ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরান যুদ্ধে ৪৪৬ মার্কিন সেনা হতাহত


ইরান যুদ্ধে ৪৪৬ মার্কিন সেনা হতাহত

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একসঙ্গে ইরানের ওপর হামলা শুরু করে। ইরানও পৃথকভাবে পাল্টা জবাব দিতে থাকে। এরপরে Pakistan-এর মধ্যস্থতায় একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

যুদ্ধবিরতি ভেঙে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে ইরানের ওপর হামলা পরিচালনা করতে থাকে। এই সংঘাতে শুরু থেকে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪৪৬ জন মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ জন সেনা নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, জর্ডানে দু’জন সেনার প্রাণহানি ঘটেছে। আর আহত হয়েছে ৪৩০ এর বেশি সেনা।

এছাড়া, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত একজন সেনা নিখোঁজ রয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন হামলা ও দুর্ঘটনার ফলে মার্কিন সেনাদের হতাহতের বিভিন্ন বিষয় সম্বন্ধে পাওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর অল্প সময় পর, ১ মার্চ প্রথম প্রাণহানির ঘটনাটি ঘটে। ওই দিন ইরানের একটি ড্রোন কুয়েতের একটি বেসামরিক বন্দরে হামলা চালায়। এতে ছয়জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারান।

একই দিনে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের আরেকটি হামলায় গুরুতর আহত হন আরও একজন মার্কিন সেনা। চিকিৎসাধীন অবস্থায়, এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পরে তিনি মারা যান। ফলে নিহতের সংখ্যা পৌঁছায় সাতজনে।

এরপর ১২ মার্চ, ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত একটি কেসি-১৩৫ আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিধ্বস্ত হলে ছয়জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারান।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, দুর্ঘটনার আগে আরেকটি বিমানের সঙ্গে একটি অনির্দিষ্ট ঘটনা ঘটেছিল। তবে তদন্তে শত্রুপক্ষের হামলা অথবা নিজেদের বাহিনীর ভুলবশত গুলিবর্ষণের (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সবশেষ, ১ জুলাই, আরব সাগরে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হলে মার্কিন নৌবাহিনীর একজন পাইলট নিহত হন। নৌবাহিনী জানিয়েছে যে, দুর্ঘটনাটি শত্রুপক্ষের কোনও হামলার কারণে ঘটেছে-এমন তথ্য বা প্রমাণ তাদের কাছে নেই।

সাম্প্রতিক সময়ে জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলায় আরও দু’জন সেনা নিহত হওয়ায়, ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, যুদ্ধ চলাকালীন আহতের সংখ্যা ৪৩০ জন ছাড়িয়ে গেছে। আহতদের মধ্যে অনেকেই ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন হামলা এবং বিভিন্ন সামরিক অভিযানে আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়া একজন মার্কিন সেনা এখনও নিখোঁজ রয়েছেন, যার সন্ধানে অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

বিশ্লেষকদের মতে, হতাহতের এই ক্রমবর্ধমান সংখ্যা ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ও মানবিক ক্ষয়ক্ষতির চিত্রকে আরও স্পষ্ট করে তুলছে। একই সঙ্গে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে মার্কিন প্রশাসনের ওপর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপও বৃদ্ধি পেতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্মাণ সামগ্রীর দাম বৃদ্ধিতে আবাসন খাত এখন নাগালের বাইরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫১ পি.এম


নির্মাণ সামগ্রীর দাম বৃদ্ধিতে আবাসন খাত এখন নাগালের বাইরে

দেশের আবাসন এবং নির্মাণ খাতে গতি আসলেও কমে গেছে। গত এক বছরে রড, বালু, সিমেন্টসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবহার মারাত্মকভাবে কমেছে। একই সময়ে, পরিবহন ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে ২ দশমিক ৮৫ শতাংশের বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস প্রাইস ইনডেক্সের (বিএমপিআই) তথ্য এমন চিত্র তুলে ধরেছে। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী, প্রকৃতপক্ষে ব্যয় বেড়েছে সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি। কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং শুল্কের চাপ আবাসন খাতকে ক্রমশ ক্রয় ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে আবাসনবান্ধব নীতিসহায়তা অতি জরুরি হয়ে পড়েছে।

