ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জীবন যুদ্ধে হার মেনে না ফেরার দেশে চবি শিক্ষার্থী মহুয়া তাসনিম


জীবন যুদ্ধে হার মেনে না ফেরার দেশে চবি শিক্ষার্থী মহুয়া তাসনিম

দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত থেকে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মহুয়া তাসনিম ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মহুয়ার মৃত্যুর খবর তার সহপাঠীদের জানিয়েছেন নিহতের বোন।

মহুয়ার বাড়ি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দিতে, তবে তিনি ঢাকার সাভার উপজেলায় বসবাস করতেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ার পূর্ব থেকেই মহুয়া ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুর ২টায় মহুয়ার জানাজার নামাজ তার নিজ এলাকা রাজবাড়ির বালিয়াকান্দির পাইককান্দিতে অনুষ্ঠিত হবে।

মহুয়ার ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র ইসরাফিল হোসেন মানিক বলেন, "মহুয়া অসম্ভব ভালো মেয়ে ছিল। গত আগস্টের ১৪ তারিখে আমাকে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠিয়েছে। সেখানে বলছে, ‘ভাইয়া, সাভার এনাম মেডিক্যালে জরুরি O+ রক্ত লাগবে।' আমি জিজ্ঞেস করলাম, কার জন্য রক্ত লাগবে? তখন বলল, ‘ভাইয়া, আমার জন্যই।’ আমি উত্তর দিলাম আল্লাহ মাফ করুক, কি হইছে আপু?"

তিনি আরও জানান, "এরপর মহুয়া বললো, তার রক্তের প্লাটিলেট অনেক কমে গেছে, তাই প্লাটিলেট দেওয়ার প্রয়োজন। এরপর রক্তের ব্যবস্থা করার জন্য প্রায় ৭–৮ জনকে নেওয়া হলেও কারও সাথেই রক্ত মিল ছিল না। পরে একজনের সাথে রক্তের মিল পাওয়া গেলে সেসময় ওই রাতেই তাকে প্ল্যাটিলেট দেওয়া হয়।"

শিক্ষার্থী ইসরাফিল হোসেন মানিক আরও বলেন, "লিউকেমিয়ার চিকিৎসা চলছিল ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে। কিছুদিন আগে হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে মাত্র একদিনের জন্য বাড়ি ফিরেছিল। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার কথা ছিল তার।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানি ও ভারতীয়দের চেয়ে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


পাকিস্তানি ও ভারতীয়দের চেয়ে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু বেশি: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বাংলাদেশের জনগণের গড় আয়ু বর্তমানে ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে এসেছে।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থাটি শুক্রবার (২ অক্টোবর) নতুন এই তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত গড় আয়ু, সুস্থ গড় আয়ু, মৃত্যুর কারণ এবং রোগের বোঝা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এতে দেখা গেছে, ২০২৩ সালে ভারতীয়দের গড় আয়ু ৭১ বছর ছিল। পাকিস্তানিদের গড় আয়ু ৬৮ দশমিক ২ বছর এবং বাংলাদেশিদের গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৭ বছর।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার গড় আয়ু যথাক্রমে ৭৮ দশমিক ৫ বছর এবং কানাডায় ৮১ দশমিক ৪ বছর।

কিন্তু বেশি দিন বাঁচা মানে সুস্বাস্থ্যে বেশি বছর বেঁচে থাকা নয়।

২০২৩ সালে ভারতে সুস্থ গড় আয়ু ছিল ৬০ দশমিক ৬ বছর, যেখানে ২০১৯ সালে এটি ৬০ দশমিক ৫ বছর ছিল। ২০২১ সালে সুস্থ গড় আয়ু কমে ৫৮ দশমিক ৪ বছরে নেমে আসে। পরে ২০২২ সালে এটি বৃদ্ধি পেয়ে ৬০ দশমিক ২ বছরে পৌঁছায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডাটা ডিপার্টমেন্টের প্রধান অ্যালাইন ল্যাবরিক এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, "জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে আরও বেশি গড় আয়ু হওয়া একটি বড় অর্জন। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হলো মানুষ যেন সুস্থ শরীর নিয়ে বেশিদিন বাঁচতে পারে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রিমিয়ার ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, যোগ্যতা জানতে হবে আধুনিক কার্ড ব্যবসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


প্রিমিয়ার ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, যোগ্যতা জানতে হবে আধুনিক কার্ড ব্যবসা

দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদের নাম: হেড অব কার্ড বিজনেস

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি

অন্যান্য যোগ্যতা: আধুনিক কার্ড ব্যবসা ও কার্যপদ্ধতি এবং কৌশলগত কাঠামো সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১৫ বছর

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: অফিসে

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৫০ বছর

কর্মস্থল: ঢাকা

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে আকর্ষণীয় বেতন

অন্যান্য সুবিধা: গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স সুবিধাসহ ভাতা প্যাকেজ

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধসে পড়ল ৫৫০ বছরের পুরোনো ‘হোলে সি আর্চ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


ধসে পড়ল ৫৫০ বছরের পুরোনো ‘হোলে সি আর্চ’

প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে প্রায় ৫৫০ বছর ধরে অবস্থানরত হাওয়াইয়ের বিখ্যাত প্রাকৃতিক খিলান ‘হোলে সি আর্চ’ অবশেষে ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। আগ্নেয়গিরির লাভা থেকে গঠিত প্রায় ৯০ ফুট উঁচু এই প্রাকৃতিক স্থাপনা সমুদ্রের ঢেউ এবং দীর্ঘদিনের ক্ষয়ের কারণে ভেঙে সাগরে বিলীন হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২৩ সেপ্টেম্বরেও খিলানটি অক্ষত ছিল। তবে ২৭ সেপ্টেম্বর রাতের মধ্যে এটি ধসে পড়েছে।

হাওয়াই দ্বীপের হাওয়াই ভলকানোস ন্যাশনাল পার্কের চেইন অব ক্রেটার্স রোডের শেষ প্রান্তে অবস্থিত এই প্রাকৃতিক বিস্ময়টি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। বহু বছর ধরে দর্শনার্থীরা এখানে ভিড় করতেন। খিলানটির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা ছিল পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ।

ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ সেপ্টেম্বর ট্রপিক্যাল স্টর্ম নোলোর প্রভাবে পার্কের বিভিন্ন এলাকা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পার্কের বেশিরভাগ অংশ খুলে দেওয়া হয়। তখনই জানা যায়, দীর্ঘদিনের পরিচিত হোলে সি আর্চ আর নেই। তবে এটি ঠিক কখন ধসে পড়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রায় ৫৫০ বছর আগে আগ্নেয়গিরির লাভা থেকে তৈরি পাথরের স্তরে প্রাকৃতিক ক্ষয়প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খিলানটির সৃষ্টি হয়েছিল। নরম ও শক্ত পাথরের অংশ সমানভাবে ক্ষয় না হওয়ায় সমুদ্রের ঢেউ ধীরে ধীরে পাথর কেটে খিলানের আকৃতি তৈরি করে। ভূতত্ত্বের ভাষায় এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘ডিফারেনশিয়াল ইরোশন’। বছরের পর বছর ঢেউ, বাতাস এবং আবহাওয়ার প্রভাবে কাঠামোটি দুর্বল হয়ে পড়ে। অবশেষে অবশিষ্ট অংশটুকুও ভেঙে সমুদ্রে পড়ে যায়।

খিলানটির ভেঙে পড়ার আশঙ্কা বহু বছর ধরেই ছিল। ২০১৮ সালে কিলাউয়া আগ্নেয়গিরির ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত ও সংশ্লিষ্ট ভূমিকম্পের ফলে আশপাশের পাথুরে এলাকায় ফাটল সৃষ্টি হয় এবং উপকূলের অংশবিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের জানুয়ারিতে নতুন করে ফাটল ও অস্থিতিশীলতা দেখা দিলে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পুরোনো পর্যবেক্ষণ এলাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই বছরের মার্চ মাসে খিলান থেকে দূরে একটি নিরাপদ পর্যবেক্ষণ এলাকা তৈরি করা হয়।

২০২০ সালের পর ট্রপিক্যাল স্টর্ম ডার্বির সময় প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে খিলানটির নিচের অংশ থেকে বড় একটি পাথরের খণ্ড ভেঙে পড়ে। তখনই কাঠামোটির দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ২০২১ সালে ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসও সতর্ক করেছিল, প্রাকৃতিক ক্ষয়ের কারণে একদিন খিলানটি ধসে পড়তে পারে। অবশেষে সেই আশঙ্কাই বাস্তবে রূপ নিল।

‘হোলে সি আর্চ’ নামটির পেছনে স্থানীয় প্রকৃতির ইতিহাস রয়েছে। ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ‘হোলে’ স্থানীয় একটি উদ্ভিদের নাম, যার বৈজ্ঞানিক পরিচয় ওক্রোসিয়া। সেই উদ্ভিদের নাম থেকেই খিলানটির নামকরণ করা হয়েছিল। অন্যদিকে, সমুদ্রের ঢেউয়ে লাভার পাথর ক্ষয় হয়ে খিলানের মতো আকৃতি তৈরি হওয়ায় এর নামের সঙ্গে যুক্ত হয় ‘সি আর্চ’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের খিলান দেখতে শক্ত ও স্থায়ী মনে হলেও এগুলো প্রকৃতপক্ষে ক্ষয়শীল ভূপ্রাকৃতিক কাঠামো। সময়ের সঙ্গে খিলান ভেঙে পাথরের স্তূপ বা বিচ্ছিন্ন সমুদ্র-স্তম্ভ তৈরি হতে পারে। একই উপকূলীয় এলাকায় প্রাকৃতিক ক্ষয়প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতে নতুন খিলানও সৃষ্টি হতে পারে।

হোলে সি আর্চ ধসে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই জায়গাটির পুরোনো ছবি ও স্মৃতি ভাগ করে নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে পর্যটকদের কাছে পরিচিত এই প্রাকৃতিক দৃশ্য এখন ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে। প্রায় সাড়ে পাঁচ শতাব্দী ধরে প্রকৃতির নানা পরিবর্তনের সাক্ষী হয়ে থাকা খিলানটির পতন আবারও মনে করিয়ে দিল, প্রকৃতির সৌন্দর্য চিরস্থায়ী নয়; অবিরাম ক্ষয়ের কাছে একসময় হার মানতে হয় পাথরের তৈরি বিস্ময়কেও।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করেছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকালে কলেজের প্রাঙ্গণে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (সদর) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমতাজুর রহমান, বিজিবিএমএস, সিপিএমএস, এনডিইউ, পিএসসি। কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল ড. মো. তাজুল ইসলাম, এমফিল, শ্রীউন্নতি, এইচএসসি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানে এসএসসি ২০২৬-এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরবর্তীতে প্রধান অতিথি তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। কৃতী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাঁদের সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকদেরও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলা মাধ্যমের দুইজন এবং ইংরেজি ভার্সনের দুইজন কৃতী শিক্ষার্থী তাঁদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতের স্বপ্ন ও লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা করেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমতাজুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, "ভালো ফলাফল শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও এটিই শিক্ষার চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়।" অর্জিত সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখার প্রয়োজনীয়তা তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের সময়ের সঠিক ব্যবহার, নিয়ম-শৃঙ্খলা, সততা, পরিশ্রম ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান।

কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল ড. মো. তাজুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য অভিভাবক ও শিক্ষকদের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, "জিপিএ-৫ অর্জন একটি মাইলফলক। তবে জীবনের প্রকৃত সাফল্যের জন্য প্রয়োজন অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ।"

অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে কলেজের শিক্ষার্থীরা গান, কবিতা, নৃত্যসহ বিভিন্ন সৃজনশীল পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। লালনগীতি ও নৃত্য পরিবেশনা ছিল বিশেষ আকর্ষণ। এসব পরিবেশনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আনন্দিত করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%