ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খাগড়াছড়িতে আধিপত্যের লড়াই, ইউপিডিএফ–জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ৩


খাগড়াছড়িতে আধিপত্যের লড়াই, ইউপিডিএফ–জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ৩

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার ২ নম্বর চেঙ্গী ইউনিয়নের মধুমঙ্গলপাড়ায় আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ-প্রসীত) ও জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) মধ্যে সংঘটিত গোলাগুলির ফলে তিনজন নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ তিনজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়, এবং এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন প্রাণ হারান।

ওসি বলেছেন, নিহতদের পরিচয় এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে খবর পেয়ে। মরদেহ উদ্ধার এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাস ধরে পানছড়ি এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (সন্তু গ্রুপ) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (প্রসীত গ্রুপ)-এর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে থেমে থেমে সংঘর্ষ সম্পর্ক প্রভাব ফেলছে।

গোলাগুলির পূর্বে, গত ২৪ জুন খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও রামগড় উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে সংঘটিত গোলাগুলির ঘটনায় ইউপিডিএফ (প্রসীত)-এর দুটি সদস্য প্রাণ হারান। রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘটিত গোলাগুলিতে ববিন ত্রিপুরা (৩২) নিহত হন এবং একই ঘটনায় মংসানু মারমা ওরফে জীবন (২৯) আহত হন বলে দাবি করে ইউপিডিএফ। ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে নিরাপত্তাবাহিনী একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করে।

একই দিন দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োপাড়া এলাকায় গুলিতে ইউপিডিএফ সদস্য সুজন চাকমা (৪৮) নিহত হন। ইউপিডিএফ সংগঠনটি ঘটনার জন্য জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে। তাদের দাবি, জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যরা তাদের কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ছিল।

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে পার্বত্য অঞ্চলে সংঘর্ষ, সশস্ত্র তৎপরতা ও আধিপত্যের দ্বন্দ্বে অন্তত তিনজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি, আতঙ্কে দ্বীপবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ এম


সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি, আতঙ্কে দ্বীপবাসী

স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং বসবাসকারীদের নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

টানা ভারী বর্ষণে দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেড়ে গেছে। এই কারণে দ্বীপের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। উত্তাল বঙ্গোপসাগরের বড় বড় ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ার ফলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) থেকে টানা তিন দিন ধরে কক্সবাজার, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এদিকে, একই সঙ্গে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত দমকা হাওয়া সাগরকে আরও উত্তাল করে তুলেছে। মাঝে মাঝে বাতাসের দিক পরিবর্তিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্বীপের নিচু এলাকার অনেক বাড়ি ও ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ মানুষ ঘরেই অবস্থান করছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বিনা কারণে বাইরে বের হচ্ছেন না। সাগর উত্তাল থাকায় মাছ ধরতে যেতে পারছেন না জেলেরা, যার ফলে তাদের জীবিকা ব্যাহত হচ্ছে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের একজন স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেব উল্লেখ করেন, টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও উত্তাল সাগরের কারণে বঙ্গোপসাগরের পানির উচ্চতা আগের তুলনায় আনুমানিক ৪ থেকে ৫ ফুট বেড়ে গেছে। বড় বড় ঢেউ একের পর এক দ্বীপের চারপাশে আছড়ে পড়ছে। একই সঙ্গে ভারী বৃষ্টির কারণে দ্বীপের বিভিন্ন নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি আরও যোগ করেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে অধিকাংশ বাসিন্দা নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। সাগর উত্তাল থাকায় জেলেরা মাছ ধরতে যেতে পারছেন না। যদি দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকে, তাহলে দ্বীপের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

সেন্টমাটিন সাভিস ট্রলার সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে। সতর্ক সংকেত কেটে গেলে পুনরায় ট্রলার চলাচল শুরু হবে।

সেন্টমার্টিনের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানিয়েছেন, দ্বীপে অনেক বাড়ি ও ঘর ডুবে গেছে। এ ছাড়া বৈরী আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচলও বন্ধ রয়েছে। ফলে দ্বীপে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী জানিয়েছেন, ট্রলার চলাচল বন্ধ রয়েছে। টানা ভারী বৃষ্টির কারণে সেন্টমার্টিনে বঙ্গোপসাগরের পানির উচ্চতা বেড়েছে। বৈরী আবহাওয়া ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্তের ওপারে সংঘাত, এপারে থমকে জীবিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ এম


