বণ্টনেরও দাবি তুলেছেন।

মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে চলছে শেষ সময়ের বেচাকেনা। ক্রেতা ও বিক্রেতার মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম এই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটি।

কুয়াকাটা আশার আলো জেলে সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি নিজাম শেখ বলেন, সমুদ্রে মাছ শিকার করতে গিয়ে বেশিরভাগ জেলেরাই শূন্য হাতে তীরে ফিরে আসছেন। সমুদ্রে মাছ ধরার আগের মতো পরিস্থিতি নেই। দেশি বিদেশি ট্রলিং বোর্ডের পাশাপাশি ভারতীয় জেলেদের আধিপত্য চলছে। এসব বন্ধে সরকারের কোনো উদ্যোগ না থাকলেও বারবার অবরোধ দিয়ে জেলেদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে মৎস্য অধিদপ্তর।

জেলে আ. রহিম বলেন, সাগরে মাছ পাচ্ছি না, এরপর আবার নিষেধাজ্ঞা। সরকারি আইন মানতেই হবে। তবে সরকার যে প্রণোদনা প্রদান করেন, তা সঠিক সময় দেয় না এবং চাহিদার তুলনায় অনেক কম। তাই সব জেলেদের দাবি, কিছু চাল দেয় সেটি সঠিক সময় আরো বৃদ্ধি করা হোক।

ট্রলারের মাঝি মো. সোলায়মান বলেন, আমরা জেলেরা বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংকে ঋণে জর্জরিত, তার সঙ্গে আবার দাদনের বোঝা। এই ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে জেলে ব্যবসায় জড়িত সব ব্যবসায়ী হতাশ।

মহিপুর মৎস্য আড়তদার সমবায় মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফজলু গাজী বলেন, এই দুই তিন বছর সাগরে মাছ পড়ছে না। যখনই একটু মাছের মুখ দেখা মেলে তখনই আবার আবহাওয়া খারাপ। নিষেধাজ্ঞার সময় বঙ্গপোসাগরে নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ডকে ভালোভাবে ডিউটি করা উচিত। অবরোধের সুযোগে বার্মা ও ভারত আমাদের জলসীমানায় ঢুকে চুরি করে মাছ ধরে নিয়ে যায়।

আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের আড়তদার সমিতির নেতা আ. জলিল ঘরামি বলেন, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার প্রতি সম্মান রেখে জেলেরা বুধবার মধ্যরাতের আগেই সমুদ্র থেকে তীরে ফিরে আসবে। এরই মধ্যে অনেক ট্রলারে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রেতাশ্রয়ে এসে নোঙর করে বাড়ি ফিরে গেছে।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছর ইলিশের আকাল দেখা দিয়েছে। কিছু কিছু জেলে ট্রলার মাঝে মাঝে কিছু মাছ পেলেও তা পর্যাপ্ত নয়।

৫৮ দিনের অবরোধের শেষে একের পর এক দুর্যোগে জেলেরা সমুদ্রে যেতে পারেনি। ৫৮ দিনের অবরোধের রেশ কাটতে না কাটতেই ২২ দিনের অবরোধ জেলে আড়তদারদের হতাশ করেছে। তারা এখন দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে।

চলতি বর্ষা মৌসুমেই জেলেদের দুর্যোগের মধ্যদিয়ে গেছে। সমুদ্রে মাছ নেই, জেলে ও আড়তদারদের ধারদেনা করে চলতে হয়েছে। এরপরও জেলেরা সরকারের আইন মেনে মাছধরা থেকে বিরত থাকছে।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, মা ইলিশসহ সামুদ্রিক সব ধরনের মাছের প্রজনন মৌসুম চলছে। সমুদ্রে মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এতে মৎস্যজীবীদের লাভ হবে।

তিনি বলেন, ২২ দিনের অবরোধকালীন সময়ে কলাপাড়া উপজেলার ১৮ হাজার নিবন্ধিত জেলেদের বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হবে। নিবন্ধনের বাইরে থাকা জেলেদেরও পর্যায়ে ক্রমে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বাজারজাত করলে সর্বোচ্চ ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১ লক্ষ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন বলে জানিয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ শাহজালাল বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ পি.এম


ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ শাহজালাল বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করছেন

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। যাত্রীদের হয়রানি, লাগেজ চুরি এবং বিমানবন্দরের অন্যান্য অনিয়মের বিরুদ্ধে তার অবস্থানের কারণে তিনি দ্রুত যাত্রীদের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার প্রশংসা ও ‘ফাটাকেষ্ট’ নামেও পরিচিতি লাভ করেন তিনি।

তবে কিছুদিন ধরে নওশাদ খানকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা না যাওয়ার কারণে বিভিন্ন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুক এবং ইউটিউবে তার বদলির খবরও ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, ‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখন কোথায় অবস্থান করছেন?

