১১:০৪ এম
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) উৎসে কর কর্তন (টিডিএস) মনিটরিং ও যাচাইকরণ কার্যক্রম দেশব্যাপী জোরদার করেছে। এই লক্ষ্যে কর অঞ্চলগুলোর বিশেষ টিম মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে। একই সঙ্গে এনবিআর সংস্থাটি আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারায় কর কর্মকর্তাদের কর্মপরিধি সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা অনুযায়ী কর কর্মকর্তারা যেকোনো বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ, ব্যবসা কেন্দ্র বা দফতরে বিনা বাধায় প্রবেশ ও সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারবেন। প্রয়োজনে তাঁরা প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, রসিদ এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্পর্কিত যেকোনো নথিপত্র পরীক্ষা ও তলব করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
এছাড়া কর কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংরক্ষিত তথ্য পরীক্ষা করতে সক্ষম হবেন। প্রয়োজনে তথ্যের প্রবেশাধিকার পেতে পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ভাঙার মাধ্যমে বৈধতা যাচাই করতে পারবেন। উৎসে কর্তিত করের সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় হিসাবের খাতা, নথিপত্র, ইলেকট্রনিক রেকর্ড বা ডিভাইস সাময়িকভাবে জব্দ করা এবং নিজস্ব হেফাজতে রাখা সম্ভব হবে।
এছাড়া যেকোনো নথিপত্র, ইমেজ বা অ্যাকাউন্টের কপি সংগ্রহ করার জন্য তারা শনাক্তকরণ চিহ্ন বা সিল মোহর ব্যবহার করার সুযোগও পাবেন। এনবিআর জানায়, রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমে যেকোনো বাধা সৃষ্টি বা অসহযোগিতা করলে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭(২) ধারা অনুযায়ী জরিমানা করা হবে।
সংস্থাটি করদাতাকে সঠিক আইনি ধারা এবং আয়কর জমা করার সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক কোড উল্লেখ করে এ-চালানের মাধ্যমে উৎসে কর্তিত কর সরকারি কোষাগারে জমা দিতে অনুরোধ করেছে। এছাড়া ১৪৭ ধারা প্রয়োগ নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা, জটিলতা, হয়রানি বা অভিযোগ থাকলে এনবিআরের ১৪৭ ধারা-সংক্রান্ত কমিটির সদস্য সচিবের কাছে ই-মেইলের (assistance147nbr@gmail.com) মাধ্যমে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন