১১:১৩ এম
খাদ্যতালিকায় সহজেই পাওয়া যায়, তবে পুষ্টিগুণে অনন্য একটি ফল হলো আমলকি। এই ছোট ফলটি শুধুমাত্র স্বাদের জন্য না, বরং শরীরের সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই আয়ুর্বেদ, ইউনানি ও আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞানে আমলকির গুরুত্ব দীর্ঘদিন ধরে উল্লেখ হচ্ছে।
কাঁচা, শুকনো, আচার কিংবা রস—আমলকি বিভিন্নভাবে খাওয়া সম্ভব। যেভাবেই গ্রহণ করা হোক, এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে, হজমশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে এবং ত্বক ও চুলের যত্নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ কারণে, দেশ ও বিদেশে সুপারফুড হিসেবে এই ফলটির জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষভাবে, এটি প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ‘সি’-এর অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।
পুষ্টিবিদরা বলেছেন, আমলকির বিশেষত্ব হচ্ছে এটি কাঁচা অবস্থায় খুবই উপকারী, এবং প্রক্রিয়াজাত করার পরও এর অনেক পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে। আমলকিতে উপস্থিত ভিটামিন সি তাপ সহনশীল হওয়ায় শুকানোর বা রান্নার পরেও এর কার্যকারিতা বেশিরভাগ সময় বজায় থাকে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
পুষ্টিবিদদের মতে, আমলকিতে পলিফেনল, ফ্ল্যাভোনয়েড ও ট্যানিনের মতো উপকারী উপাদান রয়েছে। এগুলো শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আমলকি খাওয়ার মাধ্যমে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে, হজমশক্তি উন্নতি হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি পরিমিত পরিমাণ আমলকি রাখলে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে এবং সুস্থ জীবনযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন