ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খুলনায় বিদেশি পিস্তলসহ দুইজন গ্রেপ্তার


খুলনায় বিদেশি পিস্তলসহ দুইজন গ্রেপ্তার

খুলনায় একটি বিদেশি পিস্তলসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে চার রাউন্ড তাজা গুলি, একটি খালি কার্তুজ ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুরে লবণচরা থানার ইসলামপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন লবণচরা থানার আমতলা এলাকার শাহজাহানের ছেলে নাজিম ওরফে নাদিম (৩০) এবং ইসলামপাড়া এলাকার আব্দুর রহমান মিয়াজির ছেলে মাসুদ রানা (৩৭)।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

র‍্যাব জানায়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় লবণচরা এলাকার ইসলামপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশির একপর্যায়ে গ্রেপ্তার নাজিমের বসতঘর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড তাজা গুলি, একটি খালি কার্তুজ ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় এসব আলামত জব্দ করা হয়েছে।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার দু’জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গুলিসহ লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন? মির্জা ফখরুল ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম নিয়ে জল্পনা,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৬ এম


পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন? মির্জা ফখরুল ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম নিয়ে জল্পনা,

মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর পুরো দেশজুড়ে চলছে আলোচনা, কে হতে পারেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি। সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম। আলোচনা চলছে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম নিয়েও। সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমদ ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নাম নিয়ে গুঞ্জন বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্বে পদত্যাগ করেন। ফলে সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

গেল কিছুদিন ধরে বিভিন্ন মহলে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের বিষয়ে গুঞ্জন চলছিল। একাধিক আলোচনা চলছে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হতে যাচ্ছেন। অনেক সময় আলোচনায় আসে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নাম।

বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে বিএনপির মহাসচিব ও সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম।

এছাড়া, বঙ্গভবনের ২৩তম বাসিন্দা হওয়ার প্রতিযোগিতায় আছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অনেকেই গত ৫ আগস্টের পরে দেশের ক্রান্তিলগ্নে সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করায় রাষ্ট্রপতি পদে তাকেকেই এগিয়ে রাখছেন।

এদিকে, দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব অর্জন করে সৈয়দ রেফাত আহমদ অনেকের নজরে আসেন। পাশাপাশি আলোচনা হচ্ছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নাম নিয়েও।

বিএনপির বর্ষীয়ান নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুলের নাম এগিয়ে থাকলেও আলোচনায় আরও আছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানসহ আরও কিছু নাম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পেনে দাবানলে নাসার গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ যোগাযোগ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


স্পেনে দাবানলে নাসার গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ যোগাযোগ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত

ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ দাবানলের কারণে, নাসাকে স্পেনে অবস্থিত তিনটি বৈশ্বিক গভীর মহাকাশ যোগাযোগ কেন্দ্রের মধ্যে একটি থেকে শুক্রবার কর্মীদের সরিয়ে নিতে হয়েছে।

এর ফলে, দূরবর্তী মহাকাশযানের সঙ্গে যোগাযোগ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নাসার একজন মুখপাত্র এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, ‘মাদ্রিদ ডিপ স্পেস কমিউনিকেশনস কমপ্লেক্স (এমডিএসসিসি) স্পেনের রব্লেদো এলাকায় অবস্থিত। এটি রাজধানী মাদ্রিদের কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার পশ্চিমে।’

এই খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি সংবাদ দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা জানিয়েছে, ‘দাবানল এমডিএসসিসি এলাকার মধ্য দিয়ে চলে গেছে। নিরাপদ পরিস্থিতি তৈরি হলে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি জানা যাবে।’ সংস্থাটি আরো জানায়, কেন্দ্রে কর্মরত সব কর্মীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এমডিএসসিসি, নাসার ডিপ স্পেস নেটওয়ার্কের (ডিএসএন) অংশ হিসেবে কাজ করে। এই নেটওয়ার্কের তিনটি কেন্দ্রের মাধ্যমে নাসা গ্যালাক্সির দূরবর্তী অঞ্চলে অনুসন্ধান চালানো মহাকাশযানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে।

ডিপ স্পেস নেটওয়ার্কের অন্য দুটি কেন্দ্র অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার গোল্ডস্টোনে অবস্থিত। নাসা জানিয়েছে, ‘এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে মহাকাশ মিশনের কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

নাসার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা ও সুস্থতা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়। পাশাপাশি, এলাকার আশপাশে দাবানলের প্রভাব মোকাবিলা করা পরিবার ও বাসিন্দাদের প্রতিও আমাদের সহমর্মিতা রয়েছে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় সীমান্তজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৮ এম


রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় সীমান্তজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নতুন সংঘাত ও বিমান হামলার সামাজিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সীমান্তে উদ্বেগ বাড়ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে রোহিঙ্গাদের একটি অংশ আবারও সীমান্তে আসার চেষ্টা করছে। এর বিপরীতে, যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকানোর জন্য বিজিবি ও কোস্টগার্ড সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার কথা জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা মতে, বাংলাদেশে ইতোমধ্যে আশ্রয় নেওয়া বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার চাপ সামলানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান মন্তব্য করেন, ‘আমরা সবসময় সীমান্ত নিরাপত্তার কথা বলি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, রাতের অন্ধকারে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে। যদি সীমান্তে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা যায়, তাহলে এই অনুপ্রবেশ ঠেকানো সম্ভব হবে না। মিয়ানমারের সংঘর্ষ চলুক বা না চলুক, তারা কোনো না কোনো পথ দিয়ে রাতের অন্ধকারে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। তাই অনুপ্রবেশ রোধে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।’

