মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৯ পি.এম
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য হংকং পিএইচডি ফেলোশিপ স্কিম ২০২৭-এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। আবেদন করার জন্য কোনো ফি প্রদান করতে হবে না।
স্নাতক এবং এমফিল ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ১৬ বছরের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরাও সরাসরি পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন।
হংকংয়ের আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ফেলোশিপের আওতায় পিএইচডি করার সুযোগ রয়েছে। বিজ্ঞান, চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি, মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আবেদন করা যাবে।
ফেলোশিপে যেসব সুবিধা
ফেলোশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা বছরে প্রায় ৪৩ হাজার ৬৯০ মার্কিন ডলার বৃত্তি পাবেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এটি প্রায় ৫৪ লাখ টাকা।
এছাড়া, সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত প্রতিবছর সম্মেলন এবং গবেষণাসংক্রান্ত ভ্রমণের জন্য অতিরিক্ত ১ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার প্রদান করা হবে।
পিএইচডি সম্পন্ন করতে যদি তিন বছরের বেশি সময় লাগে, তবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান করতে পারে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
যে আট বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যাবে
হংকং পিএইচডি ফেলোশিপ স্কিমের আওতায় যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যাবে, সেগুলো হলো-
সিটি ইউনিভার্সিটি অব হংকং
হংকং ব্যাপটিস্ট ইউনিভার্সিটি
লিংনান ইউনিভার্সিটি
দ্য চায়নিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং
দ্য এডুকেশন ইউনিভার্সিটি অব হংকং
দ্য হংকং পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি
দ্য হংকং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি
দ্য ইউনিভার্সিটি অব হংকং
যেসব বিষয়ে পিএইচডি করা যাবে
এই ফেলোশিপের আওতায় বিজ্ঞান, চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি, মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে পিএইচডির জন্য আবেদন করা যাবে।
যেভাবে প্রার্থী বাছাই
ফেলোশিপের জন্য প্রার্থী বাছাইয়ের সময় কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে-
একাডেমিক ফলাফল
গবেষণার দক্ষতা ও সম্ভাবনা
যোগাযোগ ও আন্তব্যক্তিক দক্ষতা
নেতৃত্বের গুণাবলি
আবেদন করবেন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের প্রথমে হংকং পিএইচডি ফেলোশিপ স্কিমের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন করতে হবে। প্রাথমিক আবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীকে একটি HKPFS Reference Number প্রদান করা হবে।
এরপর ওই নম্বর ব্যবহার করে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে।
একজন আবেদনকারী সর্বাধিক দুটি প্রোগ্রাম বা বিভাগ বেছে নিতে পারবেন। চাইলে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি প্রোগ্রাম অথবা দুটি ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা যাবে।
প্রাথমিক আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১ ডিসেম্বর ২০২৬, হংকং সময় দুপুর ১২টা। এরপর সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আবেদন জমা দিতে হবে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে ভর্তির যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং আবেদনপ্রক্রিয়ায় পার্থক্য থাকতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেখে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
আবেদনের শেষ সময়: ১ ডিসেম্বর ২০২৬।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে মোবাইল ফোনের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার কারণে এক যুবককে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে রক্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক দোকানমালিকের বিরুদ্ধে। যুবকের পরিবারের অভিযোগ, তাকে একটি ব্লাড ব্যাংকে নিয়ে এক ইউনিট রক্ত নেওয়ার পর পাঁচ দিন ধরে একটি বাড়িতে আটকে রেখে মারধর ও জোর করে কাজ করানো হয়।
ঘটনাটি লখনউয়ের নিগোহা এলাকায় ঘটেছে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের দাবি, প্রায় এক বছর আগে নিগোহার একটি দোকান থেকে ২১ হাজার ৫০০ রুপিতে একটি মোবাইল ফোন কেনেন ওই যুবক। ২ হাজার ৭৯৯ রুপি করে ১২টি কিস্তিতে ফোনটির দাম পরিশোধ করার কথা ছিল। তবে প্রথম মাসের কিস্তি বাকি পড়ার পর দোকানমালিক কয়েকজন লোককে তার বাড়িতে পাঠান। অভিযোগ করা হচ্ছে, তারা যুবকের মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায়।
এরপর গত ৮ সেপ্টেম্বর, দুজন ব্যক্তি যুবকের বাড়িতে গিয়ে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যান বলে পরিবারের অভিযোগ। যুবকের দাবি, তাকে লখনউয়ের একটি ব্লাড ব্যাংকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জোর করে তার শরীর থেকে এক ইউনিট রক্ত সংগ্রহ করা হয়। পরে তাকে সদর এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখা হয়।
যুবকের অভিযোগ, ওই বাড়িতে তাকে মারধর করা হতো এবং জোর করে বিভিন্ন কাজ করানো হতো। এমনকি তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের দাবি।
পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ করার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। একপর্যায়ে লখনউয়ের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পাঁচ দিন পর ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
"ছেলে যদি অপরাধী হয়, বিচার হোক। আর যদি নির্দোষ হয়, তাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দিন।" এই আকুতি এখন মৌলভীবাজারের বড়লেখার দোহালিয়া গ্রামের বৃদ্ধা ফাতেমা বেগমের কণ্ঠে। রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার পর সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া তার ছেলে হুমায়ুন কবীর, যিনি এনামুল নামে পরিচিত, তার জন্য অপেক্ষা করতে করতে প্রায় ১৪ বছর কেটে গেছে। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে মামলার অগ্রগতি কাঙ্ক্ষিত গতিতে হয়নি; কিন্তু কারাগারে থাকা এনামুলের জীবন থেমে গেছে।
পরিবারের দাবি, এত বছর পরেও সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে এনামুলের সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং সম্প্রতি পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থার (পিবিআই) ঢাকা মেট্রো উত্তর ইউনিটের তদন্ত প্রতিবেদনে তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার আচরণ অসংলগ্ন ছিল। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, সন্দেহের ভিত্তিতে একজন মানুষকে আর কতদিন কারাগারে থাকতে হবে?
