ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

একসঙ্গে তিন বোন একই যুবককে বিয়ে করলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের অমরোহা জেলায়


একসঙ্গে তিন বোন একই যুবককে বিয়ে করলেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের অমরোহা জেলায়

আপন তিন বোনের একই যুবককে বিয়ে করার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

গত ১৭ জুলাই ভারতের উত্তরপ্রদেশের অমরোহা জেলায়, স্থানীয় একটি মন্দিরে হিন্দু রীতি মেনে ওই তিন বোন একসঙ্গে বিকাশ নামে ওই যুবকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অমরোহার হাসানপুরের ধৌরিয়া গ্রামের বাসিন্দা সরোজ, সাবিত্রী ওSantosh দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিল ও ভিডিও তৈরি করতেন। বিকাশ তাদের ভিডিওর চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ করতেন। পরে তিন বোনই বিবাহের সিদ্ধান্ত নেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে, শাড়ি ও ঘোমটা পরা তিন বোন বরের পাশে সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন। হিন্দু রীতি অনুযায়ী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকাশ তিনজনের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন এবং অগ্নিকে সাক্ষী রেখে সাত পাক ঘোরেন। অনুষ্ঠানে পুরোহিত ছাড়া উভয়পক্ষের কোনো আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু উপস্থিত ছিলেন না।

তিন বোনের দাবি, ছোটবেলা থেকে সবসময় একসঙ্গে বড় হয়েছেন তারা। বিয়ের পর আলাদা হয়ে যাওয়ার চিন্তা তাদের মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছিল।

বড় বোন সরোজ জানান, একসময় তারা আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলেন। পরে সিদ্ধান্ত নেন, আলাদা না হয়ে একজনকেই সবাই বিয়ে করবেন।

তাদের দাবি, তিনজনই প্রাপ্তবয়স্ক এবং সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

অন্যদিকে বিকাশ জানান, গত ছয় মাস ধরে তিনি তিন বোনের সঙ্গে কাজ করছিলেন। তাদের পারস্পরিক ভালোবাসা ও একসঙ্গে থাকার ইচ্ছাকে সম্মান দিয়েই তিনি বিয়েতে রাজি হয়েছেন।

তার ভাষায়, ওরা বারবার বলছিল, বিয়ের পর আলাদা থাকতে চায় না। আমি ওদের আবেগকে সম্মান দিয়েছি। আমাদের সিদ্ধান্ত পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতেই হয়েছে।

যদিও এই বিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে, তবে এর আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতের হিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫ অনুযায়ী, বিয়ের সময় কোনো পক্ষের জীবিত স্বামী বা স্ত্রী থাকলে নতুন করে বিয়ে বৈধ নয়। অর্থাৎ, হিন্দুদের ক্ষেত্রে একাধিক স্ত্রী বা একাধিক স্বামী— দুই ধরনের বহুবিবাহই আইনত স্বীকৃত নয়। ফলে এই বিয়ের আইনি মর্যাদা নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে সমালোচনার মুখে তিন বোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরেকটি ভিডিও প্রকাশ করে নিজেদের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, ইতিহাস ও পৌরাণিক কাহিনিতে একাধিক জীবনসঙ্গীর নজির রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে রাজা দশরথের তিন রানির কথা উল্লেখ করে তারা প্রশ্ন তোলেন, ‘তখন কি সেটা অপমানজনক ছিল?’

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

তবে অনেকেই পাল্টা যুক্তি দিয়েছেন, পৌরাণিক কাহিনির সঙ্গে বর্তমান আইনের তুলনা করা যায় না। সূত্র: আনন্দবাজার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে পর্যটকবাহী নৌকা ডুবে নিখোঁজ একজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


বান্দরবানে পর্যটকবাহী নৌকা ডুবে নিখোঁজ একজন

বান্দরবানের থানচি উপজেলার তিন্দু বড় পাথর (রাজাপাথর) এলাকায় সাঙ্গু নদীতে একটি নৌকা ডুবির ঘটনার ফলে মো. জাওয়াদ উল ইসলাম (২৮) নামের এক পর্যটক নিখোঁজ হয়ে গেছেন।

এই দুর্ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে। রাত সাড়ে ৮টার সময় থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিখোঁজ ব্যক্তি মে. জাওয়াদ উল ইসলাম ময়মনসিংহের মাসকান্দা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

