ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নোয়াখালীতে দুই হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩


নোয়াখালীতে দুই হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে চাঞ্চল্যকর ফয়েজ আহমেদ হত্যা মামলা ও ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যা মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। একই অভিযানে দুটি সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভোলা থেকে।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন- ফয়েজ আহমেদ হত্যার ৬ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি ওসমান (২৩) এবং ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যার ৪ নম্বর আসামী শহিদুল ইসলাম শাওন (২৫)। এছাড়া, গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মো. মোস্তাফা কামাল।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু এই খবরটি নিশ্চিত করেন। তাদের গ্রেপ্তার করা হয় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাকাসহ গাজীপুর থেকে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর সঙ্গে র‍্যাব-২, র‍্যাব-১ এবং র‍্যাব-৮ এর পৃথক যৌথ অভিযানিক দল এসব অভিযান পরিচালনা করে। মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকার হাজারীবাগ থানাধিন গজমহল রোড এলাকা থেকে ফয়েজ হত্যার আসামি ওসমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া এলাকা থেকে দুই সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মোস্তাফা কামালকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বুধবার রাত ১২টা ৫ মিনিটে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম হত্যার আসামি শহিদুল ইসলাম শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাবের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গত ১১ জুন রাতে সোনাইমুড়ীর নদোনা ইউনিয়নে বাড়ির সামনে কথা বলার সময় পূর্ববিরোধের জেরে ফয়েজ আহমেদ ও তার সঙ্গে থাকা দুইজনকে মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়েছিল। পরে তাদের অন্য একটি স্থানে নিয়ে আবারও মারধর করা হয়। এতে ফয়েজ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রেজাউল করিম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম (৫৭) সোনাইমুড়ীর আমিশাপাড়া বাজারে দীর্ঘদিন ধরে মিতালী বেকারি পরিচালনা করতেন। টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে বিরোধের কারণে ২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর তাকে বেকারি থেকে বের করে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে মারধর করা হয়। পরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তাকে নির্যাতন করা হয়। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ নভেম্বর ভোরে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার মোস্তাফা কামালের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানায় দুটি মামলায় আদালত ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মোট ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, গ্রেপ্তার ওসমানকে ঢাকার হাজারীবাগ থানায়, শহিদুল ইসলাম শাওনকে সোনাইমুড়ী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে এবং মোস্তাফা কামালকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এমপি নজরুলের ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এমপি নজরুলের ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তার দলীয় ব্যবস্থা ও সংসদ সদস্য পদ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, যদি জামায়াত তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে, তাহলে তার এমপি পদ থাকবে কি না।

সোমবার (২০ জুলাই) রাতে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। তবে গাজী নজরুল ইসলাম ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করেছেন। জামায়াতও জানায়, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এতদূর জানা গেছে, গাজী নজরুল ইসলাম বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য। এর পূর্বে, তিনি পঞ্চম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

জামায়াতের গঠনতন্ত্রের ৬২ ধারায় (চ) উল্লেখিত পদচত্যির কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জামায়াত ঘোষিত নীতির বিরুদ্ধে কোনো কাজ করলে তার সদস্যপদ বাতিল হবে। একই ধারার (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) বহিষ্কারের কারণে বলা রয়েছে, আমীরে জামায়াত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পরামর্শক্রমে জামায়াতের যে কোনো সদস্যকে (রুকনকে) জামায়াত থেকে বহিষ্কার করতে পারেন।

যদি কোনো সদস্য (রুকন) জামায়াতের নিয়ম-শৃঙ্খলা ও জামায়াতের নীতিসমূহের পরিপন্থি কোনো কাজ করেন অথবা এমন কার্যক্রম করেন যার ফলে জামায়াতের নৈতিক প্রভাব ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিংবা জামায়াতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়, তাহলে নির্বাহী পরিষদের পরামর্শক্রমে যে কোনো সদস্যকে বহিষ্কার করা যাবে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জামায়াতের কেন্দ্রীয় সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়গুলো নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য পর্যবেক্ষণ করছে দলটি। ইতিমধ্যে সংসদ সদস্যের নিজস্ব বক্তব্য, তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রীর বক্তব্য এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে। এই বিষয়ে আরও খোঁজখবর নেওয়া হবে এবং প্রকৃত ঘটনার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের পর সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলা হয়।

এদিকে, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর যদি ওই দল থেকে পদত্যাগ করে অথবা সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোট দেয়, তার আসন শূন্য হবে। কিন্তু কোনো সংসদ সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করার পর তার সদস্যপদ বাতিল হবে কি না, সে বিষয়ে সংবিধানে পরিষ্কার কিছু নেই।

আইনজীবীদের মতে, এই কারণে কোনো রাজনৈতিক দল কাউকে বহিষ্কার দিলে, তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকার সুযোগ থাকে। অতীতে, দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েও কয়েকজন সংসদ সদস্যের পদ বহাল থাকার নজির আছে।

যাই হোক, যদি কেউ নিজে দল থেকে পদত্যাগ করেন, তাহলে সংসদ সদস্য পদ হারানোর বিধান রয়েছে। এর আগে, দশম জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী দল থেকে পদত্যাগ করায় তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়েছিল। অতএব, গাজী নজরুল ইসলাম যদি জামায়াত থেকে নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ করেন তবে তার সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়ে যাবে। কিন্তু যদি দল তাকে বহিষ্কার করে, তবে বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে।

সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যদি এ বিষয়ে বিতর্ক দেখা দেয়, তাহলে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য পাঠানো হবে। এ ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

এমন অবস্থায়, যদি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত বহিষ্কার করে এবং দলটির পক্ষ থেকে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন নির্বাচন কমিশন।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবী হাবিবুর রহমান এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো দল থেকে মনোনীত হয়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করলে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে না। কিন্তু, তিনি যদি নিজেই দল থেকে পদত্যাগ করেন, তবে সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে।

এদিকে, সোমবার (২০ জুলাই) রাতে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কিছু জামায়াত নেতা-কর্মী প্রথমে দাবি করেন যে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি। যদিও পরবর্তীতে ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠানসহ অনেকেই ভিডিওটি আসল প্রমাণ করে। এরপর গাজী নজরুল ইসলাম ভিডিওতে থাকা নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং সিসিটিভি ফুটেজে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে এক তরুণীর সঙ্গে দেখা যায়। ভিডিওতে থাকা তরুণীকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতারা। মঙ্গলবার সকালে জামায়াতের সাতক্ষীরা জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান জানিয়েছেন, ভিডিওটি তাদের নজরে এসেছে। গাজী নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে, তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমে এই বিয়ে হয়েছে।

এ বিষয়ে গাজী নজরুল ইসলাম একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি মঙ্গলবার দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেন, ১৩ জুলাই তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম এবং দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগমকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানী মগবাজারে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করছিলেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটবলকে বিক্রি করে দিয়েছে ফিফা’ তীব্র অভিযোগ উঠল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


ফুটবলকে বিক্রি করে দিয়েছে ফিফা’ তীব্র অভিযোগ উঠল

স্পেন ও আর্জেন্টিনার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের মাধ্যমে ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা নেমে গেছে। তবে ফিফার বিরুদ্ধে সমালোচনার অবসান ঘটছে না। এবার জার্মানির কিংবদন্তি ফুটবলার লোথার ম্যাথেউস, যিনি আন্তর্জাতিক ম্যাচে রেকর্ড সংখ্যক খেলা সম্পন্ন করেছেন, বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

স্পোর্ট বিল্ডে তার কলামে লোথার ম্যাথেউস উল্লেখ করেন, "ফুটবলকে আগেই বিক্রি করে দিয়েছে ফিফা।" তিনি বালোগানের লাল কার্ড প্রত্যাহারকে ‘ফেয়ারপ্লে এবং ফুটবলের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

তিনি বলেন, "ট্রাম্পের ফোনের পর ফিফা যেভাবে বালোগুনের লাল কার্ড স্থগিত করেছে, তা সম্পূর্ণ আলোচনার বাইরে। এটি কখনোই হওয়া উচিত ছিল না—এটি ফেয়ারপ্লে এবং ফুটবলের সঙ্গে এক চরম বিশ্বাসঘাতকতা।"

ম্যাথেউস তাছাড়া পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে চলতে থাকা ট্রাম্প-ইনফান্তিনো শো, ফুটবলের আমেরিকায়ন এবং চরম বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

হাইড্রেশন ব্রেক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "কারো কোনো ড্রিংকস ব্রেকের প্রয়োজন নেই। ফিফা এবং টিভি চ্যানেলগুলো কেবল এই বিরতিগুলোকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে—এটি বিরতি দেওয়ার আসল কারণ।"

ফাইনাল ম্যাচের হাফ-টাইম শোকে অপ্রাসঙ্গিক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, "দারুণ সব শিল্পী এবং দুর্দান্ত গান ছিল, কিন্তু কেন হাফ-টাইমে? এতে বিরতির সময় অযথা অনেক দীর্ঘ হয়ে যায়। এগুলো ম্যাচের শুরুতেই আয়োজন করা যেত।"

এছাড়া বিশ্বকাপ টিকিটের আকাশচুম্বী দাম নিয়েও তিনি কড়া সমালোচনা করেছেন। ম্যাথেউস বলেন, "বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে সমর্থকদের জন্য টিকিটের দাম ছিল বহুগুণ বেশি। হয়তো আমার চিন্তা একটু বেশি রোমান্টিক শোনাতে পারে, তবে আমি চাই ফুটবল যেন ফুটবলের জায়গাতেই থাকে—সবার জন্য উন্মুক্ত!"

কলামের শেষভাগে ফুটবলের বাজারমুখী আচরণকে একটু কটাক্ষ করে তিনি উদাহরণস্বরূপ জানিয়ে দেন, "হয়তো পরবর্তী বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৬৪ করা হতে পারে! তাহলে অন্তত একটা সুবিধা হবে—ইতালিও নিশ্চিতভাবে খেলার সুযোগ পেয়ে যাবে!"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইজিবাইক ও গরুবাহী টেম্পোর সংঘর্ষে একজন নিহত, চারজন আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


ইজিবাইক ও গরুবাহী টেম্পোর সংঘর্ষে একজন নিহত, চারজন আহত

দিনাজপুরের খানসামায় একটি ইজিবাইক ও গরুবাহী টেম্পোর মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় রসুল করিম বাবু (৪২) নামের এক ইজিবাইকচালক নিহত হয়েছেন। এছাড়াও, ওই ঘটনায় ইজিবাইকের চার যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে। খানসামা-দারোয়ানী আঞ্চলিক মহাসড়কের ২ নম্বর ভেড়ভেড়ি ইউনিয়নের টংগুয়া বড়বাড়ি এলাকা এটি ঘটে।

নিহত রসুল করিম বাবুর বাড়ি নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নে। তিনি প্রয়াত রহিম উদ্দিনের ছেলে, যিনি ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি ভ্যান ও ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন।

নিহতের ছোট ভাই আজিজুল ইসলাম জানান, বাবু প্রতিদিনের মতো যাত্রী নিয়ে চলছিলেন। এসময় টংগুয়া বড়বাড়ি এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গরুবাহী টেম্পোর সঙ্গে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ফলে ঘটনাস্থলেই বাবুর মৃত্যু ঘটে।

এই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত চারজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খানসামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাছেত সরকার বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রান্নার সময় গরুর মাংসের রং লাল থেকে সবুজ হয়ে গেল, জনমনে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


রান্নার সময় গরুর মাংসের রং লাল থেকে সবুজ হয়ে গেল, জনমনে প্রশ্ন

খুলনার পাইকগাছায় রান্নার সময় গরুর মাংসের রং লাল থেকে সবুজ হয়ে যাওয়ার ঘটনা চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে পৌরসভার মডার্ণ বেকারির কর্মচারীরা পিকনিকের জন্য কেনা গরুর মাংস রান্না করতে বেড়িয়ে এই অদ্ভুত বিষয়টি লক্ষ্য করেন। তারা রান্না করা মাংস নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় এবং থানায় হাজির হন।

তথ্য অনুযায়ী, মডার্ণ বেকারির মোট ২৫ জন কর্মচারী বুধবার পিকনিকের আয়োজন করার পরিকল্পনা করেন। এজন্য তারা সকালে পাইকগাছা বাজারের মাংস ব্যবসায়ী ইসমাইলের দোকানে গিয়ে মাংস ক্রয় করেন। ব্যবসায়ী ইসমাইল জানান, ওইদিন জবাই করা গরুর সব মাংস বিক্রি হয়ে গেলেও তার দোকানের ফ্রিজে ভালো মাংস সংরক্ষিত রয়েছে। প্রয়োজন পড়লে সেখান থেকে মাংস দেওয়া যাবে। পরে সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে বেকারির কর্মচারী টিটন হোসেন ওই দোকান থেকে চার কেজি মাংস কিনে নিয়ে যান। এরপর তারা পিকনিকের জন্য বাজার-সদায় করে যথারীতি কড়াইতে মাংস রান্না শুরু করেন।

তবে, রান্নার প্রায় অর্ধেক সময় পরে কর্মচারীরা লক্ষ্য করেন, মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং পরিবর্তন হয়ে সবুজ হয়ে গেছে। বিষয়টি দেখে তারা মাংসসহ কড়াইটি নিয়ে প্রথমে মাংস বিক্রেতা ইসমাইলের দোকানে যান এবং পরে বিষয়টি ইউএনওকে জানিয়ে রান্না করা মাংসের কড়াই নিয়ে থানায় হাজির হন।

এ ঘটনার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তবে রান্নার সময় মাংসের রং কেন সবুজ হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো কারণ জানা যায়নি। স্থানীয়দের কেউ কেউ সন্দেহ করছেন, মাংসে সম্ভবত কোনো রাসায়নিক উপাদান ব্যবহৃত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো পরীক্ষাগারভিত্তিক প্রমাণ মেলেনি।

মাংস বিক্রেতা ইসমাইল বলেন, "আমি ভালো মাংসই বিক্রি করেছি। মাংসে কোনো ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়নি। তারা হয়তো রান্নার সময় অন্য কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করেছেন। আমার দোকান থেকে আরও অনেকেই মাংস কিনে নিয়ে গেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ এমন অভিযোগ করেননি।"

অবশেষে, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাংসের নমুনা পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে স্থানীয়রা মনে করছেন। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মাংসের রং পরিবর্তনের প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%