ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সঞ্চয়পত্রের টাকা পেতে ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ে শুরু হচ্ছে এভিএস


সঞ্চয়পত্রের টাকা পেতে ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ে শুরু হচ্ছে এভিএস

সরকার স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস) চালু করেছে, যা সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পেতে ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বরের কারণে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমাবে। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে ভুল হিসাবে টাকা চলে যাওয়ার ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় আগামীকাল ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংকগুলোর সহযোগিতায় এভিএস কার্যকর হবে। গ্রাহক যখন সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কিনবেন, তখন তাদের দেওয়া ব্যাংক হিসাব নম্বর তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে।

অর্থ বিভাগের ‘স্ট্রেনদেনিং পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম টু এনাবল সার্ভিস ডেলিভারি (এসপিএফএমএস)’ কর্মসূচির আওতায় এই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে সরকারের ১১টি জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের মধ্যে ৯টির লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা এনএসসি সিস্টেমে পরিচালিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

এনএসসি সিস্টেমে বর্তমানে নিবন্ধিত একক গ্রাহকের সংখ্যা ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ২২৪ জন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে মুনাফা ও মূল অর্থ পরিশোধ করা হয়। একই সময়ে গড়ে প্রায় ৮ হাজার নতুন সঞ্চয়পত্র ইস্যু হয়। জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের ব্যবস্থা আগে থেকেই ছিল, তবে এবার ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ের ব্যবস্থা যুক্ত হলো।

পূর্বে গ্রাহকের দেওয়া হিসাব নম্বর সরাসরি সিস্টেমে যুক্ত করা হতো। যদি কোনো সংখ্যা ভুল হতো, তাহলে ইএফটি ফেরত আসত এবং তথ্য সংশোধন করে আবার টাকা পাঠাতে হতো। এতে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাজের চাপও বাড়ত। ভুল নম্বরের কারণে একজনের প্রাপ্য অর্থ অন্যের হিসাবে চলে যাওয়ার ঝুঁকিও বিদ্যমান ছিল।

নতুন ব্যবস্থায় হিসাব নম্বর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। প্রথমে হিসাবটি সঠিক ও সচল কি না তা যাচাই করা হবে এবং পরে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের সঙ্গে হিসাবধারীর তথ্য মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। ফলে লেনদেনের আগেই ভুল বা অসামঞ্জস্য শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

নতুন সঞ্চয়পত্র বা বন্ড কেনার সময় এবং পরবর্তী সময়ে ব্যাংক হিসাব পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষেত্রেও এভিএস ব্যবহৃত হবে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর জানিয়েছে, এভিএস চালুর ফলে ভুল হিসাব নম্বরের কারণে ইএফটি ফেরত আসার ঝুঁকি কমবে, বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অতিরিক্ত কাজ কমবে। একই সঙ্গে গ্রাহকের প্রাপ্য অর্থ নিরাপদে ও নির্ভুলভাবে প্রকৃত হিসাবধারীর হিসাবে পাঠানো সহজ হবে।

অর্থ বিভাগের মতে, এভিএস জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ডিজিটাল সেবা আধুনিকায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর ফলে সঞ্চয়পত্রের লেনদেন আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য হবে এবং গ্রাহকের অর্থ দ্রুত ও সঠিক সময়ে নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে পৌঁছানো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে ইউপি সদস্য ও নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


চাঁদপুরে ইউপি সদস্য ও নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য গ্রেপ্তার

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আহাদ খাঁন জুয়েল (৩৫) এবং বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর মামলায় মো. নুরুজ্জামান সোহাগ (২৭) নামে এক যুবককে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া মো. নুরুজ্জামান সোহাগ একই ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের মো. নূরুল আমিন ভুইয়ার ছেলে।

অন্যদিকে, আহাদ খাঁন জুয়েল চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সদস্য এবং গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য। মো. নুরুজ্জামান সোহাগ গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ইউনিয়ন সভাপতি।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আহাদ খাঁন জুয়েলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে এবং মো. নুরুজ্জামান সোহাগের বিরুদ্ধে বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের মামলা রয়েছে। তারা আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত করে গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ই-জিপির শতভাগ বাস্তবায়ন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযুক্তিতে বিপিপিএর অগ্রাধিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ পি.এম


ই-জিপির শতভাগ বাস্তবায়ন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযুক্তিতে বিপিপিএর অগ্রাধিকার

বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় ই-জিপির শতভাগ বাস্তবায়ন, ক্রয়কারী সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও মেশিন লার্নিংয়ের ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

সংস্থাটি সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়ানো, অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার, মান ও টেকসইতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকল্প পরিচালকদের ক্রয় ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করছে।

সম্প্রতি বাসসকে এক সাক্ষাৎকারে বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ এখনও বিদ্যমান। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা গেলে সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি পাবে এবং ক্রয়ব্যবস্থার প্রতি নাগরিকদের আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

কামরুজ্জামান আরও জানান, সব সরকারি ক্রয়ে ই-জিপির বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা বিপিপিএর অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

এছাড়া, মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোর ক্রয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রকল্প পরিচালকদের ক্রয়, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ও সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দক্ষ করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অফলাইনে দরপত্র আহ্বানের বিষয়ে তিনি বলেন, বিপিপিএ নির্বিচারে অফলাইন টেন্ডারের অনুমতি দিচ্ছে না। কোন পরিস্থিতিতে ক্রয়কারী সংস্থাগুলো অফলাইনে দরপত্র আয়োজনের অনুমতি পাবে, সে বিষয়ে সম্প্রতি একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

ই-জিপি সফটওয়্যারের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ পুরোপুরি বিপিপিএর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আনার কাজও চলছে বলে জানান তিনি।

সরকারি ক্রয়ব্যবস্থার সাম্প্রতিক সংস্কার তুলে ধরে বিপিপিএর সিইও বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ডিবারমেন্ট রিভিউ বোর্ড গঠন ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে কোনো ক্রয়কারী সংস্থার ডিবারমেন্ট বা দরপত্রদাতাকে অযোগ্য ঘোষণার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের জন্য একটি স্বাধীন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে।

তার মতে, নতুন বোর্ড সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় ন্যায্যতা, যথাযথ প্রক্রিয়া ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে কামরুজ্জামান বলেন, ই-জিপি ভার্সন ২.০ চালু ও পুরোনো হার্ডওয়্যার প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যমান ই-জিপি ডেটা সেন্টার আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া নিজস্ব জমিতে বিপিপিএর স্থায়ী প্রধান কার্যালয় নির্মাণ এবং সাসটেইনেবল পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (এসপিপি) বাস্তবায়ন করা হবে।

সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়াকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও তথ্যভিত্তিক করতে এআই ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি সংযুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা আরও আধুনিক, নাগরিকবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পিপিআর ২০২৫-এ বড় সংস্কার

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর), ২০২৫-এ সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার আনা হয়েছে বলে জানান কামরুজ্জামান।

এসবের মধ্যে রয়েছে, জাতীয় পর্যায়ের কার্যসম্পাদনমূলক ক্রয়ে ১০ শতাংশ মূল্যসীমা বাতিল, সব সরকারি ক্রয়ে ই-জিপির বাধ্যতামূলক ব্যবহার ও সফল ঠিকাদারদের প্রকৃত মালিকানার তথ্য প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা।

এ ছাড়া পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে টেকসই সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা চালু, সব সরকারি ক্রয়ে ক্রয়কৌশল প্রণয়ন বাধ্যতামূলক ও ভৌত সেবাকে পৃথক ক্রয় শ্রেণি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

নতুন বিধিমালায় ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি ও আলোচনার সুযোগ সম্প্রসারণ, তথ্য প্রযুক্তিসংক্রান্ত ক্রয়ে দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে অংশীদার হিসেবে যুক্ত করার সুযোগ ও রিভার্স অকশন নামে নতুন অনলাইন ক্রয়পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।

নারী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্র ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য পরিচালন বাজেটের অন্তত ২৫ শতাংশ সংরক্ষণের বিধানও রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পৃথক প্রকিউরমেন্ট ইউনিট গঠন, অগ্রিম ক্রয়, বাজারের সঙ্গে আগাম সম্পৃক্ততা এবং কৌশলগত ক্রয় পরিকল্পনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

কামরুজ্জামান বলেন, এসব সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় কাঠামো আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আরও কাছাকাছি এসেছে।

তিনি জানান, সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালা পর্যালোচনার জন্য আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি কাজ করছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে আরও সংশোধনী আনা হতে পারে।

