ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঘূর্ণিঝড় চাম্পির তাণ্ডবে পূর্ব এশিয়ায় বিপর্যয়, বাতিল শত শত ফ্লাইট


ঘূর্ণিঝড় চাম্পির তাণ্ডবে পূর্ব এশিয়ায় বিপর্যয়, বাতিল শত শত ফ্লাইট

চলতি বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় চাম্পির তাণ্ডবে পূর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল, যার মধ্যে রয়েছে তাইওয়ান, জাপান এবং ফিলিপাইন, চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। তাইওয়ানে এই ঝড়ের আঘাতে লিউকিউ দ্বীপে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ৯৪ জন আহত হয়েছেন। এর ফলে দেশটিতে জরুরি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী চো জং-তাই জরুরি ব্রিফিংয়ে জনসাধারণকে সব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

গত মঙ্গলবার ঝড়টির গতিবেগ ছিল ১৮৫ মাইল (২৯৮ কিলোমিটার), যা ৫ হারিকেন ক্যাটাগরির কাছাকাছি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিবিসির লাইভে জানানো হয়েছে, তাইওয়ান ও জাপানে শত শত ফ্লাইট বাতিল হয়েছে এবং সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা থমকে গেছে।

আরও পড়ুন: ট্যাংকার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমুদ্রসৈকত বন্ধ ঘোষণা

পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাইওয়ানের ২২টি কাউন্টি ও শহরের প্রায় সবকটিতে স্কুল ও অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও, দেশটির বিশ্বখ্যাত স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন স্থগিত রাখা হয়েছে। শুক্রবার তাইওয়ানে সব ধরনের ২৬২টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট এবং ৬৬০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়। ট্রেনের সময়সূচি স্থগিত করা হয়েছে এবং বেশ কিছু মহাসড়ক বন্ধ করে এক হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

জাপানে অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ (এএনএ) ও জাপান এয়ারলাইন্সসহ চার প্রধান বিমান সংস্থার ১৬০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় অন্তত ১১ হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছেন। ওকিনাওয়া অঞ্চলে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন সাড়ে তিন হাজারের বেশি পরিবার। প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচি জনগণকে ঝোড়ো হাওয়া, পাহাড় ধস ও বন্যা সম্পর্কে চরম সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলীয় বাতানেস দ্বীপেও ঝড়টি প্রচণ্ড বাতাস ও প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটিয়েছে। চীনের আবহাওয়া সংস্থা চাম্পির সতর্কতায় নীল সংকেত জারি করেছে এবং পূর্বাঞ্চলীয় ঝেজিয়াং প্রদেশে কমলা সংকেত দেওয়া হয়েছে। এল নিনোর প্রভাবের কারণে অঞ্চলটিতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে বলে আবহাওয়াবিদরা জানান।

তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী চো জং-তাই এবং সেন্ট্রাল ওয়েদার অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান লু কুও-চেন জনগণকে সমুদ্র সৈকত ও পাহাড়ি এলাকা থেকে দূরে থাকার অনুরোধ করেছেন। জাতীয় ফায়ার এজেন্সির চিয়াং চি-চিয়াং সতর্ক করে জানিয়েছেন, হুয়ালিয়েনের ওয়ানলি ক্রিক ভূমিধস বাঁধে গচ্ছিত ৫০ লাখ মেট্রিক টন পানির ঝুঁকি রয়েছে।

আরও পড়ুন: পশ্চিম তীরে হামলার পর লিকুদ পার্টির সব রাজনৈতিক কর্মসূচি বাতিলের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

সূত্র: বিবিসি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেঙে পড়ার ছয় বছরেও নির্মিত হয়নি সেতু, বাঁশের সাঁকোই পাঁচ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


ভেঙে পড়ার ছয় বছরেও নির্মিত হয়নি সেতু, বাঁশের সাঁকোই পাঁচ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা

ছয় বছর আগে খালের ওপর নির্মিত সেতুটি ভেঙে পড়েছিল। এরপর থেকে বাঁশের নড়বড়ে সাঁকোই পাঁচ গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে এ সাঁকো পার হচ্ছে, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ ও বয়স্করা চলাচল করছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগীকে হাসপাতালে নিতেও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

খুলনার কয়রা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ২নং কয়রা-ওড়াতলা খালের ওপর নতুন সেতু নির্মাণ না হওয়ায় হাজারো মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এমন দুর্ভোগে রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেতু না থাকায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও যেতে হলে বাঁশের সাঁকোর ওপর ভরসা করতে হচ্ছে। সামান্য অসাবধান হলেই খালে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বছরের পর বছর এভাবে চলাচল করলেও সেতু নির্মাণের জন্য কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