এ সকল গুঞ্জনকে অস্বীকার করে নওশাদ খান জানিয়েছেন, তিনি এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করছিলেন।

২০২৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেন নওশাদ খান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

লাগেজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও যাত্রী হয়রানি কমানোর জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। লাগেজ হ্যান্ডলিং ও রিলিজের সাথে যুক্ত কর্মীদের জন্য বডি-ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা, গুরুত্বপূর্ণ কন্টাক্ট জোনে সিসিটিভি স্থাপন এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ফুটেজ সংরক্ষণের মতো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

এই কারণে বিমানবন্দরে কোনো অনিয়মের অভিযোগ উঠলে নওশাদ খানের নাম আলোচনায় আসত। তার কার্যক্রমের ফলে অনেক যাত্রী ও প্রবাসীর মধ্যে আস্থা তৈরি হয়েছিল।

তবে সম্প্রতি বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার বিষয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠে এসেছে। দীর্ঘ অপেক্ষা, লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং ট্রলির সংকটসহ নানা বিষয়ে যাত্রীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

সম্প্রতি মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি সরবরাহ নিয়ে উত্তেজনার ঘটনা ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত মেজর ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে সরকারি কাজে বাধা, হুমকি ও নিরাপত্তাকর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও নওশাদ খানের পুরোনো অভিযানগুলোর ভিডিও ও খবর ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, যাত্রীদের অভিযোগে দ্রুত ছুটে যাওয়া সেই কর্মকর্তা এখন কোথায়? কিছু মানুষ আবারও তাকে বিমানবন্দরের অনিয়ম তদারকিতে সক্রিয়ভাবে দেখতে চেয়ে পোস্ট ও মন্তব্য করেন।

তবে নওশাদ খান জানিয়েছেন, তিনি বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখনও বিমানবন্দরেই আছি। একটু আগে লাগেজের কাজ করলাম। এসব খবর আমি অনলাইনে দেখছি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে আগের মতো দেখা না যাওয়ার কারণও তিনি ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি তেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় আসি না। এড়িয়ে চলি।

বিমানবন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কিছু আসলে শোনা যায়। কিন্তু আমাদের কাছে নির্দিষ্ট করে কেউ কোনো অভিযোগ জানালে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিই। সাধারণ মানুষকে বলব, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানাতে। তাহলে প্রতিকার পাবেনই।

অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও ‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখনও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চোরাচালান মামলায় যুবদল নেতা বেলাল হোসেন আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ পি.এম


চোরাচালান মামলায় যুবদল নেতা বেলাল হোসেন আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন, যিনি সুমন নামেও পরিচিত, তার বিরুদ্ধে হাতিয়া থানায় দায়ের করা চোরাচালান মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে। মামলার প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এর মধ্যেই তিনি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিসহ বিভিন্ন সরকারি কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। প্রশাসনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণও করেন তিনি।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২২ নভেম্বর হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের কালাবাহাদুর বাজারসংলগ্ন মেঘনা নদীতে একটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা থেকে প্রায় ৭০০ বস্তা সিমেন্ট ও ৪০০ ক্যারেট কোমল পানীয় জব্দ করে কোস্টগার্ড। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এসব পণ্য মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় চারজনকে আটক করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের নেতা বেলাল হোসেন, মাহে আলম এবং এনায়েত উল্যাহ প্রকাশ এনাম মেম্বারকে মামলায় আসামি করা হয়। পরবর্তীতে গত ১০ মে আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে বেলাল হোসেনসহ সাতজনকে আসামি করা হয়। অভিযোগপত্রে বেলালের নাম সাত নম্বরে রয়েছে।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন মো. হান্নান, ইকবাল হোসেন, মো. রাশেদ রহমান, আইয়ুব নবী, মাহে আলম এবং এনায়েত উল্যাহ প্রকাশ এনাম মেম্বার। তাদের মধ্যে প্রথম চারজন ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছিল।