 

গত কিছু বছর ধরে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ধীর গতি দেখা যাচ্ছে। সরকারের ব্যয় নিয়ন্ত্রণের নীতির কারণে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নও কমে গেছে। অর্থবছরের শুরু থেকে প্রথম ১১ মাস পর্যন্ত মে মাস পর্যন্ত বরাদ্দের অর্ধেকও ব্যয় হয়নি। এই মুহূর্তে সরাসরি প্রভাব পড়েছে আবাসন ও নির্মাণ খাতে।

 

এই পরিস্থিতির প্রতিফলন বিবিএসের বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস প্রাইস ইনডেক্সে (বিএমপিআই) দেখা যাচ্ছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যেখানে সূচকের প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ০৭ শতাংশ, সেখানে সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা নেমে এসেছে ২ দশমিক ০২ শতাংশে। এটি নির্দেশ করে যে, রড, বালু, সিমেন্টসহ নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

 

রিহ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শুধুমাত্র কর বৃদ্ধির কারণে ২৫ লাখ টাকার একটি লিফটের দাম বর্তমানে ৩৫ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। বালু, সিমেন্ট, তারকাঁটা, বাঁশের চাটাই, টাইলস, রড- প্রায় সকল নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়ে গেছে। ফলে পুরো খাতই চরম সংকটে রয়েছে।

 

এদিকে, নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবহার কমলেও খরচ বেড়েছে পরিবহন এবং শ্রমিকের মজুরিতে। বিএমপিআইর তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে ২ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

 

রিহ্যাবের সভাপতি আলী আফজাল বলেন, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধির ফলে শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। আগে যে ফ্ল্যাট প্রতি বর্গফুট ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা যেত, এখন তার নির্মাণ ব্যয়ই প্রায় ১৩ হাজার টাকায় পৌঁছেছে।

 

তবে ব্যবসায়ীদের হিসাব বলছে, গত পাঁচ বছরে আবাসন এবং নির্মাণ খাতে প্রবৃদ্ধি ৬০ শতাংশের বেশি কমেছে। একই সময়ে নির্মাণ সামগ্রীর কাঁচামালের দাম বেড়েছে প্রায় ৩১ শতাংশ। এর ফলে, আবাসন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৬৯টি লিংকেজ শিল্পও ঝুঁকিতে রয়েছে। এ অবস্থায় ব্যবসাবান্ধব কর কাঠামো এবং আবাসনবান্ধব নীতিসহায়তা প্রয়োজন।

 

রিহ্যাবের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, শুধু আবাসন খাতই নয়, এই খাতের সঙ্গে যুক্ত ২৬৯টি লিংকেজ শিল্পও ধ্বংস হওয়ার পথে আছে। আবাসন খাত যদি ঘুরে দাঁড়ায়, তাহলে এসব শিল্পও পুনরায় সক্রিয় হবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করবে।

 

রিহ্যাবের সভাপতি আলী আফজাল বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে নির্মাণ সামগ্রীর দাম প্রায় ৩১ শতাংশ বেড়ে গেছে। এর সঙ্গে নতুন করে আরও ১১ শতাংশ ব্যয় যুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ মোট ব্যয় বেড়ে গেছে প্রায় ৪২ থেকে ৪৩ শতাংশ। এই অবস্থায় এই খাতে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) নির্মাণ ও আবাসনসহ সংশ্লিষ্ট খাতের অবদান প্রায় ১৬ শতাংশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতে উচ্ছেদ অভিযানের ফলে হাজারো প্রবাসী গৃহহীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


কুয়েতে উচ্ছেদ অভিযানের ফলে হাজারো প্রবাসী গৃহহীন

একদিকে তীব্র গ্রীষ্মের দাবদাহ, অন্যদিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা উত্তেজনার কারণে মাঝে মাঝে বেজে উঠছে সতর্কতামূলক সাইরেন। এর মধ্যেই কুয়েতের জেলিব আল-শুয়ুখ এলাকায় পরিচালিত বৃহৎ নিরাপত্তা অভিযান এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবন খালি করার সরকারি পদক্ষেপে হঠাৎ করেই গৃহহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো প্রবাসী। ফলে দেশের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় মানবিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন বিভিন্ন দেশের অভিবাসী শ্রমিকরা।

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, ন্যাশনাল গার্ড, কুয়েত ফায়ার ফোর্স, বিদ্যুৎ ও পানি মন্ত্রণালয়, পৌরসভাসহ মোট ১১টি সরকারি সংস্থার অংশগ্রহণের মাধ্যমে জেলিব এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ঝুঁকিপূর্ণ ও বিধিবহির্ভূত ভবন নিরীক্ষণ, খালি করা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, আবাসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও একই ধরনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

তবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীরা অভিযোগ করেছেন যে, গভীর রাতে কার্যকর কোন পূর্বঘোষণা ছাড়াই ভবনগুলোর বাসিন্দাদের দ্রুত বের হয়ে যেতে বলা হয়। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগও তাৎক্ষণিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। ফলে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ অসংখ্য পরিবারকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে বাধ্য হতে হয়েছে।

প্রবাসীদের অভিযোগ, চলতি জুলাই মাসের ১০ তারিখেই বাড়ির মালিকরা পুরো মাসের ভাড়া আদায় করেছেন। কিন্তু ভবনগুলো উচ্ছেদ বা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে—এ বিষয়ে ভাড়াটিয়াদের আগে থেকে কোন তথ্য প্রদান করা হয়নি। তাদের দাবি, পর্যাপ্ত সময় দেয়া হলে তারা বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে পারতেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং স্থানীয় অনলাইন ফোরামেও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা উঠে এসেছে। অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, রাত দুই থেকে তিনটার মধ্যে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা এসে পরিচয়পত্র যাচাই করে দ্রুত ভবন ছাড়ার নির্দেশনা দেন। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর ছোট শিশু ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনেকেই রাস্তায় অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছেন।

কুয়েত সরকার বলছে, এটি কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়। দীর্ঘদিন ধরে জেলিব আল-শুয়ুখ এলাকার অনেক ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ২০২৫ সালে ৬৭টি ভবন খালি করে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়। পরে ২০২৬ সালেও ধাপে ধাপে আরও ৪২টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণের কার্যক্রম শুরু হয়। সরকারের দাবি, উচ্ছেদ নোটিশ প্রদান, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরেই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

হঠাৎ উচ্ছেদের ফলে হাজারো শ্রমিক কর্মস্থল, পরিবার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছেন। অনেকের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্রও ভবনের ভেতরেই রয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কুয়েত টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও প্রবাসীদের জন্য সরকার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করেছে। তবে এসব আশ্রয়কেন্দ্রের ধারণক্ষমতা এবং সেখানে পৌঁছানোর ব্যাপারে অনেক প্রবাসী প্রশ্ন তুলেছেন।

এদিকে শুক্রবার (১৭ জুলাই) কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল। দূতাবাসের কাউন্সেলর ও মিশন প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং শ্রম কল্যাণ শাখার কাউন্সেলর শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজ-খবর নেয়। পাশাপাশি স্থানীয় কুয়েতি কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তারা।

কুয়েতি কর্মকর্তারা প্রতিনিধি দলকে জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ এবং অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই ধরনের অভিযান দেশটির অন্যান্য এলাকায়ও চালানোর প্রস্তুতি চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণমাধ্যমে কোকোর দামের পতনে আফ্রিকার কৃষকদের দুর্ভোগ বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২১ পি.এম


গণমাধ্যমে কোকোর দামের পতনে আফ্রিকার কৃষকদের দুর্ভোগ বাড়ছে

বিশ্ববাজারে ২০২৪ সালে কোকোর দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু এর পর কোকোর দাম প্রায় ৭৫ শতাংশ কমে গেছে। এই দরপতনের ফলে ঘানা ও আইভরি কোস্টের লাখো কোকো চাষি বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এখন অনেকের মনে একটি প্রশ্ন উঠেছে, এই সংকট কোকো খাতের জন্য নতুন দিক পরিস্ফুট করবে কি? ২০২৪ সালে কোকোর দাম প্রতি মেট্রিক টনে প্রায় ১৩ হাজার ডলারে পৌঁছেছিল, যা একটি রেকর্ড। কিন্তু ২০২৬ সালের এপ্রিলের শুরুতে দাম নেমে আসে প্রায় ৩ হাজার ডলারে। অর্থাৎ এক বছরের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে কোকোর দাম ৭৫ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে। এই দরপতনের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে পশ্চিম আফ্রিকার প্রায় ২৫ লাখ ক্ষুদ্র কোকো চাষির ওপর। আইভরি কোস্টের কৃষক ফিরমিন কুলিবালি বলেন, উৎপাদন থাকলেও চাষিরা খুব কম দামে কোকো বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফসল থাকার পরও উৎপাদকেরা দারিদ্র্যের মধ্য দিয়েই জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের হাতে ওষুধ বা খাবার কেনার জন্য টাকা নেই। আইভরি কোস্টের আরেক কোকো চাষি ডিডব্লিউকে বলেন, "যদি আমি সন্তানদের স্কুলে পাঠাই, তাহলে ফসল ঘরে তুলতে পারব না। আবার যদি তাদের স্কুল থেকে ফিরিয়ে আনি, তাহলে আরও বেশি কোকো সংগ্রহ করে অন্তত দিনের তিনবেলা খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারব।" ঘানার অবস্থাও একই। সেখানে অনেক কৃষক কোকো বিক্রির টাকা সময়মতো পাচ্ছেন না। কারণ, মধ্যস্বত্বভোগীরা কোকো ক্রয়ে আগের মতো আগ্রহী নন। ঘানার কৃষক ইমানুয়েল নোজর বলেন, "টাকা পেতে দেরি কারণে যারা ফসল কাটে, তাদের মজুরি দেয়ার মতো অর্থও আমার কাছে নেই।" এ কারণেই অনেক ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মধ্যস্বত্বভোগীরা প্রায় পাঁচ মাস ধরে নোজরের পাওনা টাকা আটকে রেখেছে। অর্থসংকটের কারণে কৃষকেরা ওষুধ, কীটনাশক ও দিনমজুরের মজুরি; এসব কিছুই সময়মতো দিতে পারছেন না। নোজর আরও বলেন, "আমি কোকো বিক্রির টাকা থেকে সন্তানের স্কুলের বেতন দিতাম। কিন্তু এখনও সেই টাকা পাইনি। তাই আমার সন্তান বাড়িতে বসে আছে, পরীক্ষাতেও অংশ নিতে পারেনি।" আন্তর্জাতিক কোকো সংস্থার (আইসিসিও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে কোকোর দাম রেকর্ড উচ্চতায় ওঠার মূল কারণ ছিল পশ্চিম আফ্রিকায় উৎপাদন কমে যাওয়া। এতে বিশ্ববাজারে সরবরাহের ঘাটতি তৈরি হয়। কৃষি অর্থনীতিবিদ ট্যানক্রেড ভইতুরিয়েজ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে ক্রান্তীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে। খরার পর ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে, ফলে কোকোর উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এছাড়া কোকো সোয়েলেন শুট ভাইরাসের মতো উদ্ভিদের রোগ এবং ফটকাবাজির কারণে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে পরিস্থিতি আগে থেকেই বদলে গেছে। ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখে অনেক ব্যবসায়ী আগেভাগেই তাদের কোকোর চুক্তি বিক্রি করে মুনাফা নিশ্চিত করেন। একই সময়ে বিশ্বব্যাংক জানায়, অতিরিক্ত দামের কারণে চকলেট শিল্পে কোকোর চাহিদা কমে যায়। অনেক প্রতিষ্ঠান কম কোকো ব্যবহার করে বিকল্প উপাদানের দিকে ঝুঁকে পড়ে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শক্তিশালী মার্কিন ডলারের প্রভাব, যা বিশ্ববাজারে কোকোর দাম দ্রুত কমিয়ে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কোকো উৎপাদন করে কোত দিভোয়ার ও ঘানা। তবে এই কোকো রফতানি নিয়ন্ত্রণ করে কয়েকটি বড় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববাজারে দাম কমে যাওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠান কোকো কিনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে। ফলে বন্দরে বিপুল পরিমাণ কোকো জমে রয়েছে এবং অনেক কৃষক বিক্রি করতে না পেরে তাদের ফসল নিয়ে আটকে আছেন। শিল্পসংশ্লিষ্টদের কিছু অংশের ধারণা, সরকারি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করে দাম কমানোর উদ্দেশ্যে এটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। শুধু কোত দিভোয়ারেই ৪৮ কোটি ৭০ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের কোকো অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে। কারণ, দাম কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ী ও রফতানিকারকেরা নির্ধারিত দামে কোকো কেনার প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন না। অন্যদিকে, ঘানা কোকো বোর্ডের (কোকোবড) নির্বাহী পরিচালক উইজডম ডগবে তাদের বিপণন কৌশলের পক্ষে কথা বলেছেন। কোকোবড ঘানার সরকারি সংস্থা, যা কোকো চাষ, ক্রয় ও রফতানি নিয়ন্ত্রণ করে। এটি ঘানা কোকো মার্কেটিং কোম্পানির (সিএমসি) সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে, যা কৃষক ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পালন করে। ডগবে বলেন, আগাম বিক্রির এই ব্যবস্থা সিএমসিকে আগে থেকেই দাম নির্ধারণের সুযোগ দিয়েছে এবং সাম্প্রতিক বাজার ধসের প্রভাব কমিয়ে দিয়েছে। সংকট শুরুর আগে ২০২৫-২৬ মৌসুমের ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ কোকো বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। ফেব্রুয়ারির শুরুতে ঘানার সরকার সরকারিভাবে নির্ধারিত কোকোর উৎপাদন মূল্য কমিয়ে দেয়। কোত দিভোয়ারেও কনসেইল ডু ক্যাফে-কাকাও (সিসিসি) কোকোর দাম নিয়ন্ত্রণ করে। কৃষকদের সুরক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠানটি অক্টোবরের শুরুতে প্রতি কেজি কোকোর দাম ৪ দশমিক ৮৭ ডলার নির্ধারণ করেছিল। তবে এর কিছুদিন পরেই বিশ্ববাজারে দাম দ্রুত কমে যায়। আইভরি কোস্টের একটি কোকো চাষি ইউনিয়নের সভাপতি মুসা কোনে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কৌশলগত ভুলের সমালোচনা করেন। তার মতে, কর্তৃপক্ষ সময়মতো পর্যাপ্ত কোকো বিক্রি করতে পারেনি। ফলে এখন সাত লাখ মেট্রিক টনের বেশি কোকো কৃষকদের কাছে আটকে আছে এবং তারা বুঝতে পারছেন না, এই কোকো কীভাবে বিক্রি করবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকট আফ্রিকার কোকো খাতের একটি দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যাও সামনে এনেছে। আফ্রিকার দেশগুলো মূলত কাঁচা কোকো রফতানি করে, অথচ এর মূল্য সংযোজন বা চকলেট উৎপাদনের বড় অংশ হয় বিদেশে। অর্থনীতিবিদ ট্যানক্রেড ভইতুরিয়েজ বলেন, চকলেট প্রস্তুতকারকদের লাভ ব্যবসায়ীদের তুলনায় অনেক বেশি। ব্যবসায়ীরা মোট লাভের মাত্র ১ শতাংশ পান। তবে এই দরপতন নতুন সুযোগও তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে আফ্রিকার অর্থনীতি নিয়ে কাজ করা সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইকোফিন এজেন্সি। সাউডউইন্ড ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড একিউমেনিজমের গবেষক ফ্রিডেল হুটজ-অ্যাডামস মনে করেন, স্থানীয়ভাবে কোকো প্রক্রিয়াজাতকরণের পথে এখনও বড় ধরনের কাঠামোগত বাধা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে একই ধরনের স্বাদের চকলেটের চাহিদা বেশি। আর সেই স্বাদ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন অঞ্চলের কোকো একসঙ্গে মেশাতে হয়। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কোকো প্রক্রিয়াজাত করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। বিশ্বজুড়ে কোকো খাতকে আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের দাবি শক্তিশালী হচ্ছে। এ লক্ষ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন বন উজাড় নিয়ন্ত্রণ আইন (ইইউডিআর) এবং প্রস্তাবিত কর্পোরেট যথাযথ সতর্কতা নির্দেশিকা (সিএসডিডিডি) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এসব বিধিমালার মাধ্যমে কোম্পানিগুলোকে পরিবেশ ও মানবাধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাধ্য করা হবে। কৃষি অর্থনীতিবিদ ট্যানক্রেড ভয়তুরিজ বলেন, ইউরোপীয় বাজারে কোকো রফতানি করতে চাইলে কোনো দেশই অবৈধভাবে বন উজাড় করা এলাকা থেকে কোকো সংগ্রহ করতে পারবে না। ফলে চকোলেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের কাঁচামাল সংগ্রহের পদ্ধতি পরিবর্তনের চাপের মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে ফেয়ারট্রেড সিলের মতো সনদও গুরুত্ব পাচ্ছে, যেখানে সামাজিক ও পরিবেশগত উচ্চ মানদণ্ড মেনে চলতে হয়। এ ক্ষেত্রে আলোচিত একটি উদ্যোগ হলো 'বি স্লেভারি ফ্রি'-এর 'চকলেট স্কোরকার্ড'। প্রতিবছর এই মূল্যায়নের মাধ্যমে বিভিন্ন চকোলেট কোম্পানির টেকসই কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। এতে দেখা গেছে, লিঙ্গ সমতা, শিশুশ্রম প্রতিরোধ এবং জীবনধারণের উপযোগী মজুরি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জার্মান কোম্পানিগুলোর গড় স্কোর আন্তর্জাতিক মানের নিচে। বিশেষ করে জীবনধারণের উপযোগী মজুরি নিশ্চিত করা এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। জরিপে অংশ নেয়া কোকো চাষিদের অর্ধেকেরও বেশি এমন মজুরি পান না, যা দিয়ে একটি পরিবার স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। টনি'স চকোলোনলি, রিটার স্পোর্ট এবং অরিজিনাল বিনস কোকো চাষিদের ন্যায্য জীবনযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করতে বেশি দামে কোকো কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সাউডউইন্ড ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড একিউমিনিজমের ফ্রিডেল হুটজ-অ্যাডামসের মতে, উৎপাদকদের বর্তমান পরিস্থিতিই প্রমাণ করে, এই খাতে সংস্কার কতটা জরুরি। তিনি বলেন, বছরের পর বছর এমন একটি মূল্য কাঠামো চালু ছিল, যা অনিবার্যভাবে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তার মতে, প্রতি মেট্রিক টন কোকোর দাম অন্তত ৪ হাজার ডলারের কাছাকাছি থাকতে হবে এবং দাম যেন হঠাৎ করে কমে না যায়, সেটিও নিশ্চিত করা আবশ্যক। তাহলেই কোকো চাষি পরিবারগুলো শিশুশ্রমের ওপর নির্ভর না করে সম্মানজনকভাবে জীবনযাপন করতে পারবে। অন্যথায়, চকোলেটের পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলকে সবার জন্য ন্যায্য ও টেকসই করা সম্ভব হবে না। সূত্র- ডিডব্লিউ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সম্পূর্ণ হয়েছে: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সম্পূর্ণ হয়েছে: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ১৭ বছর ধরে বিএনপি যে আন্দোলন করে আসছিল, সেই আন্দোলন জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে পূর্ণতা পেয়েছে।

তিনি বর্ণনা করেছেন, রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে বসে এই কথা বলেন।

অতিরিক্ত তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রকৃত গণতন্ত্রের জন্য যে সংগ্রাম করা হয়েছে, জুলাই মাসে সবার অংশগ্রহণে সেই সংগ্রাম সফল হয়েছে।

রিজভী আরও উল্লেখ করেন, জনগণ যাতে কোনোভাবে স্বস্তি পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে বিএনপি সরকার কাজ করছে। হার্টের রিংয়ের উপর ভ্যাট বাতিল হওয়ার ফলে দাম কমেছে। মন্ত্রণালয় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণও মওকুফ করেছে।

এছাড়া, এই বিএনপি নেতা জনগণের কাছে জবাবদিহিতার অংশ হিসেবে জানিয়েছেন, তারা আয়-ব্যয়ের হিসাবও দিয়েছে বিএনপি।

অন্যদিকে, তিনি আরও জানান, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় ও জোটবদ্ধভাবে প্রার্থী বাছাই করা হবে কিনা, তা এখনও ঠিক করা হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%