শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৪ পি.এম
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের মধুখালীতে বাস ও ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মো. জুয়েল (২৮) নামের এক বাস সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ১৫ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে মধুখালী উপজেলার বনমালিদিয়া এলাকায় শাহ হাবিব আলীম মাদ্রাসার সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত জুয়েল চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গাগামী পূর্বাশা পরিবহণের একটি বাস এবং মাগুরাগামী ময়দাবোঝাই একটি ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এই সময় পূর্বাশা পরিবহণের সুপারভাইজার মো. জুয়েলের মৃত্যু ঘটে।
করিমপুর হাইওয়ে থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ আবদুস সালাম জানান, ময়দাবোঝাই ট্রাকটি শাহ হাবিব দাখিল মাদ্রাসার সামনে পৌঁছালে হঠাৎ একটি টায়ার বিস্ফোরিত হয়। এরপর চালক টায়ার পরিবর্তনের জন্য ট্রাকটি মহাসড়কের উপর পার্ক করে রাখেন। এই সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা পূর্বাশা পরিবহণের বাসটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার সময় বাসের সুপারভাইজার মো. জুয়েল বাম পাশে ইঞ্জিন কভারে বসে ছিলেন। ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। আহত অন্তত ১৫ জনকে উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার ঐতিহ্যবাহী রাজধানী মস্কোয় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৩৯তম মস্কো আন্তর্জাতিক বইমেলা। এই জ্ঞানের মহাযজ্ঞে দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে পবিত্র কুরআন কেন্দ্রিক একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। সৌদি আরবের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, দাওয়াহ ও গাইডেন্স মন্ত্রণালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে বইমেলার সৌদি প্যাভিলিয়নে প্রদর্শিত হচ্ছে প্রভূর পবিত্র বাণীর বৈশ্বিক রূপ এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়।
সৌদি প্যাভিলিয়নের প্রধান আকর্ষণ হলো বিখ্যাত 'কিং ফাহদ গ্লোরিয়াস কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স'-এর নান্দনিক ও প্রামাণ্য প্রকাশনাসমূহ। এখানে পবিত্র কুরআন মুদ্রণ, নির্ভুল সংরক্ষণ এবং বিশ্বব্যাপী বিতরণের প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়া, মন্ত্রণালয়ের আধুনিক প্রযুক্তিগত সাফল্যও প্রদর্শিত হচ্ছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো—
প্রজ্ঞাময় ইসলামী দাওয়াহ ও মধ্যপন্থার বার্তা। প্রদর্শনীতে মন্ত্রণালয়ের ইসলাম ধর্মীয়, শিক্ষামূলক ও সচেতনতামূলক নানা ঐতিহাসিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হচ্ছে। ইসলামের প্রকৃত রূপ, মধ্যপন্থা ও ভারসাম্যের যে শাশ্বত সৌন্দর্য— তা তুলে ধরাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক বিশ্বে ইসলামি ভাবমূর্তি বিনির্মাণের এক অপূর্ব সুযোগ তৈরি করেছে এই আয়োজন।
বিশিষ্ট অতিথিদের সমাগম ও মেলার প্রহর
এরই মধ্যে এই নজরকাড়া প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত সামি আল-সাদহান এবং ‘কিং আবদুল আজিজ সেন্টার ফর কালচারাল কমিউনিকেশন’-এর মহাসচিব আবদুল্লাহ আল-ফাওজানসহ আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা।
শিল্প ও সাহিত্যের এই আন্তর্জাতিক মস্কো বইমেলা ২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে এবং এর রেশ থাকবে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। জ্ঞানপিপাসুদের পদচারণায় দিন দিন মুখরিত হয়ে উঠছে সৌদির এই বিশেষ আয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মন্তব্য করেছেন যে, ধর্মবিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কোনো ব্যক্তি যেন পিছনে পড়ে না যায় অথবা অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ করে কিংবা সুবিধাবঞ্চিত হয়—এটি বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা মানুষকে মানুষ হিসেবে চিনতে শিখেছি।" এই শিক্ষা তার রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রদান করেছে। তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকলেও আমরা মানুষের পাশে থাকি এবং ক্ষমতায় না থাকলেও মানুষের পাশে থাকি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) যশোর জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর পূজা উদযাপন পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত শোভাযাত্রাপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন, যা শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যারা ধর্মকে পুঁজি করে সস্তা রাজনীতি করে এবং দেশে বিভক্তি বা সমাজে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারের পাশাপাশি আমরা সবাই মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্ম মানুষের বিশ্বাস এবং চেতনার বিষয়, যা রাজনীতির মাঠে অনৈতিক সুবিধালাভের মাধ্যম হতে পারে না। তিনি উল্লেখ করেন, "আজকের এই দিনটি কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং আধ্যাত্মিক চেতনায় উজ্জীবিত হওয়ার দিন।" দ্বাপর যুগে অন্ধকারাচ্ছন্ন পাপাচারময় সময়ে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হয়েছিল। মথুরার কংসের কারাগারে বন্দিদশার সেই কঠিন সময়ে তার জন্ম আমাদের এই বার্তা দেয়, রাতের অন্ধকার যত গভীর হোক না কেন, ন্যায়ের পথ ধরে আসে মুক্তির আলো—এটাই পরম সত্য।