তিনি বলেন, সরকারি ক্রয়ব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, দক্ষতা, সততা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনসিপি নেতাকে খুঁজছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


গাজীপুরে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনসিপি নেতাকে খুঁজছে পুলিশ

গাজীপুরে একটি কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব জাহিদ মুন্সির বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এবং ব্যক্তিগত গোপনীয় ছবি-ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর বড় বোন বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, প্রায় চার মাস আগে কালীগঞ্জ পৌরসভার মুনসেফপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির ছেলে জাহিদ মুন্সির দোকানে ঘড়ি কিনতে গিয়ে ওই ছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় ঘটে। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

একপর্যায়ে জাহিদ মুন্সি কলেজছাত্রীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে ওই ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে পূবাইলের মিরের বাজারের একটি গেস্ট হাউস, বিভিন্ন হোটেল, রিসোর্ট এবং সরকারি শ্রমিক কলেজের পেছনে রেলওয়ে স্টেশনের পরিত্যক্ত স্টাফ কোয়ার্টারসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়।

কলেজছাত্রী জাহিদ মুন্সিকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকলে তাকে মারধর করা হয়। গত মঙ্গলবার ভুক্তভোগী তার বড় বোনকে সঙ্গে নিয়ে জাহিদ মুন্সির বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন, জাহিদ একাধিক বিয়ে করেছেন এবং তার একটি সন্তানও রয়েছে। এরপর ভুক্তভোগীর বড় বোন কালীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে জাহিদ মুন্সির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, "মামলার পর অভিযুক্তকে ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাঝরাতে ক্যাটরিনার বাড়িতে ধরা পড়লেন রণবীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


মাঝরাতে ক্যাটরিনার বাড়িতে ধরা পড়লেন রণবীর

বলিউডের একসময়ের আলোচিত জুটি রণবীর কাপুর ও ক্যাটরিনা কাইফের পুরোনো প্রেমের কাহিনী আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। ভারতের এক সাবেক সাংবাদিক সম্প্রতি সেই গোপন সম্পর্কের একটি নাটকীয় ঘটনার স্মৃতি রোমন্থন করেছেন।

সাংবাদিকের বক্তব্য অনুযায়ী, যখন রণবীর ও ক্যাটরিনার সম্পর্ক গোপন রাখার চেষ্টা চলছিল, তখন এক রাতে খবর আসে যে রণবীর ক্যাটরিনার বাড়িতে যাচ্ছেন। এই খবর পেয়ে গভীর রাতে সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত হন।

রাত ১টা ৩২ মিনিটের দিকে রণবীর ক্যাটরিনার বাড়ি থেকে বের হন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি ক্যাপ দিয়ে মুখ ঢেকে দ্রুত সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছু সময় পরেই ঘটে যায় একটি নাটকীয় ঘটনা।

হঠাৎ করেই আবার ফিরে আসেন রণবীর। এরপর সাংবাদিকদের গাড়ির দরজা খুলে ক্যামেরা ব্যাগ ও সাউন্ড রেকর্ডিংয়ের সরঞ্জাম নিয়ে নেন তিনি। তবে সাংবাদিকদের দৃঢ় অবস্থানের কারণে শেষ পর্যন্ত সেই সরঞ্জামগুলো ফেরত দিতে বাধ্য হন অভিনেতা।

সাবেক সাংবাদিক আরও জানান, একবার একটি শেষকৃত্য থেকে ফেরার সময়ও ক্যাটরিনার বাসায় রণবীরের গোপনে প্রবেশের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করার চেষ্টা করেছিলেন তারা। সেবারও বেশ কৌশলে পরিস্থিতি সামলে নিয়েছিলেন রণবীর।

রণবীর ও ক্যাটরিনার সম্পর্কের শুরু হয়েছিল ‘আজব প্রেম কি গজব কাহানি’ সিনেমার সেট থেকে। দীর্ঘ প্রায় সাত বছরের সম্পর্কের পর ২০১৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

এরপর সময়ের সঙ্গে দুজনেই নিজেদের জীবনে এগিয়ে গেছেন। রণবীর কাপুর বিয়ে করেছেন আলিয়া ভাটকে, আর ক্যাটরিনা কাইফের জীবনসঙ্গী ভিকি কৌশল। তবে তাদের প্রেমের সেই গোপন দিনগুলোর নানা ঘটনা এখনো বলিউডপ্রেমীদের আগ্রহের বিষয় হয়ে রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%