০৭:০৪ পি.এম
মন্ত্রী দাতুক সেরি আর. রামানান সোমবার (৬ জুলাই) এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে জানান, মালয়েশিয়া সরকার বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। বর্তমানে বিদেশি শ্রমিকের কোটা অনুমোদনের জন্য ‘কেস-বাই-কেস’ তথা ব্যক্তিভিত্তিক সুপারিশ প্রক্রিয়া থাকবে না। বদলে, পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করা হয়েছে এবং ‘ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (এফডব্লিউসিএমএস)-এর আওতায় ‘ই-কোটা’ মডিউলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন এই নিয়মের অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও পদ্ধতিগত করা হয়েছে, যেখানে তদবির বা ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে কোটা পাওয়ার সুযোগ নেই।
মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে বিদেশি শ্রমিক ব্যবস্থাপনার ওয়ান-স্টপ সেন্টার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সম্পূর্ণভাবে এসেছে। বর্তমানে এফডব্লিউসিএমএস সিস্টেমের সোর্স কোড ও সুপার অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এই মন্ত্রণালয়ের হাতে রয়েছে।
এখন পর্যন্ত ৫৪৮টি কোম্পানির পক্ষ থেকে ২২ হাজার ৪৭৬টি আবেদন জমা পড়েছে। তবে নিয়োগকর্তাদের জন্য স্থির শর্ত হলো, বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের আগে স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। এজন্য প্রথমে মাইফিউচারজবস পোর্টালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে এবং কর্মসংস্থান আইনের ৬০কে ধারা অনুযায়ী অনুমোদন নিয়ে স্থানীয় কর্মী খোঁজার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। শুধুমাত্র উপযুক্ত স্থানীয় কর্মী না পাওয়া গেলে বিদেশি শ্রমিকের আবেদন বিবেচনা করা হবে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
মালয়েশিয়ায় আগত নতুন বিদেশি শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও সুবিধার কথা বিবেচনা করে মন্ত্রিসভা তাদের সাময়িক অবস্থানের জন্য একটি ট্রানজিট সেন্টার স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরের ভিড় কমাতে এবং নিয়োগকর্তারা এসে তাদের নিজ দায়িত্বে নিয়ে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত শ্রমিকরা এই সেন্টারে অবস্থান করবেন।
যদিও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় কোটা অনুমোদন ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে, বিদেশি শ্রমিকদের কাজের পারমিট বা পাস ইস্যু করার চূড়ান্ত ক্ষমতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (কেডিএন) কাছে থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন