ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা


মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

মাগুরার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুনতাসির আহমেদ এ আদেশ দিয়েছেন শুনানি শেষে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আজমত হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

আদালত সূত্র জানিয়েছে, মামলার তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। নির্ধারিত শুনানির দিনে আসামি আদালতে উপস্থিত না থাকায় ট্রাইব্যুনাল তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে মাগুরার পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত থাকার সময় ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের পরিচয় হয়। পরে বিভিন্ন অজুহাতে তাকে নিজের কার্যালয়ে ডেকে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে সাবেক স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ভুক্তভোগীকে বিয়ে করার আশ্বাস দেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মাগুরার সরকারি বাংলোয় ভুক্তভোগীকে নাকফুল পরিয়ে সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা করেন জহিরুল ইসলাম। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে মাগুরার সরকারি বাংলো, অফিসের বিশ্রামকক্ষ এবং ঢাকার বাসায় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পুলিশ সদর দপ্তরে বদলির পরও তাদের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই বিয়ের জন্য চাপ দিলে জহিরুল ইসলাম বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান এবং আইনি পদক্ষেপ নিলে ক্ষতি হবে বলে হুমকি দেন। এই ঘটনার পর ১৫ জুলাই রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পাশাপাশি পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

পরে আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর চলতি বছরের ১৫ মার্চ ঢাকার জজ আদালত প্রাঙ্গণে পুনরায় বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে অভিযুক্ত আবারও অস্বীকৃতি জানান এবং হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে গত ২০ মে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ওই নারীর মামলা দায়ের করে।

এরপর আদালতের নির্দেশে বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হক গত ১৪ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ হয়েছে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আদালতে উপস্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কামড়ে পালানোর চেষ্টা করেও রক্ষা পেল না মাদক কারবারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০২ এম


কামড়ে পালানোর চেষ্টা করেও রক্ষা পেল না মাদক কারবারি

কুড়িগ্রামে ১৫ ফুট উচ্চতার গাঁজাগাছসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মাদক কারবারি স্থানীয় দুই যুবককে কামড়ে রক্তাক্ত করে পালানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষে তিনি ব্যর্থ হন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দিবাগত রাতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের চর খলিশাকুড়ি এলাকায় এই অভিযানটি পরিচালিত হয়।

আটক হওয়া ব্যক্তি মনজু আলম (৫৫) ওই এলাকার মৃত নজির উদ্দিনের ছেলে।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চর খলিশাকুড়ি এলাকায় এক মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান শুরু করে পুলিশ ও বিজিবি। এই অভিযানের সময় মনজুর মালিকানাধীন ১৫ ফুট উচ্চতার একটি গাঁজাগাছও জব্দ করা হয়। পরে যখন তিনি পালানোর চেষ্টা করেন, তখন স্থানীয় রাতুল (২১) ও পারভেজ (২২) নামের দুই যুবক তাকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই কারবারি দুই যুবকের হাত কামড়ে রক্তাক্ত করেন। তবে শেষ পর্যন্ত পুলিশ ও বিজিবির সহায়তায় তাকে আটক করতে সক্ষম হন।

এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন এবং বিজিবির সোনাহাট কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. ফরিদুল ইসলাম খান।

এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন গণমাধ্যমকে জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে এই ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে এনসিপি ও ছাত্রদল-যুবদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


হবিগঞ্জে এনসিপি ও ছাত্রদল-যুবদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। একই সংগে বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা ৩টা থেকে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, এনসিপির বিরুদ্ধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে 'উসকানিমূলক মিথ্যাচারের' অভিযোগ করে ছাত্রদল ও যুবদল তাদের প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

ছাত্রদল বুধবার জেলার সব উপজেলা, পৌরসভা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। জেলা শহরসহ প্রতিটি উপজেলা ও পৌরসভায় বিক্ষোভ মিছিল করার কথা জানিয়ে যুবদলও একই ঘোষণা করেছে।

একই দিনে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ শহরে উত্তেজনা বিরাজমান।

এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কর্মসূচিতে দলের আহ্বায়ক এবং বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি এবং দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদ জানিয়েছেন, 'গতকালের ঘটনায় জড়িতদের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে শনাক্ত করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংখ্যা বাড়লেও সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


সংখ্যা বাড়লেও সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জে

বাংলাদেশে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের একমাত্র আবাস সুন্দরবন হিসেবে পরিচিত।

এটি বন ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই শীর্ষ শিকারি। সম্প্রতি পূর্ব সুন্দরবনের আন্দারমানিক ফরেস্ট অফিসের সামনে বাঘের অবাধ বিচরণ ঘটছে এবং দুই দিনের ব্যবধানে নদী সাঁতরে পার হওয়ার দৃশ্য ফুটে উঠেছে। যেমন, কখনো নদীর তীরে দেখা যাচ্ছে, আবার কখনো ক্যামেরা ট্র্যাপের মাধ্যমে ধরা পড়ছে তার অবাধ বিচরণ।

এসব দৃশ্যগুলি সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণে আশার বার্তা দিচ্ছে। সরকারি জরিপ অনুযায়ী সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫ টিতে, যা সংরক্ষণ কার্যক্রমের ইতিবাচক ফল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে সংকটও রয়েছে। ছয় মাস আগে হরিণ ধরার ফাঁদে আটকা পড়া একটি বাঘ চিকিৎসার পর আবার বনে ফিরে এসেছে। তবে চোরা শিকারিদের ফাঁদ এখনও বড় হুমকি হয়ে রয়েছে। হরিণ শিকারের কারণে বাঘের খাদ্য কমছে। এর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, নিরাপদ আবাস ও প্রজননের সংকট, মানুষ-বাঘ সংঘাত এবং গবেষণার সীমাবদ্ধতা সংরক্ষণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে।

বাঘ জরিপ কারিগরি কমিটির সদস্য মফিজুর রহমান মন্তব্য করেছেন, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি অবশ্যই ইতিবাচক। তবে, শুধু সংখ্যা বাড়ালেই হবে না; তাদের জন্য নিরাপদ আবাসস্থল, পর্যাপ্ত খাদ্য এবং নির্বিঘ্ন প্রজননের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনসহ নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিয়মিত গবেষণা ও নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের কথায়, শুধু বন বিভাগের উদ্যোগে হবে না; বরং জলবায়ু অভিযোজন, খাদ্য প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা, নজরদারি এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা জরুরি।

সুন্দরবন একাডেমির ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য রফিকুল ইসলাম খোকন জানিয়েছেন, বাঘ রক্ষা করতে হলে পুরো সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করা ক্ষতি নয়। খাদ্য, প্রাণী, হরিণ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, গবেষণা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় মানুষকে সচেতন এবং সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।

বন বিভাগ জানিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তি, স্মার্ট পেট্রোলিং, ক্যামেরা ট্র্যাপ এবং উদ্ধার-পুনর্বাসন কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা হচ্ছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম আগামী জরিপে বাঘের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

তিনি যোগ করেছেন, বাঘ সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রযুক্তির ব্যবহার, বন রক্ষায় নজরদারি বাড়ানো এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে সুন্দরবনের বাঘকে নিরাপদ রাখার প্রচেষ্টা চলছে। আগামী জরিপে বাঘের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেও আমাদের আশাবাদ রয়েছে।

‘সবাই হই সচেতন, বাঘ করি সংরক্ষণ’ এই প্রতিপাদ্যে বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশসহ বাঘের আবাস থাকা বিশ্বের ১৩টি দেশে দিবসটি পালন হয়ে আসছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে না ফেরার কারণ জানালেন সাকিব, বললেন ‘অনেকে ভয় পায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


