ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৪২ বছর পর চট্টগ্রামে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত-ভেঙেছে সড়ক, পাহাড়ধসে মৃত্যু


৪২ বছর পর চট্টগ্রামে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত-ভেঙেছে সড়ক, পাহাড়ধসে মৃত্যু

চট্টগ্রাম নগরবাসী ৪২ বছর পর গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত উপভোগ করেছে। এটি ১৯৮৩ সালের পরের সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড। আগে রেকর্ড করা বৃষ্টিপাত ছিল ৫১১ মিলিমিটার। অতিভারী এই বৃষ্টিপাতের কারণে নগরের নিচু এলাকায় প্লাবন দেখা দিয়েছে। রিং রোডের একটি অংশ ভেঙে গেছে। একই সময়ে পাঁচলাইশ এলাকায় পাহাড়ধসে একজন যুবক মারা গেছে, আহত হয়েছে আরও তিনজন।

আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, যদি এমন বৃষ্টি অমাবস্যা অথবা পূর্ণিমার সময় হতো, তাহলে সম্ভবত জোয়ারের উচ্চতা পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ মিটার পর্যন্ত বাড়তে পারতো। এর ফলে চট্টগ্রামবাসী বড় বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে পারতো। তবে আরও তিন দিন এ ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) একদিনের ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের ফলে নগরী বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পতেঙ্গার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা জানাচ্ছেন, সোমবার বিকেল ৩টা থেকে মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার। জোয়ার শুরু হয়েছে সকাল ১১টা ৪৪ মিনিটে এবং এটি থাকবে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত। জোয়ারের উচ্চতা সর্বাধিক ৪ দশমিক ৫৬ মিটার।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

সুমন সাহা আরও জানাচ্ছেন, আগামী ১৪ জুলাই পূর্ণিমা। এই সময়ে পূর্ণিমা জোয়ারের উচ্চতা ৫ থেকে সাড়ে ৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। এবং যদি অতিভারী বৃষ্টি হয়, তাহলে জোয়ারের পানি বেড়ে যায় এবং পানি নিষ্কাশনে সমস্যা হতে পারে। স্বাভাবিক জোয়ারের সময় বৃষ্টির পানি যোগ হলে পানি নেমে যেতে সময় লাগে এবং ততক্ষণে নগর ডুবে যেতে পারে।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার সারাদিনের বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের পানির কারণে নগরীতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে এবং তা সরতে অতিরিক্ত সময় লাগছে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বাধিক ১০০ মিলিমিটার। আরও ২ থেকে ৩ দিন এই ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ধসের জন্যও সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

বিকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও জলাবদ্ধতার পানি ধীরে ধীরে সরছে। নালা আর্বজনায় ভর্তি থাকায় পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

সকালে নগরের আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, বাদামতলী, কাতালগঞ্জ, চান্দগাঁও, পাঠানটুলী, চৌমুহনী, হালিশহর, বাকলিয়া, চকবাজার, কাতালগঞ্জ, মোহরা ও পতেঙ্গা এলাকাসহ বিভিন্ন সড়কে হাঁটুপানি থেকে শুরু করে কোথাও কোথাও কোমরসমান পানি দেখা গেছে। অনেক স্থানে সড়ক ও নালা একাকার হয়ে যাওয়ায় গাড়ি ধীরগতিতে চলাচল করছিল।

আগ্রবাদের অধিকাংশ এলাকায় বিকেল ৫টার পরও পানিবন্দি দেখা গেছে। বেপারিপাড়া, হাজীপাড়া, এক্সেস রোডসহ পুরনো এলাকা পানিতে ডুবে ছিল। অনেক বাসাবাড়ি ও দোকানপাটেও পানি প্রবাহিত হয়েছিল। এই অবস্থার ফলে রিকশা ও অটোরিকশার ভাড়া দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে বৃষ্টির কারণে তিনটি ফ্লাইট নামতে না পেরে ঢাকায় অবতরণ করেছে। এছাড়া নগরের পতেঙ্গা রিং রোডে মাটি সরে গিয়ে রাস্তা ধসে পড়েছে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র পরীক্ষা দেয়নি ২১১২ জন, বহিষ্কার ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ এম


চট্টগ্রামে এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র পরীক্ষা দেয়নি ২১১২ জন, বহিষ্কার ৩

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসির ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা দেয়া হয়নি ২ হাজার ১১২ জন পরীক্ষার্থীর অবস্থায়। এ ছাড়া, অসদুপায় অবলম্বন করায় তিন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এই তথ্যগুলো সোমববার (৬ জুলাই) চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম নগরীর সরাইপাড়া সিটি কর্পোরেশন কলেজের শিক্ষার্থী, যার পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল ওমর গনি এমইএস কলেজ। এছাড়া, পাহাড়তলী কলেজের শিক্ষার্থী, যার পরীক্ষা কেন্দ্রও ছিল ওমর গনি এমইএস কলেজ এবং কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি শিক্ষার্থী, যার কেন্দ্র ছিল কুতুবদিয়া।

প্রতিবেদনে পরিষ্কারভাবে বলা হয়, বোর্ডের অধীনে পাঁচটি জেলায় মোট ১১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে শুধু চট্টগ্রাম জেলায় ৬৮টি কেন্দ্রে ৬৫ হাজার ১৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৩৩৪ জন অনুপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী জানান, বোর্ডের অধিভুক্ত পাঁচ জেলার সকল পরীক্ষাকেন্দ্রে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অসদুপায় অবলম্বন করায় দুটি জেলায় তিনজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতা, পাহাড়ধসের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০২ এম


টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতা, পাহাড়ধসের আশঙ্কা

টানা বৃষ্টির ফলে চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই সব অঞ্চলে গোড়ালি থেকে হাঁটু সমান পানি জমে রয়েছে। জলাবদ্ধতার ফলে সড়কগুলোতে যান চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে। এতে নগরবাসী ভোগান্তিতে পড়েছে। সকালে বৃষ্টির পানির সাথে জোয়ারের পানি মিশে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি ঘটে।

চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। এটি অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে চিহ্নিত। এই বৃষ্টিপাত শনিবার থেকে ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ বৃষ্টিপাত শুক্রবার পর্যন্ত চলবে। মৌসুমী বায়ু সক্রিয় রয়েছে। এছাড়া পাহাড় ধসের আশংকা রয়েছে বলেও তিনি জানান। পূর্ববর্তী সতর্কাবস্থাই বলবত রয়েছে।’

এদিকে টানা বৃষ্টির ফলস্বরূপ নগরীর বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, ফরিদার পাড়া, চান্দগাঁও, চকবাজারের তেলেপট্টি গলি, কাট্টলীর ঈশান মহাজন সড়ক, হালিশহরের কে ও এল ব্লকের সোনালি আবাসিক, বসুন্ধরা আবাসিক, রামপুর এবং আনন্দীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এই সব এলাকার মধ্যে আগ্রাবাদ এবং কাতালগঞ্জে হাঁটু সমান পানি জমে রয়েছে। ঈশান মহাজন সড়কে গাছ ভেঙে পড়েছে এবং গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের সামনের রাস্তাটি ধসে পড়েছে।

নগরবাসীর অনেকেরই সকালে কাজে যাওয়ার সময় গাড়ি না পাওয়ার কারণে ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা বলেছেন, ‘নগরের বেশ কয়েকটি স্থানে পানি জমে গেছে। বৃষ্টির পানির সাথে সকালে জোয়ারের পানি যুক্ত হওয়ায় এই জমাট অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে নালা ও খাল পরিষ্কার থাকা সত্ত্বেও পানি দ্রুত নেমে যাচ্ছে।’

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পানি উন্নয়ন বোর্ড চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পগুলো ৮ থেকে ১০ বছর ধরে চালু রয়েছে। গত মার্চ মাস পর্যন্ত এই প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে ধসে পড়েছে আউটার রিং রোডের একাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ এম


চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে ধসে পড়েছে আউটার রিং রোডের একাংশ

চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টির ফলে পতেঙ্গা এলাকায় আউটার রিং রোডের একটি অংশ ধসে পড়েছে। এই সড়কের একটি অংশ ধসে যাওয়ার ফলে এক পাশে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই সড়কটি মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত ভোররাতে পতেঙ্গা সৈকত এলাকা সংলগ্ন ট্রাফিক পুলিশ বক্সের পাশে ওই অংশটি ধসে পড়ে।

রাস্তাটি ব্যবহার করে বন্দরের ট্রাক ও বিমানবন্দরের যানবাহন চলাচল করে। সুতরাং, দ্রুত সড়কটি মেরামত করা না হলে আমদানি রপ্তানি কার্যকলাপে বড় ধরনের প্রভাব পরার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ট্রাফিক হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া বলেন, ‘সড়কের এক পাশে ধস হওয়ায় অন্য পাশ দিয়ে রেশনিং করে আমরা যান চলাচল স্বাভাবিক রেখেছি। কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছি। তারা কাজ শুরু করেছে।’

এদিকে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। চট্টগ্রামে টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণ এবং জোয়ারের পানিতে নগরের নিচু এলাকা সমূহে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ভারী বর্ষণে নগরীর মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, কাপাসগোলাসহ বিভিন্ন সড়ক হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামজুড়ে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ এম


টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামজুড়ে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টির কারণে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, পতেঙ্গা, হালিশহর, আকমল আলী রোড এবং কুয়াইশসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় নগরবাসী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে ভারী বৃষ্টির পর নগরীর নিচু এলাকাগুলোতে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক অফিসগামী মানুষকে জুতা হাতে নিয়ে পানির মধ্যে হাঁটতে দেখা গেছে, যাতে তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। গণপরিবহন ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংকটেও যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আগ্রাবাদ, বাকলিয়া, আকমল আলী রোড, সুন্নিয়া মাদ্রাসা রোড এবং চকবাজারের অনেক বাসা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে আসবাবপত্র ও মালামালের ক্ষতি হয়েছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটে, তবে স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী দুই থেকে তিন দিন চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, আমবাগান আবহাওয়া অফিসে একই সময়ে ২৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পরিমাণ রেকর্ড করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%