জানা যায়, ১৯৯৬ সালে খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৩-১৪/১ নম্বর পোল্ডারের আওতায় ২ নম্বর কয়রা-ওড়াতলা খালের ওপর সেতুটি নির্মিত হয়েছিল। ২০২০ সালে সেতুটি ধসে পড়ার পর থেকে স্থায়ী যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। এরপর স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে খালের ওপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়। সেটিই এখন ২নং কয়রা, ওড়াতলা, গোবরা, হরিণখোলা ও পূর্বচকসহ আশপাশের গ্রামের মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা।

ওড়াতলা গ্রামের খালপাড়ের বাসিন্দা রিপন আহম্মেদ বলেন, ‘সেতু খালে পড়ে আছে, পাশে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যায়, মানুষ বাজারে যায়। একটু এদিক-ওদিক হলেই খালে পড়ে যাওয়ার ভয়। ছয় বছর ধরে এমন কষ্ট করছি, কিন্তু সেতু আর হলো না।’

এলাকার অন্যান্য বাসিন্দারাও একই ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, সেতুর অভাবে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থী, বয়স্ক মানুষ এবং অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন। কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াতেও ভোগান্তি হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগী কিংবা প্রসূতিকে হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, খালের দুই পাড়ের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে একটি বাঁশের সাঁকো। সেটি দিয়েই স্থানীয় বাসিন্দারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। স্কুলগামী শিশুরা ভয়ে ভয়ে সাঁকো পার হচ্ছে। বয়স্কদের কেউ কেউ অন্যের সহায়তা নিয়ে পার হচ্ছেন। পাশেই পড়ে আছে ভাঙা সেতুর অবশিষ্টাংশ। সেতুটির প্রায় ৯০ শতাংশ ভেঙে খালে পড়ে আছে। সেতু না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ভ্যান, ইজিবাইক ও পণ্যবাহী যানবাহন নিয়ে অনেক দূর ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

২ নম্বর কয়রা গ্রামের বাসিন্দা গফুর সানা বলেন, সাঁকো পার হতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই পিছলে পড়ে যায়। তাদের বই-খাতা পানিতে পড়ে নষ্ট হয়। বর্ষাকালে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরো বেড়ে যায়। রাতে কোনো রোগী বা প্রসূতিকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলে স্বজনদের বিপাকে পড়তে হয়। দীর্ঘদিন ধরে সেতু না থাকায় এলাকার মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পাঁচ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সেতু নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন। বছরের পর বছর বাঁশের সাঁকোর ওপর নির্ভর করে একটি জনপদের যোগাযোগব্যবস্থা চলতে পারে না। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, অসুস্থ ব্যক্তি ও বয়স্কদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

কয়রা সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘সেতুর অভাবে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সভায় বারবার বিষয়টি তুলে ধরলেও সমাধান মেলেনি। দ্রুত সেতু নির্মাণ করে মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করা জরুরি।’

কয়রা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান বলেন, ভাঙা সেতুর কারণে কয়েকটি গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এখন জরুরি ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণ করে সেতুটি নির্মাণ করা প্রয়োজন।

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, ছয় বছর ধরে সেতু না থাকায় পাঁচ গ্রামের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন, যা উদ্বেগজনক। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শুধুমাত্র আশ্বাস নয়, সমস্যাটির বাস্তবসম্মত সমাধানে কী করা যায়, তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরে হামলার পর লিকুদ পার্টির সব রাজনৈতিক কর্মসূচি বাতিলের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


পশ্চিম তীরে হামলার পর লিকুদ পার্টির সব রাজনৈতিক কর্মসূচি বাতিলের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : অধিকৃত পশ্চিম তীরে ঘটে যাওয়া গুলিবর্ষণ ও হামলার পর শুক্রবার সকালে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার দল লিকুদ পার্টির সকল রাজনৈতিক কর্মসূচি বাতিল করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

এ নির্দেশনা দেশের জাতীয় নির্বাচনের আয়োজনের কয়েক দিন পূর্বে দেওয়া হলো।

এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর প্রকাশিত হয়েছে।

লিকুদ পার্টির একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘জুদিয়া জংশনে ভয়াবহ হামলার ঘটনার পর নেতানিয়াহু শুক্রবার সকালে লিকুদের পূর্বনির্ধারিত সব রাজনৈতিক কর্মসূচি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুমিন ফারহানার সঙ্গে থানার ওসির তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা, ‘আওয়ামী লীগের চোর’ বললেন তিনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