সীমান্তের ওপারে সংঘাত, এপারে থমকে জীবিকা

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইনে নতুনভাবে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর টেকনাফ সহ বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তেও বিজিবি তাদের টহল এবং নজরদারি জোরদার করেছে।

বাংলাদেশ সীমান্ত পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক থাকলেও মিয়ানমারের অভ্যন্তরে নতুন করে জান্তা বাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র সংঘাত শুরু হওয়ায় সীমান্তবাসীর মধ্যে আতঙ্ক কাটেনি। নিরাপত্তাজনিত কারণে নাফ নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় জীবিকার একমাত্র পথ হারিয়ে টেকনাফের কয়েক হাজার জেলে চরম সংকটে পড়েছেন। এদিকে, নতুন করে যেকোনও ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে স্থল ও জলসীমান্তে বিজিবি এবং কোস্ট গার্ড সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে টেকনাফের নাইট্যংপাড়া সীমান্তে গিয়ে দেখা যায়, নাফ নদীর তীরে সারি সারি মাছ ধরার ট্রলার এবং নৌকা নোঙর করে রাখা হয়েছে। গভীর নদীতে যাওয়ার অনুমতি না পাওয়ায় অনেকে তীরের কাছাকাছি মাছ ধরার চেষ্টা করছেন, তবে তাতে আশানুরূপ মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

নাইট্যংপাড়ার জেলে আব্দুল মালেক বলেন, 'টেকনাফ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারে আবারও গোলাগুলি শুরু হওয়ায় নিরাপত্তার কারণে আমাদের নদীতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এতে মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল শত শত জেলে পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে। দুই দিন আগেও ওপারে ভারী গোলাগুলি এবং বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।'

সৈয়দ হোসেন নামের আরেক জেলে জানান, মিয়ানমারে চলমান গোলাগুলি এবং বিমান হামলার কারণে তারা চরম অনিশ্চয়তা এবং ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তারা সরকারের কাছে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে নিরাপদে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার জন্য দাবি করেন।

সীমান্ত সূত্র জানায়, গত বুধবার টেকনাফ সংলগ্ন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিমান হামলা চালায় দেশটির জান্তা বাহিনী। এরপর থেকে ওপারের রাখাইন রাজ্যে থেমে থেমে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে। ওপারে সংঘাতের প্রভাব যেন এপারে না পড়ে, সেজন্য বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নাফ নদীতে তাদের টহল এবং নজরদারি জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড। একইভাবে স্থলসীমান্তে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

টেকনাফ কোস্ট গার্ড স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন বলেন, 'মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের বিষয়ে কোস্ট গার্ড সার্বক্ষণিক অবগত রয়েছে। সম্ভাব্য রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ এবং যেকোনও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য নাফ নদী এবং সীমান্তবর্তী জলসীমায় টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং ড্রোন পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রয়েছে।' তিনি সীমান্তবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

বিজিবির রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে বিজিবির সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেননি।'

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইনে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর টেকনাফের পাশাপাশি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তেও বিজিবি তাদের টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঁচলাইশে দেয়ালধসে যুবকের মৃত্যু, শিশুসহ আহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ এম


পাঁচলাইশে দেয়ালধসে যুবকের মৃত্যু, শিশুসহ আহত ৩

চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশের রহমান নগর আবাসিক এলাকায় পাহাড়ধসের কারণে একজন যুবক মারা গেছে।

একই ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন, তাদের মধ্যে দুই বছর বয়সী একটি শিশু রয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে ওই এলাকার ‘বি’ ব্লকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত যুবকের নাম শফিকুল রহমান, যিনি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার অধিবাসী।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন—মর্জিনা বেগম (৫৫), সোহান (৪) এবং ছাইফা (২)।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আহত দুইজনকে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. আলাউদ্দিন।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম বলেন, "একজনের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছি। আহত তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।"