এদিকে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গার চাপের মধ্যে নতুন করে কাউকে আশ্রয় দেয়ার কোনো সক্ষমতা নেই বলে জানায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন। সংস্থাটি আরও বলছে, রোহিঙ্গারা মাতৃভূমি ছেড়ে এলে সংকট আরও বাড়বে এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াও জটিল হয়ে যাবে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান জানান, ‘বর্তমানে নতুন করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। গত কয়েক বছরে যে প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গা দেশে এসেছে, তাদের জন্যও পর্যাপ্ত আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনেকেই পাহাড় কেটে বা পাহাড়ের ভেতরে গর্ত করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে এবং এতে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। এই অবস্থায় বোঝা যায়, বাংলাদেশে আর নতুন করে রোহিঙ্গাদের জায়গা দেয়ার মতো সক্ষমতা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাখাইনের পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। সেখানে বিমান হামলা চলছে এবং নতুন যুদ্ধের তীব্রতা বেড়েছে। জানা গেছে, রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় আরাকান আর্মির সদস্যরা অবস্থান নেয়ায় ওই অঞ্চলে বিমান হামলা হচ্ছে। ফলে রোহিঙ্গাদের আবারও সীমান্তের দিকে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। ইতিমধ্যে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। প্রতি সপ্তাহে ৩০ থেকে ৫০ জনের মতো বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে। বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আরও বেশি মানুষ সীমান্তের দিকে আসতে পারে বলে আমরা শুনছি। তবে বিজিবি তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে এবং নতুন অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করবে বলেই আমাদের আশা।’

রোহিঙ্গারা নিজেদের মাতৃভূমি ছেড়ে এলে তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে পড়বে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মো. মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতাদের অনুরোধ করেছি, যেন তারা রাখাইনে অবস্থানরত তাদের জনগণকে সেখানেই থাকতে উৎসাহিত করেন এবং বাংলাদেশে আসতে নিরুৎসাহিত করেন।’

রাখাইনে বর্তমানে কতজন রোহিঙ্গা রয়েছে, সে বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেলেও ধারণা করা হয় সেখানে এখনও প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে। এছাড়া, প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা মিয়ানমারের অন্যান্য অঞ্চলে, বিশেষ করে ইয়াঙ্গুনের দিকে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কমিশনার আরও জানান, ‘বর্তমান সংঘাতের কারণে নতুন করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসার আশঙ্কা রয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মানুষ প্রাণ বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যায়। তবে আমরা তাদের বারবার বোঝাচ্ছি, যেন তারা নিজেদের স্বজনদের বাংলাদেশে আসতে উৎসাহিত না করেন। কারণ এতে প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হয়ে যাবে। তাদের উচিত নিজেদের মাতৃভূমিতে থেকেই পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করা, সবমিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল এবং উদ্বেগজনক।’

রাখাইনে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সীমান্তে নজরদারি জোরদার করেছে বিজিবি। টেকনাফের নাফ নদী থেকে শুরু করে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি এবং কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে বর্তমানের থেকে বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক জলযান, ড্রোন প্রযুক্তি ও নিয়মিত টহলের মাধ্যমে সীমান্তে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে কোস্টগার্ড।

কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস. এম. খায়রুল আলম বলেন, ‘বর্তমানে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে কিছুটা অস্থিরতা বিরাজ করছে। সম্প্রতি সেখানে কয়েকটি বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রেক্ষাপটের কারণে ওই এলাকায় অবস্থানরত কিছু রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে।’

তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে সীমান্তে সর্বোচ্চ সংখ্যক বিজিবি সদস্য মোতায়েন রয়েছে। আমাদের সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। রোহিঙ্গা হোক বা মিয়ানমারের অন্য কোনো নাগরিক—বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করলেই আমরা তাদের শনাক্ত ও আটক করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমাদের নজরদারি যতদূর সম্ভব বিস্তৃত করা হয়েছে, যাতে কেউ আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে।’

টেকনাফ কোস্টগার্ড স্টেশনের ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন জানান, ‘নাফ নদীসংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ডের বিভিন্ন আধুনিক জলযান দিয়ে ২৪ ঘণ্টা টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন জলযান ও উন্নত ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে নাফ নদীসংলগ্ন এলাকা সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে। দিন-রাত সবসময় আমাদের জলযান ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ব্যবহার করে সীমান্ত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্থলভাগেও নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’

রাখাইনের পরিস্থিতি কোন দিকে এগোচ্ছে, তা সীমান্তের আগামী দিনে চিত্রকে নির্ধারণ করবে। তবে নতুন করে রোহিঙ্গাদের ঢল ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামলার পর সৌদি আরবে জারি হলো জরুরি সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৫ এম


হামলার পর সৌদি আরবে জারি হলো জরুরি সতর্কতা

ইয়েমেনে হামলার পর সৌদি আরবের জাজান ও ইয়ানবু গভর্নরেটে সাময়িকভাবে ‘সম্ভাব্য বিপদের’ সতর্কতা জারি করেছিল দেশটির সিভিল ডিফেন্স ডিরেক্টরেট।

মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) পরিচালিত জরুরি সতর্ক বার্তার মধ্যে দুই অঞ্চলের জন্য বিপদমুক্তির ঘোষণা দেওয়ার ঘটনা ঘটে, যা বার্তার কয়েক মিনিটের মধ্যেই করা হয়।

সৌদি সিভিল ডিফেন্স ডিরেক্টরেট প্রাথমিকভাবে ইয়ানবু গভর্নরেটের বাসিন্দাদের জন্য শান্ত থাকতে এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেয়।

তবে এই সতর্কতার পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ বা কি ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল সে সম্পর্কে ডিরেক্টরেটের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

সূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%