রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪১ পি.এম
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখার নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ছাদিক এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সাবিরুজ্জামান (সুজা)।
নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটি গঠন ও দায়িত্ব হস্তান্তরের অনুষ্ঠানটি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবনের পূর্ব লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটিতে সহসভাপতি-১ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম-২। সহসভাপতি-২ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাসান (মুকুল)। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ সরওয়ার জাহান।
এছাড়া যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ড. মো. আনিছুর রহমান। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন লোক প্রশাসন বিভাগের ড. পারভেজ আজহারুল হক (প্রিন্স)। প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ফিশারিজ বিভাগের ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান মণ্ডল এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রসায়ন বিভাগের ড. মো. আব্দুল মান্নান।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ড. মো. ফজলুল হক (ফজলু), প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. মতিয়ার রহমান, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ড. মো. গোলাম মোর্তুজা, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. তোফাজ্জল হোসেন, মার্কেটিং বিভাগের ড. এ. কে. এম. গোলাম রব্বানী মণ্ডল, ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ড. রিজওয়ানা ইসলাম সাম্মী, ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেসের ড. এস. এম. সাহিনুল ইসলাম, দর্শন বিভাগের ড. মো. আরিফুল ইসলাম, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ড. ফারজানা আশরাফী নীলা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ড. মো. হারুন-অর-রশীদ, ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের ড. মো. সাইফুল ইসলাম, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. আওরঙ্গজীব মো. আব্দুর রহমান, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. মো. আসাদুল হক, ফার্মেসি বিভাগের ড. মো. আব্দুল আলীম আল-বারী এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের বিদায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ফোরামের সদস্যরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং নবনির্বাচিত কার্যকরী কমিটির সফলতা কামনা করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি দেশে ফিরে এসেছেন পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে।
তিনি রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে সৌদি আরব থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান সস্ত্রীক।
চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি গত ১৪ সেপ্টেম্বর পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন সস্ত্রীক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ছাত্র আজমল হোসেনের হত্যার ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহতের পিতা কুতুবউদ্দিন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে হরিণটানা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় রুজু করা হয়েছে।
আজমল হোসেন নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা এলাকার কুতুবউদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মেসের ছাত্রদের বরাত দিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হল (খাজা হল) সংলগ্ন ভাড়া বাড়িতে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান অনেক শিক্ষার্থী বসবাস করেন। আজমল হোসেনও সেখানে একটি রুমে থাকতেন।
শুক্রবার রাতে অন্য একজনের ভাত না দিয়ে নিজের ভাত খেয়ে ফেলেন আজমল। এরপর ভাত চুরি করে খাওয়ার অভিযোগ তুলে মেসের কয়েকজন ছাত্র ও বহিরাগতরা আজমলকে ছাদে নিয়ে মারধর করেন।
রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দেওয়া কয়েকজন যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। পরে হাসপাতালে নিয়ে আসা ব্যক্তিরা দ্রুত সেখান থেকে চলে যান।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, আজমলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার মাথার চুলও এক পাশ দিয়ে কাটা ছিল। তবে এসব আঘাত কিভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হতে পারেনি।
নিহতের বাবা কুতুবউদ্দিন অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে চুরির অপবাদ দিয়ে মারধর করা হয়েছে। তিনি জানান, ছেলের রুমমেটরা ফোন করে এক লাখ টাকা নিয়ে যেতে বলেছিল। টাকা দিলে সমস্যা মিটে যাবে বলেও জানানো হয়। পরে ছেলের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
স্থানীয় এক বাড়ির মালিক জানান, রাতে পাশের ভবনের ছাদে একজনকে (আজমল) মারধর করতে দেখেন। পরে তাকে নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন বলেন, আজমলের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরে নিহতের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
খুবির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীন বলেন, ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকার বাইরে একটি ভাড়া বাড়িতে ঘটেছে। সেখানে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, নর্দান বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কিছু শিক্ষার্থী বসবাস করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কিছুদিন আগে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে বিপর্যয়করভাবে পরাজিত হয়েছিল বাংলাদেশ নারী দল। তবে জ্যোতিরা এশিয়ান কাপের সেমিফাইনালে সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। ফলে ভারতের বিরুদ্ধে আবারও লজ্জাজনক হার নিয়ে ফিরতে হলো বাংলাদেশের মেয়েদের। এর ফলে ভারতের জন্য নিশ্চিত হয়েছে এশিয়ান গেমসের ফাইনাল।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশকে ১৯৫ রানের বিশাল লক্ষ্য নির্ধারণ করে ভারত। বাংলাদেশ যখন জবাব দিতে নেমে মাত্র ৮১ রানে গুটিয়ে যায়, তখন ভারতের ১১৪ রানের বড় জয় নিশ্চিত হয়।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন ওপেনার দিলারা আক্তার। এছাড়া শারমিন আক্তার ১০ রান এবং সুলতানা খাতুন ১২ রান করেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভারতের দুই ওপেনার শুরু থেকেই বাংলাদেশকে চাপে রাখেন। স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মার উদ্বোধনী জুটিই দলের জন্য ৭২ রান এনে দেয়। এই জুটি ভাঙেন নাহিদা আক্তার।
তবে ততক্ষণে পাওয়ারপ্লে কাজে লাগিয়ে ভারত ৭২ রান সংগ্রহ করে ফেলেছে। শুরুর এই ছন্দ ধরে রেখে দ্রুত রান তুলতে থাকে ভারত। বিশেষ করে আরেক ওপেনার শেফালি এক প্রান্ত আগলে রাখলে ভারতকে দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়নি।
১৯ বলে ৩৭ রান করে স্মৃতি বিদায় নিলে গুনালান কমলিনিকেও শিকার করে বাংলাদেশ। ১০ বলে ৩ রান করে তিনি শিকার হন সানজিদা আক্তার মেঘলার। এরপর হারমানপ্রীত কৌরকে নিয়ে আবারও বাঘিনীদের ওপর চেপে বসেন শেফালি। হারমানপ্রীত অল্পের জন্য অর্ধশতক হাতছাড়া করেন।
৩৩ বলে ৪০ রান করার পথে তিনি হাঁকান ছয়টি চার। তাকে শিকার করেন রাবেয়া খান। ইনিংসের শেষদিকে রিচা ঘোষকে সাজঘরে ফেরান মারুফা আক্তার। শেফালি অবশ্য সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, যা এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেট ইভেন্টে প্রথম সেঞ্চুরি।
শেফালির সেঞ্চুরির সাথে সাথে ভারতের ইনিংসও পূর্ণ হয়। ৪৯ বলে ১০০ রান করে অপরাজিত থাকেন, তিনটি চার ও নয়টি ছক্কা হাঁকানো এই ব্যাটার। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৯৫ রান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) প্রথমবারের মতো সমতলের আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী ‘কারাম’ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মুক্তমঞ্চে দুই দিনব্যাপী এই উৎসবের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সমতলের আদিবাসী শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উৎসবের দ্বিতীয় দিনে বেলা ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি প্রশাসন ভবন প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
ঢাক-ঢোলসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের তালে ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ওঁরাও সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থী এবং বরেন্দ্র অঞ্চল থেকে আসা ওঁরাও সম্প্রদায়ের মানুষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ও আমন্ত্রিত অতিথিরাও এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন।
শোভাযাত্রা শেষে ওঁরাও সম্প্রদায়ের রীতি অনুযায়ী উলুধ্বনি ও প্রদীপ জ্বালিয়ে উপাচার্যসহ অতিথিদের বরণ করা হয়। পরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে একটি ‘কারাম’ গাছের চারা রোপণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম।
অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম এ সময় বলেন, "ওঁরাও সম্প্রদায় অসামান্য পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে অর্থনৈতিক অবদানের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে এ সম্প্রদায় অনেক পিছিয়ে পড়বে।"
তিনি আরও বলেন, "সুতরাং প্রতিটি সন্তানকে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠাতে হবে, যাতে সর্বক্ষেত্রে তাদের পদচারণা নিশ্চিত হয়। নিজেদের কখনো প্রান্তিক বা বিচ্ছিন্ন ভাবলে চলবে না। বরং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও যোগ্যতার শক্তিতে সমাজ ও দেশের মূলধারায় নিজেদের মেলে ধরতে হবে।"
কারাম উৎসব উদযাপন কমিটির সভাপতি শীত কুমার উরাং (খাঁখাঁ) জানান, "মাঠ থেকে ফসল তোলার পর সৃষ্টিকর্তা ও পূর্বপুরুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে এবং আগামী মৌসুমে ভালো ফলনের আশায় কারাম দেবতার পূজা করা হয়।" তিনি বলেন, "এ উৎসবের বিশেষ রীতি হলো, উৎপাদিত ফসলের এক-তৃতীয়াংশ নিজেদের খরচের জন্য রেখে বাকি দুই-তৃতীয়াংশ প্রকৃতি ও পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা।"
এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) উৎসবের প্রথম দিনে ধর্মীয় আচার মেনে কারাম গাছের ডাল কেটে এনে অস্থায়ী বেদিতে স্থাপন করা হয়। পরে সেখানে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। রাতে বেদির চারপাশে আদিবাসী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী নাচ ও গানের আসর বসে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জলাশয়ে কারাম গাছের ডাল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুই দিনব্যাপী এ উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, ‘কারাম’ মূলত ওঁরাও সম্প্রদায়সহ সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একটি প্রধান সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব। ভাদ্র মাসে কৃষি ও প্রকৃতিকে কেন্দ্র করে এই পরব পালিত হয়। প্রকৃতির প্রতীক হিসেবে কারাম গাছের পূজা করে ফসলের সুরক্ষা, পরিবারের সুখ-শান্তি এবং ভাই-বোনের মঙ্গল কামনা করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