মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪৬ পি.এম
২০২৬ সালের দুর্গাপূজার জন্য সরকারি ছুটি দুটি দিন নির্ধারিত হয়েছে। সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
অর্থাৎ, দুর্গাপূজার সময় সরকারি ছুটি মূলত দুই দিন। তবে, হিন্দু ধর্মাবলম্বী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পূজা উপলক্ষে আরও দুই দিনের ঐচ্ছিক ছুটির সুযোগ রয়েছে। ঐচ্ছিক ছুটির আওতায় ১৮ অক্টোবর রোববার মহাসপ্তমী এবং ১৯ অক্টোবর সোমবার মহাষ্টমী উপলক্ষে ছুটি নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ছুটি থাকবে। তবে, প্রতিষ্ঠানভেদে ছুটির সময়সূচিতে ভিন্নতা দেখা দিতে পারে। সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজের ছুটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে পূজার ছুটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্ধারিত হতে পারে। এজন্য শিক্ষার্থীদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানের ছুটির নোটিশ অনুসরণ করা প্রয়োজন।
সরকারি ছুটির দিনগুলোতে সাধারণত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে, প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় কিছু নির্দিষ্ট শাখা বা সেবা চালু রাখা হতে পারে।
এদিকে, এটিএম, কার্ডভিত্তিক লেনদেন ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মতো ডিজিটাল সেবাগুলো সাধারণত চালু থাকে। এসব সেবার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নিজস্ব নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে।
যদিও সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তবে তা সকল কর্মীর জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত অনেক কর্মীকেই ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে।
হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন জরুরি সেবার কর্মীদের প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্বে থাকতে হতে পারে।
এভাবে, দুর্গাপূজায় সাধারণ সরকারি ছুটি দুটি দিন হলেও সবার ছুটির হিসাব এক নয়। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, ব্যাংক কর্মকর্তা এবং জরুরি সেবার কর্মীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পৃথক নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটি কার্যকর হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ১৫ জনকে সরাসরি নিয়োগের জন্য চারটি ক্যাটাগরির পদে আবেদন গ্রহণ করা হবে। হিসাবরক্ষক, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এবং অফিস সহায়ক পদে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৪ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৪টা পর্যন্ত আবেদন জমা দিতে পারবেন। পদভেদ অনুযায়ী বেতন গ্রেড-১২ থেকে গ্রেড-২০ এর মধ্যে নির্ধারিত হবে। অফিস সহায়ক পদে আবেদন করার জন্য এসএসসি বা সমমান পাস প্রার্থীদেরও সুযোগ রয়েছে।
পদের বিবরণ
হিসাবরক্ষক
পদসংখ্যা: ১টি
গ্রেড: ১২
যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য বিভাগে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। কম্পিউটারে ওয়ার্ড প্রসেসিং, ই-মেইল এবং ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।
সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ৩টি
গ্রেড: ১৩
যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি প্রয়োজন। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ থাকতে হবে। সাঁটলিপিতে ইংরেজিতে প্রতি মিনিটে ৭০ শব্দ ও বাংলায় ৪৫ শব্দ এবং কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে ইংরেজিতে ৩০ শব্দ ও বাংলায় ২৫ শব্দের গতি থাকতে হবে। ওয়ার্ড প্রসেসিং, ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা লাগবে।
অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ৩টি
গ্রেড: ১৬
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস হতে হবে। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ আবশ্যক। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে বাংলা ও ইংরেজিতে প্রতি মিনিটে ২০ শব্দের গতি থাকতে হবে। ওয়ার্ড প্রসেসিং, ই-মেইল ও ফ্যাক্স পরিচালনায় দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৮টি
গ্রেড: ২০
যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস।
বয়সসীমা
প্রার্থীর বয়স ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের জন্য এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়। তবে ২ ও ৩ নম্বর পদের বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৪০ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।
আবেদন যেভাবে
আবেদন শুরু হবে ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০টায়। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। mole.teletalk.com.bd
আবেদনের সময় ৩০০×৩০০ পিক্সেলের রঙিন ছবি এবং ৩০০×৮০ পিক্সেলের স্বাক্ষর আপলোড করতে হবে। ছবির সর্বোচ্চ সাইজ ১০০ কিলোবাইট এবং স্বাক্ষরের সর্বোচ্চ সাইজ ৬০ কিলোবাইট হতে হবে।
আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করতে হবে। আবেদন সাবমিটের পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টেলিটক প্রিপেইড নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।
আবেদন ফি
হিসাবরক্ষক পদের জন্য মোট ১৬৮ টাকা এবং সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের জন্য মোট ১১২ টাকা ফি দিতে হবে। অফিস সহায়ক পদের ক্ষেত্রে মোট ফি ৫৬ টাকা।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের সব পদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার ফি ও সার্ভিস চার্জসহ মোট ৫৬ টাকা দিতে হবে।
পরীক্ষার ধরন
সরকারি বিধি অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে না।
মৌখিক পরীক্ষার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত সনদের মূল কপি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।
