প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দেশে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৮৬৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই নতুন মৃত্যুর ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২০১ জনে পৌঁছেছে। সেপ্টেম্বর মাসে মারা গেছেন ১০৪ জন, যা বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মৃত্যু সংখ্যা।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭৩ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৭৯ জন ভর্তি হয়েছেন। ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে ৪০৫ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এছাড়া বরিশাল বিভাগে ১৭৮ জন, চট্টগ্রামে ৩১৭ জন, খুলনায় ২৮০ জন, ময়মনসিংহে ১১৩ জন, রাজশাহীতে ১৫৬ জন, রংপুরে ৫৯ জন এবং সিলেট বিভাগে আটজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজার ৩৬৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৬২ হাজার ১১৭ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৫৫৭ জন।
নতুন ছয় মৃত্যুর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় দুজন করে এবং বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে চারজন পুরুষ এবং দুজন নারী।
চলতি বছরের শুরু থেকে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ২০১ জনে পৌঁছালেও সেপ্টেম্বর মাসে প্রাণহানি ঘটেছে ১০৪ জনের। মাসভিত্তিক হিসাবে এটি এ বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০০০ সাল থেকে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হিসাব সংরক্ষণ করে আসছে। ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। একই বছর ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত বছরও ডেঙ্গুর প্রকোপে চার শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সে বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ২ হাজার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন