ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০২৭ সালের হজের জন্য শুরু হয়েছে প্রাক-নিবন্ধন


২০২৭ সালের হজের জন্য শুরু হয়েছে প্রাক-নিবন্ধন

২০২৭ খ্রিষ্টাব্দে পবিত্র হজ পালনের জন্য আগ্রহীদের জন্য প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম আজ (১ জুলাই) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, সৌদি সরকারের ঘোষিত হজ রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

আজ বুধবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে। সৌদি সরকারের ঘোষিত হজ রোডম্যাপ অনুসরণ করে এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ইচ্ছুক যাত্রীদের তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৭ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এছাড়া উল্লেখ্য, গত ২৯ মে সৌদি আরবের জেদ্দায় একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে ২০২৭ সালের হজের আনুষ্ঠানিক রোডম্যাপ প্রকাশ করে দেশটির হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) বাংলাদেশের পক্ষ থেকে হজের রোডম্যাপ গ্রহণ করেন।

ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ৮ নভেম্বর দ্বিপাক্ষিক হজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যুর কার্যক্রম শুরু হবে। পবিত্র হজ ফ্লাইট পরিচালনার সম্ভাব্য সময় ৮ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৫ মে (৯ জিলহজ) ২০২৭ সালে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হবে। ৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট পরিচালনার কথা রয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ১৫ মে (৯ জিলহজ) অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের পবিত্র হজ।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন না হলে পরবর্তী হজ কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই আগ্রহী হজযাত্রীদের সময়মতো নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশের পোশাক পরিবর্তন: গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ এম


পুলিশের পোশাক পরিবর্তন: গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরল

পুলিশের পোশাক পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক দিন ধরে আলোচনা চলছিল। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশের পোশাক পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন রঙয়ের পোশাকের মধ্যে গাঢ় নীল ও হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট এবং খাকি রঙয়ের প্যান্ট থাকবে। বিএনপি সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ বুধবার পুলিশ কর্মকর্তাদের নতুন ইউনিফর্মে গাঢ় নীল ও হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট এবং খাকি রঙের প্যান্ট পরিহিত অবস্থায় দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। আজ বুধবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) পরিচালিত পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে নতুন পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে গাঢ় নীল শার্ট ও খাকি প্যান্টে এবং হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট ও খাকি প্যান্ট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ জানান, আজ থেকে পুলিশ সদস্যরা নতুন পোশাক পরতে শুরু করেছেন। তবে সকল সদস্যদের কাছে নতুন পোশাক এখনও পৌঁছায়নি। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক সদস্যই নতুন পোশাক পাবেন।

যারা নতুন পোশাক পেয়েছেন তারা সেটিতে দায়িত্ব পালন করছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশ সংস্কারের দাবি উঠেছিল। পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের দাবি ওঠে। ২০ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই অনুযায়ী পুলিশের শার্টের রঙ আইরন বা লোহা-ধূসর করা হয়, প্যান্টের রং কফি শেল বা কফি-বাদামি ধূসর রাখা হয়। নতুন পোশাকে গত বছর ২৫ নভেম্বর পুলিশ মাঠে নামলেও পোশাক নিয়ে সদস্যদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেক পুলিশ সদস্য পরিবর্তনের বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি, পোশাকের রং নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। নির্বাচিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর নতুন করে পোশাক পরিবর্তনের দাবি উঠতে থাকে। ১৮ জুন পোশাকের রঙ পরিবর্তনের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে পুলিশ সদর দপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে প্রয়োজনে পুলিশের শার্ট ও প্যান্টের পাশাপাশি জার্সি, কার্ডিগান, পুলওভার, জ্যাকেট, নারীদের পোশাক, মাথার আবরণ এবং পূর্ণহাতা পোশাকের রং-সংক্রান্ত বিধান পরিবর্তন সৃষ্টির বিষয়েও আলোচনা করা হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগে লোহা-ধূসর রঙের শার্টের ওপর লোহা-ধূসর রঙের ফুলহাতা জার্সি বা পুলওভার ব্যবহার করতে বলা হয়েছিল।

নতুন বিধানে নীল রঙয়ের শার্টের ওপর গাঢ় নীল রঙয়ের ফুলহাতা জার্সি বা পুলওভার যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জেলা পুলিশ এবং এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি ও র‌্যাব ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের ক্ষেত্রে খাকি রঙের টিসি টুইল কাপড়ের ট্রাউজার থাকবে। শার্ট হবে গাঢ় নীল রঙের টিসি প্লেইন ফেব্রিক কাপড়ের। শার্টে সামনে চারটি পকেট থাকবে এবং সামনের পাশে সাতটি বোতাম থাকবে। প্রজ্ঞাপনে নারী পুলিশের পোশাক সম্পর্কেও বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নারী পুলিশ চাইলে শাড়ি পরে। জেলা পুলিশ ও অন্যান্য ইউনিটের ক্ষেত্রে গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে গাঢ় নীল ব্লাউজ পরা যাবে। মহানগর পুলিশের ক্ষেত্রে গাঢ় নীল শাড়ির সঙ্গে হালকা জলপাই রঙের ব্লাউজ পরা হবে। এছাড়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নারী পুলিশ সদস্যরা চাইলে মাথার আবরণ ব্যবহার করতে পারবেন। ট্রাফিক ইউনিটে কর্মরত নারী পুলিশ সদস্যরাও বছরের সকল সময়ে পূর্ণহাতা শার্ট বা ব্লাউজ পরতে পারবেন। গর্ভাবস্থায় সংশ্লিষ্ট ইউনিটপ্রধানের পূর্বানুমোদন নিয়ে নারী পুলিশ সদস্য সাধারণ পোশাক পরিধান করতে পারবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্সে রেকর্ড, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ এম


২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্সে রেকর্ড, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার

দেশের ইতিহাসে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের ১২ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার।

আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) ১২ মাসে দেশে বৈধ চ্যানেলে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স আগে কখনো আসেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে নগদ প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত অর্থ পাঠানোর সুযোগ বাড়ায় প্রবাসীরা আগের তুলনায় বেশি বৈধ চ্যানেল ব্যবহার করছেন। ফলে চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে।

এদিকে অর্থবছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে কিছুটা ভাটা দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, জুনে দেশে এসেছে ২৮০ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সঙ্গে আগের বছরের জুনের তুলনায়ও রেমিট্যান্স কিছুটা কমেছে। তবে ব্যাংক হলিডের কারণে ১১টি ব্যাংকের তথ্য প্রাথমিক হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ফলে চূঢ়ান্ত হিসাবে এ অঙ্ক কিছুটা বাড়তে পারে। এর আগে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের অক্টোবরে, তখন আসে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ২ দশমিক ৮০৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৮২৩ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে জুন মাসে রেমিট্যান্সে ০ দশমিক ৬ শতাংশ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এদিকে, ৩০ জুন একদিনে দেশে ১২ কোটি (১২০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। তবে এটি সাময়িক (প্রভিশনাল) হিসাব। ব্যাংক হলিডের কারণে ১১টি ব্যাংকের তথ্য এতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে মাসভিত্তিক রেমিট্যান্সের চিত্রে দেখা যায়, জুলাইয়ে এসেছে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার, মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার, এপ্রিলে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, মে মাসে ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং জুনে ২৮০ কোটি ৬ লাখ ডলার।

উল্লেখ্য, গত মে মাসজুড়ে দেশে ২৯৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩৬ হাজার ২৩৪ কোটি টাকা। যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স।

এর আগে, সর্বশেষ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে। সেখান থেকে কমতে-কমতে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ পতনের সময় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়নে নেমে যায়। গত ১৪ জুন এডিবির ১০০ কোটি ডলার ঋণ যোগ হওয়ার পর ৩১ বিলিয়নের ঘর ছাড়িয়েছিল। আইএমএফের ঋণের শর্ত মেনে ২০২৩ সালের জুন থেকে বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হিসেবে ওই সময় রিজার্ভ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে রিজার্ভ সর্বোচ্ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে অর্থপাচার বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে সেখান থেকে দ্রুত কমতে থাকে। একই সাথে ওই সময়ে ৮৪ টাকা থেকে প্রতি ডলারের দর বেড়ে উঠে যায় ১২০ টাকায়। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ কমে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নামে।

২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবাহ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ৩৫ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫৩০ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল প্রায় ২৭ শতাংশ। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে সাময়িক স্বস্তি ফিরেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম, ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩০ পি.এম


দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম, ভরিতে বাড়ল ২,২১৬ টাকা

 

স্বর্ণালংকার। ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবী (পিওর) স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৯টায় বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন মূল্য একই দিন সকাল ১০টা থেকে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেট হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম প্রতি গ্রাম ১৮ হাজার ৩৫৫ টাকা, অর্থাৎ প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৮৯৩ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি গ্রাম ১৫ হাজার ৭৬৫ টাকা, ফলে প্রতি ভরির মূল্য ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণালংকারের দাম প্রতি গ্রাম ১২ হাজার ৮৮০ টাকা, যা প্রতি ভরিতে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৭৬ টাকা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনলাইন জুয়া-বেটিং দমনে নতুন আইন, ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৫ কোটি টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


অনলাইন জুয়া-বেটিং দমনে নতুন আইন, ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৫ কোটি টাকা জরিমানা

দেশের অনলাইন জুয়া, স্পোর্টস বেটিং, ভার্চুয়াল ক্যাসিনো, ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে জুয়ার অর্থ লেনদেন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পরিচালিত জুয়ার বিস্তার রোধে সরকার যুগোপযোগী নতুন আইন প্রণয়ন করেছে। এই আইনের নাম জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬, যা প্রায় ১৫৯ বছর আগে প্রণীত (পাবলিক গাম্বলিং এ্যাকট ১৮৬৭) আইনটিকে রহিত করেছে।

রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর বুধবার (১ জুলাই) আইনটি বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়েছে। আইনটি এর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়ে গেছে।

নতুন আইনে প্রথমবারের মতো অনলাইন জুয়া, অনলাইন বেটিং, স্পোর্টস বেটিং, ভার্চুয়াল বেটিং, ফ্যান্টাসি বেটিং, ই-স্পোর্টস বেটিং, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ভিপিএন, প্রক্সি, মিরর সাইট, ক্রিপ্টোকারেন্সি, ডিজিটাল ওয়ালেট, ঘোস্ট সিম, ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ম্যাচ ফিক্সিং এবং স্পট ফিক্সিংয়ের মতো ডিজিটাল অপরাধের পরিষ্কার সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।

একইসঙ্গে বলা হয়েছে যে এসব কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী ইন্টারনেট, মোবাইল নেটওয়ার্ক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, সার্ভার, ক্লাউডভিত্তিক অবকাঠামো, ভিপিএন বা অন্য কোনো প্রযুক্তিগত মাধ্যম ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনা, বেটিং পরিচালনা, অ্যাকাউন্ট খোলা বা ব্যবহার, জুয়ার অর্থ জমা, উত্তোলন কিংবা স্থানান্তর করা অপরাধ বলে গণ্য হবে।

বিদেশি অনলাইন জুয়া প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধি, এজেন্ট বা সহযোগী হিসেবেও কাজ করা যাবে না। সাধারণ জুয়ার অপরাধের জন্য সর্বাধিক দুই বছর কারাদণ্ড অথবা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অনলাইন জুয়া বা দূরবর্তী জুয়ার ক্ষেত্রে সর্বাধিক পাঁচ বছর কারাদণ্ড অথবা ১ কোটি টাকা জরিমানা করা যাবে।