তিনি বলেন, সমাজ থেকে সত্য ও বিশ্বাস হারিয়ে গেলেও সমাজ টিকে থাকবে আশার আলো নিয়ে। সেই আশার আলো হচ্ছে, আবারও সমাজে সত্য উন্মোচিত হবে এবং পরস্পরের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপন ও ভালোবাসা সৃষ্টি হবে। যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত কিংবা গোষ্ঠীগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সেই শিক্ষা দিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদে বলেছিলেন, কারও ধর্মবিশ্বাস কিংবা রাজনৈতিক দর্শন বিবেচ্য নয়, বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডে বসবাসকারী সকলের একটি পরিচয়, আমরা বাংলাদেশি। তাই আপনাদের (সনাতন ধর্মাবলম্বী) দুর্বল ভাবার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে এই যশোরের মাটিতে তার যতখানি অধিকার রয়েছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদেরও ঠিক ততখানি অধিকার রয়েছে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এবং যশোর পৌর প্রশাসক রফিকুল হাসান।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, পৌরসভার সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট যশোর জেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাড. দেবাশীষ দাস, রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশন যশোরের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দজী মহারাজ, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রবিন পাল, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার সরকার, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উৎপল ঘোষ প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যখন গরুর মাংসের দাম সাধারণ মানুষের জন্য নাগালের বাইরে চলে গেছে, তখন সিরাজগঞ্জে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগে স্বস্তি মিলছে। মো. আব্দুস সাত্তার নামে এক খামারি মাত্র ৬০০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস বিক্রি করছেন।
সিরাজগঞ্জ পৌর শিশু পার্কের সামনে প্রতি শুক্রবার তিনি নিজের খামারের দেশি ষাঁড় জবাই করে সাধারণ মানুষের কাছে এই স্বল্পমূল্যে মাংস বিক্রি করেন। বাজারদরের তুলনায় কম দামে মাংস কিনতে পেরে স্থানীয় সাধারণ মানুষ খুশি।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে যেখানে অনেক পরিবারের জন্য গরুর মাংস কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে, সেখানে ৬০০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রির এই উদ্যোগ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। তাই প্রতি শুক্রবার সকাল থেকেই মাংস কিনতে ভিড় করেন স্থানীয় ক্রেতারা।
জনসেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হাজী মো. আব্দুস সাত্তার ইতোমধ্যে 'আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশন' নামে একটি সংস্থা গড়ে তুলেছেন। তিনি জানান, মানুষের কল্যাণে কাজ করাই তাঁর মূল উদ্দেশ্য। আল্লাহর দেওয়া সম্পদ মানুষের জন্য কাজে লাগাতে চান তিনি।
আব্দুস সাত্তার আরও বলেন, "আমার গরুর ফার্ম আছে, এটা আল্লাহর দেওয়া সম্পদ। অনেক গরু বড় হয়ে গেছে। তাই স্থানীয় কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তির সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, প্রতি শুক্রবার আমার ফার্মের চার-পাঁচটি গরু জবাই করে সাধারণ মানুষের কাছে মাংস বিক্রি করব।"
স্বল্পমূল্যে মাংস কিনতে পেরে স্থানীয় ক্রেতারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, মানুষের স্বার্থে নেওয়া এই উদ্যোগ নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
হাজী মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, "যারা মাংস নিতে আসছেন, তারা প্রত্যেকেই খুশি। প্রত্যেকটা ভালো কাজেই ইবাদত। চেষ্টা করি ভালো কাজ করার। সবকিছুর মালিক তো আল্লাহপাক। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন, আমিও আপনাদের জন্য দোয়া করি। আমার সিরাজগঞ্জ জেলা ও পৌরবাসীর জন্য দোয়া থাকবে। সবাই মিলে-মিশে ভালো থাকব।"
মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি হঠাৎ করে প্রবল বর্ষণের কবলে পড়েছে। ঝোড়ো হাওয়া চলার পাশাপাশি বজ্রপাতও হচ্ছে। ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) আগামী কয়েকদিনে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি জুড়ে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনটি জানাচ্ছে, জন্মাষ্টমীর উৎসবে অংশ নিতে বের হওয়া দর্শনার্থীরা হঠাৎ করে এই বাঁধভাঙা বৃষ্টির মুখোমুখি হন। বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি শুরু করেন।
ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের (আইএমডি) তিন ঘণ্টার বৃষ্টিপাতের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পালাম এলাকায় প্রায় সাড়ে ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে নাজাফগড়ে ০ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।
দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে প্রকাশিত স্বল্পমেয়াদি পূর্বাভাসে আইএমডি জানায়, দুপুর ২টা ১৫ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটের মধ্যে একাধিক স্থানে বজ্রবিদ্যুৎ ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দু-এক স্থানে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
আইএমডি আরও জানায়, বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে ভারতের অধিকাংশ স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ এবং কিছু কিছু জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বিজলি চমকানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
পরবর্তী তিন ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে দপ্তরটি জানিয়েছে, অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি বর্ষণের পাশাপাশি দু-এক জায়গায় ৫০ থেকে ১০০ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে, যার গতিবেগ সাময়িকভাবে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