জানা যাচ্ছে যে, শুক্রবার দুপুরে আলীকদম-থানচি সড়ক দিয়ে ২৩ কিলোমিটার এলাকা অতিক্রম করে ১৩ জন পর্যটক তিন্দু বাজারে পৌঁছান। পরে স্থানীয় গাইড গর্জেন ত্রিপুরা তাদের গ্রহণ করেন। বিকেলের দিকে, তিন্দু ঘাট থেকে দুটি নৌকায় করে তারা রেমাক্রির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। একটি নৌকায় ছয়জন এবং অন্যটিতে সাতজন পর্যটক ছিলেন। রেমাক্রির পথে তিন্দু বড় পাথর (রাজাপাথর) এলাকায় পৌঁছালে সাঙ্গু নদীর তীব্র স্রোতে একটি নৌকা ডুবে যায়, যেখানে ছয়জন আরোহী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় পাঁচজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও, জাওয়াদ নিখোঁজ হয়ে যান। তাকে উদ্ধার করতে স্থানীয় ও সংশ্লিষ্টরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

থানচি পর্যটক গাইড সমিতির সভাপতি জে ওয়াই প্রু মারমা গণমাধ্যমে বলেছেন, পর্যটকরা আলীকদম-থানচি সড়ক ব্যবহার করে তিন্দুতে এসে গাইডের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু তারা থানচি উপজেলা প্রশাসনের দ্বারা নির্ধারিত নিবন্ধন এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না করেই রেমাক্রির উদ্দেশ্য রওনা হন। ফলস্বরূপ, নিখোঁজ পর্যটকের নাম-পরিচয়সহ তাদের কোনো তথ্য প্রশাসনের কাছে নেই।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিখোঁজ পর্যটককে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পর্যটকরা থানচিতে এসে প্রশাসনিক নিবন্ধন এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন না করায় নিখোঁজ ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কপোতাক্ষে সাঁকো ভেসে গেছে, দুর্ভোগে অর্ধশত গ্রামের মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ এম


কপোতাক্ষে সাঁকো ভেসে গেছে, দুর্ভোগে অর্ধশত গ্রামের মানুষ

যশোরের কেশবপুরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি জড়িত কপোতাক্ষ নদীর ওপরের কাঠের সাঁকোটি বৃষ্টির পানির প্রবাহের কারণে ভেসে গেছে। সাঁকোটি ভেসে যাওয়ার ১২ দিন পরেও কর্তৃপক্ষ এখনও সাঁকোটি মেরামত করতে সক্ষম হয়নি। এর ফলে, দুই পাড়ের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক অসহায় মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে।

ভারি বর্ষণের ফলে নদীতে সৃষ্টি হওয়া প্রবল স্রোত এবং ওপরের পানির কারণে এই সাঁকোটি গত ১৩ জুলাই রাতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। যশোরের কেশবপুর এবং সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মধ্যে এটি ছিল একমাত্র সংযোগ। এই ঘটনায়, দুই পাড়ের প্রায় ৫০ গ্রামের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।

জানা যায়, সাগরদাঁড়ি বাজারের মধ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়া ও তালা উপজেলার মানুষের যাতায়াতের জন্য ২০১১ সালে স্থানীয় বাজার কমিটির উদ্যোগে কপোতাক্ষ নদীর দুই পাড়ের মানুষের কাছ থেকে বাঁশ ও অর্থ সংগ্রহ করে সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই সময় থেকেই নদীর অপর পাড়ের শার্শা, সানতলা, কৃষ্ণনগর, পাঁচপাড়া, সেনেরগাতী, সাারুলিয়া, ধানদিয়া, জয়নগর এবং এ পাড়ের সাগরদাঁড়ি, কোমরপোল, চিংড়া, বগা, নেহালপুর, মহাদেবপুর, রেজাকাটিসহ দুই পাড়ের প্রায় ৫০টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ ওই সাঁকোটি ব্যবহার করে আসছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে নদীর অন্য পাড়ের মানুষ বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য, বাজার এবং সওদাসহ সব কার্যক্রম সাগরদাঁড়ি বাজারে চালিয়ে আসছেন।

২০২৪ সালের শেষের দিকে বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার পর স্থানীয় বিএনপি নেতারা প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁশের পরিবর্তে কাঠ দিয়ে নতুন সাঁকোটি নির্মাণ করেছিলেন। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যটকসহ শত শত মানুষ সাগরদাঁড়িতে আগমন করেন এবং তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই যাতায়াতের জন্য ওই সাঁকোটি ব্যবহার করেন।

