ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিশিগানে সিরিয়াল কিলারের আতঙ্ক, একই জায়গায় ৫ পুরুষের মৃত্যু


মিশিগানে সিরিয়াল কিলারের আতঙ্ক, একই জায়গায় ৫ পুরুষের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ল্যানসিং শহরের একটি জনপ্রিয় হাঁটার পথে রহস্যজনকভাবে পাঁচজন পুরুষের মৃত্যু ঘটেছে। তাদের মধ্যে সবাই আহত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছিলেন ওই পথের আশপাশে। পুলিশ তদন্ত করছে, এই ঘটনার পেছনে কোনো ধারাবাহিক খুনি জড়িত কি না। নিহতদের মধ্যে কিছু গৃহহীন ছিলেন এবং তারা রাতে নদীর পাশে ওই পথে ঘুমাতেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ল্যানসিং নদীপথের একই অংশে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। শহরের পুলিশপ্রধান রবার্ট ব্যাকাসের ধারণা, ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে। বিশেষ করে গৃহহীন শ্বেতাঙ্গ পুরুষদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন।

পুলিশপ্রধান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তাদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ল্যানসিংয়ে কোনো ধারাবাহিক খুনি সক্রিয় কি না। তদন্ত চলছে, যাতে দেখা যায় ঘটনাগুলো পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

শহরের মেয়র অ্যান্ডি শোর সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, হামলার লক্ষ্য মূলত রাতে নদীপথের পাশে ঘুমানো গৃহহীন পুরুষেরা। পুলিশ জানিয়েছে, সাধারণ জনগণের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেনি। মেয়র বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের জন্য নদীপথ এবং শহরের কেন্দ্রীয় এলাকা নিরাপদ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন।

নিহতদের মধ্যে ৫৪ বছর বয়সী জিনো চৌইনার্ড অন্যতম। তার চাচা রবার্ট চৌইনার্ডের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৩ অক্টোবর রাতে কয়েক মিনিট দেরি হওয়ায় জিনো একটি গৃহহীন আশ্রয়কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে তিনি তার বান্ধবীকে ফোন করে জানান, নদীপথের পাশে ঘুমাবেন।

পরদিন, ১৪ অক্টোবর (২০২৫ সালের) সকালে জিনোকে মাথায় গুরুতর আঘাতসহ অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ১৩ দিন পর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। একসময় তিনি উচ্চবিদ্যালয়ে কুস্তি ও ফুটবলে দক্ষ খেলোয়াড় ছিলেন। ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে ইরাকে জাতীয় রক্ষীবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের পর বিভিন্ন সময়ে তিনি গৃহহীন হয়ে পড়েন বলে জানান তার চাচা।

রবার্টের দাবি, জিনোর মাথার খুলি চূর্ণ হয়েছিল এবং তার ছয়টি পাঁজর ভেঙে গিয়েছিল। শরীরে আত্মরক্ষার চিহ্ন বা ধস্তাধস্তির লক্ষণ ছিল না বলেও জানান তিনি। তার ধারণা, ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় পেছন থেকে আঘাত করা হয়েছিল জিনোকে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

একই পথে আরও চারজনের মৃত্যু

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ঘটনায় ৭০ বছর বয়সী ডেনিস ডানব্যাকেকে গত ৯ জুলাই কালামাজু স্ট্রিট সেতুর কাছে মুখে আঘাতসহ উদ্ধার করা হয়। কয়েক দিন পর তার মৃত্যু ঘটে। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি চিকিৎসা পরীক্ষকের কার্যালয়। হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসাকর্মী ঘটনাটি অসুস্থতাজনিত হতে পারে বলে ধারণা করেছিলেন। পুলিশ বিষয়টিকে সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচনা করে।

এরপর ১৩ জুলাই সকালে ৫৭ বছর বয়সী রবার্ট স্মিথকে একই পথে মাথায় রক্তাক্ত আঘাতসহ অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। হাসপাতালে নেওয়ার কয়েক দিন পর তার মৃত্যু ঘটে। গত মাসে চিকিৎসা পরীক্ষক তার মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে ঘোষণা করেন।

তৃতীয় আরেক ঘটনায় ২২ বছর বয়সী ড্যানিয়েল লাস্ককে ২০ আগস্ট ভোরে ছুরিকাঘাতে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ ঘটনায় একজন সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি এখনো জামিন ছাড়াই আটক রয়েছেন এবং তার মানসিক সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে তদন্তাধীন অন্য মৃত্যুর ঘটনাগুলোর সঙ্গে তার যোগসূত্র পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

পঞ্চম ব্যক্তি ৫৭ বছর বয়সী লুইস উডরাফ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩০ আগস্ট তাকে মুখে আঘাতসহ উদ্ধার করা হয়। ১ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু ঘটে। তার মৃত্যুকেও হত্যাকাণ্ড হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বাড়িয়েছে পুলিশ

পুলিশপ্রধান ব্যাকাসের ধারণা, এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীদের ওপর হামলা রাতের বেলায় হয়েছে। তাদের অনেকে তখন শুয়ে ছিলেন, এমনকি ঘুমিয়েও থাকতে পারেন। ঘটনার সময় ওই এলাকায় কোনো নজরদারি ক্যামেরা বা প্রত্যক্ষদর্শী ছিল না বলে জানিয়েছেন তিনি।

এরপর নদীপথে নজরদারির জন্য ক্যামেরাযুক্ত গাড়ি বসানো হয়েছে, টহল বাড়ানো হয়েছে এবং এলাকার গৃহহীন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন সমাজকর্মীরা।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

পুলিশপ্রধান বলেছেন, এসব ঘটনা পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে এবং বিষয়টি উপেক্ষা করা হচ্ছে—এমন ধারণা কারও হওয়া উচিত নয়।

এদিকে, জিনোর চাচা রবার্ট মনে করেন, এসব মৃত্যুর পেছনে ধারাবাহিক কোনো খুনি অথবা একই কায়দায় হামলা চালানো অনুকরণকারী থাকতে পারে। তবে পুলিশ এখনো কোনো ধারাবাহিক খুনির অস্তিত্ব নিশ্চিত করেনি। তদন্তকারীরা সব সম্ভাব্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখছেন।

সূত্র: সিএনএন

আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে অগ্রাধিকার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাজমিনের ১৭ দিনের প্রেমিক কে এই রাজু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ পি.এম


তাজমিনের ১৭ দিনের প্রেমিক কে এই রাজু

কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নতুন কিছু তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আলোচনায় আসা নামটি হলো রাজু চৌধুরী (২০), যিনি তাজমিনের প্রেমিক হিসেবে পরিচিত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে রাজুর সঙ্গে পরিচয় ঘটে এবং মাত্র ১৭ দিনের সম্পর্কের জেরে তাজমিন তার ঘর ছেড়ে চলে যায়। রাজুর আমন্ত্রণে কক্সবাজার ভ্রমণও করে সে।

তাজমিন নিখোঁজ থাকার চারদিন পর কক্সবাজারে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রথমে সে পাশের জেলা ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় যায় এবং সেখান থেকে কুমিল্লা ফিরে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যাওয়ার সময় সে মাকে জানায় যে বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছে।

কক্সবাজার থেকে বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা প্রবেশমুখ পদুয়ারবাজার বিশ্বরোডের হোটেল নূরজাহানে আইকনিক এক্সপ্রেস বাস থেকে তাজমিন নেমে যায়, যা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে।

কক্সবাজারের কক্সেস পেনারেমিক ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর এজেন্সির আবদুল্লাহ জানান, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত ৮টার পর তাজমিন তার বন্ধু রাজুসহ বাসের টিকিট কাটতে তাদের কাউন্টারে আসে। তারা তখন তাদেরকে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে হিসেবে মনে রাখে, কেবল কাস্টমার হিসেবে। পরদিন বুধবারের জন্য একটি টিকিট কাটে ছেলেটি।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে আইকনিক এক্সপ্রেসের বাসটি কুমিল্লার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ছাড়ে এবং রাতে হোটেল নূরজাহানে পৌঁছায়। বাসটি ঢাকা পর্যন্ত চলাচল করে।

হত্যার ঘটনা আলোচনায় আসার পর আবদুল্লাহ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেয় এবং মেয়েটি তাজমিন বলে শনাক্ত করে, কারণ পুলিশ জানতে চাইতে পারে। পরে সে জানায় যে, সঙ্গে আসা ছেলেটি হত্যাকাণ্ডে জড়িত নয়। হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে একজনই, সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো. সুমন মিয়া (৩৫)। তাই ছেলেটির আর কোনো খোঁজ-খবর নেয়নি।

এদিকে, ঘটনার পর তাজমিনের মা কেয়া খাতুন সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে তার মেয়ের সঙ্গে শেষ কথা হয়। তাজমিন জানিয়েছিল, সে এক বান্ধবীর সঙ্গে আছে। মা বান্ধবীর বাড়িতে গিয়ে তাকে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। কেয়া খাতুন মেয়ের কাছে বান্ধবীর নাম ও তার মা-বাবার পরিচয় জানতে চাইলেও সে কিছু জানায়নি।

পুলিশ জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজারের বাস থেকে পদুয়ারবাজার হোটেল নূরজাহানে নেমে শহরের রেইসকোর্স বাসায় যেতে সিএনজি অটোরিকশা ভাড়া করে তাজমিন। গ্রেপ্তার সিএনজি অটোরিকশা চালক সুমন ঘটনাস্থলে নিয়ে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে।

পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের ধানখেত থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাংনী সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি, ৬ ভারতীয় ফেরত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ পি.এম


গাংনী সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি, ৬ ভারতীয় ফেরত

মেহেরপুরের গাংনী সীমান্তে চার নারী এবং দুই পুরুষসহ ছয় ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে, তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ, যখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা বাধা প্রদান করে।

রোববার (১১ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে গাংনী উপজেলার ধলা-রংমহল সীমান্তের মাধ্যমে এ পুশইনের প্রচেষ্টা চালানো হয়।

বিজিবির ৪৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেন হাসান রনি জানান, ভারতের দিঘলকান্দি বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার হিম্মত সিংয়ের নেতৃত্বে বিএসএফ সদস্যরা আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১২৭ নম্বর প্রধান পিলার এলাকায় ছয় ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেন।

এ সময়, রংমহল বিজিবি ক্যাম্পের টহল দল বিষয়টি বুঝতে পেরে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বিজিবির বাধার কারণে বিএসএফ শেষ পর্যন্ত ওই ছয় ভারতীয় নাগরিককে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেন হাসান রনি আরও জানান, সীমান্তে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, "কোনোভাবেই পুশইন গ্রহণযোগ্য হবে না।" এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাম্প ট্রাকের চাপায় দুমড়েমুচড়ে গেছে গাড়ি, ভেতরে ছিলেন তানজিন তিশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৫ পি.এম


ডাম্প ট্রাকের চাপায় দুমড়েমুচড়ে গেছে গাড়ি, ভেতরে ছিলেন তানজিন তিশা

মানিকগঞ্জের ভাড়ারিয়া বাজারে একটি শোরুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন জনপ্রিয় ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তাকে বহনকারী গাড়িটি একটি ডাম্প ট্রাকের চাপায় দুমড়েমুচড়ে যায়।

তবে, তিনি বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন। এই ঘটনার পর তানজিন তিশা মানিকগঞ্জের যাত্রা বাতিল করে ঢাকায় ফিরে আসেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায়, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে দুর্ঘটনার খবরটি নিশ্চিত করেন তানজিন তিশা।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "মানিকগঞ্জে যাওয়ার পথে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ! দেখা হবে সবার সাথে, ইনশাআল্লাহ।"

জানা গেছে, তিনি মানিকগঞ্জের ভাড়ারিয়া বাজারে ‘রয়েল ফ্যাশন’ নামের একটি ফ্যাশন হাউজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিলেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে আয়োজকেরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিলেন এবং ভক্তদের মধ্যেও ছিল উদ্দীপনা। কিন্তু হঠাৎ এই দুর্ঘটনার কারণে অনুষ্ঠানটি শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে যায়।

দুর্ঘটনার বিষয়ে তানজিন তিশা বলেন, "গত রাতটি আমি ভুলতে পারব না। আমি সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলাম। একটি ডাম্প ট্রাক আমার গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে দিয়েছে। আমার এই গাড়ি খুব প্রিয়। কারণ কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে এটি কিনেছি। সুতরাং এই ক্ষতি মেনে নেওয়া আমার জন্য সহজ নয়। তারপরও আলহামদুলিল্লাহ!"

নিজের শারীরিক অবস্থা জানিয়ে তিশা বলেন, "আমি শরীরে কিছু আঘাত পেয়েছি। কিন্তু এখন ঠিক আছি। এ জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। যারা আমাকে ভালোবাসেন, আমার জন্য দোয়া করেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।"

এদিকে, তানজিন তিশার দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই তার ভক্ত-অনুরাগীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা ও নিরাপত্তার খোঁজ নিচ্ছেন।

ছোট পর্দায় নানা বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকহৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন তানজিন তিশা। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বেশ সক্রিয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমদানি নির্ভর জ্বালানি থেকে বের হতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৫ পি.এম


আমদানি নির্ভর জ্বালানি থেকে বের হতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

সরকার আমদানি নির্ভর জ্বালানির চাপ কমিয়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে চায়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে সারাদেশে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে বিদ্যুৎ চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরায় ওয়ালটন সোলার ইকোসিস্টেমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করে বাংলাদেশ আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। এই উদ্দেশ্যে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পূরণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

তিনি জানান, যারা নিজেদের বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল স্থাপন করতে আগ্রহী, তাদের জন্য সরকার সহযোগিতা প্রদান করবে। এর ফলে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে শুধু বাতি জ্বালানো সম্ভব নয়, বরং ফ্রিজ, টেলিভিশন ও ওয়াশিং মেশিনের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিও চালানো যাবে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে আমদানি ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়েও সহায়তা করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%