মামলার নথিতে আটক ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, নৌকায় থাকা সিমেন্ট ও কোমল পানীয় মিয়ানমারে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তোলা হয়েছিল। এই কাজে বেলাল হোসেনসহ অন্যান্য আসামিরা তাদের সহযোগিতা করেছেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এদিকে মামলায় আসামি হওয়ার পাশাপাশি বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। তবে পরোয়ানা জারির পরও তিনি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি ও কৃষি কমিটিসহ বিভিন্ন সরকারি কমিটিতে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে থাকেন এবং প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বেলাল হোসেনকে যুবদলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

বেলাল হোসেন সুবর্ণচর উপজেলার চর আমানউল্যাহ ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ওই ইউনিয়নের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে খাসেরহাট বাজারে রড-সিমেন্টের ব্যবসা করেন।

তবে বেলাল হোসেন অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ইন্ধনে পরিকল্পিতভাবে তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, "মামলাটি সম্পর্কে আমি কিছুই জানতাম না এবং মাত্র দুই দিন আগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি জানতে পারি।"

বেলাল হোসেন আরও বলেন, "আমি ২০০৯ সাল থেকে একাধিক সিমেন্ট ও রড কোম্পানির পরিবেশক হিসেবে ব্যবসা করে আসছি। পাশাপাশি রাজনীতি করি। গত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মো. শাহজাহানের পক্ষে মাঠে জোরালো ভূমিকা পালন করেছি। রাজনৈতিক একটি পক্ষ বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি। সে কারণেই পরিকল্পিতভাবে আমাকে হাতিয়া থানার ওই মামলায় জড়ানো হয়েছে।"

তিনি বলেন, "একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আমার কাজ পণ্য বিক্রি করা। ক্রেতা সেই পণ্য কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন, সেটা আমার জানার বিষয় নয়। মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়ে জানা থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষ না করে সরকারি কোনো কর্মসূচিতেও অংশ নিতাম না।"

বেলাল হোসেন জানান, বুধবার নোয়াখালী জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে তিনি জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি শাহদাত হোসেনও তার জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, "দুই দিন আগে থানায় বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কাগজ পৌঁছেছে। তবে তিনি আদালত থেকে আজ জামিন নিয়েছেন। এই মামলা ছাড়া থানায় তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই।"

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, "যুবদল নেতা বেলাল হোসেন ওরফে সুমন উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি ও কৃষি কমিটির সদস্য ছিলেন। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে হাতিয়া থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি জানার পর তাকে কমিটিতে না রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় গুণী শিক্ষক হিসেবে সম্মাননা প্রাপ্ত জসিমকে সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ পি.এম


জাতীয় গুণী শিক্ষক হিসেবে সম্মাননা প্রাপ্ত জসিমকে সংবর্ধনা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে জাতীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক হিসেবে সম্মাননা লাভের জন্য চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাচার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খায়রুল আবেদীন স্বপন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহজাহান সরকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন মোল্লা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি মো. খায়রুল আবেদীন স্বপন এবং সংবর্ধিত অতিথি সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে ফুলের মালা পরিয়ে গুণী শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে সংবর্ধনা জানান শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এ সময় বক্তারা উল্লেখ করেন, একজন শিক্ষক কেবল শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন না; তিনি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের এই সম্মাননা বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য গর্বের বিষয়। তার এ অর্জন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আরও অনুপ্রাণিত করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আব্দুল খালেক, উপজেলা উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের সভাপতি বটু কৃষ্ণ বসু এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক গণেশ চন্দ্র ধর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাচার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সফিকুল ইসলাম সবু, জহিরুল ইসলাম সরকার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জুয়েল, সাচার ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার অভিভাবক সদস্য খোরশেদ আলম মেম্বারসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অভিভাবক সমাবেশে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-অভিভাবকদের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে ঘিরে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সারা দেশের ১০২ জনের মধ্যে সাচার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জসিম উদ্দিন স্থান করে নিয়েছেন। ওইদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন-এর হাত থেকে সন্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%