মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫২ পি.এম
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল-আহসা গভর্নরেটে দুটি গাড়ির সংঘর্ষের ফলে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের সাত সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সৌদি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত সাতজন একই গাড়িতে ছিলেন। তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছেন। অন্য গাড়িতে থাকা দুই তরুণও এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।
পূর্বাঞ্চলীয় ট্রাফিক বিভাগ জানায়, একটি গাড়ি হঠাৎ দিক পরিবর্তন করায় দুটি গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর সিভিল ডিফেন্স ও সৌদি রেড ক্রিসেন্টের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তারা গাড়ির ভেতরে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করেন।
আল-আহসা ও পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকার মধ্যে সংযোগকারী আল-উকাইর-আল-উয়ুন সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমানোর লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ২০২৫ সালের ট্রাফিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৬০ শতাংশের বেশি কমেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব বজায় না রাখা ২৯ দশমিক ২ শতাংশ এবং হঠাৎ দিক পরিবর্তন ২৭ দশমিক ৯ শতাংশ।
সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, ট্রাফিক নজরদারি প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং দ্রুত জরুরি সেবার ব্যবস্থা দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
তবে আল-আহসার এই দুর্ঘটনা দেশের সড়কগুলিতে এখনও বিদ্যমান ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরেছে। নিহতদের পরিচয় এবং গাড়িটি কেন হঠাৎ দিক পরিবর্তন করেছিল, সে সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধায় নেশার টাকা জোগানোর উদ্দেশ্যে ১১ মাস বয়সী একটি শিশু সন্তানকে বিক্রির দুই মাস তিন দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধা গোয়েন্দা পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে এবং এই ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করে।
গাইবান্ধা পৌর এলাকার দক্ষিণ ধানঘরা গ্রামের বাসিন্দা হামিদুল ইসলাম, নেশার টাকার জন্য দুই মাস তিন দিন আগে নিজের ১১ মাসের শিশু সন্তানকে বাড়ি থেকে নিয়ে পালিয়ে যান।
পরে শিশুটির উদ্ধারের জন্য তার স্ত্রী রোমানা আক্তার আদালতে আবেদন করেন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশকে শিশুটিকে উদ্ধারের নির্দেশ দেন।
এই ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন দৈনিক যুগান্তর অনলাইনে ১৫ সেপ্টেম্বর এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হলে প্রশাসন সক্রিয় হয়।
পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে ফুলছড়ি উপজেলার মদনের পাড়া নামক গ্রামের সোলেমান চৌকিদারের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুর পিতা হামিদুল ইসলাম, আব্দুল মজিদ ও মোরশেদাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশ রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিশুটিকে উদ্ধার করে তার মা রোমানা আক্তারের কোলে ফিরিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আব্দুল মোত্তালিব সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর বাউফলে মিড ডে মিলের ডিম সেদ্ধ করার সময় মাহফুজুর রহমান নামের এক চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়েছেন।
এই ঘটনা ঘটে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, উপজেলার মধ্য দাসপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় মাহফুজকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের দিয়ে মিড ডে মিলের ডিম সেদ্ধ করানো হয়। রোববার, ডিম সেদ্ধ করার ফুটন্ত গরম পানিতে দগ্ধ হন মাহফুজ।
একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিয়ে শাক তোলা ও ডিম সেদ্ধ করার মতো নানা কাজ করানো হয়। প্রতিবাদ জানালেও শিক্ষকরা বিষয়টিতে কর্ণপাত করেন না।
মাহফুজের শ্রেণিশিক্ষক ফাহমিদা আক্তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "ডিম সেদ্ধ করার পর গরম পানি ফেলে দেওয়ার জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় একজনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মাহফুজ দগ্ধ হয়।"
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আখতার হোসেন জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাভারে সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তুহিন এবং আমিনবাজার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. আকাশসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের মোট ৮ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোররাতের দিকে সাভারের বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন সাভার সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তুহিন (৩২), যিনি সদর ইউনিয়নের লালটেক এলাকার শেখ জালালের ছেলে। এছাড়া আছেন আমিনবাজার ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. আকাশ (৩৯), যিনি মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার কামুরা এলাকার মহিউদ্দিনের ছেলে। রাজধানীর মিরপুর থানার দক্ষিণ পাইকপাড়া এলাকার বাবুল খানের ছেলে রাজু খান (৩৯), ঝালকাঠি জেলার সদর থানার নইআড়ি এলাকার আসমত আলী খানের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৫০), সাভার পৌরসভার ডগরমোড়া এলাকার শফি মোল্লার ছেলে রুহুল আমিন রাজিব (৩৮), গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা থানার বেড়াগ্রাম এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম (২৪), মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার চরচন্দ্রা গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মোহাম্মদ আলী (৩৬) এবং মানিকগঞ্জ জেলার সদর থানার শিবালীপাড়া এলাকার আজাদ মোল্লার ছেলে মুরাদ হোসেন (৪৫) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃতরা প্রত্যেকেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্য। তারা সাভার এলাকায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে ঝটিকা মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নাশকতা ও অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের কাছ থেকে এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করা হয়েছে।
ওসি সাইফুল আলম বলেন, সাভারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালাচ্ছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে আরও কিছু ব্যক্তির তথ্য পাওয়া গেছে, যাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মোটরবাইক থেকে প্রত্যাশিত মাইলেজ বা পারফরম্যান্স না পাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেক বাইক চালকের জন্য পরিচিত।
বাইকের জ্বালানি সাশ্রয় এবং সামগ্রিক পারফরম্যান্স একাধিক বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল। শক্তি কমানো ছাড়া বাইককে আরও জ্বালানি সাশ্রয়ী করতে চাইলে কিছু বুদ্ধিদীপ্ত চালানোর অভ্যাস, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং ছোট কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন। নতুন বাইক হোক কিংবা পুরনো, এই টিপসগুলো যেকোনো বাইকের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।
চালানোর ধরনে আনুন পরিবর্তন
জ্বালানি সাশ্রয়ের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো বাইককে স্বাভাবিক গতিতে চালানো। হঠাৎ গতি বাড়ানো এবং হঠাৎ ব্রেক করা এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ দ্রুত গতি বাড়ালে জ্বালানির খরচ বেড়ে যায়, আর হঠাৎ ব্রেক করলে যন্ত্রাংশের অপ্রয়োজনীয় ক্ষয় হয়। বরং ধীরে ধীরে গতি বাড়ানো এবং ট্রাফিক পরিস্থিতি বুঝে আগেভাগেই গতি কমানো উচিত।
একই গতিতে বাইক চালানোর চেষ্টা করুন। বারবার গিয়ার পরিবর্তনের চেয়ে স্থির গতিতে চালালে জ্বালানি খরচ কমে। এতে ইঞ্জিনের ওপর চাপও কমে যায় এবং জ্বালানি দহন আরও কার্যকর হয়।
যদি সম্ভব হয়, উঁচু গিয়ার ব্যবহার করুন। সঠিক সময়ে উঁচু গিয়ারে যাওয়া ইঞ্জিনের চাপ কমিয়ে মাইলেজ বাড়ায়। দীর্ঘ সময় নিচু গিয়ারে চালালে সেরা বাইকেও জ্বালানি খরচ বাড়তে পারে। তাই ইঞ্জিন যখনই সুযোগ দেয়, তখনই গিয়ার পরিবর্তন করুন।
ঢালু রাস্তায় বা থামার আগে থ্রোটল ছেড়ে দিয়ে বাইককে নিজের গতিতে চলতে দিন। অযথা গতি বাড়ানো বা ব্রেক করার প্রয়োজন নেই।
বাইকের নিয়মিত যত্ন নিন
বাইকের দীর্ঘস্থায়িত্ব এবং কার্যকারিতার জন্য নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বাইক হোক বা পুরনো, সঠিক যত্নে সেরা পারফরম্যান্স পাওয়া সম্ভব।
নির্দিষ্ট সময় পরপর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা উচিত। ইঞ্জিন অয়েল ইঞ্জিনকে ঠান্ডা রাখে এবং মসৃণভাবে চলতে সাহায্য করে। নিয়মিত এটি পরিবর্তন করলে ভালো পারফরম্যান্স এবং মাইলেজ পাওয়া যায়।
এয়ার ফিল্টার পরীক্ষা করা জরুরি। ময়লা জমা এয়ার ফিল্টার বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে কার্যকারিতা কমে যায়। তাই নিয়মিত এটি পরিষ্কার বা পরিবর্তন করা উচিত।
স্পার্ক প্লাগও পরীক্ষা করা আবশ্যক। পুরনো স্পার্ক প্লাগ দহন প্রক্রিয়া ব্যাহত করে, যা মাইলেজ এবং শক্তি দুটোতেই প্রভাব ফেলে। এটি ভালো অবস্থায় আছে কিনা নিশ্চিত করুন।
কম বাতাসের টায়ার রাস্তায় বাড়তি বাধা তৈরি করে, ফলে ইঞ্জিনকে বেশি পরিশ্রম করতে হয় এবং জ্বালানি সাশ্রয় কমে যায়। তাই নিয়মিত টায়ারের চাপ পরীক্ষা করুন এবং প্রস্তাবিত মাত্রায় রাখুন। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অপ্রয়োজনীয় ওজন কমান
বাইকে অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বহন করলে জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি পায়। অপ্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক জিনিস সরিয়ে ফেলুন এবং বাড়তি বোঝা বহন থেকে বিরত থাকুন। নতুন বাইক কেনার পরিকল্পনা থাকলে হালকা কাঠামোর মডেল বেছে নেওয়া উচিত।
ভালো মানের জ্বালানি ও লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা উচিত। জ্বালানি এবং ইঞ্জিন অয়েলের মান সরাসরি বাইকের কার্যকারিতার ওপর প্রভাব ফেলে। ভালো মানের জ্বালানি এবং নির্মাতার প্রস্তাবিত লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করলে দহন প্রক্রিয়া ভালো হয় এবং ইঞ্জিনও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
ট্রাফিকে ইঞ্জিন বন্ধ রাখুন
থেমে থেমে চলা ট্রাফিক জ্বালানি সাশ্রয়ে বড় প্রভাব ফেলে। জ্বালানি অপচয় কমাতে কয়েক সেকেন্ডের বেশি অপেক্ষা করতে হলে সিগন্যালে ইঞ্জিন বন্ধ রাখুন। কম ট্রাফিক এবং কম সিগন্যালের রাস্তা বেছে নিন।
নিয়মিত সার্ভিসিং করান
নিয়মিত সার্ভিসিং করা বাইক ভালো পারফরম্যান্স দেয় এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী হয়। নির্মাতার নির্ধারিত সার্ভিস সময়সূচি মেনে চলুন এবং ছোট কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা বড় হওয়ার আগেই সমাধান করুন।
বাইকের মাইলেজ এবং পারফরম্যান্স বাড়ানো শুধুমাত্র জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয় নয়, এটি সেরা রাইডিং অভিজ্ঞতা পাওয়ারও একটি উপায়। চালানোর অভ্যাসে ছোট ছোট পরিবর্তন আনা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে বছরের পর বছর বাইক সচল রাখা সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