অনলাইন বেটিং, বুকমেকার হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা, ভিপিএন বা মিরর সাইট ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনা কিংবা ডিজিটাল অবকাঠামোর মাধ্যমে জুয়ার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করার অপরাধের জন্য সর্বাধিক সাত বছর কারাদণ্ড এবং পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বাধিক সাত বছর কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা এবং স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বাধিক পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আদালত দোষী ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা স্থায়ীভাবে সংশ্লিষ্ট খেলাধুলা বা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করতে পারবেন।

জুয়ার বিজ্ঞাপন, প্রচারণা, স্পন্সরশিপ, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা রেফারেল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জুয়ার প্রসারে অংশগ্রহণ করলে গণমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ইনফ্লুয়েন্সার, শিল্পী, খেলোয়াড় কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তি সর্বাধিক তিন বছর কারাদণ্ড অথবা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

ভুয়া সিম, ঘোস্ট সিম, ভুয়া মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট অথবা অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র ও বায়োমেট্রিক তথ্য ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনার অপরাধে সর্বাধিক ৭ বছর কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। তবে সংঘবদ্ধভাবে বা অর্থপাচারের উদ্দেশ্যে এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত হলে সর্বাধিক ১০ বছর কারাদণ্ড এবং পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

আইনে জুয়ার অর্থ ব্যাংক, এমএফএস, ডিজিটাল ওয়ালেট, হাওলা, হুন্ডি বা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে স্থানান্তর, গোপন বা বৈধ করার চেষ্টাকে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সাথে সম্পৃক্ত অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফলে এ ধরনের অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনেও বিচার হবে।

নতুন আইনের অধীনে আদালতকে অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধলব্ধ ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট, ক্রিপ্টো সম্পদ, সার্ভার, ডোমেইন, সিম, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ডিভাইসসহ সংশ্লিষ্ট সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। জুয়ার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত ভবন, অফিস, কল সেন্টার, সার্ভার অবকাঠামো বা অন্য কোনো সম্পত্তি আদালতের আদেশে বাজেয়াপ্ত করা যাবে।

কোনো কোম্পানি, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, হোস্টিং প্রোভাইডার বা পেমেন্ট গেটওয়ে এ ধরনের অপরাধে জড়িত থাকা সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পরিচালক, ব্যবস্থাপক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে। আদালত ওই প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিলের নির্দেশ দিতে পারবেন। আইনটি উল্লেখ করে বলা হচ্ছে যে, অনলাইন জুয়া ও সাইবার স্পেস ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধের বিচার সাইবার ট্রাইব্যুনালে হবে। অন্য অপরাধের বিচার হবে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী।

এসব অপরাধকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপস অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিচের পুলিশ কর্মকর্তারা এসব অপরাধের তদন্ত করবেন। আদালতের অনুমতি নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযুক্তের ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট বা ক্রিপ্টো ওয়ালেট সাময়িকভাবে ফ্রিজ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।

আইনে সরকারকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিপ প্যাকেট ইনস্পেকশন (ডিপিআই), ট্রানজ্যাকশন মনিটরিং সিস্টেম, ডেটা অ্যানালিটিক্সসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইন জুয়া শনাক্ত ও প্রতিরোধের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় ডিজিটাল ব্ল্যাকলিস্ট ডেটাবেজ, এনআইডি-সিম-এমএফএস লিংকিং সিস্টেম, বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন এবং ফেসিয়াল রিকগনিশনভিত্তিক যাচাই ব্যবস্থা চালু করার সুযোগ রাখা হয়েছে।

আইন বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), নির্বাচন কমিশন, সিআইডি, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণা, বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ এবং জনসচেতনতার কার্যক্রম পরিচালনারও বিধান রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নতুন আইন কার্যকর করার মাধ্যমে ঔপনিবেশিক আমলে প্রণীত পাবলিক গ্যামলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭ আনুষ্ঠানিকভাবে রহিত হয়েছে। তবে পূর্ববর্তী আইনের অধীনে চলমান মামলা ও কার্যক্রম নতুন আইনের বিধান অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%