ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাগেরহাটের ইকনের সংগ্রামের ইতিহাসের পেছনের কাহিনী


বাগেরহাটের ইকনের সংগ্রামের ইতিহাসের পেছনের কাহিনী

বাগেরহাটের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইকনের জীবন সংগ্রামের কাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ইকন বাবার দাফনের পর রাতে এটিএম বুথে ডিউটি দেন এবং পরদিন সকালে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন, যা অনেকের হৃদয়কে স্পর্শ করেছে। তবে তার জীবন সংগ্রামের সম্পর্কে ভাইরাল হওয়ার পর আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।

ইকনের বাড়িতে গিয়ে তার সাথে এবং তার মামার সাথে কথা বলার মাধ্যমে জানা গেছে, ইকন শহরের রেলরোড এলাকায় কৃষি ব্যাংকের একটি এটিএম বুথে খণ্ডকালীন দায়িত্ব পালন করে আসছে। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বা তার সহকর্মীরা কখনোই তাকে পরীক্ষার আগের রাতে ডিউটি করতে বাধ্য করেননি। বরং তার নিজের ইচ্ছায় তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বুথের শান্ত পরিবেশে বসে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

জানা গেছে, পরিবারের চরম আর্থিক সংকটের কারণে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার বই কেনার সামর্থ্য তার ছিল না। শুরুতে মোবাইল ফোনে পিডিএফ ডাউনলোড করে তিনি পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। পরে এক সহপাঠীর কাছ থেকে বই ধার নিয়ে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো প্রস্তুত করেছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ইকনের বাবা ইসরাফিল দাড়িয়া মোটরসাইকেল চালিয়ে পরিবারের জন্য উপার্জন করতেন। বড় ভাই সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারানোর পর সংসারের দায়িত্ব অনেকটা এসে পড়ে ইকনের কাঁধে। পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন চাকরি করে তিনি পরিবারের ব্যয় বহন করতেন। এর মধ্যে বাবার মৃত্যু তার জীবনে নতুন সংকট সৃষ্টি করেছে।

তবে বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও এই তরুণ ভেঙে পড়েনি। স্বপ্ন দেখছে নিজের ভবিষ্যৎ নির্মাণের, তাই সে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা জানান, ছোটবেলা থেকে ইকনের স্বপ্ন ছিল একজন জজ অথবা ব্যারিস্টার হওয়া। অর্থনৈতিক সংকট ও পারিবারিক দুর্ভোগও তার স্বপ্নকে ম্লান করতে পারেনি।

স্থানীয়দের মতে, ইকনের এই সংগ্রাম কেবল একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত গল্প নয়; এটি হাজারো সংগ্রামী শিক্ষার্থীর বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। তারা উল্লেখ করেন, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাবৃত্তি প্রদানকারী সংস্থাগুলো এগিয়ে এলে ইকনের মতো মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাবে।

স্থানীয়রা ইকনের উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ৪৪৬ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৬ এম


রাজধানীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ৪৪৬ জন গ্রেফতার

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ অভিযানের ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৬ জন গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময় ৫৬টি মামলা করার তথ্যও পাওয়া গেছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ২১ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৩৮ জন, ওয়ারী বিভাগে ১০৪ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৪৯ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৭৪ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ৮৩ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৮ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৩৫ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অভিযানের সময়ে হেফাজতের মধ্যে ০১টি বিদেশি পিস্তল ম্যাগাজিনসহ মোট ৩ হাজার ৭৫৫ পিস ইয়াবা, ৯ কেজি ৫ গ্রাম গাঁজা, ৭ গ্রাম হেরোইন, ১টি মাইক্রোবাস, ১টি কার্টার, ১টি চাকু, ৫টি মোবাইল ফোন, ১টি মোটরসাইকেল এবং একজন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন থানায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধারের পাশাপাশি তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

. বয়সের সঙ্গে আকর্ষণের পরিবর্তন কেন, উঠে এলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৮ পি.এম


. বয়সের সঙ্গে আকর্ষণের পরিবর্তন কেন, উঠে এলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