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় সাংবাদিক সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি খুন হন। এই হত্যাকাণ্ড দেশের বিভিন্ন স্থানে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং তদন্তের সময় বিভিন্ন ব্যক্তি সন্দেহের আওতায় আসেন। তদন্তের সময় এনামুলের নামও উঠে আসে, যিনি তাদের বাসার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সেই গ্রেপ্তারের পর এক যুগেরও বেশি সময় কেটে গেছে। পরিবারের আশা ছিল, তদন্ত শেষ হবে এবং সত্য বেরিয়ে আসবে। যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে বিচার হবে; আর যদি নির্দোষ প্রমাণিত হয়, তাহলে এনামুল মুক্তি পাবেন। কিন্তু বছর পেরিয়ে দশক, দশক পেরিয়ে আরও কয়েক বছর—এনামুলের ভাগ্যে মুক্তির আলো ফেরেনি।
কারাগারেই হারিয়ে গেল তারুণ্য
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের পশ্চিম দোহালিয়া গ্রামের মাদ্রাসাপড়ুয়া তরুণ এনামুলের জীবন এখন পরিবারের কাছে এক দীর্ঘ অন্ধকার অধ্যায়। যে বয়সে সংসার, কর্মজীবন ও স্বাভাবিক জীবনের স্বপ্ন দেখার কথা, সেই বয়সের বড় একটি অংশ কেটেছে কারাগারে।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ কারাবাসের ফলে এনামুলের মানসিক অবস্থার ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারেন না এবং আচরণেও অসংলগ্নতা দেখা যাচ্ছে।
এনামুলের মা ফাতেমা বেগম বলেন, "আমার ছেলে দোষী হলে তার বিচার হোক, আমরা কখনো বিচার চাইনি এমন নয়। কিন্তু এত বছরেও যদি তার বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ না পাওয়া যায়, তাহলে শুধু সন্দেহের কারণে আর কতদিন তাকে জেলে রাখা হবে? আমার ছেলে এখন অসুস্থ। তাকে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক।"
এনামুলের বাবা মকবুল আলী ওরফে কালা মিয়াকে ২০১২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, সাগর-রুনি হত্যার প্রায় সাড়ে সাত মাস পর, র্যাব পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, এরপর ২১ দিন তার কোনো সন্ধান ছিল না। পরে ভৈরবের একটি সড়কের পাশে তাকে অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের দাবি, অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে তাকে নির্যাতন ও বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত বা বিচারিকভাবে প্রমাণিত হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট নয়।
এনামুলের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার পর মকবুল আলী আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। একের পর এক শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হন তিনি। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে পরিবারের জায়গাজমি ও পুরোনো বাড়ি বিক্রি করতে হয়। প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা চিকিৎসায় ব্যয় করার পরও চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান।
স্ত্রী ফাতেমা বেগমের ভাষায়, "ওই ঘটনার পর আমার স্বামী আর আগের মতো ছিলেন না। চিকিৎসা করাতে গিয়ে যা ছিল সব শেষ করেছি। ছেলের জন্যও কিছু করতে পারিনি। ভয় ছিল, আমাদেরও বিপদ হতে পারে।"
এনামুলের বড় ভাই শাহিন আহমদ বলেন, "বাবাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমাদের সবকিছু শেষ হয়ে যায়। এখন আমার ভাইও কারাগারে মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছে। যদি সে নির্দোষ হয়, তাহলে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক। অন্তত তার চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হোক।"
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আগের সময়ে ভয় ও আতঙ্কের কারণে তারা এনামুলের বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে পারেননি। আর্থিক সংকটের কারণে দীর্ঘমেয়াদি আইনি লড়াইও চালানো সম্ভব হয়নি।
১১২ বার পিছিয়েছে তদন্ত প্রতিবেদন
সাগর-রুনি হত্যা মামলা দেশের বহুল আলোচিত মামলাগুলোর একটি। হত্যাকাণ্ডের পর তদন্তের দায়িত্ব একাধিক সংস্থার হাতে গেলেও দীর্ঘ সময়েও রহস্যের জট খোলেনি। এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১১২ বার পিছিয়েছে।
