ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হোগলাডাঙ্গা পাওয়ার গ্রিডের উদ্যোগে রক্ষা পেল আনসার


হোগলাডাঙ্গা পাওয়ার গ্রিডের উদ্যোগে রক্ষা পেল আনসার

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ১৩২/১৩৩ কেভি হোগলাডাঙ্গা পাওয়ার গ্রিডের একটি ট্রান্সফরমারে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তবে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে পাওয়ার গ্রিডের একটি ট্রান্সফরমারে শর্ট সার্কিটের কারণে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের ফলস্বরূপ, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আবৃত হয়ে যায়।

এ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনকারী আনসার সদস্য মিন্টু হোসেন ঘটনার বিষয়ে গার্ড কমান্ডার (পিসি) মো. বাবুল আক্তারকে অবহিত করেন। এরপর, তার নেতৃত্বে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার এক্সটিংগুইশার নিয়ে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন। ফলে আগুনের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হয় এবং ট্রান্সফরমারসংলগ্ন অন্যান্য স্থাপনা, পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ অবকাঠামোও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়। উল্লেখ্য, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছে এবং আনসার সদস্যদের তাৎক্ষণিক ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলায় সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


ভোলায় সাবেক জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি গ্রেপ্তার

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের ভোলা জেলার সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ শাহীনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) ভোরের দিকে সদর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের নিজ বাসা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, মোস্তাক আহমেদ শাহীনের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে থানার হেফাজতে রাখা হয়।

তিনি অতিরিক্ত জানান, দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়ে আলোচনায় টাঙ্গাইলের তিন যমজ ভাই-বোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়ে আলোচনায় টাঙ্গাইলের তিন যমজ ভাই-বোন

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে টাঙ্গাইলের সখীপুরের তিন যমজ ভাই-বোন। তাদের এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছেন পরিবার, শিক্ষক এবং সহপাঠীরা।  

যমজ তিন ভাই-বোন হলো ফাতেমা আক্তার শেমী (১২), আনাস আল মামুন (১২) ও আরাফাত আল মামুন (১২)।  তারা সখীপুর পৌরসভার উত্তরা মোড় এলাকার বাসিন্দা মো. শামীম ও आर्जিনা আক্তার দম্পতির সন্তান। তাদের মা আর্জিনা আক্তার সখিপুর উপজেলার ঘাটেশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।  

জানা গেছে, ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় তারা বহেড়াতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নেয়। প্রকাশিত ফলাফলে তিনজনই ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে। বর্তমানে তারা সখীপুর পিএম পাইলট মডেল গভর্নমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।  

তিন শিক্ষার্থীর মা আর্জিনা আক্তার বাসস’কে বলেন, এই অর্জনের পেছনে স্কুলের শিক্ষকদের অবদান অনেক। আমার স্বামী বিদেশে অবস্থান করেও নিয়মিত সন্তানদের পড়াশোনার খোঁজ খবর নেন ও উৎসাহ দেন। আমি চাই আমার ছেলে-মেয়েরা যেন সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে পারে। সবার কাছে সেই দোয়া চাই।  

বহেড়াতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউসুফ আলী বাসস’কে জানান, যমজ তিন ভাই-বোনই পড়াশোনায় অত্যন্ত মনোযোগী। তাদের এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষক এবং অভিভাবকদের কঠোর পরিশ্রম রয়েছে। আমি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনাঞ্চলে কাঁচা পাটের ৯০০ কোটি টাকার বাণিজ্য হওয়ার প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


খুলনাঞ্চলে কাঁচা পাটের ৯০০ কোটি টাকার বাণিজ্য হওয়ার প্রত্যাশা

চলতি বছরে খুলনাঞ্চলের ৪টি জেলায় পাট চাষে বড় সাফল্য এসেছে। গত বছর চাষের জন্য নির্ধারিত জমির চেয়ে এবার শতভাগেরও বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। কৃষি বিভাগের মতে, ৯০ হাজার ৫৩৫ মেট্রিক টন সম্ভাব্য উৎপাদনে ৯০০ কোটি ৩৪ লাখ টাকার বাণিজ্য হবে। এই অঞ্চলে ইতোমধ্যেই পাট কাটা শুরু হয়েছে। কৃষকেরা এবার বড় আয়ের আশায় মুখিয়ে আছেন। পাট চাষিরা মনে করছেন, উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে তাদের মুখে হাসি ফুটবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনাঞ্চল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ৪ জেলায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮ হাজার ২৮৭ হেক্টর। সেখানে ৩৮ হাজার ৩৬১ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে খুলনা জেলায় ১ হাজার ২৫৭ হেক্টর, বাগেরহাট জেলায় ১ হাজার ৯২০ হেক্টর, সাতক্ষীরা জেলায় ১১ হাজার ৬১০ হেক্টর এবং নড়াইল জেলায় ২৩ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে খুলনা জেলায় ১ হাজার ২৩০ হেক্টর (হার ৯৭.৯%), বাগেরহাট জেলায় ১ হাজার ৯৩৯ হেক্টর (হার ১০১.০%), সাতক্ষীরা জেলায় ১১ হাজার ৬৭৫ হেক্টর (হার ১০০.৬%) ও নড়াইল জেলায় ২৩ হাজার ৫১৭ হেক্টর (হার ১০০.১%) পাট চাষ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার বেশি।

একইভাবে পাট উৎপাদনের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা খুলনায় ২ হাজার ৮০৭ মেট্রিক টন, বাগেরহাটে ৪ হাজার ৪০১ মেট্রিক টন, সাতক্ষীরায় ২৫ হাজার ৬৫২ মেট্রিক টন এবং নড়াইলে ৫৭ হাজার ৬৭৫ মেট্রিক টন ধরা হয়েছে। কৃষি দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ৪ জেলার সম্মিলিত সম্ভাব্য উৎপাদন ৯০ হাজার ৫৩৫ মেট্রিক টন পাট। এর বিপরীতে সম্ভাব্য আয় নির্ধারণ করা হয়েছে (গত বছরের স্থানীয় মোকামের দর অনুযায়ী, প্রতি মণ ৪ হাজার টাকা) খুলনায় ২৮ কোটি ৬ লাখ ৬২ হাজার ২শ’ টাকা, বাগেরহাটে ৪৪ কোটি ১ লাখ ১২ হাজার ৪শ’ টাকা, সাতক্ষীরায় ২৫৬ কোটি ৫১ লাখ ৬২ হাজার ৬শ’ টাকা এবং নড়াইলে ৫৭৬ কোটি ৭৫ লাখ ৪৩ হাজার ৬শ’ টাকা। এভাবে ৪ জেলার সম্ভাব্য আয় প্রথমে ৯০০ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ৮শ’ টাকায় পৌঁছাচ্ছে।

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার গাজিরহাট ইউনিয়নের কৃষক শাহাবুদ্দিন জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে পাট কাটা শুরু করতে চান। এই বছর বেশি ভারী বৃষ্টি হওয়ায় সেচের পানির প্রয়োজন হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। উপজেলায় কৃষি অফিস থেকেও সার্বিক বিষয়ে পরামর্শ ও সহায়তা পেয়েছেন।

উপজেলার গাজীরহাট ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা ব্লকের দায়িত্বরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এম. এম আব্দুল্লাহ বাসস’কে জানান, চলতি অর্থবছরে পাটের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫ হেক্টর, ইতোমধ্যে এটি শতভাগ অর্জিত হয়েছে। এখন পাট কাটার কাজও শুরু হয়েছে।

দিঘলিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম বাসস’কে বলেছেন, অত্র উপজেলায় চলতি অর্থবছরে পাটের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৪০ হেক্টর জমি নির্ধারণ করা ছিল, যা শতভাগ অর্জিত হয়েছে এবং কৃষকরা এখন পাট কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পাটের আঁশ সংরক্ষণের সঠিক প্রক্রিয়ায় কৃষকদের সার্বিক বিষয়ে পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার জোকারচর গ্রামের কৃষক তৈয়েবুর কাজী জানিয়েছেন, তিনি ৪ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। প্রতি বছরই তিনি পাটের চাষাবাদ করেন এবং ইতোমধ্যে পাট কর্তন শুরু করেছেন। এ বছর বেশি বৃষ্টির কারণে ক্ষেতে পানি জমে গাছ ভেঙে পড়েছে। এজন্য পাট কর্তনে খরচ বেশি লাগছে।

কালিয়া উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আলী রেজা মিঠু জানান, বড়নাল ইলিয়াছাবাদ ইউনিয়নের দায়িত্বরত ব্লকে চলতি অর্থবছরে পাটের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ২৫ হেক্টর নির্ধারণ করা হলেও অর্জিত হয়েছে ২৭ হেক্টর। তিনি জানান, এই বছর পাটের আবাদ ভালো হয়েছে।

কালিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বাসস’কে জানান, কালিয়া উপজেলায় চলতি অর্থবছরে পাটের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৪,৪০৮ হেক্টর নির্ধারণ করা হয়েছে, যা শতভাগ অর্জন সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে পাট কর্তন শুরু হয়েছে। এ বছর উপজেলার ৬৫০ জন কৃষককে পাটের প্রণোদনা হিসাবে (বীজ, ডিএবি ও এমওপি সার) প্রদান করা হয়েছে। কৃষকদের পাট জাঁক দেওয়ার সময় কাদা-মাটি লাগিয়ে পাটের উজ্জ্বলতা না হারানোর বিষয়ে বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নড়াইল জেলার উপ-পরিচালক মো. আরিফুর রহমান জানান, চলতি অর্থবছরে নড়াইল জেলার পাটের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ২৩,৫০০ হেক্টর ছিল, এর বিপরীতে ২৩,৫১৭ হেক্টর অর্জিত হয়েছে। এ বছর পাটের আবাদ বেশ ভালো হয়েছে। পাট চাষে উৎসাহী করার জন্য ৩২০০ জন কৃষককে প্রণোদনা হিসাবে বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে। কৃষকদের প্রদানকৃত বীজ (তোষা, সবুজ সোনা) চমৎকার ফলন হয়েছে। এ জাতটি আগামী বছর পাট উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আবু সাঈদ শুভ্র জানান, উপজেলায় চলতি অর্থবছরে পাটের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৫,০২০ হেক্টর, যা শতভাগ অর্জিত হয়েছে। ইতোমধ্যে কর্তন শুরু হয়েছে। এ বছর অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে পাট চাষে বিকল্প পানির প্রয়োজন না হওয়ায় কৃষকের খরচ কমেছে। উপজেলায় ৫শ’ জন কৃষককে পাটের প্রণোদনা হিসাবে (বীজ, ডিএবি ও এমওপি সার) প্রদান করা হয়েছে এবং কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যেন তারা পাট জাক দেওয়ার সময় কাদা-মাটি লাগিয়ে পাটের উজ্জ্বলতা হারাতে না পারে।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চল খুলনার অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বাসস’কে বলেছেন, পাট চাষে আগ্রহী করার জন্য কৃষকদের প্রণোদনা হিসাবে উন্নত জাতের পাটের বীজ ও সার প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর পর্যাপ্ত বৃষ্টি হওয়ায় বিকল্প সেচের প্রয়োজন হয়নি। ফলে কৃষকের খরচ কমেছে। চলতি অর্থবছরে পাট আবাদ ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জিত হয়েছে।

তিনি আরো যোগ করেন, ইতোমধ্যেই কৃষকরা পাট কাটতে শুরু করেছেন। এই অঞ্চলের পাটের সম্ভাব্য উৎপাদন ও আয় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি কৃষকদেরকেও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সকল সম্প্রদায়ের মানুষের কল্যাণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৫ পি.এম


সকল সম্প্রদায়ের মানুষের কল্যাণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৫ জুলাই, ২০২৬ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি বলেছেন, পাহাড়ি, বাঙালি কিংবা অন্য যে কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ, সকলেই অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তাই কোনো বৈষম্য নেই, সকলের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো মানুষকে সরকার একা ছেড়ে দেবে না। আজ বান্দরবান পৌরসভার আমতলী পাড়ায় বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নিতে বান্দরবানে এসেছেন। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বন্যার প্রথম দিন থেকেই স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি সংস্থা নিরলসভাবে উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বন্যায় আক্রান্ত আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের জন্য রান্না করা খাবার ও কেন্দ্রের বাইরে অবস্থানকারীদের জন্য শুকনো খাবার সরবরাহের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে মেডিকেল টিমও কাজ করছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন , আগামী কয়েক দিনের মধ্যে খাদ্য সহায়তা ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু করা হবে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী কিনতে পারেন এবং তাদের আর্থিক চাপ কিছুটা লাঘব হয়। তিনি বলেন, বন্যায় যেসব পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে, সরকারের উদ্যোগে প্রতিটি ঘরবাড়ি পর্যায়ক্রমে মেরামত করা হবে, যাতে মানুষ দ্রুত নিজ বাড়িতে ফিরে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে পারেন। এ সময় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর, এখন বিভিন্ন এলাকায় কাদা, আবর্জনা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন, পৌরসভা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, যাতে রোগব্যাধির ঝুঁকি কমে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো দ্রুত বসবাস উপযোগী হয়ে ওঠে। ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেনÑ বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, সংরক্ষিত নারী আসনের তিন পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মার্মা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার ও সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরীসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%