প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সৌদি আরবের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শাহেদ আহম্মেদ (৩৫) এর মরদেহ বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে তার বাড়িতে পৌঁছেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে তার মরদেহ সেখানে উপস্থিত হয়।
যখন স্বজনেরা তার মরদেহ নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন, তখন সেখানে হৃদয়বিদারক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বাড়ির উঠানে দাদার কবরের পাশে শাহেদের কবর প্রস্তুত করা হয়েছে। বিকেল ৫টায় স্থানীয় উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে তাকে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে সকালে শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ আনতে তার স্ত্রী কাকলী বেগম ও দুই সন্তান যান। পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে কাকলী এখন দুই সন্তানকে নিয়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি হয়েছেন।
শাহেদের ভাই মাসুম রানা জানান, ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর শাহেদ তার স্ত্রী কাকলী বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। কিছুক্ষণ পর বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত লাগে। এই ঘটনায় শাহেদসহ অন্যান্যরা নিহত হন।
তিনি আরও জানান, শুক্রবার সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর পর তারা শাহেদের মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর আড়াইটার দিকে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়। স্থানীয় উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে বাড়ির উঠানে দাদার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
শাহেদের বাবা রফিকুল ইসলামও সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। পরিবারের এই দুঃসময়ে মা-বাবা দুজনই দেশের বাইরে থাকায় স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শাহেদকে হারিয়ে তার পরিবার ও স্বজনেরা শোকস্তব্ধ। প্রিয়জনের এমন মর্মান্তিক বিদায় মেনে নিতে পারছেন না কেউ। বাড়ির উঠানে দাদার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন শাহেদ। তিনি রেখে যাচ্ছেন স্ত্রী ও দুই সন্তানকে, যাদের সামনে এখন প্রিয়জনকে হারানোর শোকের পাশাপাশি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কঠিন বাস্তবতা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন