বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০০ পি.এম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হয়ে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ককে হকারমুক্ত ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে, ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম উক্ত সড়কগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় ডিএসসিসি প্রশাসক স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হয়ে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না। তিনি সতর্ক করেন যে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ বসলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, "আমরা বিভিন্ন হকার সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছি। তারা নিজেরাও স্বেচ্ছায় এসব মূল সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।" তিনি যোগ করেন, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় নগরবাসীকে ফুটপাত ও সড়কে স্বস্তি ফিরিয়ে দিতে চাওয়া হচ্ছে।
ডিএসসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন যে, কেবলমাত্র রমনা ভবন সংলগ্ন পূর্বপাশের ফুটপাতে সাধারণ মানুষের চলাচলের জায়গা রেখে নির্ধারিত জায়গায় নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত নির্দিষ্ট সংখ্যক হকার বসতে পারবেন। তিনি বলেন, "নির্ধারিত স্থান, সময়, সংখ্যা ও নিবন্ধনের বাইরে যত্রতত্র হকার বসে জনভোগান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই।" নিয়মের ব্যত্যয় ঘটালে কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।
হকারদের নিবন্ধন ফি কমানোর দাবির বিষয়ে প্রশাসক জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনামা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ডিএসসিসি প্রশাসক এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে উপস্থিত থেকে পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত মূল সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্তকরণ কার্যক্রম তদারকি করেন।
এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং হকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবনের অভিযোগে রেলওয়ে থানা পুলিশ পাঁচ যুবককে আটক করেছে। পুলিশের দাবি, আটককৃতরা বিভিন্ন ট্রেনে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দক্ষিণ পাশে আউটার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে রেলওয়ে থানা পুলিশের একটি দল প্ল্যাটফর্ম ডিউটির পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় জনসম্মুখে গাঁজা সেবনের অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়।
সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রাম এলাকার মো. সোহান (২১), একই এলাকার মো. সোহেল প্রকাশ রতন (২৫), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ইসলামপুর বড় বাকাইল এলাকার মো. আশিক মিয়া (২২), উত্তর শেখপুর এলাকার মো. শাকিল (২২) এবং শেরপুর (সগিরাপাড়া) এলাকার মো. পারভেজ (৩০)।
পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মো. সোহান ও মো. সোহেল প্রকাশ রতনকে এক বছর করে এবং মো. আশিক মিয়া, মো. শাকিল ও মো. পারভেজকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন ট্রেনে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। রেলওয়ে স্টেশন ও এর আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) টানা তৃতীয় দিনের মতো শাটডাউন কর্মসূচি চলছে, যা সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষা, গবেষণাগার এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ছয়টি বিভাগের বিভিন্ন বর্ষ ও সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা স্থগিত করা হয়েছে।
সকাল ৮টা থেকে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন। পরে তারা ফটকের পাশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে জড়ো হন। সেখানে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মানববন্ধন করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলতে দেখা যায়।
পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এজাজ মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, "অনেক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা চলছিল। এভাবে কর্মসূচি চলতে থাকলে সেশনজটের আশঙ্কা রয়েছে।" তবে তারা বিশ্বাস করেন যে, অধ্যাপক সায়েম উপাচার্য হিসেবে ফিরে এলে সেশনজট কমিয়ে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে সক্ষম হবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মঈনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, "আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকেরাও অংশ নিচ্ছেন। এ কারণে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।" আজ ছয়টি বিভাগে বিভিন্ন বর্ষ ও সেমিস্টারের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।
পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানান, "কোনো দৃশ্যমান কারণ ছাড়াই মাত্র ৫৬ দিনের মধ্যে অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।" তারা আবার উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করার দাবি জানান এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, "তাদের দাবি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়। একজন উপাচার্যকে কেন এত অল্প সময়ের মধ্যে পরিবর্তন করা হলো, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা চান তারা।"
যেভাবে শুরু হয় আন্দোলন
গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এর প্রতিবাদে ওই রাতেই শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরদিন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে সর্বাত্মক শাটডাউন ও গণঅবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে কর্মসূচি পালন করেন।
বুধবারও (২৩ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনের মতো শাটডাউন কর্মসূচি চলে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শাটডাউন, গণঅবস্থানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্কয়ার গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এজিস সার্ভিসেস লিমিটেড জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: সিনিয়র অফিসার/ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি/এমএসসি
অন্যান্য যোগ্যতা: মৌখিক ও লিখিত—উভয় মাধ্যমেই ভালো খসড়া প্রণয়ন ও যোগাযোগ দক্ষতা রয়েছে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ থেকে ৫ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩৭ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে পড়াশোনা করতে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য আবেগ এবং আশার প্রদীপ হিসেবে পরিচিত ঢাকা কলেজ। তবে, কলেজটিতে ভর্তি হওয়ার পর আবাসন সুবিধা পাওয়ার নিশ্চয়তা নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিড়ম্বনায় পড়েন।
অসচ্ছল বা নিম্ন আয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীরা এই সমস্যায় সবচেয়ে বেশি ভোগেন। শহরের উচ্চ ব্যয় বহন করার সক্ষমতা অধিকাংশ শিক্ষার্থীর নেই। ফলে, হলে একটি সিট তাদের জন্য শুধুমাত্র একটি সুবিধা নয়, বরং পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু কলেজের ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী সেই সিটের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।
ঢাকা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মিঠু দাসের কথা উল্লেখ করা যায়। তিনি দুই মাস আগে বাবাকে হারিয়েছেন। শহরের ব্যয়বহুল পরিবেশে নিজের খরচ চালানোর জন্য ফুডপান্ডায় ডেলিভারি কাজ শুরু করেছেন। হলে একটি সিট পেলে তার অনেক কষ্ট লাঘব হতে পারত। মিঠু দাসের মতো অনেক শিক্ষার্থী আবাসন সংকটের কারণে পড়াশোনার পাশাপাশি আয়-রোজগারের পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
কলেজের শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৯ হাজার, হলে সিট ১৩৬৪। ঢাকা কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক ও অনার্স-মাস্টার্স মিলিয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৯ হাজারের বেশি। এর মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী সংখ্যা ২৪০০ এবং অনার্স-মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১৭ হাজার। কলেজের আটটি হলে মোট সিট সংখ্যা মাত্র ১ হাজার ৩৬৪। উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৪২টি এবং অনার্স-মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য ৯২২টি সিট রয়েছে।
কলেজের আটটি হলের মধ্যে বিজয় ২৪ হলটি পাঁচ তলাবিশিষ্ট এবং এটি সম্পূর্ণরূপে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ। এখানে মোট সিট সংখ্যা ১৬৬টি। অন্য সাতটি হলে উত্তর ও দক্ষিণ হলে ৩২৮টি করে ৬৫৬টি সিট, দক্ষিণায়ন হলে ১৯২টি, আন্তর্জাতিকে ১৩৮টি, পশ্চিম হলে ৯৬টি এবং ফরহাদ হলে ১৬৬টি সিট রয়েছে। কলেজের ইলিয়াস হলটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে, ফলে সেখানে সিট বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না।
অবাসন সংকটের কারণে অনার্সের শিক্ষার্থীরা প্রথম বর্ষ থেকেই হলের আসন পান না। ফলে, ঢাকা শহরে উচ্চশিক্ষার জন্য আসা নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন নিয়ে চরম ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েন। পরিবারের সীমিত আয়ের কারণে শহরের মেস বা হোস্টেলের ব্যয় বহন করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।
প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রাশেদুল রশিদ জানান, "কলেজে এসে জানতে পারি প্রথম বর্ষে নাকি হল সংকটের কারণে সিট দেওয়া হয় না। হলের সিট সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়, এখন ভবিষ্যতেও সিট পাব কিনা তাও বুঝতে পারছি না।"
কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম ইলিয়াস বলেন, "আমাদের হলে সিট অপর্যাপ্ত। ফার্স্ট ইয়ারে সিট দিলে সে তো পাঁচ-ছয় বছরের মধ্যে আর সিট ছাড়বে না। তখন সিনিয়ররা বঞ্চিত হবে। তাদের প্রয়োজনটা অনেক বেশি। আগে শুধু থার্ড ইয়ার ফোর্থ ইয়ারে পেত। এবারই প্রথম ছাত্রদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সেকেন্ড ইয়ার থেকে সিট দিয়েছি।"
দক্ষিণায়ন হলের প্রভোস্ট ও দর্শন বিভাগের প্রভাষক নাজমুল হাসান নয়ন বলেন, "এটি খুবই দুঃখজনক। মাত্র ৮% শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা পাচ্ছে। তবে এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। একটি ১০ তলা আবাসিক হল নির্মাণের কথাও রয়েছে। আমরা আশা করি, অতিদ্রুত নতুন হল নির্মাণের কাজ শুরু হবে।"
এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কলেজের আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস হলটি ১৯৯৩ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। গত বছরের জুলাই মাসে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মু. মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে হলটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে ছাত্রদের জরুরি ভিত্তিতে অন্যত্র স্থানান্তর করতে বলা হয়।
কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, "হল খালি করার জন্য আমরা নোটিশ দিয়েছি, কিন্তু এখনও হলের নিচ তলায় কিছু শিক্ষার্থী রয়েছে। হল খালি হয়ে গেলেই ভাঙার কাজ শুরু হবে। আমরা অলরেডি ডিসিকে হল ভাঙার জন্য চিঠি দিয়েছি।"
নতুন একটি হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল। এ বিষয়ে অধ্যক্ষ এ কে এম ইলিয়াস বলেন, "আমরা মনে করেছিলাম এটা হবে। পরে আমরা খোঁজ নিয়ে দেখি এটা একেবারেই হাওয়ার ওপরে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