দেশে না ফেরার কারণ জানালেন সাকিব, বললেন ‘অনেকে ভয় পায়

বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান বিশ্বাস করেন, তার দেশে ফেরার সময়টা অনেকের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই কারণে কিছু মানুষ তাকে দেশে ফিরতে দিতে অনীহা প্রকাশ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

সম্প্রতি ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকফ্রেঞ্জিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, সাকিব দেশের ফিরতে চাওয়া, নিজের ভবিষ্যৎ এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবার ফিরতে চাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরতে পারলে সেটিই তার জন্য সবচেয়ে ভাল হবে।

বর্তমানে বিভিন্ন বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সাকিব। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক শিগগিরই নেপালের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের হয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু দীর্ঘ এক সময় ধরে তিনি দেশে ফিরতে পারেননি, যদিও পার্শ্ববর্তী কিছু দেশের লিগে তিনি নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন।

সাকিব ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তিনি দেশে ফেরার চেষ্টা করেন, একবার দুবাই পর্যন্তও পৌঁছান, কিন্তু প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমতি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যেতে হয়।

কবে দেশে ফিরতে পারবেন, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোন সময়সীমা জানাননি, কিন্তু আগে দ্রুত ফেরার আশা প্রকাশ করেছেন। বিভিন্ন মহলে ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষ দিকে তার দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোন নিশ্চয়তা তিনি দেননি।

সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, "জানি না, আমি নিউজ অত শুনি না। সুতরাং আমার পক্ষে বলা মুশকিল। তবে আশা করি তাড়াতাড়ি। তাড়াতাড়ি হলে পরের মাসও হতে পারে, তারপরের মাসেও হতে পারে, ডিসেম্বরে হতে পারে, নভেম্বরে হতে পারে! (হাসি) কিন্তু যত তাড়াতাড়ি হয়, ততই আমার জন্য ভাল।"

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার পর, টেস্ট এবং ওয়ানডে থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক অবসর নেননি সাকিব। বাংলাদেশের জার্সিতে তার শেষ টেস্ট খেলার পরিকল্পনা ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুরে সেই ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দেশে ফেরার অনুমতি পাননি সাকিব।

দেশে ফিরতে না পারলেও, মিরপুরে নিজের শেষ ম্যাচ খেলার স্বপ্ন এখনও দেখতে থাকেন সাকিব। তার বিদায়ী ম্যাচ আয়োজন করা গেলে সেটি বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ঘটনা হয়ে উঠবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

দেশে ফিরলে পুরো ঢাকা ব্ল্যাকআউট হয়ে যাবে কিনা এমন প্রশ্নে সাকিব বলেন, "যদি আমার এরকম হয়, তাহলে অবশ্যই সেটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে বাংলাদেশের স্পোর্টসের ইতিহাসে, এটা আমি জানি। এতে কোন সন্দেহ নাই। হয়তো এগুলো নিয়ে অনেকে ভয় পায়। এই কারণেই আমার এই সুযোগটা হচ্ছে না। যে আমি গেলে এরকম হবে কিছু। আমার ধারণা, এরকম ভয়গুলো মানুষ পাচ্ছে এবং এই কারণে আমাকে যেতে দিচ্ছে না।"

জাতীয় দলের হয়ে দুই বছরের বেশি সময় ধরে মাঠে দেখা যাচ্ছে না সাকিবকে। তবে ২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন এখনও রয়েছে তার।

তবে সাকিব মনে করেন, নিজের খেলার ইচ্ছার চেয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো বাংলাদেশ দলে তার প্রয়োজন রয়েছে কিনা। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব অধিনায়ক ও নির্বাচকদের বলে জানান তিনি।

সাকিব বলেন, "আমি খেলতে চাওয়ার থেকে গুরুত্বপূর্ণ বেশি বাংলাদেশ দলে আমার দরকার আছে কিনা। এটা নির্বাচক, অধিনায়ক ভালো বুঝবে। তারা যদি মনে করেন (প্রয়োজন আছে) তাহলে তারা চিন্তা করতে পারেন। কিন্তু এগুলো অনেক পরের বিষয়।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%