ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাজ দেওয়ার নামে ভারতীয় যুবতীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ


কাজ দেওয়ার নামে ভারতীয় যুবতীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ

কাজ দেওয়ার অছিলায় যুবতীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় নদিয়ার শান্তিপুর থানার এলাকায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনা নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শান্তীপুওর থানার একটি যুবতী কাজের খোঁজে ছিলেন। এই প্রেক্ষিতে তার সাথে পরিচয় হয় শেখর বিশ্বাস নামের এক ব্যবসায়ীর। তিনি এলাকার একটি ওষুধের দোকানের মালিক।

শেখর বিশ্বাস যুবতীর সাথে তার বন্ধু মানিক দেবনাথের পরিচয় করিয়ে দেন, যিনি আলমারি কারখানার মালিক। মানিক দেবনাথ ওই যুবতীকে তার নিজস্ব আলমারি ফ্যাক্টরিতে এক মাসের জন্য কাজের জন্য নিয়োগ দেন। কিন্তু এরপর থেকেই যুবতীকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন দুই অভিযুক্ত।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

অভিযোগ উঠেছে যে, ধর্ষণ ও অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে নির্যাতিতা যুবতী প্রতিবাদ করেন। অভিযুক্তরা একই সাথে ওই যুবতীর কিছু গোপন ছবি তুলে রেখেছিলেন। প্রতিবাদ করার কারণে যুবতীকে ব্ল্যাকমেইল করা হয় এবং ওই গোপন ছবি ভাইরাল করার হুমকি দেওয়া হয়।

অবশেষে, যুবতী সাহস করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের পর শান্তিপুর থানার পুলিশ মানিক দেবনাথ ও শেখর বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার অভিযুক্তদের রানাঘাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, জেরায় অভিযুক্তরা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন। নির্যাতিতা যুবতী অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন।

সূত্র: এই সময়

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসিল্যান্ড হিসেবে প্রশাসন ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


এসিল্যান্ড হিসেবে প্রশাসন ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হলো

সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড পদে পরবর্তী পদায়নের জন্য বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৫০ কর্মকর্তার চাকরি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করেছে সরকার।

বুধবার, ২২ জুলাই, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের এই কর্মকর্তাদের সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে পরবর্তী পদায়নের জন্য তাদের চাকরি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমি মন্ত্রণালয়ে যোগদানের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো। তারা ঢাকা ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে মৌলিক ভূমি ব্যবস্থাপনা কোর্স সম্পন্ন করার পর ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন কর্মচারীগণের পদায়ন নীতিমালা, ২০২২’ অনুসরণ করে তাদের এসিল্যান্ড পদে পদায়ন করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে দুই হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


নোয়াখালীতে দুই হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে চাঞ্চল্যকর ফয়েজ আহমেদ হত্যা মামলা ও ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যা মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। একই অভিযানে দুটি সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভোলা থেকে।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন- ফয়েজ আহমেদ হত্যার ৬ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি ওসমান (২৩) এবং ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যার ৪ নম্বর আসামী শহিদুল ইসলাম শাওন (২৫)। এছাড়া, গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মো. মোস্তাফা কামাল।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু এই খবরটি নিশ্চিত করেন। তাদের গ্রেপ্তার করা হয় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকাসহ গাজীপুর থেকে।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর সঙ্গে র‍্যাব-২, র‍্যাব-১ এবং র‍্যাব-৮ এর পৃথক যৌথ অভিযানিক দল এসব অভিযান পরিচালনা করে। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকার হাজারীবাগ থানাধিন গজমহল রোড এলাকা থেকে ফয়েজ হত্যার আসামি ওসমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া এলাকা থেকে দুই সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মোস্তাফা কামালকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বুধবার রাত ১২টা ৫ মিনিটে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যার আসামি শহিদুল ইসলাম শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাবের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গত ১১ জুন রাতে সোনাইমুড়ীর নদোনা ইউনিয়নে বাড়ির সামনে কথা বলার সময় পূর্ববিরোধের জেরে ফয়েজ আহমেদ ও তার সঙ্গে থাকা দুইজনকে মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়েছিল। পরে তাদের অন্য একটি স্থানে নিয়ে আবারও মারধর করা হয়। এতে ফয়েজ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রেজাউল করিম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম (৫৭) সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়া বাজারে দীর্ঘদিন ধরে মিতালী বেকারি পরিচালনা করতেন। টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে বিরোধের কারণে ২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর তাকে বেকারি থেকে বের করে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে মারধর করা হয়। পরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তাকে নির্যাতন করা হয়। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ নভেম্বর ভোরে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার মোস্তাফা কামালের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানায় দুটি মামলায় আদালত ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মোট ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, গ্রেপ্তার ওসমানকে ঢাকার হাজারীবাগ থানায়, শহিদুল ইসলাম শাওনকে সোনাইমুড়ী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে এবং মোস্তাফা কামালকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এমপি নজরুলের ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এমপি নজরুলের ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তার দলীয় ব্যবস্থা ও সংসদ সদস্য পদ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, যদি জামায়াত তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে, তাহলে তার এমপি পদ থাকবে কি না।

