মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৯ পি.এম
সৌদি আরবের পবিত্র মসজিদুল হারামের ধর্মবিষয়ক দপ্তরের উপপ্রধান পদে নিয়োগ পেয়েছেন ড. ফরিদ বিন আলী আল-গামদি। একইসঙ্গে, তাকে ধর্মবিষয়ক দপ্তরের কার্যক্রম উন্নয়ন ও বিকাশের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারাম ও মদিনার পবিত্র মসজিদে নববীর ধর্মবিষয়ক প্রধান শায়খ ড. আবদুর রহমান বিন আবদুল আজিজ আস-সুদাইস সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তাকে এই পদে নিয়োগ দেন।
এই নিয়োগের উদ্দেশ্য হলো দপ্তরের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা, নেতৃত্ব ও একাডেমিক দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের কাজে যুক্ত করা এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন করা। এর ফলে মসজিদুল হারামে আগত মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের জন্য ধর্মীয় সেবা উন্নত করার পাশাপাশি সেবার মান বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
অধ্যাপক ফরিদ আলী আল-গামদি সৌদি আরবের উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও প্রশাসক। তিনি অতীতে উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্বও পালন করেছেন। তার একাডেমিক ও প্রশাসনিক অবদান প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও কমিউনিটি সার্ভিসের বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর ড. ফরিদ আল-গামদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শায়খ ড. আবদুর রহমান আস-সুদাইস। তিনি তার নতুন দায়িত্বে সাফল্য ও কল্যাণ কামনা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, তার অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ধর্মবিষয়ক দপ্তরের কার্যক্রম আরও উন্নত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) বিভিন্ন শূন্য পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মোট ১৪ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে ৯টি পদে। আগ্রহী প্রকৃত নাগরিকরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. রাশেদা বেগম দিনার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়।
পদের বিবরণ
প্রভাষক (এ্যাপারেল)
পদসংখ্যা: ১টি
বেতন স্কেল: ৪৪,০০০–১,০৫,৯০০ টাকা (গ্রেড-৯)
কর্মস্থল: এ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।
লাইব্রেরীয়ান
পদসংখ্যা: ১টি
বেতন স্কেল: ১,১৩,০০০–১,৪৮,৮০০ টাকা (গ্রেড-৩)
কর্মস্থল: সেন্ট্রাল লাইব্রেরি।
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ২টি
বেতন স্কেল: ২৪,০০০–৫৮,০০০ টাকা (গ্রেড-১৩)
কর্মস্থল: একাডেমিক শাখা ও রেজিস্ট্রার দপ্তর।
কেয়ারটেকার
পদসংখ্যা: ১টি
বেতন স্কেল: ২৪,০০০–৫৮,০০০ টাকা (গ্রেড-১৩)।
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট
পদসংখ্যা: ১টি
বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা (গ্রেড-১৬)।
সহকারী হিসাবরক্ষক
পদসংখ্যা: ১টি
বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা (গ্রেড-১৬)।
সহকারী ক্যাশিয়ার
পদসংখ্যা: ১টি
বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা (গ্রেড-১৬)।
লাইব্রেরী সহকারী
পদসংখ্যা: ১টি
বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা (গ্রেড-১৬)।
সিকিউরিটি গার্ড
পদসংখ্যা: ৫টি
বেতন স্কেল: ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা (গ্রেড-২০)।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
প্রভাষক (এ্যাপারেল): প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। স্নাতক পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণি অথবা ৪.০০-এর মধ্যে ন্যূনতম ৩.৭৫ সিজিপিএ থাকতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অথবা ৫.০০-এর মধ্যে ন্যূনতম ৪.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। পিএইচডিধারীদের ক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে ন্যূনতম ৩.৫০ সিজিপিএ থাকতে হবে।
লাইব্রেরীয়ান: গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞানে কমপক্ষে মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে। সব পর্যায়ে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি/বিভাগ বা সমতুল্য জিপিএ/সিজিপিএ থাকতে হবে। লাইব্রেরি বা অনুরূপ কাজে প্রথম শ্রেণির পদে কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা এবং ডেপুটি লাইব্রেরীয়ান পদে কমপক্ষে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার ওয়ার্ড প্রসেসিং ও ডাটাবেজে অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর: এইচএসসি বা সমমান পাস হতে হবে। সব পর্যায়ে কমপক্ষে দ্বিতীয় বিভাগ বা সমতুল্য জিপিএ থাকতে হবে। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে বাংলায় প্রতি মিনিটে ২৫ শব্দ ও ইংরেজিতে ৩৫ শব্দের গতি থাকতে হবে। এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ও অ্যাকসেস পরিচালনায় অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