সাঁকোর মাথার বাসিন্দা সাগরদাঁড়ি গ্রামের আকবর আলী জানান, ২০২৪ সালের শেষে বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে গেলে প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে কাঠ দিয়ে সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১ লাখ টাকা ছিল সরকারি বরাদ্দ। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার ফলে দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং সাগরদাঁড়ি বাজারে ব্যবসা-বাণিজ্যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, দেশে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকসহ অনেক মানুষ সাগরদাঁড়িতে আসেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই কপোতাক্ষ নদে নৌকা ভ্রমণ ও সাঁকো ব্যবহার করতেন। জরুরি ভিত্তিতে সাঁকোটি নতুন করে নির্মাণ করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব রয়েছে। সরকারী অর্থ ছাড়া সাঁকোটি নির্মাণ করা সম্ভব নয়। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে দ্রুত ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

সাগরদাঁড়ি মাইকেল মধুসূদন ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গৌতম কুমার দাস মন্তব্য করেছেন, সাঁকোটি ভাঙার কারণে সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে প্রতিষ্ঠান আসতে বাধ্য হচ্ছেন।

সাগরদাঁড়ি বাজার কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য সুভাষ দেবনাথ জানিয়েছেন, ওপারের গ্রামগুলোর অর্থনৈতিক ও ব্যবসার প্রতিষ্ঠান সাগরদাঁড়ি বাজার কেন্দ্রিক। সাঁকোটি ভাঙার ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে গেছে।

উপজেলা প্রকৌশলী এম এ জাসির বলেন, সাঁকোটি জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমানে এটি মেরামত হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তিনি আরও জানান, ১০০ মিটার ব্রিজ নির্মাণের প্রজেক্টে রয়েছে, কিন্তু এর অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন উল্লেখ করেছেন, সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ নদীতে নির্মিত কাঠের সাঁকোটি ভেঙে পড়লেও এই মুহূর্তে সংস্কার করা হচ্ছে না। এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। ব্রিজটি নির্মাণ করা হলে নদীর দুই পাড়ের মানুষের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় বিদেশি পিস্তলসহ দুইজন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ এম


খুলনায় বিদেশি পিস্তলসহ দুইজন গ্রেপ্তার

খুলনায় একটি বিদেশি পিস্তলসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে চার রাউন্ড তাজা গুলি, একটি খালি কার্তুজ ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুরে লবণচরা থানার ইসলামপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন লবণচরা থানার আমতলা এলাকার শাহজাহানের ছেলে নাজিম ওরফে নাদিম (৩০) এবং ইসলামপাড়া এলাকার আব্দুর রহমান মিয়াজির ছেলে মাসুদ রানা (৩৭)।

র‍্যাব জানায়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় লবণচরা এলাকার ইসলামপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশির একপর্যায়ে গ্রেপ্তার নাজিমের বসতঘর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড তাজা গুলি, একটি খালি কার্তুজ ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় এসব আলামত জব্দ করা হয়েছে।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার দু’জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গুলিসহ লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন? মির্জা ফখরুল ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম নিয়ে জল্পনা,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৬ এম


পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন? মির্জা ফখরুল ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম নিয়ে জল্পনা,

মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর পুরো দেশজুড়ে চলছে আলোচনা, কে হতে পারেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি। সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম। আলোচনা চলছে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম নিয়েও। সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমদ ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নাম নিয়ে গুঞ্জন বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্বে পদত্যাগ করেন। ফলে সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

গেল কিছুদিন ধরে বিভিন্ন মহলে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়ে গুঞ্জন চলছিল। একাধিক আলোচনা চলছে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হতে যাচ্ছেন। অনেক সময় আলোচনায় আসে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নাম।

বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে বিএনপির মহাসচিব ও সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম।

এছাড়া, বঙ্গভবনের ২৩তম বাসিন্দা হওয়ার প্রতিযোগিতায় আছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অনেকেই গত ৫ আগস্টের পরে দেশের ক্রান্তিলগ্নে সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করায় রাষ্ট্রপতি পদে তাকেকেই এগিয়ে রাখছেন।

এদিকে, দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব অর্জন করে সৈয়দ রেফাত আহমদ অনেকের নজরে আসেন। পাশাপাশি আলোচনা হচ্ছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নাম নিয়েও।

বিএনপির বর্ষীয়ান নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুলের নাম এগিয়ে থাকলেও আলোচনায় আরও আছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানসহ আরও কিছু নাম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%