একদিকে সাগর-রুনি হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের অপেক্ষা, অন্যদিকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া এনামুলের জীবনের প্রায় ১৪ বছর হারিয়ে যাওয়া—দুটি বিষয়ই এখন একই প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে।
দোহালিয়ার ছোট্ট বাড়িটিতে তাই এখনো পথ চেয়ে বসে আছেন ফাতেমা বেগম। তার চোখে ছেলের ফেরার অপেক্ষা। কিন্তু সেই অপেক্ষার সঙ্গে জড়িয়ে আছে আরও বড় প্রশ্ন—সাগর-রুনি হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটিত হবে কবে, আর সন্দেহের কারাগারে হারিয়ে যাওয়া এনামুলের জীবনের ১৪ বছরের দায় নেবে কে?
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এই বৈঠকটি মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিএনপি চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
রিজভীর সহকারী একান্ত সচিব জাহেদুল আলম জানান, দুই দেশের প্রতিনিধি দলের মধ্যে আলোচনা অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। উভয় পক্ষ বাংলাদেশে চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলোর গতি বাড়ানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বৈঠকে রুহুল কবির রিজভীকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ায় ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
বৈঠকে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন, রাজনৈতিক অ্যাটাশে লিং শুয়ান এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার একান্ত সচিব কাজী নজরুল ইসলাম ও সহকারী একান্ত সচিব জাহেদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের একই কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় অজ্ঞাতপরিচয় দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তারা ‘কালো জাদু’ করার ভয় দেখিয়ে এক পরিবারের কাছ থেকে প্রায় তিন লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে।
এ ঘটনা ঘটে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের বড় পাঁকা গ্রামে মো. আকছেদ আলীর বাড়িতে। আকছেদ আলী এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাগাতিপাড়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকছেদ আলীর ছেলে মো. সিহাব আলী (২২) অসুস্থতার কারণে বাড়িতে ছিলেন। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই ব্যক্তি বাড়ির সামনে এসে নিজেদের মাহফিলের লোক পরিচয় দিয়ে টাকা চান। সিহাব তাদের ২০ টাকা দিলে তারা এক গ্লাস পানি দিতে বলেন। পানি না দেওয়ায় তারা সিহাবকে তার মাকে ডাকতে বলেন।
সিহাবের মা বাইরে আসার পর ওই দুই ব্যক্তি তার ছেলেকে দেখিয়ে ‘কালো জাদু’ করার কথা বলেন। এতে ওই নারী ভয় পেয়ে কান্না শুরু করেন এবং তারা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে তারা এক গ্লাস পানি এনে তাতে কিছু করার পর ওই পানি পান করতে দেন।
এরপর তারা বাড়িতে থাকা স্বর্ণালংকার এনে ওই পানিতে ডুবিয়ে দিতে বলেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আকছেদ আলীর স্ত্রী একটি আংটি, একটি চেইন ও এক জোড়া কানের দুল পানিতে ডুবিয়ে দেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একপর্যায়ে ওই দুই ব্যক্তি সিহাবকে বাইরে থেকে একটি খেজুরের কাঁটা নিয়ে আসতে বলেন। সিহাব বাইরে যাওয়ার পর তার স্ত্রী ও ছোট ছেলেকে ‘হিপনোটাইজ’ করে বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার নিয়ে তারা চলে যান বলে অভিযোগ করেছেন আকছেদ আলী।
আকছেদ আলীর দাবি, নেওয়া স্বর্ণালংকারগুলোর আনুমানিক মূল্য তিন লাখ টাকা। পরে সিহাব বাড়িতে ফিরে এলে ওই দুই ব্যক্তি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরিবারের সদস্যরা স্বর্ণালংকার খুঁজে না পেয়ে বিষয়টি বুঝতে পারেন।
ঘটনার পর সোমবার রাতেই আকছেদ আলী বাগাতিপাড়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। তিনি জানান, ঘটনার সাক্ষ্য হিসেবে অভিযুক্তদের ছবি ও ভিডিও ফুটেজ তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।
বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন চন্দ্র দাস বলেন, অভিযোগটি আমলে নিয়ে ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