এদিকে জেলা প্রশাসন সোমবার থেকে বিভিন্ন পাহাড়ে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করে। কিন্তু অনেক বাসিন্দা এখনও পাহাড়ে বসবাস করে যাচ্ছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪২ বছর পর চট্টগ্রামে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত-ভেঙেছে সড়ক, পাহাড়ধসে মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ এম


৪২ বছর পর চট্টগ্রামে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত-ভেঙেছে সড়ক, পাহাড়ধসে মৃত্যু

চট্টগ্রাম নগরবাসী ৪২ বছর পর গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত উপভোগ করেছে। এটি ১৯৮৩ সালের পরের সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড। আগে রেকর্ড করা বৃষ্টিপাত ছিল ৫১১ মিলিমিটার। অতিভারী এই বৃষ্টিপাতের কারণে নগরের নিচু এলাকায় প্লাবন দেখা দিয়েছে। রিং রোডের একটি অংশ ভেঙে গেছে। একই সময়ে পাঁচলাইশ এলাকায় পাহাড়ধসে একজন যুবক মারা গেছে, আহত হয়েছে আরও তিনজন।

আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, যদি এমন বৃষ্টি অমাবস্যা অথবা পূর্ণিমার সময় হতো, তাহলে সম্ভবত জোয়ারের উচ্চতা পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারতো। এর ফলে চট্টগ্রামবাসী বড় বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারতো। তবে আরও তিন দিন এ ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) একদিনের ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের ফলে নগরী বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পতেঙ্গার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানাচ্ছেন, সোমবার বিকেল ৩টা থেকে মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার। জোয়ার শুরু হয়েছে সকাল ১১টা ৪৪ মিনিটে এবং এটি থাকবে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত। জোয়ারের উচ্চতা সর্বাধিক ৪ দশমিক ৫৬ মিটার।

সুমন সাহা আরও জানাচ্ছেন, আগামী ১৪ জুলাই পূর্ণিমা। এই সময়ে পূর্ণিমা জোয়ারের উচ্চতা ৫ থেকে সাড়ে ৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। এবং যদি অতিভারী বৃষ্টি হয়, তাহলে জোয়ারের পানি বেড়ে যায় এবং পানি নিষ্কাশনে সমস্যা হতে পারে। স্বাভাবিক জোয়ারের সময় বৃষ্টির পানি যোগ হলে পানি নেমে যেতে সময় লাগে এবং ততক্ষণে নগর ডুবে যেতে পারে।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার সারাদিনের বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের পানির কারণে নগরীতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে এবং তা সরতে অতিরিক্ত সময় লাগছে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বাধিক ১০০ মিলিমিটার। আরও ২ থেকে ৩ দিন এই ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ধসের জন্যও সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

বিকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও জলাবদ্ধতার পানি ধীরে ধীরে সরছে। নালা আর্বজনায় ভর্তি থাকায় পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।

সকালে নগরের আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, বাদামতলী, কাতালগঞ্জ, চান্দগাঁও, পাঠানটুলী, চৌমুহনী, হালিশহর, বাকলিয়া, চকবাজার, কাতালগঞ্জ, মোহরা ও পতেঙ্গা এলাকাসহ বিভিন্ন সড়কে হাঁটুপানি থেকে শুরু করে কোথাও কোথাও কোমরসমান পানি দেখা গেছে। অনেক স্থানে সড়ক ও নালা একাকার হয়ে যাওয়ায় গাড়ি ধীরগতিতে চলাচল করছিল।

আগ্রবাদের অধিকাংশ এলাকায় বিকেল ৫টার পরও পানিবন্দি দেখা গেছে। বেপারিপাড়া, হাজীপাড়া, এক্সেস রোডসহ পুরনো এলাকা পানিতে ডুবে ছিল। অনেক বাসাবাড়ি ও দোকানপাটেও পানি প্রবাহিত হয়েছিল। এই অবস্থার ফলে রিকশা ও অটোরিকশার ভাড়া দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে বৃষ্টির কারণে তিনটি ফ্লাইট নামতে না পেরে ঢাকায় অবতরণ করেছে। এছাড়া নগরের পতেঙ্গা রিং রোডে মাটি সরে গিয়ে রাস্তা ধসে পড়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%