বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৮ পি.এম
টাঙ্গাইলে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী আমান উল্লাহ্ (আমান) পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আমান উল্লাহ্ আমান।
আমান উল্লাহ্ উল্লেখ করেন, গত (১৭ সেপ্টেম্বর) জমি সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে মোস্তাফিজুর রহমান এবং আরফান মোল্লা মিলে মিথ্যা, বানোয়াট এবং মানহানিকর তথ্য উপস্থাপন করে সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান। তিনি দাবি করেন যে, প্রকৃত সত্য আড়াল করার জন্যই তাদের বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রতিপক্ষের অন্যায়ের প্রতিবাদ করার কারণে বর্তমানে তিনি এবং তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আমান উল্লাহ্ অভিযোগ করেন, বিবাদীপক্ষের লোকজনের ভয় ও হুমকির কারণে তাদের প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে। তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন যে, যে কোনো সময় তাদের শারীরিক, মানসিক, আর্থিক এবং সম্পত্তির ক্ষতি করা হতে পারে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, র্যাব, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেন। একই সাথে তিনি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান যাতে কোনো প্রকার মিথ্যা মামলার মাধ্যমে তাকে হয়রানি করা না হয় এবং সঠিক তথ্য তুলে ধরার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট আরমান মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক, মাসুদ, আহাদ, আজম, হাশেম মিয়াসহ ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দৈনিক সমকালের টাঙ্গাইলের ঘাটাইল প্রতিনিধি মাসুমের বিরুদ্ধে তথ্য চেয়ে আবেদন করায় ইউএনও ও পৌর প্রশাসক মো.মাহমাদুল হাসান অফেন্সিভ মোডে যাওয়ার হুমকি প্রদান করেছেন। আজ (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, ওই সংবাদকর্মীকে মুঠোফোনের মাধ্যমে এ হুমকি দেন তিনি। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, "আপনি তথ্য চেয়ে আবেদন করেছেন। এটা ফাজলামি ছাড়া অন্যকিছু না। আপনি যদি অফেন্সিভ মোডে যান আমি ইউএনও অফেন্সিভ মোডে যাব। আপনি কার কথা শুনে এ কাজ করতেছেন? এটা অফেন্সিভ মোড।"
এর আগে, আজ সকালে মাসুম মিয়া পৌর প্রশাসকের কাছে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে তিনি জানতে চান, ঘাটাইল পৌরসভার ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট কত টাকা পৌর কর আদায় হয়েছে এবং কোন কোন খাতে তা ব্যয় করা হয়েছে, সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে প্রাপ্ত (ওয়ান পার্সেন্ট রাজস্ব) আয় ও ব্যয়, হাট-বাজার থেকে খাস কালেকশন বাবদ আয় ও ব্যয়, অটোরিকশা ও ভ্যানের লাইসেন্স বাবদ আয় ও ব্যয়ের বিষয়টি।
এদিকে, আবেদন পাওয়ার পর ইউএনও ও পৌর প্রশাসক মো.মাহমাদুল হাসান ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তিনি সাংবাদিক মাসুম মিয়াকে মোবাইলে অফেন্সিভ মোডে যাওয়ার হুমকি দেন এবং তথ্য চাওয়া ফাজলামি বলে মন্তব্য করেন। সমকালের ঘাটাইল প্রতিনিধি মাসুম মিয়া বলেন, "তথ্য অধিকার আইনে তথ্য পাওয়ার অধিকার শুধু সংবাদকর্মীর নয়, সকল নাগরিকের। আমি সেই হিসেবে পৌরসভার কাজের তথ্য চেয়ে আবেদন করেছি।" ইউএনওর ক্ষোভের বিষয়টি নিয়ে জানতে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো.মাহমাদুল হাসানের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা ঢাকায় অফিস স্থাপনের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের ই-কমার্স এবং অনলাইন ব্যবসার সম্প্রসারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহও দেখিয়েছে। মেটা ঢাকায় একটি প্রশাসনিক কেন্দ্র বা ফোকাল পয়েন্ট স্থাপনের বিষয়টি পর্যালোচনা করবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউইয়র্ক সফরের প্রথম দিনের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
শামা ওবায়েদ জানান, মেটার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ঢাকায় অফিস খোলার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অন্য একটি জরুরি কর্মসূচির কারণে তিনি অংশ নিতে পারেননি।
মেটার ঢাকায় অফিস খোলার আগ্রহের পেছনে বাংলাদেশের বড় ফেসবুক ব্যবহারকারী ভিত্তি উল্লেখ করা হয়েছে। শামা ওবায়েদ বলেন, "বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর উপস্থিতি বড় হওয়ায় ঢাকায় একটি ফোকাল পয়েন্ট স্থাপনে মেটা বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছে।"
বৈঠকে বাংলাদেশের সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি দেশের ই-কমার্স এবং অনলাইন ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করারও ইচ্ছা রয়েছে মেটার। (Dhaka Stream)
ডিজিটাল হয়রানির বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে। শামা ওবায়েদ জানান, বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় ডিজিটাল হয়রানি কমাতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কীভাবে কাজ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মেটা এ বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের প্রথম বাজেটে ই-কমার্স ও প্রযুক্তি খাতকে দেওয়া গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট টিমের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রতিষ্ঠানটি আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
ঢাকায় মেটার অফিস কবে এবং কীভাবে চালু হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি বিষয়টি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, ওই বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং প্রতিরক্ষা বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাধারণ আলোচনা হয়েছে। মক্কা প্যাক্ট নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলেও তিনি জানান।
হুমায়ুন কবির বলেন, বৈঠকটি আন্তরিক ছিল এবং এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে পারস্পরিক অংশীদারত্ব ও কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদার হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
এলডিসি উত্তরণ নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। তবে কোভিড-পরবর্তী পরিস্থিতি, গত ১৫ বছরের গণতান্ত্রিক ঘাটতি, প্রাতিষ্ঠানিক ভঙ্গুরতা এবং বিশেষ করে জ্বালানি সংকটের বিষয়গুলো বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ সংক্রান্ত আবেদনের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এসব বিষয়ে বাংলাদেশ সমর্থন পাচ্ছে এবং সরকার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে। জ্বালানি সংকটের বিষয়টিও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
মেটার সঙ্গে বৈঠকটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফরের প্রথম দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি অংশগ্রহণের কথা থাকলেও সময়সূচির কারণে তিনি বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল মেটার সঙ্গে আলোচনা করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে, এই সীমানার মধ্যে পূর্বে অবস্থিত বেসরকারি ক্লিনিকেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ শাখার পরিচালক ডা. মো. নূরুল ইসলাম এতে স্বাক্ষর করেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১৭ আগস্ট স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন সম্পর্কিত এক বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নবিষয়ক সভার কার্যবিবরণীর ৬ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো ওই কার্যবিবরণীর আলোকে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন করে বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া যাবে না। একই এলাকার মধ্যে পূর্বে অবস্থিত বেসরকারি ক্লিনিকেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না।
সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সব বিভাগীয় পরিচালক, সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবিলম্বে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
সরকারি হাসপাতালের আশপাশে ব্যাপক হারে বেসরকারি ক্লিনিক স্থাপনের প্রেক্ষাপটে এই নির্দেশনা এসেছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের দালালের মাধ্যমে এসব বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, সরকারি হাসপাতালের অনেক চিকিৎসক নিয়মিত কর্মঘণ্টার পর আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিকে প্র্যাকটিস করে থাকেন। নতুন নির্দেশনার ফলে সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে থাকা বেসরকারি ক্লিনিকে তাদের প্রাইভেট প্র্যাকটিসও বন্ধ থাকবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নবিষয়ক সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অধিদপ্তরকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৮৬৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই নতুন মৃত্যুর ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২০১ জনে পৌঁছেছে। সেপ্টেম্বর মাসে মারা গেছেন ১০৪ জন, যা বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু সংখ্যা।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭৩ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৭৯ জন ভর্তি হয়েছেন। ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে ৪০৫ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এছাড়া বরিশাল বিভাগে ১৭৮ জন, চট্টগ্রামে ৩১৭ জন, খুলনায় ২৮০ জন, ময়মনসিংহে ১১৩ জন, রাজশাহীতে ১৫৬ জন, রংপুরে ৫৯ জন এবং সিলেট বিভাগে আটজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজার ৩৬৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৬২ হাজার ১১৭ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৫৫৭ জন।
নতুন ছয় মৃত্যুর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় দুজন করে এবং বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে চারজন পুরুষ এবং দুজন নারী।
চলতি বছরের শুরু থেকে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ২০১ জনে পৌঁছালেও সেপ্টেম্বর মাসে প্রাণহানি ঘটেছে ১০৪ জনের। মাসভিত্তিক হিসাবে এটি এ বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০০০ সাল থেকে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হিসাব সংরক্ষণ করে আসছে। ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। একই বছর ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত বছরও ডেঙ্গুর প্রকোপে চার শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সে বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ২ হাজার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