সোমবার (২০ জুলাই) রাতে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। তবে গাজী নজরুল ইসলাম ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করেছেন। জামায়াতও জানায়, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এতদূর জানা গেছে, গাজী নজরুল ইসলাম বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য। এর পূর্বে, তিনি পঞ্চম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

জামায়াতের গঠনতন্ত্রের ৬২ ধারায় (চ) উল্লেখিত পদচত্যির কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জামায়াত ঘোষিত নীতির বিরুদ্ধে কোনো কাজ করলে তার সদস্যপদ বাতিল হবে। একই ধারার (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) বহিষ্কারের কারণে বলা রয়েছে, আমীরে জামায়াত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পরামর্শক্রমে জামায়াতের যে কোনো সদস্যকে (রুকনকে) জামায়াত থেকে বহিষ্কার করতে পারেন।

যদি কোনো সদস্য (রুকন) জামায়াতের নিয়ম-শৃঙ্খলা ও জামায়াতের নীতিসমূহের পরিপন্থি কোনো কাজ করেন অথবা এমন কার্যক্রম করেন যার ফলে জামায়াতের নৈতিক প্রভাব ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিংবা জামায়াতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়, তাহলে নির্বাহী পরিষদের পরামর্শক্রমে যে কোনো সদস্যকে বহিষ্কার করা যাবে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জামায়াতের কেন্দ্রীয় সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়গুলো নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য পর্যবেক্ষণ করছে দলটি। ইতিমধ্যে সংসদ সদস্যের নিজস্ব বক্তব্য, তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর বক্তব্য এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে। এই বিষয়ে আরও খোঁজখবর নেওয়া হবে এবং প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলা হয়।

এদিকে, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর যদি ওই দল থেকে পদত্যাগ করে অথবা সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোট দেয়, তার আসন শূন্য হবে। কিন্তু কোনো সংসদ সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করার পর তার সদস্যপদ বাতিল হবে কি না, সে বিষয়ে সংবিধানে পরিষ্কার কিছু নেই।

আইনজীবীদের মতে, এই কারণে কোনো রাজনৈতিক দল কাউকে বহিষ্কার দিলে, তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকার সুযোগ থাকে। অতীতে, দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েও কয়েকজন সংসদ সদস্যের পদ বহাল থাকার নজির আছে।

যাই হোক, যদি কেউ নিজে দল থেকে পদত্যাগ করেন, তাহলে সংসদ সদস্য পদ হারানোর বিধান রয়েছে। এর আগে, দশম জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী দল থেকে পদত্যাগ করায় তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়েছিল। অতএব, গাজী নজরুল ইসলাম যদি জামায়াত থেকে নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ করেন তবে তার সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়ে যাবে। কিন্তু যদি দল তাকে বহিষ্কার করে, তবে বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে।

সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যদি এ বিষয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, তাহলে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য পাঠানো হবে। এ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

এমন অবস্থায়, যদি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত বহিষ্কার করে এবং দলটির পক্ষ থেকে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন নির্বাচন কমিশন।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবী হাবিবুর রহমান এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো দল থেকে মনোনীত হয়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে না। কিন্তু, তিনি যদি নিজেই দল থেকে পদত্যাগ করেন, তবে সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে।