প্রবেশপত্র ও পরীক্ষার সময়সূচি টেলিটক ও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে জানানো হবে। যোগ্য প্রার্থীদের মোবাইল ফোনেও এসএমএস পাঠানো হবে।
বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করা হয়েছে।
সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, সদ্য অব্যাহতি পাওয়া উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল করতে হবে। একই সঙ্গে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের ক্যাম্পাসে প্রবেশ ঠেকাতে প্রধান ফটকে অবস্থান করছেন তারা।
শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শাটডাউনসহ আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।
এদিকে, শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি। উপাচার্য নিয়োগ ও অব্যাহতি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে প্রত্যাহার করে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনরায় উপাচার্য পদে বহালের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবন, ছাত্রী হল ও শিক্ষক আবাসিক এলাকা প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল থেকে শিক্ষার্থীরা ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’, ‘ভিসির চেয়ার কারে চায়, সায়েম স্যারকেই আবার চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে উপাচার্য ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে পুনর্বহালের দাবিতেই তারা আন্দোলনে নেমেছেন। অধ্যাপক সায়েম গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বৃত্তি ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রজ্ঞাপনে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই প্রজ্ঞাপনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
নবনিযুক্ত উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না দেওয়ার ঘোষণা এবং শিক্ষার্থীদের শাটডাউন কর্মসূচির কারণে চুয়েট ক্যাম্পাসে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২৮ সালে শতবর্ষ পূর্ণ হতে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। ঐতিহাসিক এই মাইলফলক উদযাপন উপলক্ষে সংস্থাটি বছরের বিভিন্ন সময় নানা আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এর অংশ হিসেবে ভারতীয় দলের বিপক্ষে একটি বিশেষ ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাব সামনে এসেছে বিশ্ব একাদশের।
সম্প্রতি মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শতবর্ষ উদযাপনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় এই আয়োজনের পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিসিসিআইয়ের শতবর্ষ উদযাপন ২০২৭ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২৮ সালজুড়ে চলতে পারে। এই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে ভারত ও বিশ্ব একাদশের মধ্যে ম্যাচটি আয়োজনের চিন্তা করা হচ্ছে।
তবে, ম্যাচ আয়োজনের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সম্ভাব্য তারিখ, ভেন্যু কিংবা দুই দলের খেলোয়াড়দের তালিকা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। অর্থাৎ, পুরো পরিকল্পনাটি আপাতত প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
বিশেষ ম্যাচ আয়োজনের ধারণাটি নতুন নয় ভারত ও বিশ্ব একাদশের মধ্যে। অতীতে বিভিন্ন উপলক্ষে এমন ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদি বিসিসিআইয়ের শতবর্ষ উদযাপনে এবারও এমন একটি ম্যাচ আয়োজন করা হয়, তাহলে এটি ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাস ও ঐতিহ্য উদযাপনের একটি বড় আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার দেবিদ্বারে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার মধ্যে মা ও ৮ মাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে ইমন (২৪) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার সময় তাকে থামাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার ভাবী। পুলিশ এ ঘটনায় ইমনকে আটক করেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইমনের মা পেয়ারা বেগম (৬০) এবং তার ৮ মাস বয়সী ভাতিজি। আহত রাবেয়া আক্তার, নিহত শিশুটির মা এবং ইমনের ভাবী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে ইমন আত্মহত্যার চেষ্টা করলে তার মা পেয়ারা বেগম ও ভাবী রাবেয়া আক্তার তাকে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইমন দা দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। এক পর্যায়ে তিনি মাকে কুপিয়ে হত্যা করেন এবং ৮ মাস বয়সী ভাতিজিকে ছুড়ে ফেলে হত্যার অভিযোগও ওঠে।
ইমনকে থামাতে গিয়ে গুরুতর আহত হন রাবেয়া আক্তার। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ইমন আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন। তাকে বাধা দেওয়ায় তিনি তার মা ও ভাবীকে আঘাত করেন এবং ভাতিজিকে ছুড়ে ফেলে দেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ওসি বলেন, ঘটনাস্থলেই ইমনের মা ও ভাতিজির মৃত্যু ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ইমনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে কুমিল্লা থেকে সিআইডির একটি দল গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে।
পুলিশ জানায়, সুরতহাল শেষে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
স্থানীয়রা জানান, ইমন দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। সম্প্রতি একটি দুর্ঘটনায় তার পা ভেঙে যায়। সোমবার সকালে পায়ে তীব্র ব্যথা অনুভূত হলে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এ সময় মা ও ভাবী তাকে বাধা দিলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালান বলে অভিযোগ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