ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘রাস্তায় গেলে শৈল ব্যথা, ভোট গেলেও সংস্কার হয়নি’


‘রাস্তায় গেলে শৈল ব্যথা, ভোট গেলেও সংস্কার হয়নি’

‘আউশকান্দির এগুলারে এখন আর রাস্তা মনে হয় না। এক বেলা রাস্তায় গেলে শইল ব্যথা থাকে তিন বেলা। ডেইলি রাইতে ব্যথার বড়ি খাওন লাগে। গাড়ি কী চালাইতে; হাডনই তো যায় না। আর ভোট আসলে আউশকান্দির নেতারা পাগল করে দেয়। ভোট গেলে কেউ উক্কি মারে না।’ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের আউশকান্দি-গোরাইরা বাজার এবং রুদ্রগ্রাম-নবীগঞ্জ বেহাল সড়ক নিয়ে এই মন্তব্য করেন স্থানীয় এক অটোরিকশাচালক।

স্থানীয়দের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দুটি ব্যবহার করে উপজেলার অন্তত ২৫ গ্রামের লাখো মানুষ। স্থানীয় বাজার থেকে আমুকোনা বেতাপুর ঈদগাহ হয়ে দেবপাড়া ইউপির ফরিদপুর এবং মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গোরাইর বাজার পর্যন্ত সড়কটি বর্তমানে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। গ্রাম্য বাজারে পণ্য পরিবহন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত এবং সদর অংশের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই সড়ক দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সংস্কারের দিকে কারও নজর নেই।

আউশকান্দি-গোরাইরা বাজার সড়কে নবীগঞ্জ ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ২০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ এবং শত শত ছাত্রছাত্রী যাতায়াত করে। পাকা অংশটুকু ভেঙে গিয়ে এখন এটি মেঠোপথে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

প্রতিটি স্থানীয় সরকার ও জাতীয় নির্বাচনে এই সড়কের সংস্কার ইস্যু ভোট আদায়ের প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়। বিগত ২৫ বছরে বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থীরা এই সড়ক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

২০০১, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থীরা পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রার্থনা করলেও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে চরম হতাশা বিরাজ করছে। এদিকে সড়কগুলোতে স্থানীয়দের যাতায়াত চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মো. কাজল মিয়া জানান, সড়কটি ভোট আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে প্রার্থীরা ব্যবহার করেন। কিন্তু নির্বাচন চলে গেলে আর মনে থাকে না।

অটোরিকশাচালক আমজাদ মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, এটা এখন আর চলাচলের উপযুক্ত নয়। এটা এখন আর সড়ক মনে হয় না।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মুকিত গণমাধ্যমকে জানান, সড়কটি সংস্কারের চেষ্টা চলছে এবং কিছুদিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে।

আউশকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান দিলাওয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন টেন্ডার তালিকায় সড়কটির নাম দেওয়ার জন্য এমপি ডিও দিয়েছেন এবং চলতি বছরের মধ্যেই কাজ হবে বলে তিনি আশাবাদী।

নবীগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা সাব্বির আহমদ জানান, সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বিশেষ প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে এবং এমপি মহোদয় এটি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সম্পন্ন করার জন্য তাগিদ দিয়েছেন।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সঙ্গে নবীগঞ্জ শহরের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের ১০ কিলোমিটার অংশজুড়ে চরম পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সামান্য বৃষ্টিতে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তে পানি জমে মরণফাঁদে পরিণত হওয়া এই সড়কটি দেখলে বোঝার উপায় থাকে না, এটি পাকা রাস্তা, নাকি গ্রামের কোনো মেঠোপথ। এলাকাবাসী মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করলেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার পানিউমদা, গজনাইপুর, দেবপাড়া ও বাউসা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের চলাচলের প্রধান মাধ্যম এই সড়ক। এই পথ দিয়েই শাহ তাজ উদ্দিন কুরেশী (রহ.) উচ্চ বিদ্যালয়, ধুলচাতল তাজিয়া মোবাশ্বীরিয়া আলিম মাদ্রাসা, দিনারপুর কলেজ, দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয়, দিনারপুর দাখিল মাদরাসা, পানিউমদা রাগীব-রাবেয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সরকারি চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা যাতায়াত করেন। একমাত্র বাইপাস সড়ক হওয়ায় ট্রাক, অটোভ্যান, অটোরিকশা ও প্রাইভেটকার এক সময় ব্যাপক চলাচল করলেও বেহাল দশার কারণে এখন যান চলাচল খুবই সীমিত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সাড়ে আট কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি সংস্কার করা হলেও অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে তা এক বছরও টেকেনি। সংস্কারের এক মাস পর থেকেই রাস্তা ভাঙতে শুরু করেছিল। বর্তমানে নবীগঞ্জ-রুদ্রগ্রাম ১০ কিলোমিটার সড়কের আইনগাঁও, ভরপুর, চৌধুরী বাজার, বাউসা বাজার, বাউসা পয়েন্ট, বাউসা মাদরাসা পয়েন্ট, নাদামপুর মাদরাসা পয়েন্ট, রিফাতপুর ও শিবপাশা এলাকার কোথাও পাকা সড়কের লেশমাত্র নেই।

এসব স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হওয়া বড় বড় গর্তে সামান্য বৃষ্টিতে পানি ও কাদামাটি জমে থাকে। যার ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এসআরবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে অপহরণ, পুলিশ উদ্ধার অভিযান

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রদেশে বিজেপি নেতার মুসলিমদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


মধ্যপ্রদেশে বিজেপি নেতার মুসলিমদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদ

সম্প্রতি ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের রাজধানী ভোপালে এক জনসভায় বিজেপি বিধায়ক রামেশ্বর শর্মা কথিত ‘লাভ জিহাদ’ (হিন্দু নারীদের ধর্মান্তরিত করার কাল্পনিক অভিযোগ) অজুহাতে বলেছেন, মুসলিম যুবকদের একা একা গরবা অনুষ্ঠানে আসা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, যদি তারা আসতেই চায়, তবে তাদের পরিবারের বোন ও মেয়েদেরও সঙ্গে নিয়ে আসা উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের ছেলেরাও প্রস্তুত রয়েছে।"

বিধায়কের এই মন্তব্যের পর সভাস্থলে উপস্থিত তার সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়ে। বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর ভারতের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এবং এআইএমআইএম এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে চরম ধর্মীয় মেরুকরণ সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি কুরুচিকর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছে।

রাজনৈতিক প্রতিবাদের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ ও নেটিজেনরা বিধায়কের এই বক্তব্যকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাদের মতে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে নারীদের সম্মানকে কার্যত সামাজিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার এক কুরুচিকর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা চরম লিঙ্গবৈষম্যমূলক ও অবমাননাকর।

ভোপাল সেন্ট্রালের কংগ্রেস বিধায়ক আরিফ মাসুদ অত্যন্ত কঠোর ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "রামেশ্বর শর্মার এই মন্তব্য অত্যন্ত নোংরা ও জঘন্য। আমি কেবল এটুকুই বলব—নিজের স্বভাব শুধরে নিন। মুখ থেকে এমন নোংরা কথা উগড়ানো বন্ধ করুন। প্রথমত, সাধারণ মুসলমানেরা গরবা অনুষ্ঠানে যায় না, গরবার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। যে ধরণের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে তা চরম আপত্তিকর।"

অন্যদিকে, এআইএমআইএম-এর মধ্যপ্রদেশ সভাপতি মহসিন আলী খান বিধায়ককে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, "দেশের সংবিধান পড়ার পরামর্শ দেন।" তিনি প্রশ্ন তোলেন, "এই ধরণের উসকানিমূলক বক্তব্য দেশ ভাগ করার চক্রান্ত। রামেশ্বর শর্মা যদি মুসলমানদের নিজেদের বোন ও মেয়েদের গরবায় আনার কথা বলেন, তবে বিজেপির নিজস্ব মুসলিম নেতারা—যেমন শাহনেওয়াজ হোসেন বা সৈয়দ জাফর ইসলামরা কি তাদের নিজেদের বোন-মেয়েদের গরবা অনুষ্ঠানে নিয়ে যাবেন?"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘তোকে আমি সারাজীবন কাঁদব’ বলে বাবাকে হুমকি, ইসমাইলের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


‘তোকে আমি সারাজীবন কাঁদব’ বলে বাবাকে হুমকি, ইসমাইলের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

ভোলার বোরহানউদ্দিনে দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর মো. ইসমাইল (৬) নামে এক শিশুর মরদেহ বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মো. রোকন নামে এক যুবককে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিম পাড়া সংলগ্ন খাল থেকে শিশুটির মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত শিশু ইসমাইল বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মো. আকবর হোসেনের ছেলে। আটক যুবক মো. রোকন ওই এলাকার মো. নান্নুর সন্তান।

জানা গেছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর সকালে ইসমাইল বাসা থেকে পাশের হাওলাদার মার্কেটের দোকানের কাছে যায়। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা দুই দিন ধরে আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান পাননি। পরে মঙ্গলবার সকালে খালের ভেতর ভাসমান একটি বস্তা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ বস্তাটি উদ্ধার করার পর সেখানে নিখোঁজ শিশু ইসমাইলের মরদেহ দেখতে পায়।

শিশু ইসমাইলের চাচা মো. সৈকত ইসলাম বাবু জানান, ইসমাইলের বাবার সঙ্গে একই এলাকার রোকন নামে এক যুবকের মোবাইল কেনাবেচা নিয়ে সমস্যা ছিল। এর সূত্র ধরে ইসমাইল নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন আগে রোকন ইসমাইলের বাবাকে হুমকি দিয়েছিল, "তোকে আমি এমন করব সারাজীবন কাঁদবি।" এর একদিন পরই ইসমাইল নিখোঁজ হয়। তিনি এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

বোরহানউদ্দিন থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার সাহা গণমাধ্যমকে জানান, উদ্ধার হওয়া শিশুর মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় রোকন নামে যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং স্বজনরা মামলা করলে তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিনেতা রিফাত চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সবশেষ খবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


অভিনেতা রিফাত চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সবশেষ খবর

কবি এবং একসময়ের জনপ্রিয় নাট্যাভিনেতা রিফাত চৌধুরী গুরুতর অসুস্থ হয়ে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এই অভিনেতা বর্তমানে হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন ইউনিট-৩-এর দশম তলার ১০৩ নম্বর কেবিনে অবস্থান করছেন।

জানা গেছে, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রিফাত চৌধুরী তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানান যে, তিনি বর্তমানে বেড রেস্টে আছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসকেরা সব রিপোর্ট এবং তার ফাইল পর্যালোচনা করার পর মূল চিকিৎসা শুরু করবেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ও কবি অমিতাভ অরণ্য হাসপাতালে রিফাতের পাশে রয়েছেন। তিনি জানান, অভিনেতার বেশিরভাগ পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আরও দুটি পরীক্ষা করানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর চিকিৎসার পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করা হবে।

রিফাত চৌধুরী মূলত পা ও কোমরের সমস্যায় ভুগছেন। অসুস্থতার কারণে তিনি সঠিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারছেন না। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে বেড না পেয়ে তাকে দুই দিন ফ্লোরে থাকতে হয়েছিল। পরে বেডের ব্যবস্থা হলেও তার চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে নতুন সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

অভিনেতার অসুস্থতার খবর জানার পর শোবিজ অঙ্গনে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেছেন। পাশাপাশি অভিনয়শিল্পী সংঘ এবং শোবিজের কয়েকজন তারকা তার পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।

অমিতাভ অরণ্য জানিয়েছেন, রিফাতের নিজের কোনো ব্যাংক বা বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই। তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সহযোগিতার অর্থ তার মাধ্যমে রিফাতের কাছে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লংমার্চে গিয়ে গাড়ির টোল দেয়নি বিরোধী দল: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


লংমার্চে গিয়ে গাড়ির টোল দেয়নি বিরোধী দল: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, জ্বালানি সংকটের পরিস্থিতির মধ্যে বিরোধী দলের কিছু গাড়ি রংপুরে লংমার্চের সময় টোল পরিশোধ করেনি, যেখানে সাড়ে চারশো গাড়ি নিয়ে তারা সেখানে গিয়েছিল।

তিনি মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় এই তথ্য জানান।

রিজভী বলেন, জ্বালানি সংকটের সময় বিরোধী দল সাড়ে চারশো গাড়ি নিয়ে রংপুরে লংমার্চে অংশগ্রহণ করেছে। বিশ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতি বুঝে, জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে তারা এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যাওয়ার পথে কিছু গাড়ির টোলও তারা পরিশোধ করেনি।

জ্বালানি তেলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ তেল হরমুজ প্রণালী দিয়েই আসে।

মূল্য সমন্বয়ের পরেও সরকারকে ৭০ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে, কিন্তু বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্তকর তথ্য প্রদান করছে।

রুহুল কবির রিজভী বিগত সরকারের আমলের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, শেখ হাসিনা গুম, খুন ও মিডিয়া কন্ট্রোলের মাধ্যমে শাসন করতেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, আবারও কি বিরোধীরা সেই পথে হাঁটছে?

তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগ ঘটছে। এসব কর্মকাণ্ড কেবল পতিত স্বৈরাচারের কাজ নয়, বরং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করা হচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, জনগণের পক্ষে কোনো আন্দোলনে জামায়াতের কোনো ভূমিকা নেই। তাদের নীতি ও নৈতিকতা অনুপস্থিত। তারা মোনাফেকি করছে, যা কাফেরের চেয়েও খারাপ। জনগণের সঙ্গে বারবার প্রতারণার ফলে তাদের চূড়ান্ত সফলতা আসেনি।

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেন, অপপ্রচারের ঘেরাটোপের মধ্যে ন্যায়সংগত সরকারের কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%