মানুষের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতিগুলোর মধ্যে একটি হলো ভালোবাসা। বিশেষ করে কৈশোর ও তারুণ্যে এই অনুভূতি সবচেয়ে বেশি তীব্র হয়ে ওঠে। সাধারণত ১২ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে একজন তরুণ বা তরুণীর মধ্যে ভালো লাগা, আকর্ষণ, ভালোবাসা এবং সম্পর্ক গড়ে তোলার ইচ্ছা স্বাভাবিকভাবে দেখা দেয়। এই বয়সে বেশির ভাগ তরুণ-তরুণী প্রেমে পড়ে। একে অপরের প্রতি আবেগ, কল্পনা এবং নতুন অভিজ্ঞতার প্রতি আগ্রহ বেশি থাকে। তাই অনেক সময় একজনকে প্রথম দেখাতেই ভালো লেগে যায়। একে অপরের প্রতি এই ভালো লাগা থেকেই শুরু হয় প্রেমের আদান-প্রদান।

প্রথম দেখায় কাউকে ভালো লাগা মূলত তার চেহারা, হাসি, কথা বলার ধরন, ব্যক্তিত্ব বা আচরণের প্রতি আকর্ষণ থেকে তৈরি হয়। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে আকর্ষণ বা ইনফ্যাচুয়েশন (Infatuation) বলা হয়। এই অনুভূতি খুব দ্রুত তৈরি হতে পারে। কিন্তু ভালোবাসা জন্ম নিতে সময় লাগে। একজন মানুষের চরিত্র, মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ, সম্মানবোধ এবং একে অপরকে বোঝার ক্ষমতা ধীরে ধীরে জানার মাধ্যমে সেই ভালো লাগা গভীর হয়ে সত্যিকারের ভালোবাসায় রূপ নেয়।

সব প্রথম দেখার ভালো লাগা ভালোবাসায় পরিণত হয় না। কারণ সময়ের সঙ্গে মানুষ একে অপরকে আরও ভালোভাবে চিনতে শেখে। কখনও দেখা যায়, প্রথমে যাকে খুব ভালো লেগেছিল, তার সঙ্গে চিন্তা-ভাবনা বা জীবনযাত্রার মিল নেই। আবার কখনও পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস ও বোঝাপড়া তৈরি হলে সেই ভালো লাগাই দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসায় রূপ নেয়।

তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বারবার প্রেমে ব্যর্থ হওয়ারও কিছু সাধারণ কারণ রয়েছে। প্রথমত, আবেগের বশে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া। অনেকেই মানুষটিকে ভালোভাবে না জেনেই সম্পর্ক শুরু করে। দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত প্রত্যাশা। বাস্তব জীবনে প্রত্যেক মানুষেরই সীমাবদ্ধতা রয়েছে, কিন্তু অনেক সময় কল্পনার সঙ্গে বাস্তবতার মিল না থাকায় হতাশা তৈরি হয়। তৃতীয়ত, পারস্পরিক বিশ্বাসের অভাব। সন্দেহ, ভুল বোঝাবুঝি এবং যোগাযোগের ঘাটতি সম্পর্ককে দুর্বল করে দেয়। চতুর্থত, পরস্পরের প্রতি সম্মান না থাকা এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে মূল্য না দেওয়া। এছাড়া পারিবারিক বাধা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অমিল, মানসিক অপরিপক্বতা এবং সামাজিক চাপও সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

একটি সফল সম্পর্কের ভিত্তি হলো বিশ্বাস, সততা, সম্মান, ধৈর্য এবং খোলামেলা যোগাযোগ। শুধুমাত্র আবেগ দিয়ে ভালোবাসা টিকে থাকে না। সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে উভয় পক্ষের দায়িত্বশীলতা এবং একে অপরকে বোঝার মানসিকতা প্রয়োজন।

পরিশেষে বলা যায়, প্রথম দেখায় কাউকে ভালো লাগা মানুষের স্বাভাবিক অনুভূতি। তবে সেই ভালো লাগা সত্যিকারের ভালোবাসায় পরিণত হবে কি না, তা নির্ভর করে সময়, পারস্পরিক বোঝাপড়া, বিশ্বাস এবং সম্মানের ওপর। একইভাবে বারবার প্রেমে ব্যর্থ হওয়া মানেই জীবনের শেষ নয়। প্রতিটি অভিজ্ঞতা মানুষকে আরও পরিণত করে, নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে সাহায্য করে এবং ভবিষ্যতে আরও সুস্থ ও সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলার পথ দেখায়। তাই যে কোনো বয়সে ভালোবাসার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া না করে, মানুষকে সময় নিয়ে জানা এবং বাস্তবতা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১২ পি.এম


কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টারের পদত্যাগ

ব্যক্তিগত ও পেশাগত কারণ দেখিয়ে ভারতের কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব মো. তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া ওরফে তারিক চয়ন পদত্যাগ করেছেন।

বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

পোস্টে তারিক চয়ন লেখেন, ‘কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন থেকে ব্যক্তিগত ও পেশাগত কারণে পদত্যাগ করলাম।’

তিনি বলেন, ‘দেড় বছর শহরটিতে সুন্দর সময় কাটিয়েছি। অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করেছি।’

পোস্টে কলকাতায় তার পেশাগত জীবন, অফিস, সহকর্মী ও বন্ধুদের নিয়ে ভবিষ্যতে একটি বই লেখার ইচ্ছার কথাও জানান তিনি।

তিনি লেখেন, ‘পেশাগত জীবন, অফিস, সহকর্মী এবং কলকাতার বন্ধুদের নিয়ে ভবিষ্যতে বই লেখার ইচ্ছে আছে। সবাই দোয়া করবেন। আল্লাহ্ আমাদের সকলের সহায় হোন।’

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর তারিক চয়নকে কলকাতায় বাংলা‌দেশ উপ-হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বতী সরকার।

এরপর তার দায়িত্বের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হয়। গত বছরের ২৬ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়ে বলা হয়েছিল, পূর্ববর্তী চুক্তির ধারাবাহিকতায় ১১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এ নতুন নিয়োগ কার্যকর হবে।

কূটনৈতিক মিশনে যোগদানের আগে তারিক সাংবাদিকতা করতেন। তিনি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশন, দৈনিক মানবজমিন, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক কালের কণ্ঠসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষার্থী দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্রিকায় কূটনৈতিক, রাজনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে কলাম লিখেও খ্যাতি অর্জন করেন।

কর্মক্ষেত্রে এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি মালয়েশিয়ায় ‘ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’, পশ্চিমবঙ্গে ‘মৈত্রী সম্মাননা’ ও ‘সেরা বাঙালি সম্মাননা’ লাভ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

. ক্লাসে ছাত্রীদের নিয়ে মন্তব্য করে সমালোচনায় কলেজশিক্ষক, এরপর যা হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


. ক্লাসে ছাত্রীদের নিয়ে মন্তব্য করে সমালোচনায় কলেজশিক্ষক, এরপর যা হলো

বরিশাল বিএম কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগে একই বিভাগের একদল শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের কাছে ওই শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেছেন।

বুধবার (২২ জুলাই) এর পরিপ্রেক্ষিতে কলেজের অধ্যক্ষ তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটিকে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. তাজুল ইসলাম এ তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে জানান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থীরা তার কাছে এসে অভিযোগ করেছেন যে, তাদের একজন শিক্ষক ছাত্রীদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ আচরণ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের কিছু শিক্ষার্থী শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে গতকাল মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ দেন অধ্যক্ষের কাছে। অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা জানান, আনোয়ার হোসেন বিভিন্ন ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বাজে মন্তব্য করেছেন। এমনকি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সফর নিয়েও ছাত্রীদের সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করেন। দীর্ঘদিন ধরে এমন ঘটনায় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশে তারা ওই শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেছেন।

অভিযোগ উঠেছে, শিক্ষক আনোয়ার হোসেন কুরুচিপূর্ণ ব্যবহার করা ছাড়াও নোট বিক্রি করেন এবং অর্থের বিনিময়ে ইনকোর্স পরীক্ষার নম্বর বাড়িয়ে দিয়ে থাকেন।

তবে অভিযুক্ত ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিভাগে আমার কোনো শিক্ষকের সঙ্গে বিরোধ নেই। মাস্টার্সের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ২৭৬ জন শিক্ষার্থী আছে। আর একটি হলো নোটিস বোর্ড ব্যবস্থাপনা বিভাগ। সেখানে এমন কোনো মন্তব্য করিনি, যা কুরুচিপূর্ণ আচরণ হতে পারে। তা ছাড়া শিক্ষার্থীরা যে কমেন্টসের কথা বলছে, তা ছয়-সাত মাস আগের। এটা নিছক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও বিএম কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী জাবের হোসেন বলেন, বিষয়টি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যকার স্পর্শকাতর বিষয়। তদন্ত ছাড়া এ নিয়ে মন্তব্য করা যাবে না। তবে তারা এ ঘটনার ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%