ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘আমিও সন্তানহারা, স্ত্রীকে কীভাবে সান্ত্বনা দেব’


‘আমিও সন্তানহারা, স্ত্রীকে কীভাবে সান্ত্বনা দেব’

অপ্রতিমের হত্যার ঘটনায় তার বাবা-মা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছেন। দেখা যায়, নাহিদা নামের অপ্রতিমের মা একটি কক্ষে হাতে স্যালাইন নিয়ে শুয়ে আছেন।

অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে নাহিদা প্রায় কিছুই খাননি বলে জানিয়েছেন তার স্বামী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার। তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী এখন ঠিকমতো হাঁটতে পারে না, কথাও বলতে পারে না। সহকর্মী ও স্বজনেরা অনেক চেষ্টা করেও তাকে কিছু খাওয়াতে পারেননি। বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ায় সকালে তার হাতে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে।”

চাঁদপুরের নাহিদা বেগম এবং কুষ্টিয়ার কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের প্রায় ১৬ বছরের দাম্পত্যজীবনের একমাত্র সন্তান অপ্রতিম। ১৩ বছর আগে জন্ম নেওয়া এই ছেলেটিকে ঘিরেই ছিল তাদের সব স্বপ্ন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ফিরোজ শাহরিয়ারের কথায় বারবার উঠে আসে তার স্ত্রী নাহিদার অসহায় অবস্থার কথা। তিনি বলেন, “একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে আমাদের পুরো পরিবার এখন দিশাহারা। আমার স্ত্রী জীবন নিয়ে শঙ্কিত। সে কিছুই খেতে চায় না। কথা বলার শক্তিও হারিয়ে ফেলেছে। মাঝে মাঝে একটু কথা বললেও ছেলের জন্য বিলাপ শুরু করে।” কিছুক্ষণ চুপ থেকে তিনি বলেন, “আমিও তো সন্তানহারা। স্ত্রীকে কীভাবে সান্ত্বনা দেব?”

প্রসঙ্গত, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম গত শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরে তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চেতনা: ভবিষ্যতে নতুন বিভাজনের আশঙ্কা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চেতনা: ভবিষ্যতে নতুন বিভাজনের আশঙ্কা?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সচেতনতা নিয়ে আলোচনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একাডেমিক গবেষণা, সংবাদপত্রের মতামতধর্মী লেখা এবং এআই বটগুলোর নিজেদের কথাবার্তায় বিষয়টি উঠে আসছে। এটি একটি সাময়িক প্রবণতা নয় বলেই মনে হচ্ছে।

এআই যত বেশি সক্ষম ও মানুষের মতো হয়ে উঠছে, ততই একটি প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে—এআই কি কখনো সচেতন সত্তায় পরিণত হতে পারে?

এ বিষয়ে মানুষের মতভেদ স্পষ্ট। কিছু লোক মনে করেন, ভবিষ্যতের এআই সচেতন হতে পারে এবং তার অনুভূতির নৈতিক মূল্য থাকবে। অন্যদিকে, কিছু লোকের বিশ্বাস, যন্ত্রের পক্ষে মানুষের মতো চেতনাসম্পন্ন হওয়া সম্ভব নয়।

ভবিষ্যতে এআই সচেতন হতে পারবে কিনা, এ নিয়ে একটি গবেষণা পরিচালিত হয়েছিল। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের ৪৫ শতাংশ মনে করেন, এটি অসম্ভব। ২৩ শতাংশ মনে করেন, এটি সম্ভব। বাকিরা নিশ্চিত নন।

সচেতন এআই হলে কী বদলাবে?

কম্পিউটারের মাধ্যমে যদি সত্যিই সচেতন কোনো সত্তা তৈরি করা সম্ভব হয়, তাহলে সেটি হবে এক যুগান্তকারী ঘটনা। মানুষ তখন এমন এক নতুন ধরনের সত্তা সৃষ্টি করবে, যার অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার নৈতিক মূল্য থাকতে পারে। তাদের সঙ্গে কথা বলা, একসঙ্গে কাজ করা এবং বন্ধুত্ব গড়ে তোলা সম্ভব হতে পারে। তবে একই সময়ে, এসব সত্তা একদিন মানুষের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান ও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।

এ কারণে বিষয়টি নিয়ে মানুষের গভীর উদ্বেগ থাকা স্বাভাবিক। বিশেষ করে এআইয়ের সঙ্গে মানুষের আবেগগত সম্পর্ক যত বাড়বে, বিতর্কও তত জটিল হতে পারে।

মানুষের মতো কথা বললেই কি এআই সচেতন?

এআইয়ের চেতনা নিয়ে সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো, কোনো সিস্টেমকে সচেতন মনে হওয়া এবং সত্যিই সচেতন হওয়া এক বিষয় নয়।

এআই মানুষের লেখা বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে শেখে। তাই তার নিজের কোনো অনুভূতি না থাকলেও সে অনুভূতি, কষ্ট, আনন্দ বা ভালোবাসা নিয়ে অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্যভাবে কথা বলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও মতভেদ

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভর করা স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যা হলো, বিশেষজ্ঞরাও একমত নন। স্নায়ুবিজ্ঞানী অনিল শেথ মনে করেন, চেতনার জন্য হয়তো জৈবিক ভিত্তি প্রয়োজন। তার মতে, শুধুমাত্র কম্পিউটেশন বা গণনাপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে চেতনার উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা কম।

অন্যদিকে দার্শনিক ডেভিড চালমার্স মনে করেন, নীতিগতভাবে সচেতন এআই সম্ভব। এমনকি বর্তমান এআই সিস্টেমগুলোর মধ্যে কোনোটি ইতোমধ্যে সচেতন হওয়ার সামান্য সম্ভাবনাও তিনি উড়িয়ে দেন না।

রাজনীতিতে ঢুকে পড়লে বিতর্ক আরও জটিল হতে পারে।

এখন পর্যন্ত এআইয়ের চেতনা নিয়ে বিতর্ক কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়। তবে রাজনৈতিক দল কিংবা ধর্মীয় নেতারা যদি ভবিষ্যতে এ বিষয়ে শক্ত অবস্থান নেন, তাহলে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে।

মানুষ যদি মনে করতে শুরু করে, একটি মতামত আমাদের পক্ষের আর অন্যটি ওদের পক্ষের, তাহলে বিতর্কটি আরও মেরুকরণ হতে পারে। তখন এআই কীভাবে তৈরি ও ব্যবহার করা উচিত, সে বিষয়ে তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

সবচেয়ে বড় কথা, এআই সচেতন হতে পারে কিনা—এখনও আমরা তা জানি না। আর এই অনিশ্চয়তাটুকু স্বীকার করাই হতে পারে বিতর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শুরু।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের সাত সদস্যসহ নিহত ৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের সাত সদস্যসহ নিহত ৯

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল-আহসা গভর্নরেটে দুটি গাড়ির সংঘর্ষের ফলে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের সাত সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সৌদি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত সাতজন একই গাড়িতে ছিলেন। তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছেন। অন্য গাড়িতে থাকা দুই তরুণও এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।

পূর্বাঞ্চলীয় ট্রাফিক বিভাগ জানায়, একটি গাড়ি হঠাৎ দিক পরিবর্তন করায় দুটি গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর সিভিল ডিফেন্স ও সৌদি রেড ক্রিসেন্টের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তারা গাড়ির ভেতরে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করেন।

আল-আহসা ও পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকার মধ্যে সংযোগকারী আল-উকাইর-আল-উয়ুন সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমানোর লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ২০২৫ সালের ট্রাফিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৬০ শতাংশের বেশি কমেছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রাখা ২৯ দশমিক ২ শতাংশ এবং হঠাৎ দিক পরিবর্তন ২৭ দশমিক ৯ শতাংশ।

সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, ট্রাফিক নজরদারি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং দ্রুত জরুরি সেবার ব্যবস্থা দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

তবে আল-আহসার এই দুর্ঘটনা দেশের সড়কগুলিতে এখনও বিদ্যমান ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরেছে। নিহতদের পরিচয় এবং গাড়িটি কেন হঠাৎ দিক পরিবর্তন করেছিল, সে সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
যুগান্তরে খবর প্রকাশ

গাইবান্ধায় ২ মাস পর মায়ের কোলে ফিরল বিক্রি হওয়া ১১ মাসের শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


গাইবান্ধায় ২ মাস পর মায়ের কোলে ফিরল বিক্রি হওয়া ১১ মাসের শিশু

গাইবান্ধায় নেশার টাকা জোগানোর উদ্দেশ্যে ১১ মাস বয়সী একটি শিশু সন্তানকে বিক্রির দুই মাস তিন দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধা গোয়েন্দা পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং এই ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করে।

গাইবান্ধা পৌর এলাকার দক্ষিণ ধানঘরা গ্রামের বাসিন্দা হামিদুল ইসলাম, নেশার টাকার জন্য দুই মাস তিন দিন আগে নিজের ১১ মাসের শিশু সন্তানকে বাড়ি থেকে নিয়ে পালিয়ে যান।

পরে শিশুটির উদ্ধারের জন্য তার স্ত্রী রোমানা আক্তার আদালতে আবেদন করেন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশকে শিশুটিকে উদ্ধারের নির্দেশ দেন।

এই ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন দৈনিক যুগান্তর অনলাইনে ১৫ সেপ্টেম্বর এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হলে প্রশাসন সক্রিয় হয়।

পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে ফুলছড়ি উপজেলার মদনের পাড়া নামক গ্রামের সোলেমান চৌকিদারের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুর পিতা হামিদুল ইসলাম, আব্দুল মজিদ ও মোরশেদাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশ রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে তার মা রোমানা আক্তারের কোলে ফিরিয়ে দেয়।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আব্দুল মোত্তালিব সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিড ডে মিলের ডিম সেদ্ধ করতে গিয়ে শিক্ষার্থী দগ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


মিড ডে মিলের ডিম সেদ্ধ করতে গিয়ে শিক্ষার্থী দগ্ধ

পটুয়াখালীর বাউফলে মিড ডে মিলের ডিম সেদ্ধ করার সময় মাহফুজুর রহমান নামের এক চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়েছেন।

এই ঘটনা ঘটে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, উপজেলার মধ্য দাসপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় মাহফুজকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের দিয়ে মিড ডে মিলের ডিম সেদ্ধ করানো হয়। রোববার, ডিম সেদ্ধ করার ফুটন্ত গরম পানিতে দগ্ধ হন মাহফুজ।

একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে শাক তোলা ও ডিম সেদ্ধ করার মতো নানা কাজ করানো হয়। প্রতিবাদ জানালেও শিক্ষকরা বিষয়টিতে কর্ণপাত করেন না।

মাহফুজের শ্রেণিশিক্ষক ফাহমিদা আক্তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "ডিম সেদ্ধ করার পর গরম পানি ফেলে দেওয়ার জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় একজনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মাহফুজ দগ্ধ হয়।"

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আখতার হোসেন জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%