কেয়ারটেকার: কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। ওয়ার্ড প্রসেসিং ও কম্পিউটার ডাটাবেজে অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার টাইপিস্ট: এইচএসসি বা সমমান পাস হতে হবে। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে বাংলায় প্রতি মিনিটে ২০ শব্দ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি থাকতে হবে।
সহকারী হিসাবরক্ষক ও সহকারী ক্যাশিয়ার: এইচএসসি (বাণিজ্য) বা সমমান পাস হতে হবে। হিসাবের কাজ, ওয়ার্ড প্রসেসিং ও কম্পিউটার ডাটাবেজে অভিজ্ঞ প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।
লাইব্রেরী সহকারী: সব পর্যায়ে কমপক্ষে দ্বিতীয় বিভাগ বা সমতুল্য জিপিএসহ এইচএসসি বা সমমান পাস হতে হবে। গ্রন্থাগার বিজ্ঞান/গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞানে সার্টিফিকেট কোর্স পাস হতে হবে।
সিকিউরিটি গার্ড: জেএসসি বা সমমান পাস হতে হবে। বিশ্বস্ত ও কঠোর পরিশ্রমে সক্ষম হতে হবে।
আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীদের বুটেক্সের রেজিস্ট্রার অফিস অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে নির্ধারিত জীবনবৃত্তান্তের ফরম সংগ্রহ করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে পাসপোর্ট সাইজের তিন কপি রঙিন সত্যায়িত ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, অভিজ্ঞতার সনদ এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। শিক্ষক পদের ক্ষেত্রে সব সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট সংযুক্ত করতে হবে।
প্রভাষক পদের জন্য পাঁচ সেট, লাইব্রেরীয়ান পদের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পাঁচ সেট এবং ৩ থেকে ৯ নম্বর পদের জন্য দুই সেট আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
আবেদনপত্র ও খামের ওপর পদের নাম, বিভাগ/দপ্তর এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিষয় উল্লেখ করতে হবে। আবেদনপত্র পাঠাতে হবে রেজিস্ট্রার, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮ বরাবর।
চাকরিরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
আবেদন ফি
বুটেক্সের ওয়েবসাইটে সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।
১ ও ২ নম্বর পদের জন্য: ২০০ টাকা
৩ থেকে ৮ নম্বর পদের জন্য: ১০০ টাকা
৯ নম্বর পদের জন্য: ৫০ টাকা
এর সঙ্গে প্রযোজ্য চার্জ যুক্ত হবে। পেমেন্টের রশিদের বুটেক্স কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।
আবেদনের সময়সীমা
আবেদনপত্র ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত অফিস চলাকালীন সময়ে জমা দেওয়া যাবে।
যদি কোনো পদের জন্য প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হয়, তবে প্রয়োজন অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। প্রাথমিকভাবে যোগ্য ও বাছাইকৃত প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকারের সময়, তারিখ ও স্থান মোবাইল নম্বরে চিঠি বা এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে না।
বিজ্ঞপ্তিটি নিচে দেখুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থাপনের প্রায় আট বছর অতিক্রম করলেও সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ (সামেক) হাসপাতালের এস্কেলেটর লিফটটি এখনও চালু করা সম্ভব হয়নি, যার জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ টাকা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকার কারণে এই ইলেকট্রিক সিঁড়িটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া হাসপাতালের ১০টি প্যাসেঞ্জার লিফটের মধ্যে তিনটি বিভিন্ন ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে, ফলে রোগী, তাদের স্বজন, চিকিৎসক ও নার্সদের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এস্কেলেটর লিফটটি চালু করার পাশাপাশি বন্ধ থাকা তিনটি প্যাসেঞ্জার লিফট মেরামতের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে একাধিকবার লিখিতভাবে অবহিত করেছেন। কিন্তু এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কুদরত-ই খোদা গণমাধ্যমকে জানান, ২০১৮ সালের দিকে হাসপাতালের চিকিৎসক ও দর্শনার্থীদের ব্যবহারের জন্য একটি এস্কেলেটর লিফট এবং ১০টি প্যাসেঞ্জার লিফট স্থাপন করা হয়েছিল। নির্মাণের পর থেকে এস্কেলেটরটি চালু করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, ১০টি প্যাসেঞ্জার লিফটের মধ্যে তিনটি বর্তমানে বিভিন্ন ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এস্কেলেটরটি চালু, তিনটি প্যাসেঞ্জার লিফট মেরামত এবং ১১টি মেইনটেন্যান্স কাজের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ গত ৫ জুলাই ২০২৬ তারিখেও বিষয়টি জানিয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তিনি উল্লেখ করেন, ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন বহির্বিভাগ ও ভর্তি রোগীসহ দেড় থেকে দুই হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। তাদের মধ্যে অনেকেই লিফট ব্যবহার করেন। তিনটি লিফট বন্ধ থাকায় রোগী ও সাধারণ মানুষের পাশাপাশি চিকিৎসক-নার্সদেরও হাসপাতালে ওঠানামায় সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
জানা গেছে, ২০১৮ সালে ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রোপাটিস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের মাধ্যমে প্রায় ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে হাসপাতালটিতে একটি এস্কেলেটর লিফট স্থাপন করা হয়। তবে অজ্ঞাত ত্রুটির কারণে স্থাপনের পর থেকে এটি আর চালু করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ার কারণে মূল্যবান এই বৈদ্যুতিক যন্ত্রটি নষ্ট হওয়ার পথে রয়েছে।
এ বিষয়ে খুলনা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এ. কে. হাসানুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, তিনি প্রায় পাঁচ মাস আগে খুলনায় যোগদান করেছেন। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এস্কেলেটর লিফটের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পেরেছেন যে, সেখানে ১০টি প্যাসেঞ্জার লিফট থাকার পরও প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে এস্কেলেটর স্থাপন করা হয়েছিল। তার মতে, এতগুলো লিফট থাকার পর আলাদাভাবে এস্কেলেটর নির্মাণ কতটা যুক্তিসংগত ছিল, সেটিও প্রশ্নের বিষয়।
তবে তিনি জানান, এস্কেলেটরটির বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরীক্ষা করতে টেকনিশিয়ান পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বন্ধ থাকা তিনটি প্যাসেঞ্জার লিফট ও অন্যান্য মেইনটেন্যান্সের কাজও দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন, হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি উল্লেখ করেন, হৃদয়ের কোনো সতর্কসংকেত বা লক্ষণকে অবহেলা করা উচিত নয়। অসংক্রামক রোগের মধ্যে হৃদরোগেই অধিকাংশ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। সুতরাং, হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সচেতনতা অপরিহার্য।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সফিউদ্দিন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সকলেই সচেতন এবং সচেতনতার গুরুত্ব উপলব্ধি করি। তবে অনেক সময় সেই সচেতনতাকে বাস্তব জীবনে কার্যকর করা হয় না। হৃদরোগের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হৃদয়ের কোনো সংকেত বা সতর্কবার্তাকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, শুধু হৃদরোগ নয়, সংক্রামক ও অসংক্রামক সকল রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. আ ফ খবির উদ্দিন আহমেদ।
এর আগে সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল বিএমইউ প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব হার্ট দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে অংশ নেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এইচএম হারুনুর রশিদ (৫০), যিনি আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা, তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃত হারুনুর রশিদকে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদি চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয়।
তিনি ফরিদগঞ্জের বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি, চাঁদপুর জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও তার পরিচিতি রয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। তিনি জি.আর মামলা নং-৩৬২, তারিখ ১৩ আগস্ট ২০২৬ ইং-এর সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯-এর অভিযুক্ত আসামি।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হারুনুর রশিদ গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাগাদি চৌরাস্তা এলাকায় তাকে আটক করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