রুমিন ফারহানার সঙ্গে থানার ওসির তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা, ‘আওয়ামী লীগের চোর’ বললেন তিনি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, সংসদ সদস্য হিসেবে নিরাপত্তা না পাওয়া এবং ফোন না ধরার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা সংঘটিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সরাইল থানার ওসির কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।

রাতের বাগ্‌বিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে থানায় প্রবেশ করেন। এরপর তিনি ওসির কক্ষে গিয়ে সরাইলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সম্পর্কে জানতে চান। সংসদ সদস্য হিসেবে নিরাপত্তা না পাওয়া এবং ফোন না ধরার কারণে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে তিনি ওসিকে ‘আওয়ামী লীগের চোর’ বলে অভিহিত করেন।

এ সময় বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী নিয়ে থানায় যাওয়ায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়াও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের জানান, আইন অনুযায়ী স্থানীয় সংসদ সদস্য নিরাপত্তা চাইলে তা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী বিজয়নগর ও আশুগঞ্জ থানার পুলিশ তাকে নিরাপত্তা দিয়েছে। কিন্তু সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তার ফোন ধরেননি। বরং তিনি বলেছেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্যের নিরাপত্তা মানুষই দেবে। এজন্য তার সঙ্গে হাজারো মানুষ এসেছেন এবং তারাই নিরাপত্তা দিচ্ছেন।

রুমিন ফারহানা আরও বলেন, সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ইটভাটা থেকে টাকা নেওয়া, মাটি কাটাসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে জানতে তিনি থানায় গিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিপুলসংখ্যক লোকজন নিয়ে থানায় এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন। এ সময় তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা উল্লেখ করে নানা অভিযোগ তোলেন। অথচ আগের তুলনায় দাঙ্গা-হাঙ্গামা অনেকটাই কমেছে। তার সঙ্গে থাকা লোকজন যেসব অভিযোগ করেছেন, সেগুলো মিথ্যা। সংসদ সদস্য তাদের এসব অভিযোগ শিখিয়ে এনেছেন।

ওসি আরও বলেন, সংসদ সদস্য তার নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন। মূলত, থানায় যে পরিমাণ পুলিশ সদস্য রয়েছেন, তা দিয়ে থানার কার্যক্রম পরিচালনা করতেই তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। শারদীয় দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ওই সংসদ সদস্যের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে ব্যক্তিগতভাবে তার সঙ্গে পুলিশের একটি দল রাখা তখন কঠিন ছিল।

ওসি বলেন, সংসদ সদস্য গানম্যান চাইলে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আবেদন করতে পারেন। পুরো ঘটনাটি ভিডিও করে রাখা হয়েছে। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় নিহত শাহেদের মরদেহ বগুড়ায় পৌঁছেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৪ পি.এম


সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় নিহত শাহেদের মরদেহ বগুড়ায় পৌঁছেছে

সৌদি আরবের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শাহেদ আহম্মেদ (৩৫) এর মরদেহ বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে তার বাড়িতে পৌঁছেছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে তার মরদেহ সেখানে উপস্থিত হয়।

যখন স্বজনেরা তার মরদেহ নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন, তখন সেখানে হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বাড়ির উঠানে দাদার কবরের পাশে শাহেদের কবর প্রস্তুত করা হয়েছে। বিকেল ৫টায় স্থানীয় উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে তাকে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে সকালে শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ আনতে তার স্ত্রী কাকলী বেগম ও দুই সন্তান যান। পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে কাকলী এখন দুই সন্তানকে নিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি হয়েছেন।

শাহেদের ভাই মাসুম রানা জানান, ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর শাহেদ তার স্ত্রী কাকলী বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। কিছুক্ষণ পর বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত লাগে। এই ঘটনায় শাহেদসহ অন্যান্যরা নিহত হন।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর পর তারা শাহেদের মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর আড়াইটার দিকে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়। স্থানীয় উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে বাড়ির উঠানে দাদার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

শাহেদের বাবা রফিকুল ইসলামও সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। পরিবারের এই দুঃসময়ে মা-বাবা দুজনই দেশের বাইরে থাকায় স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শাহেদকে হারিয়ে তার পরিবার ও স্বজনেরা শোকস্তব্ধ। প্রিয়জনের এমন মর্মান্তিক বিদায় মেনে নিতে পারছেন না কেউ। বাড়ির উঠানে দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন শাহেদ। তিনি রেখে যাচ্ছেন স্ত্রী ও দুই সন্তানকে, যাদের সামনে এখন প্রিয়জনকে হারানোর শোকের পাশাপাশি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কঠিন বাস্তবতা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%