এদিকে, সোমবার (২০ জুলাই) রাতে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কিছু জামায়াত নেতা-কর্মী প্রথমে দাবি করেন যে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি। যদিও পরবর্তীতে ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠানসহ অনেকেই ভিডিওটি আসল প্রমাণ করে। এরপর গাজী নজরুল ইসলাম ভিডিওতে থাকা নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং সিসিটিভি ফুটেজে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে দেখা যায়। ভিডিওতে থাকা তরুণীকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা। মঙ্গলবার সকালে জামায়াতের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান জানিয়েছেন, ভিডিওটি তাদের নজরে এসেছে। গাজী নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে, তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমে এই বিয়ে হয়েছে।

এ বিষয়ে গাজী নজরুল ইসলাম একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি মঙ্গলবার দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেন, ১৩ জুলাই তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম এবং দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানী মগবাজারে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করছিলেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটবলকে বিক্রি করে দিয়েছে ফিফা’ তীব্র অভিযোগ উঠল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


ফুটবলকে বিক্রি করে দিয়েছে ফিফা’ তীব্র অভিযোগ উঠল

স্পেন ও আর্জেন্টিনার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের মাধ্যমে ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা নেমে গেছে। তবে ফিফার বিরুদ্ধে সমালোচনার অবসান ঘটছে না। এবার জার্মানির কিংবদন্তি ফুটবলার লোথার ম্যাথেউস, যিনি আন্তর্জাতিক ম্যাচে রেকর্ড সংখ্যক খেলা সম্পন্ন করেছেন, বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

স্পোর্ট বিল্ডে তার কলামে লোথার ম্যাথেউস উল্লেখ করেন, "ফুটবলকে আগেই বিক্রি করে দিয়েছে ফিফা।" তিনি বালোগানের লাল কার্ড প্রত্যাহারকে ‘ফেয়ারপ্লে এবং ফুটবলের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

তিনি বলেন, "ট্রাম্পের ফোনের পর ফিফা যেভাবে বালোগুনের লাল কার্ড স্থগিত করেছে, তা সম্পূর্ণ আলোচনার বাইরে। এটি কখনোই হওয়া উচিত ছিল না—এটি ফেয়ারপ্লে এবং ফুটবলের সঙ্গে এক চরম বিশ্বাসঘাতকতা।"

ম্যাথেউস তাছাড়া পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে চলতে থাকা ট্রাম্প-ইনফান্তিনো শো, ফুটবলের আমেরিকায়ন এবং চরম বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

হাইড্রেশন ব্রেক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "কারো কোনো ড্রিংকস ব্রেকের প্রয়োজন নেই। ফিফা এবং টিভি চ্যানেলগুলো কেবল এই বিরতিগুলোকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে—এটি বিরতি দেওয়ার আসল কারণ।"

ফাইনাল ম্যাচের হাফ-টাইম শোকে অপ্রাসঙ্গিক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, "দারুণ সব শিল্পী এবং দুর্দান্ত গান ছিল, কিন্তু কেন হাফ-টাইমে? এতে বিরতির সময় অযথা অনেক দীর্ঘ হয়ে যায়। এগুলো ম্যাচের শুরুতেই আয়োজন করা যেত।"

এছাড়া বিশ্বকাপ টিকিটের আকাশচুম্বী দাম নিয়েও তিনি কড়া সমালোচনা করেছেন। ম্যাথেউস বলেন, "বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে সমর্থকদের জন্য টিকিটের দাম ছিল বহুগুণ বেশি। হয়তো আমার চিন্তা একটু বেশি রোমান্টিক শোনাতে পারে, তবে আমি চাই ফুটবল যেন ফুটবলের জায়গাতেই থাকে—সবার জন্য উন্মুক্ত!"

কলামের শেষভাগে ফুটবলের বাজারমুখী আচরণকে একটু কটাক্ষ করে তিনি উদাহরণস্বরূপ জানিয়ে দেন, "হয়তো পরবর্তী বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৬৪ করা হতে পারে! তাহলে অন্তত একটা সুবিধা হবে—ইতালিও নিশ্চিতভাবে খেলার সুযোগ পেয়ে যাবে!"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%